অফবিট
বিস্ময়কর প্রতিভার অধিকারী বেহালার বেহালার শ্রেয়াংশ
একেবারেই অল্প বয়স থেকেই বেহালার শ্রেয়াংশ দেখিয়েছে তার আশ্চর্য প্রতিভা। চার বছরের গড় গড় করে বলে দিচ্ছিল কাক-চড়ুইয়ের বিজ্ঞানসম্মত নাম। প্রফেসর শঙ্কুর চোখ দেখেই জানিয়ে দেয় চশমার পাওয়ার মাইনাস সিক্স! শুধু সত্যজিৎ রায়ের গল্পে নয়, এমন বিস্ময় খোকার হদিশ মিলেছে বাস্তবেই। জানা গিয়েছে, মাত্র বাইশ মাসে বয়সেই বেহালার শ্রেয়াংশ অক্লেশে চিনিয়ে দিচ্ছে ইউরোপের দশ দেশের পতাকা। ছবি দেখে বুঝিয়ে দিচ্ছে কে দাঁতের চিকিৎসক, কে মহাকাশচারী। স্রেফ পোশাক দেখে বলে দিচ্ছে কারা বিমান সেবিকা কারা নিরাপত্তারক্ষী। শুধু কি তাই! পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্য তাঁর ঠোঁটের ডগায়। ছবি দেখেই বলে দিচ্ছে “ওই তো ব্রাজিলের ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার। এটা চিনের মহাপ্রাচীর। ওটা তো পেরুর মাচুপিচু।”
পরিবার সূত্রে জানা যাচ্ছে, এ সবই ঘটছে সেকেন্ডের মধ্যে। কী করে এত অল্প বয়সে এমন মেধা? চিকিৎসকরা বলছেন, সকলের মস্তিষ্ক একরকম কাজ করে না। জেনেটিক বা বংশগত কারণে অনেকেরই অল্প বয়সে স্মৃতিশক্তি-বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা বেশি। যাদের মস্তিষ্কে নিউরনের মধ্যে যোগাযোগ দ্রুত তাদের তথ্য বোঝার এবং বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা অন্যদের চেয়ে একটু বেশি। তেমনটা কি শ্রেয়াংশেরও? শ্রেয়াংশের মা এসএসকেএমের নার্সিং অফিসার। ছেলের বিশেষ ক্ষমতা নিয়ে তাঁর বক্তব্য, “ও ছোট থেকেই যা দেখে সঙ্গে সঙ্গে মুখস্থ করে নেয়। কোনও ফুল, ফল, পশুপাখি একবার দেখলে ওর মনে গেঁথে যায়। পরে কখনও সেই ফুল-ফলের নাম ছবি দেখিয়ে জিজ্ঞেস করলে ও ঝটপট চিনে নেয়।”
#offbeat