অনুসরণ করুন
Ml Hassan
@1413190776
27
পোস্ট
44
ফলোয়ার্স
Ml Hassan
605 জন দেখলো
1 দিন আগে
মৃত্যু ও বিয়েতে কি অড্ভুদ মিল! একটি উর্দু কবিতার অনুবাদা তােমার পালকি উঠলাে, আমার খাটিয়া উঠলা। ফুল তােমার উপরও ঝরলাে, আমার উপরও ঝরলাে। তফাৎ শুধু এতটুকুই ছিল। তুমি সেজে গলে, আমাকে সাজিয়ে নিয়ে গেল। তুমি নিজের ঘরে চললে, আমিও নিজের ঘরে চললাম। তফাৎ শুধু এতটুকুই ছিল। তুমি নিজেই উঠে গেলে, আমাকে উঠিয়ে নিয়ে গেল। মাহফিল এখানেও ছিল, লােকজন এখানেও ছিল। তফাৎ শুধু এতটুকুই ছিল। ঐখানে সবাই হাসছিল, এখানে সবাই কাঁদছিল। কাজি এখানেও ছিল, মৌলভী এখানেও ছিল। দুটো আয়াত তােমার জন্য পড়ল, দুটো আয়াত আমার জন্য পড়ল। তােমার জন্য বিয়ে গড়ালো, আমার জন্য জানাজা পড়ালাে। তফাৎ শুধু এতটুকুইছিল। তােমাকে করল আপন, আমাকে করল দাফন।....... 😌😌😌 #SAD STATUS 😭😭❤
Ml Hassan
388 জন দেখলো
2 দিন আগে
#রাঙ্গুনিয়া #পদুয়ায় #মায়ের পরকীয়ার জেরে সন্তান হ/ত্যা করে মাটি চাপা দেওয়ার অভিযোগ, দুধপুকুরিয়ার চিতাখোলা থেকে #SAD STATUS 😭😭❤ উদ্ধার ম/র/দে/হ। #followerseveryone #PostViral #viralpost
Ml Hassan
772 জন দেখলো
4 দিন আগে
জীবনের একটা তিতা সত্য কথী শুনবেন আপনার মূত্র পর আপনার সন্তান কিংবা আপনার স্ত্রী দু' বেলা ঠিকমত পেট ডরে খেত পারছে কিনা এটা দেখার বা খৌঁজ নেওয়ার লােকের সংখ্যা খুব কম। তাই আপনি বেঁচে থাকা অবস্থায় আপনার সাম্থ্য অনুযায়ী তাদের যত্ন নেওয়ার চেষ্টা করুন, স্বামী না থাকলে স্ত্রীর শখ কিংবা সন্তুনের আবদার এসব বিলাসিতা মাত্র। #SAD STATUS 😭😭❤
Ml Hassan
755 জন দেখলো
8 দিন আগে
চট্টগ্রামের ইতিহাসে এটা অন্যতম একটা হৃদয়বিদারক ঘটনা! ৫ভাইয়ের বাবা আবদুল মজিদ ছিলেন রাঙ্গুনিয়ার একজন স্থানীয় দরিদ্র কৃষক। খুব ছোটোবেলায় বাবাকে হারিয়েছিলেন। মা অনেক কষ্টে আগলে রেখে মানুষ করেছেন তাদের। ১২ বছর আগে ধারদেনা করে শ্রমিক হিসেবে প্রথমে ওমান যান বড়ছেলে মুহাম্মদ রাশেদ! 😊 শ্রমিকের কাজ করতে সেখানে পেয়ে যান ড্রাইভিং লাইসেন্স। এরপর সেখানকার এক শেখের গাড়িচালক হিসেবে চাকরি পান। পরে একে একে আরও তিন ছোট ভাইকে ওমানে নিয়ে যান রাশেদ৷ তাদেরও চাকরি হলো। সব ভাইয়েরা মিলে অস্বচ্ছল পরিবারের ভাগ্য বদলালেন। নিজেদের দো’তলা একটা বাড়িও বানালেন। মা ও স্ত্রা-সন্তান ও ভাইরা মিলেমিশে একসাথে থাকতেন সুখেই। কিন্তু সে সুখ আর স্থায়ী হলো না! রাঙ্গুনিয়ার ওমান প্রবাসী ৪ ভাইয়ের এমন মৃ’ত্যুতে স্তব্ধ গোটা চট্টগ্রাম। কিন্তু সে ভাইয়ের মা খাদিজা বেগম এখনও জানেন না তার ৪ প্রবাসী সন্তানের কেউ-ই আর বেঁচে নেই। মা/রা যাওয়ার আগে গাড়িতে বসে মাকে কল দিয়ে নিজের এবং বাকি ৩ ভাইয়ের জন্য অসুস্থ বলে দোয়া চেয়েছিলেন বড় ছেলে মুহাম্মদ রাশেদ। রাশেদ মাকে জানান, গাড়িতে তাঁদের নিশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। তাঁরা হাসপাতালে যাচ্ছেন। এই ফোনের ১০ মিনিট পর চার ভাইয়ের মুঠোফোনে আর সংযোগ পাওয়া যায়নি। আর আধা ঘণ্টা পরে রাতে ওমানের মুলাদ্দা এলাকার একটি হাসপাতালের সামনে গাড়ির ভেতর থেকে তাঁদের লা/শ উ/দ্ধার করা হয়! ছেলেরা অসুস্থ শুনেই বারবার জ্ঞান হারাচ্ছেন তিনি। ছেলেদের এমন মৃ/ত্যুর খবর সইতে পারবেন না তাই এলাকাবাসী ও আত্মীয়রা শোকের মাতমেও বাড়ির বাইরেই দাঁড়িয়ে এই পরিবারের পাশে আছেন। এভাবে যে একসঙ্গে চারটা বুকের ধন চলে যাবে, বুকটা খালি হয়ে যাবে, সেটা কীভাবে মানবেন মা।দো’তলা বাড়ির গেইটেই তালা ঝুলিয়েছেন বেঁচে থাকা একমাত্র ছেলে মোহাম্মদ এনাম! এলাকাবাসীর মুখেমুখে এখন এই পরিবারের দুর্দিন থেকে সুদিনের গল্প। সে গল্পে যোগ হলো অত্যন্ত নি/র্মম এক ভাগ্যের আলাপও! এমন ভাগ্য আর কারও না হোক! 🤲 তথ্য: প্রথম আলো #SAD STATUS 😭😭❤ #chittagong #চট্টগ্রাম #NewsUpdate #Chattogramupdate #highlight #রাঙ্গুনিয়া #highlightsシ゚ #facebookpost #ওমানপ্রবাসী
Ml Hassan
475 জন দেখলো
1 মাস আগে
আমার গ্রাম, মাজে মাজে যখন সুযোগ পাই, গ্রামের সৌন্দর্য উপভোগ করতে চলে আসি, #💔একাকিত্ব জীবন💔