বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট সিস্টেমটি বর্তমানে গভীর নিম্নচাপ থেকে আজ সন্ধ্যার মধ্যে দুর্বল ঘূর্ণিঝড় পরিণত হবে। ঘূর্ণিঝড়টি সৃষ্টি হলে এর নাম হবে মান্থা।
আগামী ২৮ তারিখ সকালে বিশাখাপত্তনম এবং উড়িষ্যার দক্ষিণে মধ্যবর্তী স্থান দিয়ে অতিক্রম করবে ধীরে ধীরে উত্তর পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে আগামী ২৯ তারিখের পর উত্তরবঙ্গে প্রবেশ করতে পারে।।
ঘূর্ণিঝড় টি শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা কম।
আশা করা যায় এই ঘূর্ণিঝড়টি স্থলভাগ অতিক্রম করার পূর্বে ঝড়ের সর্বোচ্চ গতিবেগ ৭০ কিলোমিটার হতে পারে।
এর প্রভাবে আগামী সাতাশ থেকে ২৯ তারিখের মধ্যে অন্ধ্রপ্রদেশ তামিলনাড়ু উড়িষ্যায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে।
পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণবঙ্গে আগামী ২৮ তারিখ ভোর রাত থেকে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে কোন কোন এলাকায় এক দুই পশলা অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। উপকূল ভাগে দমকাদ ঝড়ো বাতাস থাকতে পারে বাতাসের গতিবেগ কুড়ি থেকে ত্রিশ কিলোমিটার সর্বোচ্চ ৪৫ কিলোমিটার হতে পারে।
এই সিস্টেমের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়বে উত্তরবঙ্গে। আগামী ২৯ তারিখ বুধবার থেকে পহেলা নভেম্বর শুক্রবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে বিশেষ করে জলপাইগুড়ি দুই দিনাজপুর উত্তর মালদহ জেলা আলিপুরদুয়ার কোচবিহার জেলা গুলিতে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। এর ফলে উত্তরবঙ্গে পুনরায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের সম্ভাবনা। ভূমিধস বা হড়পা বানের সম্ভাবনা থেকে যায়।
একটা কথা মনে রাখতে হবে যে সিস্টেমের ঝড়ের গতিবেগ কম থাকে সেই সিস্টেম থেকে বেশি পরিমাণ বৃষ্টি হয়।
দক্ষিণবঙ্গের বৃষ্টির পরিমাণ কম থাকলেও দমকা ঝড়ো বাতাসের কারণে আমন ধান চাষের ক্ষতি হতে পারে।
#⛈️ধেয়ে আসছে ‘সাইক্লোন মন্থা’⛈️