Follow
Sandy
@432465573
210
Posts
2,101
Followers
Sandy
1.3K views
9 days ago
🙏একবার মহাদেবকেও হাত পাততে হয়েছিল দেবী অন্নপূর্ণার সামনে।🙏 🔱⚜️🔱⚜️🔱⚜️🔱⚜️🔱 ✳️❇️✳️❇️✳️❇️✳️❇️✳️ সংসারে অভাব-অনটন দূর করতে এবং অন্নের সংস্থান নিশ্চিত করতে দেবী অন্নপূর্ণার আরাধনা অনাদিকাল থেকে চলে আসছে।দেবী অন্নপূর্ণা মূলত দেবী দুর্গা বা পার্বতীরই এক শান্ত ও মমতাময়ী রূপ।তাঁর এক হাতে রয়েছে অন্নের পাত্র এবং অন্য হাতে রত্নখচিত হাতা, যা দিয়ে তিনি জগতবাসীকে অন্ন বিলিয়ে দেন। বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণের মধ্যে এই পুজোটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ,কারণ মা অন্নপূর্ণা হলেন অন্ন ও পুষ্টির অধিষ্ঠাত্রী দেবী।তাঁর কৃপায় সংসারে কোনোদিন খাবারের অভাব হয় না—এমনই বিশ্বাস ভক্তদের হৃদয়ে। সত্যি কাহিনী কে গল্পের ছলে বলি...জানলেও পড়ুন ভালো লাগবে।আমি আগের পোস্টে বলেছিলাম শ্রী শ্রী কৃষ্ণই বলেছিলেন দুর্গা দেবীকে, "তোমাকে অনেক রূপে পুজো করবে মানুষে।........ বাসন্তীপুজোর (Basanti Puja) অষ্টমীর দিনে মা দুর্গার আরেক রূপে দেবীবন্দনা করা হয়।তিনি হলেন মা অন্নপূর্ণা।দেবী অন্নপূর্ণাকে শাস্ত্রে শাকম্ভরী বলে উল্লেখ করা হয়েছে।চৈত্র মাসের শুক্ল পক্ষের অষ্টমী তিথিতে দেবী অন্নপূর্ণার পুজো করা হয়ে থাকে।এই দেবী শাকম্ভরী নবপত্রিকা হিসাবে দুর্গাপুজোর সময় পূজিতা হন।অন্ন শব্দের অর্থ হল ধান আর পূর্ণ কথার অর্থ হল ভর্তি।অর্থাৎ অন্নদাত্রী। তিনি শক্তির অপরূপ।পুরাণে দেবীকে কোথাও দ্বিভুজা কোথাও বা চতুর্ভুজা বলা হয়েছে।ত্রিনয়না তিনি।গাত্রবর্ণ লাল।হিন্দু বিশ্বাস অনুযায়ী, অন্নপূর্ণার পুজো করলে ঘরে অন্নাভাব থাকে না।কাশীতে দেবী অন্নপূর্ণার সুপ্রাচীন মন্দির রয়েছে।এই মন্দিরে অন্নপূর্ণা পুজো ও অন্নকূট উৎসব বিখ্যাত। রায়গুণাকার ভারতচন্দ্র দেবী অন্নপূর্ণার কথা উল্লেখ করে অন্নদামঙ্গল কাব্য রচনা করেছিলেন।সেখানে দেবীর মাহাত্ম্য বর্ণনা করা হয়েছে।দেবী অন্নপূর্ণাকে ঘিরে রয়েছে এক পৌরাণিক কাহিনি।সেই অনুসারে,বিবাহের পর হর পার্বতীর এক দিকে সংসারে অভাব অনটনে দিন কাটছে তার মধ্যে শিব বাঁধিয়ে ফেললেন এক তর্ক..... মহাদেব এবং পার্বতীর মধ্যে এক বিতর্ক সৃষ্টি হলো।শিব বলেন,‼️‼️⁉️⁉️ ‘"জগত এক মায়া,এবং খাদ্যও একটি মায়া।’" এই কথা শুনে দেবী পার্বতী রুষ্ট হন এবং তিনি জগত থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন।দেবী যেহেতু প্রকৃতিরূপী অন্নপূর্ণা,তাই তিনি অন্তর্হিত হওয়া মাত্রই ত্রিভুবনে দেখা দেয় প্রবল দুর্ভিক্ষ।চারদিকে হাহাকার পরে যায় এবং খোদ মহাদেবও ক্ষুধার্ত হয়ে পরেন।শিব একা পরে গেলেন....চারি দিকে অন্ন কষ্ট ভক্তেরা আকুল হয়ে শিবকে ডাকতে থাকেন তাঁদের এই অবস্থার প্রতিকারের জন্য। অবশেষে মহাদেব বুঝতে পারেন যে,শরীর থাকলে তাকে রক্ষা করার জন্য খাদ্যের প্রয়োজন আছে এবং খাদ্য মায়া নয়,বরং এক পরম ব্রহ্ম।ভক্তেরা আকুল হয়ে শিবকে ডাকতে থাকেন তাঁদের এই অবস্থার প্রতিকারের জন্য। ভক্তদের আকুলতায় ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে মহাদেব বেরিয়ে পরেন।কিন্তু দেবীর মায়ায় তিনি কোথাও ভিক্ষা পান না।এর মাঝেই শোনা গেল,কাশীতে এক নারী সবাইকে অন্নদান করছেন। মহাদেব সেখানে উপস্থিত হন এবং সেই নারীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হলে তিনি অন্নদাত্রীকে চিনতে পারেন।কালবিলম্ব না করে তিনি ভিক্ষা চান দেবীর কাছে।সেই ভিক্ষা গ্রহণ করে মহামারী ও খাদ্যকষ্ট থেকে ভক্তকুলকে রক্ষা করেন।চৈত্র মাসের শুক্লা অষ্টমী তিথিতে কাশীতে আবির্ভূতা হয়েছিলেন দেবী অন্নপূর্ণা। শিব যখন অন্নের সন্ধানে বের হন,তখন তিনি দেখেন একমাত্র কাশি ধাম বারাণসীতেই অন্নের ভাণ্ডার অক্ষয় রয়েছে।দেবী সেখানে অন্নপূর্ণা রূপে আবিষ্ট হয়ে ভক্তদের অন্ন দিচ্ছেন।তখন মহাদেব স্বয়ং ভিক্ষাপাত্র হাতে দেবীর কাছে আসেন এবং বলেন— ‘ভিক্ষাং দেহি’।দেবী স্মিত হাস্যে মহাদেবকে অন্ন দান করেন।সেই ভিক্ষা গ্রহণ করে মহামারী ও খাদ্যকষ্ট থেকে ভক্তকুলকে রক্ষা করেন।সেই থেকেই মা অন্নপূর্ণার আরাধনা শুরু হয়। দেবীভাগবত ও ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ অনুযায়ী,অন্নপূর্ণা হলেন সৃষ্টির আধার।কাশী বা বারাণসী হলো তাঁর প্রধান ক্ষেত্র।বলা হয়, কাশীতে কেউ না খেয়ে থাকে না, কারণ স্বয়ং দেবী সেখানে অন্ন বিলিয়ে দেন।শাক্ত দর্শনে অন্নপূর্ণা হলেন"পুষ্টিকারিণী" শক্তি।তিনি কেবল শারীরিক খিদে মেটান না,বরং আধ্যাত্মিক জ্ঞানের খিদেও মেটান।সাধকের কাছে তিনি জ্ঞান ও বৈরাগ্যের দেবী।তাঁর কৃপা ছাড়া কোনো সাধক পূর্ণতা লাভ করতে পারেন না।পরিশেষে একটা কথা বলা যায় যে,দেবী দুর্গা,দেবী অন্নপূর্ণা, নবপত্রিকা বা বাসন্তী— যে রূপেই তিনি পূজিতা হোন না কেন তিনি মঙ্গলময়ী,বলপ্রদায়িনী,অভয়াদাত্রী,অশুভ শক্তি বিনাশিনী জগন্মাতা।অন্নপূর্ণা পুজো আমাদের শেখায় খাবারের অপচয় না করতে এবং আর্তকে অন্নদান করতে।দেবীর হাতের অন্নপাত্র আসলে পৃথিবীর উর্বরতার প্রতীক।এই তো রাজনীতির হাল-হকিকত...গ্যাসের তৈরি করা আকাল,ভোট ও এখন বড় বালাই অন্ধের মতো মানুষে অনুদানে ডুবে আছে।আর তাতেই তৃপ্তি আর পেচি জেতার কৌশল আদায় করে ফেলেছে। বর্তমান বাজারে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির সময়ে মা অন্নপূর্ণার আরাধনা প্রতিটি মধ্যবিত্ত মানুষের কাছে এক বড় ভরসা।দেবীর আশীর্বাদে সবার ঘরে অন্নের ভাণ্ডার পূর্ণ থাকুক,এটাই হোক এই বছরের প্রার্থনা। 🙏মা অন্নপূর্ণা দেবী🙏 কে শতকোটি প্রণাম।সকলের মঙ্গল করো মা🙏🙏🙏🙏🙏 🔱ওঁ নমঃ শিবায়🔱 🙏🙏🙏🙏🙏🙏 #শুভেচ্ছা #ভক্তি #💪নারী শক্তি👩 #🙏মা অন্নপূর্ণা #🌼বাসন্তী পুজো ২০২৬ অষ্টমী🔱 #🌼বাসন্তী পুজো ২০২৬ অষ্টমী🔱 #🌼বাসন্তী পুজো ২০২৬ শুভেচ্ছা🪔
Sandy
2.2K views
11 days ago
🙏🥀বাসন্তী হে ভুবনমোহিনী🥀🙏 💮🥀🥀🙏"জয় মা দুর্গে"🙏🥀🥀💮 বেদে মা দুর্গার স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে - দুর্গাং দেবীং শরণম অহং প্রপদ্যে । দুর্গা পূজা বছরে দুই বার হয়।শরৎকালে আর বসন্তকালে ।বসন্তকালে হয় বলে এর নাম বাসন্তী পূজা।প্রধান শাস্ত্র ব্রহ্মবৈবত্ত পুরাণে আছে - ‼️পুরা স্তুতা সা গোলোকে কৃষ্ণেণ পরমাত্মনা।সংপূজ্য মধুমাসে চ প্রীতেন রাসমণ্ডলে ‼️ 💫⭐👉পূর্বকালে গোলোকে রাস-মণ্ডলে বসন্তকালে পরমাত্মা শ্রীকৃষ্ণ সর্বপ্রথম দুর্গা পূজা করেছেন। ★দ্বিতীয়বার বিষ্ণু এবং ★পরে ব্রহ্মা দুর্গা পূজা করেছেন।শরৎকালে অকাল বোধনের মাধ্যমে দুর্গা পূজা করেছেন ভগবান রামচন্দ্র।ভাগবত পুরাণে স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ তাঁর যোগমায়া শক্তি দুর্গাকে বলছেন- ...‼️‼️তুমি পৃথিবীতে নানা নামে পূজিত হবে এবং ভক্তগণ তোমাকে নানা পূজা সামগ্রীর দ্বারা তোমার আরাধনা করবে।⭐⭐⭐⭐⭐ মহাভারতের যুদ্ধের পূর্বে স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে দুর্গা স্তব করতে আদেশ করেন । পরম বৈষ্ণব শ্রীজীব গোস্বামী ভাগবতের ব্যাখ্যায় বলেছেন - 👉‼️যঃ কৃষ্ণ সৈব দুর্গা স্যাৎ যা দুর্গা কৃষ্ণ এব সঃ ‼️অর্থাৎ  যে কৃষ্ণ,সেই দুর্গা।যে দুর্গা,সেই কৃষ্ণ....!!!! উহারা অভিন্ন।তাহলে এমনটা দাঁড়ালো .....শক্তিমান ও শক্তি যেমন অভিন্ন,সেই ভাবেই,কৃষ্ণ ও দুর্গা এক ও অভিন্ন। কিরকম ভাবে ব্যাখ্যা দেখুন সকলে .......তিনি আরও বলেছেন -‼️👉 অতঃ স্বয়মেব শ্রীকৃষ্ণস্বরূপ শক্তিরুপেন দুর্গানাম --......____.....--অর্থাৎ শক্তিরূপিণী দুর্গার নামই স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণস্বরূপ।  🙏🙏 জয় জয় শ্রী কৃষ্ণ,রাধে রাধে 🙏🙏 অপূর্ব...⭐⭐⭐⭐⭐ সত্যিই,এমনটা ...স্বয়ং নিত্যানন্দ প্রভুর বাড়িতে আজও জাঁকজমকের সাথে দুর্গা পুজা হয়।🙏এক সময় স্বয়ং মহাপ্রভু মা দুর্গার রুপ ধরে ভক্তদের দর্শন দিয়েছেন। আমি খালি চেতনা ফেরাচ্ছি, কিন্তু স্বর্গলোকে'র পর মর্তে জঙ্গলেই প্রথম পুজো করেন রাজা সুরথ! দেবী দুর্গা,শক্তির মূর্ত প্রতীক।আমাদের বঙ্গদেশে তিনি পুত্রকন্যা নিয়ে সপরিবারে আসেন।রোগ,শোক-দুঃখ,অভাব থেকে নিষ্কৃতি পেতে আমরা দেবীর স্মরণ করি।উপাসনা করি। তবেই জীবন সার্থক হয়।দেবী ⭐সর্বশক্তি-প্রদায়িণী।⭐ 🙏🙏🙏🙏 আমি খালি বলব নারীকে শক্তি দেও মা ,তবেই এই নরকে এই ধরাধামের সমূহ মঙ্গল হবে অন্যথায় নয়🙏🙏🙏🙏 অনেকেই রাজা সুরথের নম জানেন,আমি একটু বিষয়ের গভীরে নিয়ে যাই ,ভালো লাগবে পড়ে....... বাংলার বিভিন্ন স্থানীয় লোক-কাহিনীতে রাজা সুরথ এর নাম পাওয়া যায় ঠিকই ।