Follow
BOSE
@24765793
173
Posts
402
Followers
BOSE
800 views
4 months ago
#🙌 বিবেকানন্দের বাণী 🙌 নাস্তিক প্রফেসর ক্লাসে ঢুকেই তার ছাত্রদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন, "পৃথিবীতে যা কিছু আছে সব কি সৃষ্টিকর্তা তৈরি করেছেন?" একজন ছাত্র বেশ আত্নবিশ্বাসের সাথেই উত্তর দিলো, জ্বী স্যার। সবকিছুই সৃষ্টিকর্তা তৈরি করেছেন। "তাই নাকি! ছাত্র টির উত্তর শুনে মুচকি হাসেন প্রফেসর। সৃষ্টিকর্তা সত্যিই সবকিছু তৈরি করেছেন? তুমি ভেবে বলছো?" ছাত্র টি আগের মত আত্নবিশ্বাসের সাথে হ্যা বোধক উত্তর দিতেই প্রফেসর আবারও প্রশ্ন করেন, "সৃষ্টিকর্তাই যদি সবকিছু তৈরি করে থাকেন তাহলে উনি তো খারাপ কেও সৃষ্টি করেছেন। তোমার উত্তর অনুযায়ী যেহেতু খারাপের অস্তিত্ব আছে এবং আমরা কি সেটা আমাদের কাজের উপর নির্ভর করেই নির্ধারণ হয়, সেই যুক্তি অনুযায়ী তাহলে সৃষ্টিকর্তা নিজেই খারাপ। কারন আমাদের ভাল-মন্দ সব গুণ উনি তৈরি করেছেন।" প্রফেসরের এমন কথা শুনে সব ছাত্র চুপ হয়ে গেলো। কেউ কিছু বলছেনা। ছাত্রদের চুপ হয়ে যাওয়া দেখে প্রফেসর নিজের উপর বেশ সন্তুষ্ট হলেন। কিছুক্ষণ পর আরেকজন ছাত্র উঠে দাড়ালো। প্রফেসর আমুদে ভঙ্গীতে জিজ্ঞাসা করেন, কিছু বলতে চাও? ছাত্র টি হাসি মুখে প্রফেসরের কাছে জানতে চায়, "আপনাকে একটা প্রশ্ন করতে পারি স্যার?" অবশ্যই করতে পারো। প্রফেসর অনুমতি দিতেই ছাত্র টি জিজ্ঞাসা করে- "স্যার, ঠান্ডা বলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব আছে কি?"??? … প্রশ্ন শুনে প্রফেসরের চেহারায় বিরক্তি ফুটে ওঠে। "কি গাধার মত প্রশ্ন করো! ঠান্ডার অস্তিত্ব থাকবেনা কেন? অবশ্যই ঠান্ডার অস্তিত্ব আছে। তোমার কি কখনো ঠান্ডা লাগেনি?" এবার ছাত্র টি মুচকি হেসে উত্তর দেয়, সত্যি বলতে কি স্যার, ঠান্ডার কোনো অস্তিত্ব নেই। আমরা যেটাকে ঠান্ডা বলি, পদার্থ বিজ্ঞানের ভাষায় সেটা আসলে তাপের অনুপস্থিতি। আমরা এই "ঠান্ডা' শব্দ টিকে জাস্ট কম তাপ কিংবা তাপের অনুপস্থিতি কে ব্যাখ্যা করার জন্য ব্যবহার করি। কিছুক্ষণ পর ছাত্র টি আবারো প্রশ্ন করে, "স্যার অন্ধকার বলে কিছু কি পৃথিবীতে আছে?" প্রফেসর উত্তর দেন, কেন থাকবেনা! অবশ্যই অন্ধকারের অস্তিত্ব আছে। ছাত্র টি সহাস্যে উত্তর দেয়, আপনার ধারণা ভুল স্যার। অন্ধকার বলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই। আমরা আলো কে নিয়ে রিসার্চ করতে পারি, আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ মাপতে পারি, আলোর গতি বের করতে পারি। কিন্তু অন্ধকারের অস্তিত্ব নেই বলেই আমরা অন্ধকার নিয়ে কোনো কিছুই করতে পারিনা। সামান্য একটা আলোক রশ্নি অন্ধকার দূর করতে যথেষ্ঠ, কিন্তু অন্ধকার কখনো আলো কে গ্রাস করতে পারেনা। কারন অন্ধকার বলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই, অন্ধকার হচ্ছে আলোর