#📢রাজনৈতিক আপডেট🙏 রাহুল গান্ধী অমিত শাহের ৮টি মিথ্যা ফাঁস করে দিলেন:
১.শাহের মিথ্যা: নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের বিষয়ে সরকার কেবল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতোই কাজ করেছে;
ভোট-চুরির সত্যতা: মোদি এবং শাহ এমন একটি আইন তৈরি করেছেন যা সিজেআই-কে নির্বাচন কমিটি থেকে বাদ দিয়েছে।
২. শাহের মিথ্যা: জনপ্রতিনিধিত্ব আইন অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনারদের সবসময়ই অনাক্রম্যতা ছিল।
ভোট-চুরির সত্যতা: জনপ্রতিনিধিত্ব আইন কখনোই প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং কমিশনারদের ব্যক্তিগত ক্ষমতায় অনাক্রম্যতা দেয়নি, এবং পূর্বে কর্মকর্তারা নির্বাচনী তালিকা সুরক্ষার জন্য তাদের সরকারি দায়িত্ব লঙ্ঘনের মতো কিছু করলে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা যেত।
৩. শাহের মিথ্যা: ইভিএম নিরাপদ কারণ এগুলো রাজীব গান্ধীর সময়ে চালু হয়েছিল।
ভোট-চুরির সত্যতা: এখন ভোট চুরি হচ্ছে, এবং যখন গুরুতর অভিযোগ ওঠে, তখন নির্বাচন কমিশনের ইভিএম কাঠামোর নিরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত থাকা উচিত।
৪. শাহের মিথ্যা: বিজেপি ওয়েনাড এবং আমেথির ভোটার তালিকায় অসঙ্গতি দেখিয়েছে।
ভোট-চুরির সত্যতা: আমরাও বলছি যে রাহুল গান্ধীকে হারানোর জন্য বিজেপি ভুয়া সংযোজন করছিল, এগুলো সমাধান করা প্রয়োজন।
৫. শাহের মিথ্যা: ‘অনুপ্রবেশকারী’ শনাক্ত করার জন্য নিবিড় সংশোধন করা হচ্ছে।
ভোট-চুরির সত্যতা: নির্বাচন কমিশন ‘অনুপ্রবেশকারী’র এই আখ্যানটি ক্রমাগত অস্বীকার করে আসছে। আর কতজন অনুপ্রবেশকারীকে খুঁজে পাওয়া গেছে? ৪০০ জনেরও কম, যাদের বেশিরভাগই বাংলাদেশ থেকে নয়, নেপাল থেকে এসেছেন - আপনার অনুপ্রবেশকারীরা কোথায়?
৬. শাহের মিথ্যা: যখন কংগ্রেস হারে তখন আমরা ভোট চুরির অভিযোগ তুলি, কিন্তু যখন আমরা জিতি তখন নয়।
ভোট-চুরির সত্যতা: এটা জেতা বা হারার বিষয় নয়, এটা গণতন্ত্র রক্ষা এবং সংবিধান রক্ষার বিষয়।
৭. শাহের মিথ্যা: নির্বাচন কমিশনের ওপর প্রশ্ন তোলা ভারতের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে এবং গণতন্ত্রকে দুর্বল করছে।
ভোট-চুরির সত্যতা: আপোষকৃত প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রশ্ন করা কখনোই গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে হতে পারে না। প্রতিষ্ঠান এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ওপর বিজেপির আক্রমণ, এবং স্বচ্ছ হতে ও জনগণের স্বার্থ রক্ষা করতে নির্বাচন কমিশনের ব্যর্থতাই ভারতের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে।
৮. শাহের মিথ্যাচার: বিহারে ১০,০০০ টাকা নগদ হস্তান্তরের প্রভাবকে ইচ্ছাকৃতভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে
ভোট-চুরির সত্যতা: নির্বাচন কমিশন এনডিএ-কে ভোটের মাত্র ৩ দিন আগে ১ কোটিরও বেশি অ্যাকাউন্টে ১০,০০০ টাকা জমা দেওয়ার অনুমতি দিয়েছিল