তিনি ছিলেন অত্যন্ত বীর একজন রাজা। আবার কোনো লোক-কাহিনীতে তাঁকে আবার অত্যাচারীও বলা হয়েছে। তবে তাঁর সমন্ধে খুব একটা বিশেষ জানা যায় না। শ্রীশ্রী চণ্ডী গ্রন্থ থেকে বেশ কিছু তথ্য উঠে আসে। রাজা সুরথ যোগ্য রাজার মতোই প্রজাদের সেবা করতেন।সব সময় তাঁদের সুরক্ষা দিতেন।এমনও ধারণা আছে উপযুক্ত শাসকের মতো পুত্রের চোখে প্রজাদের দেখতেন।যাতে তাঁরা শান্তিতে বসবাস করেন ও সন্তুষ্ট থাকেন। চন্দ্রবংশ জাতো রাজা ছিলেন সুরথ। তবে রাজধর্ম পালনে খারাপ ও বলবান লোকের অভাব থাকে না। বর্তমানেও আছে রাজনীতি-বিদদের না না চেলা চামুণ্ডা পোষা যাদের দিয়ে নিজেদের মৌসরিপাট্টা,প্রতিপত্তি সাধারণের ওপর প্রভাব খাটানো,মুখ বুজিয়ে রাখার কৌশল ইত্যাদি চলমান। আর বাংলা ভাষার সহজ কথা তো আছেই ঐ....চিরকাল সকলের সমানও নাহি যায়.... এরা সবসময় চায় ক্ষমতার হস্তান্তর।সেই লোকেদের আসুরী গুণের জন্যে রাজা কষ্ট পান।শোনা যায় সুরথের রাজধানীর নাম ছিল কোলা।সেখান থেকে তিনি বাংলার রাঢ় অঞ্চল বলিপুরে আশ্রয় নেন। প্রজা পালন ও শিষ্ঠাচার যথাযথ করেও নিজের রাজধানী পরিত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন।‌ রাজা সুরথের রাজধানী আক্রমণ করেন কাশ্মীর প্রদেশের রাজগণ।সুরথ রাজের সঙ্গে সেই রাজার এক ভীষণ যুদ্ধ বেঁধেছিল।এমন ঘটনায় বহু সৈন্য ও সাধারণ মানুষ মারা যান।রাজা সুরথ মহা বিক্রমের সঙ্গে যুদ্ধ করেছিলেন।তবে নিজের সমস্ত শক্তি ব্যবহার করেও সুরথ হেরে গিয়েছিলেন।রাজা নিজ রাজধানীতে ফিরলে দেখেন লোভী দুষ্ট মন্ত্রী সৈন্য, ধনসম্পদ,রাজ্য সুযোগ বুঝে অধিকার করে নিয়েছেন। রাজ্যের প্রজারাও রাজাকে প্রত্যাখ্যান করলেন।সমস্ত ঘটনার সঙ্গে তিনি রাজ্য আর পুনরুদ্ধার করতে পারলেন না।দীর্ঘ সময় অরণ্যে কাটিয়ে আসলেন মেধস মুনির আশ্রমে।এই বিষয়ে আরেকটি কাহিনী চালু আছে। ....প্রচলিত অনুসারে,সুরথ কর্ণাট দেশ জয় করবার জন্যে অভিযান করেছিলেন।বিজয় লাভের উদ্দেশ্যে সেই যাত্রা ব্যর্থ হয়।যা হাসিল করতে চেয়েছিলেন সেটি ব্যর্থ হওয়ার জন্যে প্রজারাও রাজাকে প্রত্যাখ্যান করেন।🙄🙄🙄🙄😎😎😱😱তিনি রাজ্য ত্যাগ করে গভীর অরণ্যে মেধস মুনির আশ্রমে আসেন।এখানেই তিনি শক্তি সাধনা করে জানতে চান,কেমন ভাবে হয় সেই পুজো?যেটি ছিল পৃথিবীর প্রথম দুর্গাপুজো। অতীতে আশ্রমের সন্নিকেটে এক শাল গাছের নিচে মেধস মুনি কঠোর তপস্যা করতেন। না আছে রাজা,না আছে রাজত্ব কিন্তু আজও সেই পুজোর স্থান আছে। আর আছে অরণ্যে মেধস মুনির আশ্রম।মেধস মুনির সঙ্গে দেখা হয় সুরথ ও বৈশ্যর।সমস্ত ঘটনা রাজা বলেন মুনিকে।পুরাণ অনুসারে,মেধস মুনিকে বশিষ্ঠ ঋষি বলা হয়েছে।মুনি তাঁদের আশ্রমে বসে শ্রীশ্রীচণ্ডীর বর্ণনা করেন।তিনি জানান,দেবীর আরাধনা ও ধ্যান করলে অভীষ্ট সিদ্ধ হবে। রাজা সুরথ ও সমাধি বৈশ্য মাটি দিয়ে মাতৃ-প্রতিমা নির্মাণ করেছিলেন।ক্রমে ক্রমে দেবীর রূপ ফুটে উঠলো।শাস্ত্র মতে পুজো করলেন রাজা।সুরথ কৃপা লাভ করলেন দেবীর।রাজা স্বরাজ্য ফিরে পেলেন দেবীর কৃপায়। ★এই কথা গুলো সত্যি...মার্কণ্ডেয় পুরাণে এই ঘটনার উল্লেখ আছে।যা সমগ্র পৃথিবী ও বঙ্গদেশের প্রথম দুর্গাপুজো।★★★ এবার জঙ্গলের পথে,বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুর ও পানাগড়ের কাছেই কাঁকসার গড় জঙ্গল বা গড় চণ্ডীধাম।এই জঙ্গলের মধ্যেই প্রথম দুর্গাপুজো শুরু করেন সুরথ।অতীতের সেই স্মৃতি মেনে ...এই বাসন্তী পুজো...🙏🙏🙏🙏পুজোর সময় এই জঙ্গলে বহু পুণ্যার্থী ছুটে আসেন।দুর্গাপুজোর চারদিন মহা সমারোহে পুজো হয়।প্রতি বছর পুজো আসে পুজো যায়,তবে তাকে কেন্দ্র করে বহু দূর দূরান্ত থেকে সাধারণ মানুষ জমায়েত হয়।সে যাই হোক এখনো সেখানে প্রায় প্রতি দিনই দুর্গাপুজো হয়।😎🙄🙄🙄😱😱😱🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏 ......লাল নুড়ি পথ ধরে এগোলেই পায়ে পায়ে রহস্য।দু-দিকে অরণ্যের আদিম পরিবেশ। ভাগ্যে জুটলে দর্শন মিলতে পারে দুলকি চালে কয়েকটি হাতির।তবে খুব একটা এদের আনাগোনা নেই। জঙ্গলে উইয়ের ঢিপি,শাল, পলাশ,মহুয়া দুপাশে রেখে বেশ খানিকটা এগোলেই ★মহর্ষি মেধসের আশ্রম ও শ্রী শ্রী গড় চণ্ডী ধাম চোখে পরবে।কাছেই পাশ দিয়ে বয়ে গেছে অজয় নদ।আর এখানে আছে এক পুরনো দেউল ও মাতা শ্যামরুপা দেবীর মন্দির।‼️👉আমি নিজেও একসময়টা পানাগর ডিফেন্স বেস ও দুর্গাপুরে এসব মিলিটারি বেসে যেতাম কর্ম সূত্রে কিন্তু সুযোগ হয়ে ওঠেনি শুনেছি,শুনতামও অনেক কিছু ..... ইতিউতি অনেক সাধু সন্ন্যাসীরা এখানে ঘুরে বেড়ান।সকলে এই জায়গায় একসঙ্গে বাস করেন।যেন গা ছমছমে এক রহস্যে ঢাকা পরিবেশ।সারা বছরই এখানে দুর্গাপুজো হয়। 🙄🙄🙄🙄🙄🙄রাজা সুরথের আমলের এক প্রাচীর ও কিছু স্থাপত্যের ধ্বংসাবশেষ এখানে আছে।এক সময় এই মন্দিরে আসতেন ★★দেবী চৌধুরাণী। তিনি এখানে সদলবলে এসে পুজো দিয়ে যেতেন😎😎😎।দেবী চৌধুরাণীর নামে এখানে এক সুড়ঙ্গ আছে। 😱😱আজ স্মৃতিচিহ্ন গুলো জঙ্গলের ভেতর সংরক্ষণের অভাবে বেশির ভাগটাই হারিয়ে গিয়েছে।এই জায়গা প্রাচীন সংস্কৃতির এক অন্যতম বড় নিদর্শন।সময় এসেছে .....ভোটের ....আমরা আছি পাশে আপনাদের জন্য ভোটটা দেবেন আমাকে।এরকম'টা শুনতে পাবেন সকলে ঠিক...কিন্তু ... বেড়ালের গলায় ঘন্টা কে বাঁধবে???আশা করি বুঝতে পারলেন সকলে ⁉️😰⁉️😰😱😱😱😱 সকলের কল্যাণ কামনায় 🙏দুর্গা দেবী নমঃস্তুতে 🙏 🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏 🙏বাসন্তী দেবী নমঃস্তুতে🙏 #শুভেচ্ছা #🌼বাসন্তী পুজো ২০২৬ শুভেচ্ছা🪔 #ভক্তি #🌸বাসন্তী পুজো Status🙏 #💪নারী শক্তি👩
Sandy
6.4K views
15 days ago
🕋🌙⭐🕋😱👁️"ইসলাম ইরানে বিষণ্ণ রমজান ও অনিশ্চিত ঈদ"👁️😱🕋🌙⭐🕋 আমাদের এই বিশাল দেশ নানা জাতির নানা মত,সেই অতুলপ্রসাদ সেন ই'তো বলেছিলেন নানা পরিধান...বিবিধের মাঝে দেখো মিলন মহান🙏🙏দেখিয়া ভারতে মহাজাতির উত্থান জগজন মানিবে বিস্ময়, জগজন মানিবে বিস্ময় !” সেন মহাশয়ের এই কালজয়ী গানটির মূল বোধকে অব্যাহত রেখে প্রতিটি ভারতীয় অতীতে গর্ববোধ করে এসেছে। 🙏🙏প্রশ্নটা হলো বর্তমানেও করে চলেছে কিনা???‼️‼️আর ভবিষ্যতেও কি করে চলবে??? ...আজ ঈদ ‼️খুশির দিন ঠিক‼️... .ভারতবর্ষের প্রতিটি মানুষকে বুঝে উঠতে হবে ....আয়সে দিন যাপন আর রাজনীতির তিক্ত স্বাদ নিয়ে প্রশ্রয়ের বেড়াজালে গা-এলিয়ে রাখলে এ বিপদ পিছু ছাড়বে না .....যদি ধর্ম হয় ""মানব-জাতি"" ,""মানব ধর্ম""‼️‼️‼️ ওই তো ...‼️আজ মানুষে দেখছে গ্যাসের আকাল ব্রাকেটে তৈরি করা,সাধারণ মানুষকে অন্ধকারে রেখে.... এমনটা ,...শোনো তোমাদের একটা রান্না ঘর দেখাতে হবে আর একটাই সে-বাড়িতে গ্যাস থাকবে ...চালিকি টা কি ?? আর কেউ যাতে সে ফ্যামিলি থেকে অন্য ছোট কোম্পানির গ্যাস না নিতে পারে,আর আমি মুহুর মুহু দাম বেড়াবো ... এক সময় গ্যাস বন্ধ হলে না খেয়ে মরুকগে, আবার গুল কয়েলা আছে ইন্ডাকশন,নয়তো নামি দামি ইলেকট্রিক মিটার পোরার কল যত সব আছেই তো,...কেরোসিন চালাকি করে বন্ধ করেছি গরিবের সরকার তাই।...‼️‼️আচ্ছা কেউ কি ভেবেছিল এমনটা হতে পারে ???হুমম হাম করবে অনেকে ওই যুদ্ধ দোহাই ..আর সাধারণ মানুষকে বশবর্তী করে রাখা যায় এভাবেই ...যত কু-মতলবে ভর্তি দেশ প্রধান দের....... এরকমই হঠাৎ একটা ব্রেকিং নিউজ.....‼️কেউ জানত না.....  ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ায় নিহত ১ ....ইসরাইলের হয়ে গুপ্তচরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে ইরান।...মধ্যপ্রাচ্যের নৌপরিবহন নিয়ে জরুরি বৈঠকে জাতিসংঘ সংস্থা প্রধান জামাত ঈদগাহে, বায়তুল মোকাররমে ৫ জামাত...রোজার ঈদ কবে?‼️‼️‼️⁉️⁉️⁉️চাঁদ দেখা কমিটি বসছে ....বৃহস্পতিবার ঈদ যাত্রা:... অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে ঢাকা ছাড়ছে ট্রেন....সৌদি আরবে মিসাইল হামলায় আহত বাংলাদেশির মৃত্যু....ইরানে আটকে পরা বাংলা দে‌শিদের ফেরানো হচ্ছে... ইরান যুদ্ধে সাহায্য না করে নেটো বোকার মতো ভুল করছে:....ইত্যাদি ইত্যাদি... ৫৭টি মুসলিম দেশ,২ বিলিয়ন জনসংখ্যা—অথচ ইরান আজ একা! ​ইতিহাসের এক অদ্ভুত ও নির্মম পরিহাস দেখছে বিশ্ব। ৫৭টি মুসলিম দেশের বিশাল মানচিত্র,অথচ ময়দানে দাঁড়িয়ে আছে কেবল ইরাক ... ইরানের ৯৯% লোক শিয়া মুসলিম তাই ওরা আসল মুসলমান না। ...এটাই কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে.... রমজান মুসলমানের জীবনে আনন্দ ও আনুগত্যের বার্তা নিয়ে আসে।