অনুপস্থিতি। ছাত্র টি আবারও প্রশ্ন করে বসে। "স্যার, এবার বলেন খারাপের কি অস্তিত্ব আছে?" প্রফেসর বেশ ক্রুদ্ধস্বরে উত্তর দেন, অবশ্যই আছে। প্রতিদিন কত মানুষ খুন হচ্ছে, অন্যায় হচ্ছে, এগুলো খারাপ না?" ছাত্র টি বেশ জোরের সাথে উত্তর দেয়, "না স্যার। খারাপের কোনো অস্তিত্ব নেই, এটা হচ্ছে ভালোর অনুপস্থিতি। এটা সেই ঠান্ডা এবং অন্ধকারের মতই, মানুষের অন্তরে সৃষ্টিকর্তার প্রতি ভালবাসার অনুপস্থিতিই এই খারাপ বা মন্দের অবস্থা তৈরি করে। এই ছাত্রটি ছিলেন নরেন্দ্রনাথ দত্ত, যিনি আজ সারা বিশ্বে স্বামী বিবেকানন্দ হিসাবে পরিচিত!! সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন
BOSE
522 views
5 months ago
#📰দেশের আপডেট📰RAW এর জন্ম ১৯১৮ সালের সেপ্টেম্বরের লখনৌ— কুয়াশার সকাল, শান্ত রাস্তা, আর সেই শহরেই জন্ম নিলেন এক ছেলে— Rameshwar Nath Kao। কেউই তখন জানত না— এই ছেলেটার মাথা একদিন ভারতীয় গোয়েন্দা ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অস্ত্র হবে। শৈশব থেকেই Kao ছিলেন অদ্ভুত শান্ত, খুব কম কথা বলা, কিন্তু ভেতরে ছিল একটা অন্যরকম “অবজার্ভেশন”। শ্রেণিকক্ষে তিনি পিছনের বেঞ্চে বসতেন— কিন্তু সব ছাত্রের আচরণ মুখস্থ রাখতেন। বন্ধুরা বলত— “ও কথা কম বলে, কিন্তু সব দেখে।” ১৯৪০–এর দশকে তিনি প্রবেশ করেন ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোতে। তখন ব্রিটিশরা ভারতের নিরাপত্তা চালাত, আর দেশ স্বাধীনতার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। Kao শিখলেন— তথ্য কীভাবে সংগ্রহ করতে হয়, মানুষের ভাষা কীভাবে পড়তে হয়, মনস্তত্ত্ব কীভাবে ভাঙতে হয়। কিন্তু স্বাধীনতার পরে তার জীবনে প্রথম বড় দায়িত্ব— ১৯৬2–এর চীন–ভারত যুদ্ধের সময় গোপন তথ্য সংগ্রহ। তিনি বুঝে যান— ভারতের দরকার একটা আলাদা বিদেশি-গোয়েন্দা সংস্থা, CIA–KGB–MOSSAD–এর মতো। এবং এই স্বপ্ন থেকেই জন্ম নেয়— R.A.W (Research & Analysis Wing)। ১৯৬8 সালে প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী তাকে ডাকেন চুপচাপ একটি মিটিংয়ে। শুধু দু’জন মানুষ বসেছিলেন ঘরে— ইন্দিরা গান্ধী এবং R. N. Kao। সেখানে বলা হয়— “Kao Saheb, we need an external intelligence agency… build it.” এক মুহূর্ত সময় নষ্ট না করে তিনি তৈরি করতে শুরু করেন ভারতের সবচেয়ে গোপন— সবচেয়ে শক্তিশালী— সবচেয়ে নিঃশব্দ সংস্থা: RAW। ১৯৭১: যে দিনে Kao–এর মাথাতে জন্ম নিল “Bangladesh” ১৯৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তানে গণহত্যা চলছে, লাখো শরণার্থী ভারতে আসছে, পাকিস্তানি সেনাবাহিনী অত্যাচার করছে— ভারত কী করবে, সেটাই ছিল প্রশ্ন। ইন্দিরা গান্ধীর টেবিলে তখন যে রিপোর্টগুলো যেত— তার প্রতিটা পাতাই লিখতেন Kao। তিনি ইন্দিরাকে বলেছিলেন— “If India waits, the blood will never stop.” Kao