Dharma Dharmik
471 views
আয়ন থেরাপি (Ion Therapy) আয়ন থেরাপি হলো আধুনিক চিকিৎসা ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি, যেখানে চার্জযুক্ত কণা অর্থাৎ আয়ন ব্যবহার করে শরীরের জৈব প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করা হয়। চিকিৎসা, বায়োইঞ্জিনিয়ারিং সহ কসমেটিক্স ও রিল্যাক্সেশন থেরাপিতেও আয়ন থেরাপির ব্যবহৃত হয়। এখানে শুধু চিকিৎসা ক্ষেত্রে আয়নের ভূমিকা নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হলো। রিল্যাক্সেশন থেরাপি হলো এমন এক ধরনের চিকিৎসা বা থেরাপি যার মাধ্যমে শরীর ও মনের চাপ, উদ্বেগ এবং মানসিক ক্লান্তি কমিয়ে শান্ত ও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হয়। যা হোক, এ বিষয়ে পাইথন দিয়ে অতি সহজ একটা প্রোগ্রামিং করলে বিষয়টা আরও পরিস্কার হবে — import time for i in range(3) : print("Inhale... 🌬️") time.sleep(4) print("Hold...") time.sleep(2) print("Exhale... 😌") time.sleep(4) # Inhale... 🌬️ Hold... Exhale... 😌 Inhale... 🌬️ Hold... Exhale... 😌 Inhale... 🌬️ Hold... Exhale... 😌 সাধারণত শরীরে সতেজতা আনতে, স্ট্রেস কমাতে এবং রক্ত প্রবাহের মান উন্নত করতে O₂⁻ ও OH⁻ (ঋণাত্মক) আয়ন এবং কিছু ক্ষেত্রে কোষ উদ্দীপিত করতে Na⁺ ও Ca²⁺ (ধনাত্মক) আয়ন ব্যবহৃত হয়। এই আয়নগুলো বাতাসে মিশে ত্বক বা ফুসফুসের মাধ্যমে প্রবেশ করে এবং কোষের ইলেকট্রন ভারসাম্য পুনরুদ্ধার করে। এ ছাড়া এই থেরাপির আরও কিছু বিশেষ ব্যবহার রয়েছে। যেমন অ্যাজমা, এলার্জি, সাইনাস সমস্যায় সহায়ক। ত্বক পরিচর্যায় আয়নটোফোরেসিস পদ্ধতিতে ত্বকের ভেতর ওষুধ প্রবেশ করানো হয়। ফুসফুসের মাধ্যমে শরীরে O₂⁻ আয়ন প্রবেশ করালে মস্তিষ্কে serotonin হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা এবং ঘুম, মনোযোগ, মানসিক প্রশান্তিতে সাহায্য করে। এই থেরাপি অ্যাকনি হাইপারহাইড্রোসিস (অতিরিক্ত ঘাম) চিকিৎসায়ও ব্যবহৃত। আয়নটোফোরেসিস হলো বিশেষ ধরণের এক আয়ন থেরাপি যেখানে বিদ্যুৎ প্রবাহ (DC current) ব্যবহার করে ত্বকের ভেতরে ওষুধ পাঠানো হয়। প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ হিসেবে একটি করে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক ইলেক্ট্রোড, DC পাওয়ার সোর্স এবং মেডিকেশন দ্রবণের প্রয়োজন পড়ে। এ ছাড়া আয়ন থেরাপি সম্পর্কে আর বিশেষ কিছু জানা যায় না। যুক্তি এমন একটা বিষয় যা দিয়ে যে কোন তথ্যের সত্যি মিথ্যা নিরূপণ করা যায়। তাই এই থেরাপি সম্পর্কে লজিক্যালি কিছু সম্ভাব্য দিক নিয়ে আলোচনা করলাম। যদি বিষয়টা রক্তের বিভিন্ন আয়নের অনুপাতের উপর বেস করে বর্ণনা করি তাহলে বুঝতে সহজ হবে। একজন সুস্থ মানুষের শরীরে রক্তের বিভিন্ন উপাদানের সাথে অসুস্থ ব্যক্তির এই উপাদান সমূহ অর্থাৎ বিভিন্ন আয়নের তারতম্য পরিলক্ষিত হবে। কোন্ আয়নের তারতম্য পরিলক্ষিত হবে তার উপরে নির্ভর করবে তার শরীরে কি ধরনের রোগ আছে। যেমন Na⁺ বা Cl⁻ বা উভয় আয়নের ঘাটতি থাকলে জীবাণু সংক্রমিত যে কোন রোগ বা বিশেষ করে যে কোন ধরনের জীবাণু সংক্রমিত ক্যান্সার থাকার সম্ভাবনা বেশি। কারণ যে কোন পচনশীল পদার্থের তাপমাত্রা ও লবণের অনুপাতের পরে নির্ভর করে ওই পদার্থ জীবাণুরদের সাথে সংগ্রাম করে নিজের অবয়ব কতো সময় যাবৎ কতোটা অক্ষত রাখতে পারবে। পাশাপাশি ৩৭° সেলসিয়াসের কাছাকাছি তাপমাত্রার স্থায়িত্ব যে কোন পদার্থের স্বাভাবিক পচনক্রিয়া ত্বরান্বিত করে। মানুষের শরীরে বসবাসরত বিভিন্ন জীবাণুর প্রবৃদ্ধির তাপমাত্রা বের করলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই ৩৭° সেলসিয়াসের কাছাকাছি দেখা যাবে। প্রতি ১ লিটার রক্তে প্রায় 0.018–0.026 বা গড়ে 0.022 গ্রাম পটাসিয়াম থাকে। রক্তে এই পটাশিয়ামের মাত্রা ওঠা-নামার উপরে কার্বন সম্পৃক্ত সুগার, পক্ষাঘাত, স্পন্ডেলাইটিস ইত্যাদি রোগগুলো নির্ভরশীল। সংক্ষেপে বলা চলে — Ca²⁺, H⁺, K⁺, Mg²⁺, Na⁺ইত্যাদি পজিটিভ এবং Cl⁻, HCO₃⁻, O₂⁻, OH⁻, PO₄³⁻, SO₄²⁻ ইত্যাদি নেগেটিভ আয়নের তারতম্যে শরীরে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেবে। ধন্যবাদ। #বিজ্ঞান