মুসলিম জাতি রমজান মাসে মহান আল্লাহর নৈকট্য ও সন্তুষ্টি লাভের আশায় ইবাদত ও আধ্যাত্মিকতায় মগ্ন হয়।🙄🙄🙄🙄🙄🙄 কিন্তু এবারের রমজান ইরানিদের জন্য বয়ে এনেছে গভীর শোক ও বিষণ্নতার বার্তা।দেশটির সর্বোচ্চ নেতা ও ধর্মীয় রাহবার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় নিহত হয়েছেন।তিনি ইরান রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের প্রতীক।তাঁর মৃত্যুর শোক গভীরভাবে আচ্ছন্ন করেছে ইরানি জনগণকে।তাঁর মৃত্যুতেও থেমে যায়নি সংঘাত।মুহূর্মুহূ হামলায় কেঁপে উঠছে ইরানের শহরগুলো এবং ইরানিদের অন্তর।নারীদের যত লাঞ্ছনা চোখে দেখার অযোগ্য....🙄🙄🙄🙄🙄 পবিত্র এই মাসে যখন তাদের ইবাদতে মগ্ন থাকার কথা ছিল তখন তারা ডুবে আছে নিজেদের ও দেশের ভবিষ্যত নিয়ে।🙄🙄🙄🙄🙄এই নাকি মডার্ন বিশ্ব ‼️‼️‼️নাকি অস্ত্র প্রতিযোগিতার আসর..⁉️.. আগে তো ছিল "যুদ্ধ নয় শান্তি চাই" আর বর্তমানে রাজনীতির পোষা কুত্তা'রা বেশীটাই যুদ্ধতে ধোঁয়া টানতে ব্যস্ত।এই তো ভারতবর্ষের হাল।সাম্রাজ্য বাদী নীতি যে ছোট ছোট দেশ গুলোকে গলা টিপে নিজেদের অধীনে বশবর্তী করে,সে সব নতুন নয়।আমরা যে কতটা পরের ওপর ভরসা করা দেশ,সেটা তাহলে বোঝালো "ওই গ্যাস নেই",বড়বড় হোটেল,গুলো ঢোক গিলছে,এবারে ব্যবসা গেলো ...কানে কানে তাদের উস্কানি দিচ্ছে তোরা রেট বারাবি সাধারণ মানুষের পকেট কাটবি পরে। সোশ্যাল মিডিয়ার মিমসের রঙ্গভঙ্গ দেখিয়ে দিল "মেরা দেশ মহান"।কারণ সাধারণ মানুষের পকেট আমাদের।যুদ্ধ লাগলে ওরা মরবে আমরা পালাবো,আর সরিয়ে তো রেখেছিই নিজেদের ধন দৌলত,পুত্র কন্যাদের বিদেশে।... তেল বলে কথা,এ ব্যাপারে তো পরের ওপর ভরসা করতেই হয়....ভাগ্যিস ইরান ছিল....‼️🙄😎‼️😎🙄‼️ আজ ঈদ।খুশির ঈদ।আল্লার কাছে দুয়া করে এক বৃহত্তর জাতি... সাথে আনন্দ করে তো সকলেই।পৃথিবীর সব থেকে জনপ্রিয় শব্দ সেই🕋 ""ঈদ মুবারক"🕋আজ ইরানে তথা মধ্য প্রাচ্যের প্রান্তে প্রান্তে কান্নার সম্মিলিত রূপ🙄🙄🙄🙄‼️‼️‼️‼️‼️‼️কিন্তু কেনো?? কাদের জন্য ??কাদের কোন প্রতিযোগিতার জন্য.⁉️⁉️নিরীহ মানুষগুলো শিশু মা,বনিতা ...😱😱😱😱.সভ্যতা চুরমার হয়ে গেলো .......‼️‼️ দীর্ঘদিনের পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে আগে থেকেই ইরানি অর্থনীতির ভঙ্গুর অবস্থা চলছিল।সাম্প্রতিক সময়ে ইরানি মুদ্রার ব্যাপক দর পতনের কারণে দেশটিতে ভয়াবহ মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিয়েছিল।যা ক্ষুব্ধ করেছিল ইরানি জনগণকে।ইরানে চলমান যৌথ সামরিক হামলা ইরানিদের জীবন-জীবিকার দুশ্চিন্তাকে আরো প্রকট করেছে।মানুষ চরম অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। অনেক মানুষ বাসস্থান ছেড়ে নিরাপদ মনে করা অঞ্চলে পালাতে চেষ্টা করছেন,আবার অনেকে ঘর-বাড়িতে আটকে আছেন।বিশেষ করে ইন্টারনেট ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পরায় তারা স্বজনদের খোঁজ-খবরও পাচ্ছেন না।🙄🙄🙄 আশঙ্কা রয়েছে,যদি সংঘাত দীর্ঘায়িত হয়,তাহলে জীবন-জীবিকার এই সংকট আরও তীব্র রূপ নেবে।🙄🙄🙄🙄🙄⭐⭐⭐⭐⭐⭐আমার এ পোস্ট এর উদ্দেশ্য ভারতীয়রা দয়া করে একটু ভাববেন ‼️‼️‼️‼️‼️ 👉⭐⭐রমজান মাস সাধারণত ইরানিরা সমাজসেবা,পরিবারিক সম্পর্ক দৃঢ়করণ ও জনকল্যাণমূলক কাজ করতে পছন্দ করেন। যুদ্ধ পরিস্থিতি তাদেরকে রমজানের চিরায়ত রীতি ও সংস্কৃতি থেকে দূরে ঠেলে দিয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির অনাহার আর রমজানের সিয়াম সাধনা একাকার হয়ে যাচ্ছে।🙄🙄🙄🙄🙄 ঈদের আনন্দ যেন তাদের দুশ্চিন্তা আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে।ধারণা করা হচ্ছে, আগামীতেও ঈদ আছে.....ঈদ ইরানিদের কাছে একাকীত্ব ও দুঃখের প্রতিফলন হয়ে আসছে।যুদ্ধ স্থায়ী হলে কত মানুষ স্বজন-হারা হয়ে ঈদ উদযাপন করবে।ঈদ হবে তাদের কাছে আনন্দের পরিবর্তে দুঃখের মার্সিয়া। ★★★★🙄🙄🙄🙄🤓🤓🤓🤓👉😎😎😎😎👉😎😎😎😎👉😎😎😎😎🤓🤓🤓🤓★★★★ তেহরানে রমজানের এই অনিশ্চিত সময়ে পূর্ব থেকে চলা জলের সংকট নতুন করে নাগরিক দুর্ভোগ বাড়িয়েছে।🙄🙄🙄🙄🤓🤓আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, দীর্ঘস্থায়ী খরা ও জলাধারের স্তর নেমে যাওয়ার কারণে রাজধানীর বহু এলাকায় নিয়মিত জল সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে।অনেক পরিবার সেহরি ও ইফতারের সময় প্রয়োজনীয় জলও সংরক্ষণ করে ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছে।এই সম্মিলিত সংকট ইরানিদের মানসিক চাপ আরও বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে।এমন অবস্থায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সংঘাতের অবসান ও কূটনৈতিক সমাধানের পথ সুযোগ করার উদ্যোগ নেওয়া আবশ্যক।যাতে ইরান সহ সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যের মানুষের জীবন থেকে শংকা ও অনিশ্চয়তা দূর হয়।আর রমজানের ইবাদত ও ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারে। কিন্তু কোথায় কি????‼️‼️‼️‼️‼️ 🙄🤓🙄🤓🙄🤓🙄🤓🙄🤓🙄🤓🙄 সব মিলিয়ে বর্তমান প্রেক্ষাপটে ইরানে রমজান শুধু রোজা ও ইবাদতের নামই নয়, বরং ভয়, অনিশ্চয়তা ও মানবিক সংকটের সঙ্গে লড়াইয়ের এক কঠিন পরীক্ষা।যুদ্ধের ছাই-মাখা পরিবেশ ঈদের আনন্দকে শ্রাবণের কালো মেঘের মতো ঢেকে রেখেছে কেবল হতাশা ও বিষণ্নতার ম্লান ছায়া।অকালের এই শ্রাবণধারা কেনো এই ঈদে..???মনে হয় বিশ্ব কবিরও এই বোধোদয় ছিল।তিনি শ্রাবণ মাসকে নিয়ে বেশি ভাবতেন। 😱🙄😱 😎🤓😎🤓😎🤓😎🤓😎🤓😎 🙏সকলকেই ঈদ মুবারক🙏 🕋🌙⭐🌙⭐🌙🕋 🕋”ঈদ মুবারক"🕋 🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀 ‼️কাজল দিঘীর অলস জলে খুশীর কাঁপন উঠে, ঈদ এসে তাই ভূবন ভোলায় পাষানে ফুল ফোটে।‼️ ছোট বড় গরীব দুঃখী অবহেলার খেলা, মন্দ গুলো সব ভুলে যা ঈদ যে প্রাণের মেলা।‼️ ঈদের খুশিতে এশিয়া মত্ত, আফ্রিকা-আমেরিকা‼️ ফিলিস্তিনের শিশুরা জানে না,কী আছে ভাগ্যে লেখা‼️😎 স্বজন হারিয়ে আফগান কাঁদে, বোমায় ঝাঁঝরা ইরান,সেই ঈদ কবে, পৃথিবীতে হবে,খুশির বারতা ডেকে⁉️ ★🕋⭐🕋⭐🕋★ খুশির দিনে ধূলায় লোটে গরীব দুখী নিস্ব, খোঁজ রাখে না সর্বহারার ধূর্ত বণিক বিশ্ব। 😎🙄🕋🙄😎 🕋🥀🙏তবুও সকলকে পবিত্র ঈদের শুভকামনা জানালাম🙏🥀🕋 #শুভেচ্ছা #😃জুম্মা মুবারক🤲🏻 #🌙ঈদ মুবারক ২০২৬🕌 #🌙ঈদ ২০২৬ স্ট্যাটাস🕌 #💪নারী শক্তি👩
Sandy
2.8K views
27 days ago
💥💥💥💥💥💥💥💥💥💥💥💥 ✴️একটা স্ফুলিঙ্গ ....একটা সচেতনতা✴️ 💥💥💥💥💥💥💥💥💥💥💥💥 💃🙎💃🙎💃🙎💃🙎💃🙎💃 💮🌸💮🌸💮🌸💮🌸💮🌸💮🌸💮 🙄👉নারীর চিরন্তন লড়াই ভুলে নারী দিবস পালন নিরর্থক👈🙄😎🤓😎🤓😎🤓😎🙄 🥀🌷🥀🌷🥀🌷🥀🌷🥀🌷🥀🌷🥀 🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀 আন্তর্জাতিক নারী দিবস (IWD) ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য,"গিভ টু গেইন",.....GIVE TO GAIN.....উদারতা,সহযোগিতা এবং ভাগাভাগি করা অগ্রগতির উপর ভিত্তি করে একটি মানসিকতার আহ্বান জানায়।গিভ টু গেইন পারস্পরিকতার শক্তি তুলে ধরে:(আমি বলছি তাই নাকি????)যখন ব্যক্তি,সংস্থা এবং সম্প্রদায় নারীদের উপর বিনিয়োগ করে, তখন সুযোগ প্রসারিত হয়,ব্যবস্থা শক্তিশালী হয় এবং সমাজ সমৃদ্ধ হয়।(আমি বলছি ও ও ও?) দেখুন মানে'টা দাঁড়ালো,নারীদের ওপর বিনিয়োগ‼️‼️‼️তাই নয় কি??চমৎকার....‼️ আজ নারী দিবস।নারীর চাওয়া-পাওয়া, ক্ষমতায়নের উদযাপনের দিন।কিন্তু আদৌ কি উদযাপনের মতো কিছু রয়েছে নারীর কাছে? ৩৬৫ দিনই নারীরা যেভাবে নিজেদের নিংড়ে দেন,আজকের দিনটাও তো সেভাবেই বাঁচতে হবে তাঁদের!নারীরা যতই এগিয়ে আসুক, আসার চেষ্টা করুক,তাঁদের এতো রকম ভাবে ধাক্কা খেতে হয়,দৈনন্দিন জীবনে এতো রকম ভাবে হেনস্থার শিকার হতে হয় যে প্রত্যেক দিনই মনে করিয়ে দেওয়া উচিত- আজ নারী দিবস।আর যদি কোনও দিনকে আলাদা করে উদযাপন করতেই হয়,তবে সেই দিন তো আরও বেশি করে মনে করিয়ে দেওয়া দরকার,নারীরা তাচ্ছিল্যের পাত্রী নন।  কিন্তু তিক্ত সত্যিটা হল,যত স্পষ্ট করেই বলা হোক না কেন,নারীদের উপর হয়ে চলা অবদমনের পুনরাবৃত্তি যেন থামতেই চায় না। 👉😎😎😎তারা নিজেরাও কতকটা দায়ী: এই যে বিগত বছর চলে গেলো কত ধুম ধাম অভয়া কে নিয়ে ??? আজ কি অবস্থা ??কেনো নারীকুল আমাদের দেশের পার্লামেন্ট পর্যন্ত চোলে গেলোনা⁉️😎🤓কেনো মহিলা রাষ্ট্রপতি নির্লিপ্ততা দেখালো⁉️কেনো কেনো আরোও...কেনো কেনো প্রশ্ন তৈরি হলো..