প্রস্তুত করেন— 👉 মুজিবনগর সরকারের সুরক্ষা পরিকল্পনা 👉 মিত্র বাহিনীর জন্য গোয়েন্দা ম্যাপ 👉 পাকিস্তানের ট্রান্সমিশন ব্লক করার স্ট্র্যাটেজি 👉 মেজর Zia ও Mukti Bahini–র জন্য মাঠের ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক 👉পাকিস্তানের নৌবাহিনীর রুট-কাট স্ট্রাকচার RAW–এর তৈরি করা তথ্য ছাড়া ভারতীয় সেনা ১৩ দিনের মধ্যে যুদ্ধ জিততে পারত না— এটা সকল ইতিহাসবিদের মত। কিন্তু Kao কখনো সামনে আসেননি। ১৯৭১ শেষ, বাংলাদেশ জন্ম— কিন্তু মানুষ জানেও না এই ছায়ামানুষটার নাম। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী গুপ্তচর সংস্থাগুলো তাকে ভয় করত MI6 একবার Kao–কে বলেছিল— “You are the Asian spymaster.” CIA–এর এক রিপোর্টে তাকে বলা হয়েছে— “The man who built his own intelligence galaxy.” কিন্তু তিনি সবসময় সাধারণ পোশাক পরতেন— কখনো টাই পরেননি, কখনো VIP গাড়ি নেননি, কখনো প্রেসের সামনে আসেননি। তিনি বলতেন— “স্পাই যদি আলো চায়, সে স্পাই না।” ১৯৮4 – অপারেশন ব্লু স্টার এটা ছিল তার জীবনের সবচেয়ে কঠিন পরামর্শ— কারণ ভুল হলে পুরো দেশ জ্বলে যেত। Kao সেদিনও ছিলেন চুপচাপ, টেবিলের পাশে। তিনি পুরো অপারেশনের রূপরেখা দেন, বিস্ফোরক কোথায়, কত অস্ত্র, কোন টানেল— সবই তার ইনপুটে ডিজাইন হয়। কিন্তু অপারেশনের ব্যর্থতা বা জটিলতা— তিনি কখনো দায় অন্যের ওপর চাপাননি। তিনি শুধু বলেছিলেন— “দেশের ক্ষতি না হওয়াই সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।” জীবনজুড়ে ছায়া, মৃত্যু পর্যন্ত নিঃশব্দ ২০০2 সালে Kao মারা গেলে— ভারতের সাধারণ মানুষ তখনও জানত না— এই মানুষটার অবদান কী। তিনি কোনো আত্মজীবনী লেখেননি। কোনো সাক্ষাৎকার দেননি। কোনো অনুষ্ঠানে যাননি। তার জীবনের মূল সূত্র— “A good spy dies a stranger.” আজ ভারতের গোয়েন্দা দুনিয়ায় একটা কথা খুব বিখ্যাত— “RAW–এর রক্তে Kao আছে।” কারণ ভারতীয় স্পাইডমের ভিত্তিই তিনি। ফাউন্ডেশন। ছায়া। ঈশ্বরের মতো নীরব এক ভরসা। সোর্স: The Hindu – R. N. Kao archives Hindustan Times – “The man who built RAW” India Today – Bangladesh 1971 intelligence files BBC – India’s Secret Spymaster profile Book: “Kao: The Gentle Spymaster” (Nitin A. Gokhale)
BOSE
459 views
6 months ago
#📰রাজ্যের আপডেট📰 বিখ্যাত কবিদের নিজেদের নাগরিকত্ব প্রমান করতে ডাকা হয়েছে। প্রথম জন ঘরে ঢুকলেন। ১) প্রশ্নকর্তা- নাম ? উত্তর - মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রশ্নকর্তা - জন্ম ? উত্তর - "যশোরে সাগরদাঁড়ি কপোতাক্ষ-তীরে জন্মভূমি, জন্মদাতা দত্ত মহামতি রাজনারায়ণ নামে, জননী জাহ্নবী।" প্রশ্নকর্তা - যশোর বাংলাদেশে না? আপনার কেসটা আরো খতিয়ে দেখতে হবে। নেক্সট ! ২) প্রশ্নকর্তা - নাম ? উত্তর - সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত প্রশ্নকর্তা - জন্ম ? উত্তর - "মুক্ত বেণীর গঙ্গা যেথায় মুক্তি বিতরে রঙ্গে, আমরা বাঙালি বাস করি সেই তীর্থ বরদ বঙ্গে।" প্রশ্নকর্তা - পূর্ব বঙ্গ না পশ্চিম বঙ্গ mention করা নেই। আপনিও পাশের ঘরে বসুন। নেক্সট ... ৩) প্রশ্নকর্তা - নাম ? উত্তর - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রশ্নকর্তা - জন্ম ? উত্তর - " নম নম নম সুন্দরী মম জননী বঙ্গভূমি, গঙ্গার তীর স্নিগ্ধ সমীর জীবন জুড়ালে তুমি" প্রশ্নকর্তা - আবার গঙ্গা। কিন্তু আপনি যখন নোবেল জয়ী তখন যান আপনাকে বেনিফিট অফ ডাউট দিলাম। নেক্সট ... ৪) প্রশ্নকর্তা - নাম ? উত্তর - দ্বিজেন্দ্রলাল রায় প্রশ্নকর্তা - জন্ম ? উত্তর - " ওমা তোমার চরণ দুটি বক্ষে আমার ধরি আমার এই দেশেতেই জন্ম যেন এই দেশেতেই মরি।" প্রশ্নকর্তা - কাঁদিয়ে দিলেন দাদা। আপনি যান। নেক্সট..... ৫) প্রশ্নকর্তা - নাম ? উত্তর - সুকান্ত ভট্টাচার্য প্রশ্নকর্তা - জন্ম ? উত্তর - " আমার ঠিকানা খোঁজ ক'রো শুধু সূর্যোদয়ের পথে। ইন্দোনেশিয়া, যুগোশ্লাভিয়া, রুশ ও চীনের কাছে, আমার ঠিকানা বহুকাল ধ'রে জেনো গচ্ছিত আছে।" প্রশ্নকর্তা - আপনি তো মশাই ডেঞ্জারাস । সব দেশেই সিটিজেনশিপ নিয়েছেন নাকি। আপনি বরং তিন নম্বর ঘরে ওয়েট করুন। আপনার টাইম লাগবে নেক্সট..... ৬) প্রশ্নকর্তা - নাম ? উত্তর - কুমুদ রঞ্জন মল্লিক প্রশ্নকর্তা - জন্ম ? উত্তর - " বাড়ি আমার ভাঙ্গন ধরা অজয় নদীর বাঁকে জল যেখানে সোহাগ করে স্থলকে ঘিরে রাখে।" প্রশ্নকর্তা - অজয় নদ তো বীরভূমে। নো প্রবলেম । আপনি যান । নেক্সট..... ৭) প্রশ্নকর্তা - নাম ? উত্তর - জীবনানন্দ দাস প্রশ্নকর্তা - জন্ম ? উত্তর - " আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে এই বাংলায়।" প্রশ্নকর্তা - ওই ধানসিঁড়ি নামটায় খটকা আছে। কংসাবতী হলে ভালো হত। অপেক্ষা করুন নেক্সট..... ৮) প্রশ্নকর্তা - নাম ? উত্তর - কাজী নজরুল ইসলাম প্রশ্নকর্তা - জন্ম ? উত্তর - " আমি সন্ন্যাসী, সুর-সৈনিক, আমি যুবরাজ, মম রাজবেশ ম্লান গৈরিক। আমি বেদুঈন, আমি চেঙ্গিস, আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্ণিশ! আমি বজ্র, আমি ঈশান-বিষাণে ওঙ্কার, আমি ইস্রাফিলের শিঙ্গার মহা হুঙ্কার, আমি পিণাক-পাণির ডমরু ত্রিশূল, ধর্মরাজের দন্ড, আমি চক্র ও মহা শঙ্খ, আমি প্রণব-নাদ প্রচন্ড! আমি ক্ষ্যাপা দুর্বাসা, বিশ্বামিত্র-শিষ্য, আমি দাবানল-দাহ, দাহন করিব বিশ্ব। আমি প্রাণ খোলা হাসি উল্লাস, – আমি সৃষ্টি-বৈরী মহাত্রাস, আমি মহা প্রলয়ের দ্বাদশ রবির রাহু গ্রাস! আমি কভু প্রশান্ত কভু অশান্ত দারুণ স্বেচ্ছাচারী, আমি অরুণ খুনের তরুণ, আমি বিধির দর্পহারী!" প্রশ্নকর্তা - আমার সব গুলিয়ে গেল। আপনি কে সেটাই বুঝে উঠতে পারলাম না। শরীর খারাপ লাগছে। আজ আর কোনো কাজ হবে না। আমি বাড়ি যাব। আজ এই অব্দি থাক। #সংগৃহীত