⁉️⁉️⁉️কেনো বঙ্গের মহিলা মূখ্য মন্ত্রীর এমন বদান্যতা,চাটুকারিতা,জানিয়া সেই'তো কাপুরুষ পুরুষদেরই সাথে সামিল❕❕ ‼️‼️‼️‼️অভয়ার মৃত্যুর পেছনে'তো সেই অজানা সন্দেহ জনক নারী'ই.....আসলে নারীরাই বিভাজিত ...পুরুষের সহযোগিতা তারা চায় মুখে না বললেও আকার ইঙ্গিতে ওটাই প্রকট।তাই এই একটা দিন,আরও বেশি করে চোখে আঙুল দিয়ে সেই অন্যায় গুলোকে দেখিয়ে দেওয়ার দিন।কেন প্রত্যেক বার নারী দিবসে মানুষকে সচেতন করতে হবে?কেন?ঠিক কতবার বোঝানোর পর মানুষ সচেতন হবে?বোধোদয় কি কোনও দিনও হবে না?❕❕❕❕❕ নারীরা ঠিক কী চায়?নারীদের ভেতরেও একটা দ্বৈত সত্তা রয়েছে।একদিকে আত্মবিশ্বাসে পূর্ণ একটা রূপ,ঠিক তার বিপরীতেই যেন কিছুটা সংশয়❕❕❕নিজের ভিতরের যে আত্মবিশ্বাস সেটা নিছক কোনও মানসিক অবস্থা নয়।সেটা আসে পারিপার্শ্বিক পরিবেশ থেকে।এক মুহূর্তে মনে হয় চারপাশের পরিবেশ সুস্থ হচ্ছে,কিন্তু পরক্ষণেই মনে হয় যেন আবার সব কিছু আমাদের পঞ্চাশ বছর পিছনে ঠেলে দিচ্ছে।যেন ক্রমাগত একটা পরীক্ষা দিয়ে চলেছি আমরা,একটা অনিঃশেষ ট্রায়াল অ্যান্ড এররের(trail and error)মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি।মানুষের জীবন কি সত্যিই এভাবে চলতে পারে?সবার আগে দরকার সম্মান,যতদিন না প্রত্যেক নারী তাঁর প্রাপ্য সম্মান পাচ্ছেন,বলতে গেলে কুড়িয়ে নিচ্ছেন,ততদিন পরিস্থিতিতে বদল আসবে না।মেয়েরা বোধহয় সত্যিই কোনও দিন নিজের জীবনকে হাতের মুঠোয় ধরতে পারে না।অথচ এমনটা তো হওয়ার কথা ছিল না।পুরুষদের তুলনায় কোনও অংশে কম কিছু তো করছে না নারীরা।বরং কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছে।তবু যেন ফিরে ফিরে আসে সেই একই অবমাননা।.....!!‼️‼️‼️🙄🙄 🙄🙄 আমি নিজে দেখেছি বাচ্চা কক্ষে নিয়ে কলকাতার বড় বাজারে মুঠে বইছে এক মা।পৌরসভার ড্রেইন পরিষ্কার করতে মহিলারা টানেলের ভেতরে কাজ করছে।এমনকী সংসারের মধ্যেও যেন একটা শ্রমের বিভাজন তৈরি হয়েছে।যেন মেয়েদের থেকে সব কিছু অতিরিক্ত চাওয়াটাই দস্তুর।কেন? আদ্দি কাল থেকে সেটাই চলে এসেছে তাই?নাকি নারী-পুরুষের শ্রমের মর্যাদা দু’রকম?নাকি আমাদের ভাবনার বিন্যাসেই গলদ?‼️👉👉👉👉👉👉👉পুরুষ আর নারী তো একই সঙ্গে সভ্যতা তৈরি করেছে।তাহলে আজকে নারীদের কেন আলাদা করে বলতে হবে নিজেদের কথা? ★★★এটাতে সমাজ,পুরুষ-তন্ত্র যতটা না দায়ী ,অধিক গুণ দায়ী নিজেরাই।✴️‼️✴️‼️✴️‼️✴️ভালবেসে তো কত মানুষই কত কিছু করেন।কিন্তু যদি আগে থেকেই দাগিয়ে দেওয়া হয় যে এটা মেয়েদেরই কাজ,কিংবা এটা ওঁদের কাজ নয়,তাহলে লিঙ্গ-বৈষম্য কোনও দিনই দূর হবে না।.......🤓🤓🤓👉👉👉⁉️‼️সেই সুর বেজেছে আবারো আন্তর্জাতিক নারী দিবস (IWD) ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য,"গিভ টু গেইন",.....GIVE TO GAIN.........🙄🙄🙄👉👉🤓🤓🤓 মানে নারীদের উপর বিনিয়োগ,INVESTMENT.... পন্য ছাড়া ইনভেস্টমেন্ট এই প্রথম দেখলাম.....এই বৈষম্য দেখতে দেখতে দিন পেরিয়ে বছর আসে,আবার একটা একটা করে বছর পেরিয়ে যায়,শতাব্দী পেরিয়ে যায় তবু নারী-পুরুষের বৈষম্য রয়েই যায়।  😎🤓😎🤓😎🤓😎🤓😎🤓😎🤓 👉👉আমার সীমিত সামর্থ্যে পোস্ট দিয়ে বোঝাবার চেষ্টা করলাম।অনেকেই সম্মত হবেন না হয়তো।কিন্তু সত্যিটা'তো সত্যিই। পোস্ট দিয়ে বার্তা টুকু দেই।নারীরা কী চান,কী কী বৈষম্যের মুখোমুখি হতে হয় তাঁদের। নারী দিবস এমন একটি দিন যেখানে নারীদের অগ্রগতির প্রতিফলন ঘটে,সাধারণ নারীদের সাহস ও দৃড়তার কাজে উৎসাহ প্রদান এবং পরিবর্তনের আহ্বান জানানো হয়ে থাকে। সারা বিশ্বে নারীদের অংশগ্রহণে দেশের অনেক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।কিন্তু তারপরেও সারা বিশ্বেই লিঙ্গ-বৈষম্য ঠিকই রয়েছে।তাই আজকে নারী দিবসে নারীদের অগ্রগতির বিষয়ে সারা বিশ্বকে জানিয়ে দিয়ে তাদের বৈষম্যকে দূর করে নেওয়া।এটাই আমার উদ্দেশ্য....‼️ পুরুষদের অসম্মান না করেই বলছি,তাঁদের হাতে এমন কিছু অদৃশ্য ক্ষমতা রয়েছে যেগুলো নারীরাও পেতে পারতেন,পান না কেবল পুরুষ-তান্ত্রিক সমাজ-কাঠামোর জন্য। অথচ কেউ তার প্রতিবাদ করতে গেলে,কিংবা কেউ নারীদের সেই না পাওয়ার ক্ষত-তে মলম লাগাতে গেলেই তাঁকে ফেমিনিস্ট বা অন্য কিছু বলে দাগিয়ে দেওয়া হয়।আমিও হয়তো পরি তাতে.....!!!আবারও বলছি,সবাই এক নন।সমাজে এমন পুরুষও আছেন যাঁরা নারীর দৈনন্দিন সংগ্রামকে সম্মান করেন।কিন্তু দুঃখজনক ভাবে আজও সেই সংখ্যাটা খুবই কম।সবশেষে বলতে হয়,সারা বছরে যে কথাগুলো মুখ ফুটে বলা হয় না,এই একটা দিন অনেকে চেষ্টা করেন সেই বার্তাগুলি সর্বসমক্ষে জোর গলায় তুলে ধরার।কিন্তু সবাই কি সেই ভাষা বুঝতে পারেন?আবার তো সেই পুনরাবৃত্তি।👉👉👉🤓🤓🤓🤓নারী দিবসে কেন নারীদের সোচ্চার হতে হবে⁉️ভালবাসা,উৎসাহের পাশাপাশি,সব ক্ষেত্রে নারীকে যথাযথ সম্মান দেওয়া অভ্যাস করতে হবে আমাদের।বাড়িতে মা,বোন কিংবা স্ত্রী হিসাবে যতটা,ঠিক ততটাই কর্মক্ষেত্রে সহকর্মী হিসাবে।নারী মানেই একটা পজিটিভ শক্তির উৎস।★তাই সব মেয়েকেও এটা মাথায় রাখতে হবে তাঁরা যেন কোনও মতেই দুর্বল না হয়ে পরেন,তাঁদের যেন কেউ দমিয়ে রাখতে না পারে।তাতেই নারী দিবসের সার্থকতা। ‼️“তোমরা আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও, আমি একটি শিক্ষিত জাতি দেব”‼️নেপোলিয়ন বোনাপার্টের (ফরাসি সম্রাট)এই বাণী থেকে আমরা উপলব্ধি করতে পারি যে,একটি রাষ্ট্রে একজন শিক্ষিত নারীর ক্ষমতায়ন কতটা জরুরি।আন্তর্জাতিক নারী দিবসের আজকের এই দিনে সকল নারীদেরকে শ্রদ্ধা জানিয়ে সকল নারীদেরকে উৎসর্গ করে পোস্ট করলাম,নারীদের কেই দুষলাম ‼️আপনারা এ প্রতিবেদনের মাধ্যমে নারী দিবসের মর্ম বুঝবেন আশা করছি। 🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏 💃🙎💃🙎💃🙎💃 #শুভেচ্ছা #🥻নারী দিবস ২০২৬ স্ট্যাটাস👩 #💃নারী দিবস ২০২৬ শুভেচ্ছা💐 #💪নারী শক্তি👩
Sandy
2.5K views
1 months ago
"বসন্তোৎসব এককালে ছিল মদনোৎসব" 🏵️🥀🏵️🥀🏵️🥀🏵️🥀🏵️🥀🏵️🥀🏵️ 2026.... এ বছর আগে তো দেবী সরস্বতী'র পুজো হয়েই গেলো 23rd january..... আমি বলেছিলাম,হারানো নদীই আসলে দেবী সরস্বতী।কিন্তু কেনো রাধার সঙ্গে হোলিতে মেতে উঠেছিলেন কৃষ্ণ...???‼️‼️‼️আজ হোলি বা দোলযাত্রা,সবাই রং মাখুন আনন্দ করুন আমার শুভেচ্ছা রইলো।আমি একটু গল্পের ছলে বিশ্লেষণ করি........ সুদূর অতীত থেকে ....বৃন্দাবন বরাবরই উদার পরিবেশ।গোঁড়ামির বাতাস তেমন হালে পানি পায়নি। এমন এক সময় সংকেত কুঞ্জে দেখা হয়েছে রাধা-কৃষ্ণের।দিনটা ছিল বসন্ত-পঞ্চমীর।  আচমকাই শ্রীমতী খেয়াল করলেন উপর থেকে তাঁদের উপর কিছু ফুলের পাপড়ি ঝরে পরল।ব্যাপার কী? কৃষ্ণ যোগবলে জানলেন, দেবতারা স্বর্গে রঙের উৎসব পালন করছেন। শ্রীমতীও বায়না ধরলেন রং খেলার জন্য। কৃষ্ণ জানালেন,সেদনিটা দেবতাদের জন্যই থাক,অন্য একদিন রংয়ে রেঙে ওঠা যাবে’খন। দেখুন.............কৃষ্ণ কতটা শ্রদ্ধাশীল।।।‼️ শ্রীমতীর সে আবদারই পূরণ হল ফাল্গুনি পূর্ণিমায়।আবার এদিকে ছোট্ট কৃ্ষ্ণ পুতনার বিষ-স্তন পান করার পর থেকেই কালো-বরণ।এদিকে রাধা ও তাঁর সখীরা সকলেই গৌর-বরণী।তাই দেখে মা যশোদার কাছে অনুযোগ করলেন কৃষ্ণ।মা তাঁকে জানালেন,কোনও একদিন গিয়ে কৃষ্ণও যেন গোপীদের রঙে রাঙিয়ে দেয়।তাহলেই সব এক।সেই থেকেই রংয়ের উৎসবের সূচনা।কৃ্ষ্ণ আর তাঁর দলবল গিয়ে রাধাকে রঙ মাখিয়ে এসেছিলেন বরষাণায়।প্রত্যুত্তরে গোপীরা লাঠি হাতে তেড়ে এসেছিল নন্দগাঁওতে।আর আত্মরক্ষা করেছিল কৃ্ষ্ণের সখারা।এই হল লাঠমার হোলি।আমি পোস্টটা এভাবেই করলাম।সকলেই বেশ কিছু কমবেশি অবগত। ...‼️‼️সে যাই হোক বসন্তোৎসব এককালে ছিল মদনোৎসব।পরবর্তীকালে বিষ্ণুর জায়গা যেভাবে নিয়েছিলেন কৃষ্ণ,সেভাবেই মদনের জায়গাও নিলেন তিনি।এ কথা মনে করতেন স্বামিজীও।আমাদের আদর্শ হলেন তিনিই...স্বামী বিবেকানন্দ ....!!!ওনার নোভেল গুলো পড়লে অনেকটা ভেতরে যাওয়া যায়।আসলে মদনের সঙ্গে বসন্তের যোগাযোগ নিবিড়।এ যাগা'টা একটু মদনেরই কারসাজ্জি...!!তাই " কুমারসম্ভবের কবি শিব-পার্বতীর মিলন ঘটাতে ডেকে এনেছিলেন বসন্ত-সখা'কে।" ⚡⚡কিন্তু👉মদনের পরিবর্তে কৃষ্ণের জায়গা নেওয়া আসলে 💖প্রেমের শিরোমণি হিসেবে কৃষ্ণের প্রতিষ্ঠার প্রতিই ইঙ্গিত দেয়।  রাধা-কৃষ্ণের সঙ্গে দোলের যোগাযোগ এইভাবেই।নিশ্চয়ই এমনই কোনও ফাল্গুনি পূর্ণিমাতে গোপী-শ্রেষ্ঠাকে নিয়ে রঙ খেলার সময় দোলনাতেও দুলেছিলেন,সেই থেকে দোল লেগেছে।পরবর্তীকালে না না গানও হয়েছে সেই .........গৌরিপ্রসন্ন মজুমদার‼️‼️‼️ 💖দোলে দোদুল দোলে ঝুলনা.. দোলে কৃষ্ণ দোলে ঝুলনা... দোলে রাই দোলে ঝুলনা, দোলে দোদুল নাই তুলনা❕ 💖রাধার অধরে জাগে হাসি (ওগো) কহিছে ডেকে শ্যামের বাঁশি এ লগন রাই ভুলো না❕ দোলে শিখি পাখা, দোলে শুকসারি ময়ূরী দোলে প্রেম অভিসারী......❕❕❕❕ এভাবেই.... বসন্তের এই উৎসব একদিনের নয়, বেশ প্রলম্বিতই ছিল।এখনও তাই!!!কোথাও কোথাও পঞ্চম দোল বা ষষ্ঠ দোল পালন করা হয়।আবার👉 ★মহাকবি হালের রচনা থেকে জানা যায়,দোলে কাদা ছোঁড়াছোঁড়িও হত।যা এখনও ‘মেটে হোলি’ নামে চালু আছে।দোলের সঙ্গে👈😎 মদ্যপানের যোগাযোগও প্রাচীন।★ভাসের রচনায় জানা যায়,এই রঙের উৎসবেই বলরাম বৃন্দাবনের বারুণি মদ পান করে এত উতলা হয়েছিলেন যে,যমুনাকে কাছে ডেকেছিলেন স্নান করবেন বলে।তবে এগুলো হাল আমলের নোংরামি নয়..  ইতিহাস সাক্ষী দেয় বেশ, ....!!! যমুনা নদীর সেই গতিপথ পরিবর্তনের ইতিহাস ।এই যে কলহ,কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি,মদ্যপান এসবই জানায় যে,দোল মোটেও শৌখিন উৎসব ছিল না।বরং উদ্দামতা,উচ্ছ্বাস ছিল অনেক,....বলতে গেলে বড্ড বেশি।বর্তমান প্রজন্ম যাকে ভুলপথে চালিত করে তাঁদের দোহাই দিয়ে...⁉️⁉️⁉️আজ পোস্ট গুলো নেই আমি বোধহয় বছর দুই আগে একটা দোলের অসভ্যতামী নিয়ে পোস্ট দিয়েছিলাম।দেখিয়েছিলাম UP/Bihar,...!!! কোনো এক পাড়ায় অঙ্গলো লেডি'কে জোর করে ধরে পাঁচ-সাত জন ছেলে রং ছাড়াও নানা বিষয়ের মিশ্রণে খোলা জায়গায় এক তরফা স্নান করাচ্ছে,আর মহিলা কেঁদে চলেছে ... আশেপাশে দুনিয়া মুখে কোলুপ এঁটে দেখছে,অনেক মহিলাও ছিল সেখানে👈😎😎😎.. .আসলে ওই সেই কথা, ""আমরা কেউ ভালো নয়,ব্রাকেটে স্বভাবে"🤓🤓🤓👉❕❕❕❕আসলে দোল টা যে কি বোঝেই না অনেকেই....!!⁉️⁉️ এই দোলের মাত্রাই বদলে দিয়েছিলেন মহাপ্রভু।তাঁর দৌলতেই সর্ব-ভারতীয় হয়ে উঠেছিল দোল।এরকমই দোলপূর্ণিমা ছিল সেদিনও।বাংলা ৮৯১ সন। ১৪৮৫ খ্রীস্টাব্দ। অনেকে বলেন ১৪৮৬। পাঁচশো বছরেরও আগে এরকমই এক দিনে জন্ম নিয়েছিলেন মহাপ্রভু।....❕❕চৈতন্যচরিতামৃত-এ সেদিনের বর্ণনা দিয়ে কবি রাজ গোস্বামী লিখছেন, শুনুন 👉‼️চৌদ্দশত সাত শকে,মাস যে ফাল্গুন। পূর্ণমাসীর সন্ধ্যাকালে হৈল শুভক্ষণ।।‼️👈 👉‼️অকলঙ্ক গৌরাঙ্গ দিলা দরশন। সকলঙ্ক চন্দ্রে আর কিবা প্রয়োজন‼️👈 👉‼️এত জানি, চন্দ্রে রাহু করিল গ্রহণ। ‘কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরিনামে’ ভাসে ত্রিভুবন।‼️👈 এবারে চন্দ্রগ্রহণ আছে ..... তাহলে বলি আমার কথা .....❕🤓🙄🤓❕❕পূর্ণিমাতে চন্দ্রগ্রহণ যেন বাংলার সেই অবস্থার প্রতিনিধি স্বরূপ।ঐতিহ্য সত্ত্বেও এক রকমের ভঙ্গুর দশা চলছিল সে সময়। আজও কি ভঙ্গুর দশা নয়???‼️যারা বুঝমান তারা বোঝেন ...মনে কেউ কিছু করলেও যেটা সত্যি সেটা সত্যিই,আমরা হিন্দু হিন্দু বলে লম্ফ ঝম্প করি অথচ এই চন্দ্র গ্রহণ ,এই শ্রী কৃষ্ণের দোল যাত্রা???কিন্তু মাংসর দোকানে তো ভিড়ে ভর্তি থাকছে। ‼️‼️ ★ অতীতের সেই সময় ....একদিকে মুসলমান রাজত্বের জোরজুলুমে জেরবার সাধারণ মানুষ,অন্যদিকে ব্রাহ্মণ্যতন্ত্রের গোঁড়ামিতে তিতিবিরক্ত সমাজ...❕🤓🙄🤓   এহেন এক সময়েই গৌরচন্দ্রের আবির্ভাব।তার আগে থেকেই বিদ্যাচর্চার জন্য প্রসিদ্ধ ছিল নবদ্বীপ।নিমাই নিজেও ছিলেন বড় পণ্ডিত।তবে তর্কে যতদূর যাওয়া যায়,💖প্রেমে যে তার থেকেও বহুদূর,তা তিনি বুঝেছিলেন।আর তাই ক্ষয়াটে সমাজ ব্যবস্থার বদল আনতে 💖প্রেমেই ভরসা রেখেছিলেন।সে প্রেম কৃষ্ণপ্রেম। 🙏জয় শ্রী কৃষ্ণ🙏রাধে রাধে🙏🙏আর তাই মূলত মহাপ্রভুর কারণেই রাধা-কৃষ্ণের দোল সর্বভারতীয় উৎসবের চেহারা নিয়েছিল।কীভাবে মহা শিবরাত্রি ব্রত পালন করবেন,তা নিয়ে ভাবেন যতটা নারী সমাজ ,ঠিক ততটাই ভাবেননা তারা এই দোল কে নিয়ে ...আর বর্তমান প্রজন্ম অনেকটাই ক্ষেপাটে,বে-আব্রু গোছের। মনে কিছু নেবেন না কেউ... এই মহাপ্রভুই...যবন শাসকের বিরুদ্ধে এককাট্টা করতে সারা ভারত তিনি প্রায় পদব্রজে ভ্রমণ করেছিলেন।আর যেখানে যেখানে গিয়েছিলেন সেখানেই ঘটেছে "কৃ্ষ্ণ"চর্চার প্রসার।ফলত "দোল"ও গণ্ডি ছেড়ে হয়ে উঠেছে সর্বভারতীয় স্তরে।ধর্মের বেড়া টপকে হয়ে উঠেছিল সার্বজনীন।মহাপ্রভু গৌড়ের শাসক হননি ঠিকই,কিন্তু তাঁর আদর্শ নবজাগরণ ঘটিয়েছিল।চৈতন্য রেনেসাঁ নামে যা পরিচিত।মহাপ্রভুর তিরোধানের পর, বৈষ্ণবদের সমাজ আবার পরেছিল ভাঙনের মুখে।পরবর্তী মোহন্তরা এই দোল'কে কেন্দ্র করেই পুনরায় তাঁর আদর্শ স্থাপন করেছিলেন।কৃষ্ণের সমস্ত কর্মকাণ্ডের মধ্যে সমণ্বয় একটা প্রধান ব্যাপারও ছিল।তা যেমন রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে,তেমনই সেই সময় সমস্ত ভাব ও দর্শনেরও সমণ্বয় ঘটিয়েছিলেন তিনি।এই হোলির মধ্যেও আছে সেই সমণ্বয়।পাশপাশি কয়েক হাজার বছর আগেও ★নারী স্বাধীনতার পরিবেশটা ঠিক কীরকম ছিল,এই উৎসবে ব্রজ রমণীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে'ই তার প্রমাণ মেলে।দোল আনন্দ উৎসব। রঙের নেশায় ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যে পৌঁছনোর সোপান।প্রাচীন রাধা-কৃ্ষ্ণের উপাখ্যান অবলম্বন করে মহাপ্রভু সেই কাজটিই করেছিলেন।আর তা থেকে দোল' বা হোলি'ও পেয়েছে এক বিভেদহীন উৎসবের পরম্পরা। 💖💮💖 কত ইউজার ছেড়ে চলে গেলো🙄🙄🙄🙄আমি সবাই'কে ডাকছি কেউ কথা শুনছে না জীবনের গতি তো না না রঙের বিলিনতায় শেষে তো সেই "সাদা" ই হয়..এই না না রঙের মধ্যেই তো চেনা যায় কে কৃষ্ণ কে বা রাধা আজ আমরা সবাই ভুলে যাই না কেনো একটু "আমরা খুব দুঃখী" সত্যিই তো ShareChat'টা বড্ড দুঃখী।তাহলেও আসুন সবাই মিলে দোল খেলি শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্যদিয়ে।সাথে সকলেই মিষ্টি আনবেন।আমি মিষ্টি খুব ভালবাসি।কতটুকুই বা জীবন কিন্তু এগুলোই তো স্মৃতি হয়ে থেকে যাবে।আমি চাইবো যা চিরো নবীন হয়ে থাকুক।খেলতে খেলতে দেখুন লাঠমার হোলির ভিডিও ফুটেজ।করা করা খেলছে বোলে দেওয়া নিষ্প্রয়োজন।হ্যা আমরাও আছি......‼️‼️‼️আশাকরি নিরাস হবেন না কেউই। 💖💮💖 🙏🙏 #শুভেচ্ছা #ভক্তি #🎆দোলযাত্রার স্ট্যাটাস ২০২৬✨ #🛕মথুরা বৃন্দাবন হোলি ২০২৬✨ #🎉শুভ দোলযাত্রা ২০২৬🎉
Sandy
3.2K views
1 months ago
👉🙏🔱🙏 কোন রহস্যে সৃষ্টির বেড়াজালে শম্ভু🙏🔱🙏👈 🔱⚜️❇️✳️💠✳️❇️⚜️🔱 তিনি দেবাদিদেব মহাদেব (Lord Shiva)। ত্রিলোকনাথ পরমেশ। ❕❕❕তাঁর চেয়ে শ্রেষ্ঠ কেউ নয়।বেদব্যাসের....... "‘বৃহৎ শিবপুরাণ’"- কালীপ্রসন্ন বিদ্যারত্ন অনুবাদ করেছিলেন এভাবে...... "‘শিব হতে শ্রেষ্ঠতর কিছুমাত্র নাই। শ্রী শিব সবার শ্রেষ্ঠ জানিবে সবাই।।"’ এই শিবই শস্য-শ্যামল বাংলার বুকে স্ফীত পেট,গোঁফ-দাড়িময় ভোলানাথ।বঙ্গ সংস্কৃতিতে তিনি মিশে গিয়েছেন সেই কবে। সভ্যতার উন্মেষ থেকেই তিনি আরাধ্য।কিন্তু পুরাণ মতে তাঁর আবির্ভাব চর্চা অনেক। বিশ্বপতি তিনি।সমগ্র বিশ্বের অধিপতির জন্ম হয়েছিল কীভাবে?  ‘"বৃহৎ শিবপুরাণ"’ অনুযায়ী.... "‘কল্পে কল্পে ব্রহ্মা বিষ্ণু লভেন জনম। কল্পে কল্পে হয় সর্ব বিশ্বের সৃজন। এরূপে সবার সৃষ্টি করি মহেশ্বর।সংহার করেন পুনঃ দেবাদেব হর।’" ...‼️‼️ অর্থাৎ ত্রিদেবের (ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ্বর)মধ্যে প্রাচীনতম শিবই।তিনিই বাকিদের সৃষ্টি করেছেন।শিবপুরাণ তেমন করেই বলছে।তিনি আসলে স্বয়ম্ভূ।তাঁকে কেউ সৃষ্টি করেননি।তিনি নিজে নিজেই উদ্ভূত হয়েছিলেন। ‼️‼️‼️যখন কিচ্ছু ছিল না, তিনি ছিলেন।আবার যখন সব ধ্বংস হয়ে যাবে, তখনও থেকে যাবেন তিনিই।🤓🤓🙏🙏🙏🙏🙏🤓🤓 কাজেই শিব নিয়ে ছেলে খেলা নয়......🔱🔱⚜️🔱🔱 ‘শিব’ কথাটির প্রকৃত ব্যঞ্জনা কী?সকলে এক সাথে উচ্চারণ করুন,‼️....." ' " ‘সত্যম শিবম সুন্দরম’ " ' " ...‼️সত্য ও সুন্দরের সেতু তিনি। "একমেবাদ্বিতীয়ম পরমব্রহ্ম"। সভ্যতায় শিব চেতনা কবে থেকে শুরু?সে প্রসঙ্গে জড়িয়ে থাকে ব্রহ্মা ও বিষ্ণুর সঙ্গে শিবের সংযোগ। ""সৃষ্টি-স্থিতি-লয়"",এই তিনের প্রতিভূ তিনজন। ব্রহ্মা➡️সৃষ্টি,বিষ্ণু➡️স্থিতি ও শিব ➡️ প্রলয়। ওই যে কথায় আছে," অহংকার পতনের মূল" প্রবাদ বাক্যের সূত্র গুলো তো পৌরাণিকই ...‼️‼️ একটি কাহিনি রয়েছে এরকম ....👉ব্রহ্মা (Lord Brahma) ও বিষ্ণুর (Lord Vishnu) কলহের ফলে নাকি আবির্ভূত হয়েছিলেন তিনি।..... একবার ব্রহ্মা ও বিষ্ণুর মধ্যে তর্ক বাঁধল তাঁদের মধ্যে কে শ্রেষ্ঠ তা নিয়ে।বিতর্ক যখন তুঙ্গে তখন আচমকাই সেখানে আবির্ভূত হল এক প্রকাণ্ড🔥 🌋🔥জ্বলন্ত স্তম্ভ।সেই স্তম্ভের শুরু কোথায়,কোথায়ই বা শেষ তার যেন তল পাওয়া যায় না।এরপরই শোনা গেল দৈববাণী।কোন সুদূর থেকে ভেসে আসা সেই ✴️স্বর দুই দেবতাকে জানিয়ে দিল,ওই স্তম্ভের আদি ও অন্ত যিনি খুঁজে বের করতে পারবেন তিনিই শ্রেষ্ঠ।সঙ্গে সঙ্গে একটি হাঁস হয়ে আকাশ মুখে ভেসে চললেন ব্রহ্মা।অন্যদিকে বিষ্ণু শূকরের বেশে জমি খুঁড়ে স্তম্ভের শেষাংশ অনুসন্ধানের চেষ্টা করলেন। সময় গেল কিন্তু তাঁরা সেই স্তম্ভের শুরু বা শেষ কিছুই খুঁজে পেলেন না।একটা সময় হাল ছেড়ে দিলেন দু’জনই।তখনই তাঁদের সামনে আবির্ভূত হলেন শিব🕉️🔱❕🔱🕉️।যেন তিনি অপেক্ষ'মাণ তাঁদের জন্য।শিবকে দেখার পরই ব্রহ্মা ও বিষ্ণু বুঝতে পারলেন তাঁর স্বরূপ।শিবের চিরন্তন তথা আদি-অন্ত-হীন রূপকে প্রত্যক্ষ করে তাঁরা বুঝতে পারলেন শিবের আসল পরিচয়। ✡️🔔⛺তবে এসব পুরান যাঁরা অনুবাদ করেছেন তাঁদের বড় প্রণাম প্রাপ্য🙏 বড্ড জটিল,নানা দিক নানা সময়ের সমাহার যা একত্র করে যোগ শুদ্ধ করা মস্কিলেরই ছিল...❕‼️‼️ যে কথা বলছিলাম ..চেতনা নিয়ে .. আমি দেখেছি ... শিব চেতনার কবে শুরু তার কোনও হদিশ মেলে না।তবে নানা রূপান্তরের মধ্যে দিয়েই আজকের শিব'রূপ পরিগ্রহ করেছে সভ্যতা। মনে করা হয় শিব-কল্পনা বৈদিক যুগেরও বহু আগের। এই ""সিন্ধু সভ্যতা,ইংরাজিতে বলে Indus Valley Civilization যে অনেক বড় সভ্যতা ছিল তা বারে বারে প্রমাণিত। সিন্ধু সভ্যতায় মূলত মাতৃপূজার প্রচলন থাকলেও পুরুষ দেবতাও ছিলেন।তাঁদের অন্যতম তিনমুখ বিশিষ্ট এক দেবতা।একটি শিলে এই রূপটি দেখা যায়।তাঁর হাতে বাজুবন্দ।মাথায় শিং।আসনের নিচে ছিল একটি হরিণ।চারপাশে বাঘ,হাতি,গণ্ডার, মহিষ।‘ত্রিমুখা’, ‘যোগেশ্বর’, ‘পশুপতি’, ‘মহাযোগী’ নানা নামে পরিচিত তিনি।তাঁকেই শিবের আদিরূপ বলে মনে করা হয়।বৈদিক যুগে প্রকৃতির শান্ত স্বরূপ থেকে কল্যাণ'ময় যে চিন্তার জন্ম,সেই চিন্তা থেকেই মঙ্গলময় চেতনার প্রতীক শিবের জন্ম।সংহারের দেবতা রুদ্র ও মঙ্গলময় শিব মিলেমিশে রয়েছেন মানুষের ধর্মবিশ্বাসে একীভূত হয়ে।পৌরাণিক আমল থেকেই শিবের মূর্তির পাশাপাশি তাঁর প্রতীক লিঙ্গের উপাসনাও শুরু হয়।🔱🔱🔱🔱🔱🔱🔱🔱🔱🔱🔱🔱অনেকেই শিবলিঙ্গকে অনার্যদের ভাবনার মূর্ত স্বরূপ বলেও মনে করেন।অনেকেই জানে না শিবকে ছুঁলেই অনুভূত হয় রাবণের পদচিহ্ন,দ্বাদশ জ্যোতি-র্লিঙ্গ বৈদ্যনাথ ধামের মাহাত্ম্য। অথচ...!!!🙏এই শিবই বঙ্গ-জীবনের অঙ্গ হয়ে মিশে গিয়েছেন ঘরের মানুষ হয়ে।এখানে ‘"দেবতারে প্রিয় করি,প্রিয়েরে দেবতা"’। তাই তিনি পেশি বহুল জ্যোতির্ময়,মাথার পিছনে জ্যোতি-র্বলয় এমন দেবতা।মুখময় গোঁফদাড়ি,হাতে কলকে,বাঘছাল পরিহিত এক মানুষ যাঁর শরীরে মেদের আধিক্য।স্ফীত পেট দেখলে মনে হবে চিরচেনা কোনও মধ্য-বয়সি বাঙালি পুরুষ বুঝি।বছরের এই সময়টাই তাঁর আরাধনার মূল সময়। ★★★কিন্তু সেই দেবতারই কত কাহিনী কত তাঁর অবতার ভাবা যায়ই না।পরে কোনোদিন তাঁর অবতার নিয়ে পোস্ট করব...!!! মাথায় জটাজুট, হাতে ত্রিশূলধারী, ষাঁড়ের পিঠে চড়া মানুষটিকে জামাই হিসেবে দেখে শাশুড়ি মেনকা জ্ঞান হারিয়েছিলেন।কিন্তু পরে যখন শিব তাঁর মনোহর রূপটি দেখালেন, তখন তিনি মোহিত হয়ে গেলেন। সহস্র-সূর্যের প্রভাময় শরীর, মুকুটের দিব্য বিভা,কণ্ঠের অলঙ্কারের জৌলুস দেখে বুঝতে পারলেন, বাইরের এই রূপ আসল নয়।সমস্ত রূপকে অতিক্রম করে চিররূপময় শিব একমেবাদ্বিতীয়ম। এভাবেই এই বঙ্গে শিব রয়ে গিয়েছেন যুগ যুগ ধরে। সময় বদলেছে। কালীঘাটের পটচিত্র বা যামিনী রায়ের ছবি হয়ে শিব ধর্মীয় অস্তিত্বকে সঙ্গে নিয়েই সংস্কৃতিতেও চির অমলিন রূপ ধারণ করে রেখেছেন। হয়ে গিয়েছেন চিরকালীন। আজ⚛️🔱⚛️শিবরাত্রি...শিবরাত্রি থেকে নীলপুজো,গাজন,চড়ক- নানা ভাবে বঙ্গ সংস্কৃতি ও ধর্মীয় রীতিনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত তিনি।মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ও লোকসংস্কৃতিতে তাঁর রূপও অনেক।কোথাও তিনি পাঁচু ঠাকুর।কোথাও বা চাঁদ রায় কিংবা ধর্ম ঠাকুর,ক্ষেত্রপাল। মৎস্য-জীবীদের কাছে তিনি মাকাল ঠাকুর।এই দেবতার অলৌকিক বিভার সঙ্গে মিশে গিয়েছে লৌকিক সংস্কৃতি।👉🙏🙏👉 যেন বা ঘরের মানুষ। ...অন্নদামঙ্গলেই তো রয়েছে "‘শ্মশানে-মশানে থাকে, ছাইভস্ম গায়ে মাখে"’।..... "‘অতি বড় বৃদ্ধ পতি সিদ্ধিতে নিপুণ।, কোন গুণ নাহি তাঁর কপালে আগুন।’" ...!!!! এই বহুল পরিচিত ব্যজ-স্তূতির কথা কে না জানে? তাই ব্যাখ্যা নিষ্প্রয়োজন। আবার বলুন 🙏জয় জয় শিবও শংকর🙏 সকলের শুভ কামনায়,সকলের সুস্থতা কাম্য 🙏🔱🙏🔱🙏🔱🙏🔱🙏🔱🙏 🥀💠🥀💠🥀💠🥀💠🥀💠🥀 🙏ওঁ নমঃ শিবায়🙏 #শুভেচ্ছা #📿শুভ মহাশিবরাত্রি ২০২৬🔱 #🙏হর হর মহাদেব🕉 #ভক্তি #🙏🏽 শিবের ভিডিও স্ট্যাটাস 🙏🏽
Sandy
5.5K views
1 months ago
🙏শ্রদ্ধাঞ্জলি'র ভ্যালেন্টাইন ডে and “He-Man”🙏 🥀💛💘💘💘💘💘💘💛🥀 👩‍❤️‍👩🎬🎞️🎬🎞️🎬🎞️🎬🎞️🎬👩‍❤️‍👩 **"""🙄 সম্পর্ক টিকে থাকে নিখুঁত মানুষে নয়, পরিপূরক মানুষে!. *"""🙄 🙄💚🙄💚🙄💚🙄💚🙄💚🙄 শ্রীকৃষ্ণ থাকলে রাধা থাকবেই।শ্রীকৃষ্ণের সমস্ত শক্তির আধার তিনি।তিনি শুধু মাত্র কল্পনা হতে পারেন না।কল্পনা কে আশ্রয় করে কি কখনো পরমাবতার শ্রীকৃষ্ণ জগত কে প্রেমের শিক্ষা দিতে পারতেন ?????প্রশ্নটা সকলের জন্য...নিজেরা মনে মনে অনুরণন করবেন তাহলেই উত্তরটা পেয়ে যাবেন ....আমরা প্রায়ই বলি "ওল্ড ইজ গোল্ড",ইংরেজি বলুন আর বাংলা বলুন,....⏩এবং⏩অন্যান্য ভাষায় ও বা কিছু কিছু শব্দ খুব★বিশ্বাস যোগ্য। আজ আমি সেই শব্দ,সেই 'ওল্ড'কে গোল্ডেন শ্রদ্ধা জানালাম পোস্ট দিয়ে ...। সময়ের বড্ড অভাবে অনেক সময়ই আপনাদের মতো ঠিক ঠিক দিনে বা সময় গুরুত্ব পূর্ণ পোস্ট গুলো করা সম্ভব হয়ে ওঠে না.............................🎬🎞️🥀👩‍❤️‍👩🥀🎞️🎬রঙিন চলচ্চিত্র !!!!দিন টা তার ফুরোলেও যারা তার অংশীদার ছিল,তাঁদের একজনের জীবনাবসান হয়ে গেলো গত নভেম্বরে,2025‼️‼️❕🙄🙄🙄🙄❕❕❕❕ আজ ভালোবাসা দিবস,ShareChat ভুরি ভুরি পোস্ট দেবে...আমি এমনি চেষ্টা করলাম ভালোবাসা'কে বড় করে দেখানোর।💚💚💚 👉⏩👉 সত্যকাম থেকে শোলে..!!‼️❕ কিংবদন্তি'র ধর্মেন্দ্রজি ‼️❕‼️ তাঁর সিনেমা বলিউডের মাইলস্টোন...🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏 প্রয়াত ধর্মেন্দ্রজি ❕❕❕🤓সেরা তাঁর অভিনয় জীবনের বহুমুখী দিক-রোম্যান্স,কমেডি,অ্যাকশন ও গভীর মানবিক চরিত্র।প্রতিটি 🎬ছবিতেই ফুটে উঠেছে তাঁর অদম্য আকর্ষণ ও প্রজন্ম ছুঁয়ে যাওয়া অভিনয়ের দক্ষতা। ধর্মেন্দ্রজির বীরু চরিত্র আজও দর্শকের হৃদয়ে একই ভাবে রয়ে গেছে।অমিতাভের সঙ্গে বন্ধুত্ব,হেমা মালিনীর সঙ্গে রসায়ন-সব মিলিয়ে ‘শোলে’ এক অনন্য অনুভূতি। 💟👉⏩শোলে - ১৯৭৫ (Sholay)। এরকমই আরো কয়েকটি উল্লেখ করছি...!!! 💟👉⏩বন্দিনী - ১৯৬৩ (Bandini) ব্রিটিশ আমলে এক ডাক্তার প্রেমে পরে এক নারী বন্দির,আর ধীরে ধীরে সামনে আসে তার অতীতের লড়াই।🇮🇳স্বাধীনতা সংগ্রামীর সঙ্গে তার সম্পর্কই গল্পকে এগিয়ে নেয়। 💟👉⏩শালিমার - ১৯৭৮ (Shalimar) বিশ্বের সেরা জুয়েল থিফ স্যার জন লক্সলি তার মূল্যবান শালিমার রত্নের উত্তরসূরি খুঁজতে প্রাণঘাতী প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন।দ্বীপে জড়ো হয় প্রতিদ্বন্দ্বী চোরদের সেরা দল। 💟👉⏩মমতা - ১৯৬৬ (Mamta) ধনী পরিবারে জন্মানো মনিশ প্রেমে পরে গরিব পরিবারের দেবযানীর।সামাজিক দূরত্ব আর মানসিক টানা-পোড়েনেই শুরু হয় তাদের প্রেম কাহিনি। 💟👉⏩জুগনু - ১৯৭৩ (Jugnu) দিনে ধনী ব্যবসায়ী,রাতে সাধারণ মানুষের রক্ষাকর্তা-এমনই দ্বৈত জীবনের যাত্রা ‘জুগনু’র নায়ক।অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করাই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য। 💟👉⏩ফুল অউর পত্থার - ১৯৬৬ (Phool Aur Patthar) শাকা চরিত্রে কঠিন বাহির আর নরম হৃদয়ের মিশেল দেখিয়ে হৃদয় জয় করেছিলেন তিনি। এই ছবিই তাঁকে এনে দেয় প্রথম ফিল্ম-ফেয়ার মনোনয়ন। 💟👉⏩সত্যকাম - ১৯৬৯ (Satyakam) সত্যপ্রিয়া চরিত্রে দুর্নীতিগ্রস্ত সমাজে এক সৎ মানুষের লড়াই ফুটিয়ে তোলেন ধর্মেন্দ্র। সরলতা ও যন্ত্রণা মেশানো তাঁর অভিনয় আজও সমালোচকদের প্রিয়। 💟👉⏩সীতা অউর গীতা - ১৯৭২ (Seeta Aur Geeta) হেমা মালিনীর সঙ্গে হাস্যরস আর খেলাধুলো ভরা অভিনয়ে দর্শককে আনন্দে ভরিয়ে দেন তিনি। হালকা মেজাজের এই চরিত্র আজও জনপ্রিয়। 💟👉⏩অনুপমা - ১৯৬৬ (Anupama) নির্ভীক হিরো নয়,এখানে ধর্মেন্দ্র এক শান্ত, সংবেদনশীল কবি আশোক।শর্মিলা ঠাকুরের সঙ্গে তাঁর নরম,নীরব প্রেম দর্শকের মনে আজও জায়গা করে রেখেছে। 💟👉⏩হাকীকত ১৯৬৪ (Haqeeqat) সিনো-ইন্ডিয়া যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সৈনিক চরিত্রে ধীর,গভীর অভিনয় দেন ধর্মেন্দ্র।সাহস আর ত্যাগের গল্পে তাঁর ভূমিকা ছিল হৃদয়স্পর্শী ও শক্তিশালী। জীবনের সেরা গুলো মোটামুটি বললাম।👉অভিপ্রায় খালি শ্রদ্ধা টুকুই জানানো।🙏🙏🙏🙏বেদনার ডাইরি ঘাটলে রোমেন্স এর অনেক কিছুই আলগা হয়ে যায়।❕🤓❕ভালোবাসা নিয়ে কিছু বাস্তব কথা আমাদের জীবনে তো আহ-রহ দেখি।এই shareChat ও তো কত কিছু দেখালো,দেখাচ্ছেও।ভালোবাসা বেঁচে বা টিকে থাকে,পরস্পরের বিশ্বাসের উপর,যে ভালোবাসায় বিশ্বাসের ঘাটতি দেখা দেয়,সেখানে হয়ত ভালোবাসা থাকে না,থাকে সামাজিকতা'কে রক্ষা করা খালি। যে কাউকেই ভালোবাসা যায়।ভালোবাসা অনেক পবিত্র একটি অনুভূতি,স্বার্থসিদ্ধির জন্যও ভালোবাসা উচিত নয়।ভালোবাসা হচ্ছে,পৃথিবীর মধুরতম সম্পর্ক যেখানে থাকবে না কোনো চাওয়া-পাওয়া,থাকবে না কোনো স্বার্থ,থাকবে শুধুই ভালোবাসা। নিজে অসুখী হয়ে অন্যকে ভালোবেসে সুখী করা যায়না।কেউ কারো জীবনে সুখ এনে দেবে ভেবে কারো সাথে প্রেমে জারানো'তে লাভের লাভ কিছু হয় না।★বরং কেউ কারো জীবনে সুখ এনে দেবে ভেবে প্রেম করা যুক্তি যুক্ত।❕❕না এটা কেবল আমার মন্তব্য।সকলের ওপর চাপাচ্ছি না।*******💟💙💟 ভালোবাসা দেওয়ার জিনিস,নেওয়ার জিনিস নয়।কেউ যদি ভালোবাসা দেওয়ার চেয়ে ভালোবাসা পাওয়াতে বেশি সুখ পায়, তাহলে সে এখনো ভালোবাসার গভীরে যেতে পারেনি।ভালোবাসার সাথে প্রত্যাশার কোনো সম্পর্ক নাই।সত্যিকারের ভালোবাসা শুধু ভালোবাসার মানুষটিকে সুখী করতে চায়,তার থেকে কোনো প্রতিদান আশা করে নয়।প্রত্যাশার চাপ, আস্তে আস্তে ভালোবাসা'কে মেরে ফেলে। তার ভালোবাসার মানুষটি তার প্রত্যাশা পূরণের কোনো বস্তু নয়।সত্যিকারের ভালোবাসা,মানুষকে মুক্ত করে,বেঁধে ফেলে না।কথায় বলে ভালোবাসা আফিমের মতো,লোহার শিকল নয়,কারো ভালোবাসার মানুষ খুব সম্ভবত তার কাছে ফিরে আসবে ,যদি সে তাকে মুক্ত করে দেয়।লোহার শিকল দিয়ে ভালোবাসার মানুষকে আটকে রাখার চেষ্টা করলে,পাখি খাঁচা ভেঙ্গে উড়ে যাওয়ার চেষ্টা করবে। 💙ভালোবাসাকে শুধু বয়ফ্রেন্ড-গার্লফ্রেন্ডের মধ্যেকার সম্পর্ক মনে করে ‘ভালোবাসা’ নামক পবিত্র নামটাকে অপমানিতই করা হয়।ভালোবাসার পরিধি মহাবিশ্বের মতোই বিশাল। ‘ভালোবাসা’ নামক বস্তুটিতে যতটা আত্ম-তৃপ্তি পাওয়া যায়, তা আর অন্য কোথাও পাওয়া সম্ভব নয়। আর এই আত্ম-তৃপ্তির পরিপূর্ণ স্বাদ মানুষ তখনই পায়,যখন এই মহাবিশ্বের স্রষ্টা ও তার সৃষ্টিকে সে নিঃস্বার্থ ভাবে মনঃপ্রাণ দিয়ে ভালোবাসতে পারে।এই এত কিছু লিখলাম ধর্মেন্দ্রজি তাঁর জীবনে দেখিয়েছিলেন।আজ তিনি স্বর্গে...অনেক পেয়েছেন তবুও অনেক কিছু হারিয়েছেন ...সেই শব্দ "ভালোবাসা" কিন্তু জয়ের খাতায় আজও বর্তমান।......!!!‼️‼️‼️‼️জানিনা চেষ্টা করলাম খানিকটা বাকিটা পোস্ট এর মাধ্যমে বোঝালাম ...💙💚💙✴️✴️✴️✴️✴️হয়তো তেমন হলো না তবে এই ভ্যালেন্টাইন ডে তাঁকে উৎসর্গ করলাম ।এটা তো ঠিক,ভালবাসা মানে কাউকে জয় করা নয় বরং নিজেই কারো জন্য হেরে যাওয়া। ইতিহাস তাই বলে,এটা জ্ঞানের গভীরতা দিয়ে হয়না,পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত এবং আলোচিত শব্দ হলো “ভালবাসা”। এই ভালোবাসা কখনও কাঁদায়,কখন হাসায়,কেউ এর জন্য আত্মবিসর্জন দেয়।মানুষ কত ত্যাগ স্বীকার করে ভালোবাসার মানুষকে পাবার জন্য।আবার এই ভালবাসার জন্য মূল্যবান অনেক কিছুই হারায়,যার জন্য বিন্দুমাত্র আফসোসও কখনো হয় না ।কৃষ্ণ প্রেমের চরম রূপ।এটাই....!!!!❕❕❕তিনি সেই ঈশ্বর যিনি প্রেমের সম্পর্কের আনন্দ প্রদান করেন।কৃষ্ণের বিনোদন এবং তাঁর চিরন্তন আকাঙ্ক্ষা আধ্যাত্মিক প্রেমের আকারে প্রকাশিত হয় এবং এই প্রকাশ রাধা ও কৃষ্ণের আকারেই ঘটে।🙏🙏জয় শ্রী শ্রী কৃষ্ণের জয় 🙏🙏রাধে রাধে🙏🙏 আমি চাইব,ShareChat এ সকলের ভালোবাসা সার্থক হোক।খুশি বয়ে যাক। দুঃখের স্থান থাকবে কিন্তু মাত্রা যেনো না ছাড়ায়....‼️❕💚‼️💚❕💚‼️ 🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀 #শুভেচ্ছা #❤️হ্যাপি ভ্যালেনটাইন ডে ২০২৬🫶🏻 #❤️ভ্যালেন্টাইন ডে স্ট্যাটাস😍 #❤️ভ্যালেন্টাইন ডে স্ট্যাটাস😍 #🎦সেলেব্রিটি জুটি💕 #🎶ভ্যালেনটাইন স্পেসাল গান ২০২৬❤️
Sandy
4.7K views
2 months ago
🤓🔥একটি গান হাজার বিতর্ক🔥🤓 🇮🇳আজ প্রজাতন্ত্র দিবস🇮🇳 একটি জাতির জীবনীশক্তি বিতর্কিত 🔽বন্দেমাতরম🔽 ⭐১৫০ বছর⭐ 🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳 ১৯৫০ সালে গণপরিষদ এটিকে ভারতের জাতীয় স্তোত্র হিসেবে গ্রহণ করে।"বন্দে মাতরম্‌" প্রথমে একটি গান হিসেবে 🖍️লেখা হয়েছিল,পরবর্তীকালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই গানটিকে তাঁর 'আনন্দমঠ' উপন্যাসে অন্তর্ভুক্ত করেন (১৮৮২ সালে প্রকাশিত)।তারও ১৩/১৪ বছর পর... ১৮৯৬ সালে কংগ্রেসের কলকাতা অধিবেশনে @ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম এই গানটি গেয়েছিলেন। কিন্তু.... ১৯৩৮ সালের ১৬ নভেম্বর,এর দেশাত্মবোধক প্রকৃতির কারণে,★সরকার যে কোনো পরিস্থিতিতে বন্দে মাতরম গানটি গাওয়া নিষিদ্ধ করে।🤓🤓🔥💥🔥প্রতিবাদের রূপে,২৮ নভেম্বর, ১৯৩৮ সালে,ছাত্ররা দৃঢ়তার সাথে গানটি গেয়েছিল,যার কারণে কর্তৃপক্ষ তাদের গৃহবন্দী করে রেখেছিল। বন্দে মাতরম্ ("বন্দনা করি মায়") বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক রচিত সংস্কৃত-বাংলা মিশ্র-ভাষায় লিখিত এই গানটি বন্দনা-গীতি এবং বাংলা মা তথা বঙ্গদেশের একটি জাতীয় মূর্তিকল্প।ঋষি শ্রী অরবিন্দ ঘোষ বন্দে মাতরম্ গানটিকে "বঙ্গদেশের জাতীয় সংগীত" বলে উল্লেখ করেন। 🇮🇳প্রজাতন্ত্র দিবসে বিতর্কিত বন্দেমাতরম গান এবং তাঁর রচয়িতার প্রতি শ্রদ্ধা রইলো🇮🇳🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏 [[[[[🇮🇳➡️➡️❕###❕কারো মনে আঘাত বা বিরূপ প্রতিক্রিয়া পেষণ করার উদ্দেশ্যে এই লেখা বা প্রতিবেদন নয়...তবুও কেউ মনো ক্ষুণ্ন হলে ক্ষমা প্রার্থী❕###❕⬅️⬅️🇮🇳]]]]] ❕➡️❕➡️❕➡️❕➡️❕➡️❕➡️ চিরকালই ভারতবর্ষ তাঁর বাক স্বাধীনতা নিয়ে তুলকালাম বজায় রেখেছে।এমনই বছর দুয়েক আগে "জাতির জনকের" প্রিয় এমনই একটি গান'কে আমি প্রজেক্ট করেছিলাম। পোষ্টে.."tag line", নাকি ঠিক ছিলনা ..ShareChat tag কেরে নিয়েছিলও। ★আজ আমি যার পছন্দের সেই গান ছিল, তাঁর দৃষ্টি ভঙ্গির কিছুটা তাঁর নিজের কথায় তুলে ধরব।⏩⏩🔽⏩⏩ বন্দে মাতরম‼️‼️‼️একটা জাতির জীবনীশক্তি। ভারত স্বাধীনতার বহু বছর আগে থেকেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জনগণমন অধিনায়ক গানের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে লড়াই করেছে 🙄😳🙄বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এই মাতৃ বন্দনা-গীতি।বন্দে মাতরম এই দেশের পরাধীনতা থেকে মুক্তির লড়াইয়ের একমাত্র ধ্বনি,যা কালাপানি পারের কুখ্যাত সেলুলার জেলের নৃশংস অত্যাচার সহ্য করতেও সঞ্জীবনী বটিকার মতো কাজ করত।একটি স্তোত্র বা বন্দনা-গান যার🙏★🇮🇳★🇮🇳★ আয়ুষ্কাল ১৫০ বছর।..★🇮🇳★🇮🇳★🙏.................আমার জানা নেই,পৃথিবীর আর কোনও দেশে এমন দৃষ্টান্ত আছে কিনা। কমিউনিজমের পতনের পর লং লিভ রেভ্যুলেশন'ও হার মেনেছে বঙ্কিমচন্দ্রের বন্দে মাতরমের কাছে।......💥🔥💥বঙ্কিমচন্দ্র ১৮৮২.🙄🙄 সালে 'আনন্দমঠ' উপন্যাসে 'বন্দে মাতরম' সংযুক্ত করেন,তখন থেকেই এর উত্থান ও বিতর্কের সূত্রপাত। 💥🔥💥 'আনন্দমঠ' প্রথমবার প্রকাশ হওয়ার পর  'বন্দেমাতরম' গানের নীচে লেখা ছিল "‘মল্লার রাগ। কাওয়ালি তাল।’" কিন্তু,১৮৯৬ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের অধিবেশনে সর্বপ্রথম রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই গানটির দুটি স্তবক পরিবেশন করেছিলেন স্বয়ং★ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।⬅️❕➡️তিনি সুর বদলে ""দেশ রাগে"" গেয়েছিলেন।স্বয়ং লেখকেরও তা পছন্দ হয়েছিল।পরের সংস্করণেই লেখা হলো 'দেশ রাগ'। কবিতার সম্পূর্ণ ছ’টি স্তবকের ২৬ লাইনের মধ্যে প্রথম দু’টি স্তবকের ১২ লাইনকে জাতীয় স্তোত্র বা রাষ্ট্রগীত-এর স্বীকৃতি দেওয়া হয়⭐⭐ ১৯৫০ সালের ২৪ জানুয়ারি থেকে। 🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳⬅️🔥🔥🔥⬅️আজ ২৬শে জানুয়ারি....❕❕..প্রজাতন্ত্র দিবস,প্রজারা কতটা ভালো আছে তারাই বলতে পারবে.....আমি কাল নারকলী কুল পেলাম সরস্বতী পুজোর পর কিনলাম,এক ধাক্কায় ৭০০/- কেজি থেকে ১৫০/- তে নেমে গেছে নাকি তাই বাজারে অল্প হলেও উঠেছে...."মা"কে আজ দেবো.........স্বদেশী আন্দোলনের সময় বক্তৃতা-মঞ্চে উঠে সরলাদেবী স্লোগান তোলেন 'বন্দে মাতরম'...‼️🇮🇳➡️ এরপর থেকে এই স্লোগানেই এক জোট হতে শুরু করে ভারতীয়রা,স্বাধীনতা সংগ্রামীরা। ১৯০৫ সালে 'বঙ্গভঙ্গ' আন্দোলনের সময় মঞ্চে উঠে পুরো গানটা গান সরলাদেবী ও লেডি অবলা বসু। এরপর একে একে মদনলাল ধিংড়া,প্রফুল্ল চাকি,ক্ষুদিরাম বসু,মাস্টারদা(সূর্য সেন)সহ বহু বিপ্লবীর  ফাঁসির মঞ্চে শেষ উচ্চারণ ছিল, 'বন্দে মাতরম'। ব্রিটিশ পুলিশের হাতে মৃত্যুবরণের সময় মাতঙ্গিনী হাজরাও শেষ স্লোগান দিয়েছিলেন 'বন্দে মাতরম'।এই স্লোগানের ফলে ভারতীয়দের মনোবল দেখে রীতিমতো ভয় পেয়ে যায় ইংরেজরা। ফলে 'বন্দে মাতরম'নিষিদ্ধ করা হয়।এই ধ্বনি দেওয়ার অপরাধে বহু স্বাধীনতা সংগ্রামীকেই গ্রেফতার করে ব্রিটিশ সরকার। ##❕ এতো ..গেলো ব্রিটিশদের অনীহা❕## একটা গান ❕❕❕❕কত বিতর্ক⁉️⁉️ ১৯৩৭ সালে রবীন্দ্রনাথের পরামর্শেই এই গানের প্রথম দুটি স্তবককে বন্দনা-গীতি বা জাতীয় স্তোত্র বলে উল্লেখ করে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি।★যদিও মুসলিম লিগ এই গানটি গাইতে অস্বীকার করলে শুরু হয় বিস্তর বিতর্ক-বিবাদ।❕💥🔥💥ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ বলেন যে,এই গানটি ভারতের জাতীয় সঙ্গীত "জন গণ মন"-এর সমান সম্মানের অধিকারী।অরবিন্দ ঘোষও "বঙ্গের জাতীয় সঙ্গীত" হিসেবে বন্দে মাতরমকে উল্লেখ করেছিলেন।🤓🤓😳😳😳🙄🙄🙄 .....🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🇮🇳আমাদের জাতির জনক গান্ধীজির'ও প্রিয় গান নিয়ে বিতর্ক ছিল """রঘুপতি রাঘব রাজা রাম ...... ওনার মানসিক পরিস্থিতি..তুলে ধরলাম "বন্দে মাতরম" গানটিকে নিয়ে.....🙏এটাই প্রকৃত সন্মান জানানো হবে ১৫০ বছরের বিতর্কিত গান🙏 🇮🇳 "বন্দেমাতরম"🇮🇳 এর এবং তাঁর রচয়িতার প্রতি।🙏🇮🇳🇮🇳🇮🇳🙏বিষয় টা এমন............ ★১৯৩৯ সালের জুলাই মাসে '' হরিজন" পত্রিকায় গান্ধী লিখেছিলেন,"*"এর উৎস যাই হোক না কেন,এবং কীভাবে এবং কখন এটি রচিত হয়েছিল,দেশভাগের সময় বাংলার হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে এটি একটি সবচেয়ে শক্তিশালী যুদ্ধের স্লোগান হয়ে উঠেছিল।এটি ছিল সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী স্লোগান। ছোটবেলায়,যখন আমি 'আনন্দ মঠ' বা এমনকী বঙ্কিম সম্পর্কে কিছুই জানতাম না,তখন এর অমর লেখক বন্দে মাতরম আমাকে আকৃষ্ট করেছিল এবং যখন আমি প্রথম এটি গাইতে শুনেছিলাম,তখন এটি আমাকে মুগ্ধ করেছিল।আমার কখনও মনে হয়নি যে,এটি একটি হিন্দু গান বা শুধুমাত্র হিন্দুদের জন্য।দুর্ভাগ্যবশত,এখন আমরা দুঃসময়ে পরে গেছি...।"..😳🙄😳🙄😳🙄😳🙄...তাঁর এই বক্তব্য যথার্থই ছিল,মনে হয় পাঠকেরা সকলে মান্যতা দেবেন। ❕❕❕🤓🤓আর এই গানে দুর্গার স্তব থাকাতেই স্বাধীনতার আগে থেকেই একে জাতীয় সঙ্গীত করা নিয়ে বিতর্ক চাগিয়ে তোলে মুসলিম লিগ।১৯৩৭ সাল। স্বাধীনতা না এলেও,সেই শুভক্ষণ যে আর বেশি দূরে নেই তা বুঝতে পারছিলেন সবাই।কলকাতায় শুরু হয়েছে নিখিল ভারত কংগ্রেস কমিটির বৈঠক।🇮🇳🙄🇮🇳🙄🇮🇳🙄🇮🇳🤓🤓🤓শুরু হল সমস্যা।‘বন্দে মাতরম’, না ‘জন-গণ-মন-অধিনায়ক’— কোনটি হবে ভারতের জাতীয় সঙ্গীত এই নিয়ে চলল বিতর্ক।স্বাধীনতা আন্দোলনে ‘বন্দে মাতরম’-র অবদান তো অস্বীকার করা যাবে না।বিপ্লবী থেকে স্বদেশী,সাধারণ মানুষ— সবার মুখে মুখে ছড়িয়ে পরেছিল এই মন্ত্র। "বন্দে মাতরম ....!! বন্দে মাতরম.....".!!! অন্যদিকে ‘"জন-গণ-মন’"র মধ্যে সমগ্র ভারতের এক ছবি ফুটে উঠেছে,যা স্বয়ং কবিগুরুর নিজেরই সৃষ্টি। সেখানে ধর্ম-জাতি-অঞ্চলের কোনও ভেদ নেই। তাহলে কোনটি হবে জাতীয় সঙ্গীত?🇮🇳🤓🤓🤓🤓((★বিষয়টা আজ সংক্ষেপে শেষ করবো,ভেতরে অনেক কালো মেঘ লুকিয়ে আছে অন্য কোনো পোষ্টে লিখব....)) এদিকে...তর্কাতর্কি'তে নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু ,জহরলাল নেহেরু প্রমুখ জড়িয়ে পরেন,কিন্তু ন্যায় নীতি বিষয় ওই সকল ভারতীয় নেতা/নেত্রী বৃন্দ্র সমূহ সংযমের বাঁধ ভাঙেন'নি এটা সত্য।কিন্তু সেই কবিগুরু ছাড়া সবটাই অচল ছিল সকলের ভরসাও তিনি ছিলেন ..... সংবাদ-মাধ্যমে বিবৃতি দিয়ে রবীন্দ্রনাথ বলেন,বন্দে মাতরম্-এর প্রথম অংশটি সুন্দর,একটি কোমল মধুর ভাবের উদ্রেক হয় বঙ্গ-মাতা বা ভারত-মাতার জন্য,সেটি জাতীয় সমাবেশে গাওয়ার উপযোগী,তাতে কারও আপত্তি থাকতে পারে না।কিন্তু দ্বিতীয়াংশে যে ‘ত্বং হি দুর্গা দশ-প্রহরণ-ধারিণী কমলা কমল-দল-বিহারিণী’ ইত্যাদি,তাতে আপত্তি ওঠারই কথা।কোনও গানের আসরে সম্পূর্ণ গানটি গাওয়া চলতেই পারে।কিন্তু কোনও জাতীয় সমাবেশে তা গাওয়া উচিত নয়।যখন জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গানটি গাওয়া হচ্ছে,যখন সব ধর্মের মানুষ একত্র হচ্ছেন— প্রথমাংশটি'ই গাওয়া উচিত।🙏🙏🙏🙏🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏চমৎকার🙏🙏🙏এই কারণেই তিনি বিশ্ব কবি🙏🙏🙏🇮🇳🇮🇳🇮🇳🙏🙏🙏 রবীন্দ্রনাথ দুটো কথা বলেছিলেন গানটি বিষয়ে।এক➡️ দ্বিতীয় অংশে দুর্গার আরাধনা রয়েছে।দুই➡️ ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসের অংশ এটি,যাতে মুসলমান-বিরোধী কিছু কথা ছিলই।ফলে সব মিলিয়ে দ্বিতীয় অংশটি বাদ দেওয়াই উচিত।⭐⭐⭐⭐⭐কিন্তু তিনি এও বললেন,যে দিন থেকে বন্দে মাতরম কথাটি একটা ধ্বনি বা মন্ত্রের মতো ব্যবহার হতে শুরু করল,অনেক বিপ্লবী এই মন্ত্রের জন্য বিরাট আত্মত্যাগ করেছেন,এই ধ্বনি মুখে নিয়ে কারাগারে রুদ্ধ হয়েছেন,ফাঁসির মঞ্চে গিয়েছেন।তাই সকলেরই,বিশেষত মুসলমান ভাইদের মনে রাখা উচিত যে এই ধ্বনির সঙ্গে কিন্তু অনেক বলিদানের স্মৃতি জড়িত।বন্দে মাতরম ধ্বনিকে তাই শ্রদ্ধা জানাতেই হবে।🇮🇳🙏🙏🙏🙏🙏 বিশ্ব কবি তুমি লহ মোর প্রণাম🙏🙏🙏🙏🙏🇮🇳 ##@@##পরবর্তী কালে জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে "জনগণমন অধিনায়ক"-কে বেছে নেওয়া হলেও এখনও পর্যন্ত সংসদে বন্দে মাতরম্ ও জনগণমন দু’টি গানই বাজানো হয়। একটি বাজানো হয় সংসদীয় অধিবেশনের শুরুতে,একটি অধিবেশনের শেষে।🙏🙏🙏🙏🇮🇳🙏🙏🙏🙏 ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের প্রতি আমার শ্রদ্ধার্ঘ্য,প্রণাম শত কোটি রইলো।🙏🙏🙏আপনারা সকলে ভালো থাকবেন। 📓🖍️🥀🥀🥀🥀🖍️📓 #শুভেচ্ছা #ভক্তি #🇮🇳🇮🇳প্রজাতন্ত্র দিবস স্ট্যাটাস🇮🇳🇮🇳 #🇮🇳🇮🇳প্রজাতন্ত্র দিবস স্ট্যাটাস🇮🇳🇮🇳 #🇮🇳৭৭ তম প্রজাতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা🇮🇳 #🇮🇳৭৭ তম প্রজাতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা🇮🇳
Sandy
3K views
2 months ago
⁉️"🥀বসন্ত আসেনি তো 🥀"⁉️ 🤓🤓🤓🤓🤓🤓🤓🤓 📘🙏মা সরস্বতী🙏📘 আমাকে আরো বিদ্যা দেও 🖍️📕🖍️📕🖍️📕🖍️📕 ⭐23শে জানুয়ারি,2026,নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন,একই দিনে, মা সরস্বতীর পূজা।⁉️2026,বিরল দৃষ্টান্ত...কোথায় বসন্ত‼️⁉️‼️ মা সরস্বতী'কে করো জোড়ে প্রণাম🙏🙏আমাদের প্রিয় নেতাজীর প্রতি শ্রদ্ধা মিশ্রিত প্রণাম🙏🙏 *""" 🖌️✒️🖍️🖋️📙📘📕 ""মহাকাব্যের সরস্বতী"" 🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏"""* তিনি বৈদিক যুগের অন্যতম প্রধান দেবী (খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ থেকে ৫০০),এবং পরবর্তী সময়েও হিন্দু ধর্মে তাঁর গুরুত্ব ধরে রেখেছেন।বেদে,তাঁর বৈশিষ্ট্য ও গুণাবলী ""সরস্বতী নদীর"" সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সংযুক্ত।নদীর সাথে সম্পর্কিত দেবী হিসেবে,সরস্বতী তাঁর শুদ্ধি-করণ ও উর্বরতা বৃদ্ধির দ্বৈত ক্ষমতার জন্য পূজিত হন।পরবর্তী বৈদিক সাহিত্যে,বিশেষত ব্রাহ্মণ গ্রন্থ গুলোতে,সরস্বতী ক্রমশ বৈদিক বাক্ দেবী তথা বাকের সঙ্গে অভিন্ন হয়ে ওঠেন,এবং পরবর্তীতে এই দুই সত্তা একীভূত হয়ে একক দেবী হিসেবে পরিগণিত হন।সময়ের সাথে সাথে তাঁর নদীর সাথে সম্পর্ক কমতে থাকে🙄🙄😱😱 এবং বাক্,কবিতা,সঙ্গীত ও সংস্কৃতির সাথে সংযুক্তি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে....😳🙄😳🙄বাস্তবে সব বিষয় তাই দেখতে পাওয়া যায় [[((⁉️#⁉️[[ 👉আমিও স্পষ্টই দেখতে পাচ্ছি ওরকমই সময়ের সাথে সাথে কেমন যেনো ফ্যাকাশে হয়ে গেলো ★সরস্বতী পূজা....😳😳🙄.....কোথায় সেই বাসন্ত কাল?? যখন তখন তিথির দোহাই⁉️ ছোট্ট বেলা থেকেই জানতাম শ্রী রামচন্দ্র খালি অকালে বোধন করেছিলেন‼️এখন তো দেখি কথায় কথায় সবই অকালে ‼️‼️‼️ কোথায় সেই ৭ সকালে কাঁচা হলুদ সরষে তেল দিয়ে গায়ে মেখে ..উহু উহু করতে করতে স্ন্যান ⁉️এখন লোকে দেখা দেখি বা পূরত মশাইয়ের ফর্দ দেখিয়ে সব কিনে বাটিতে রেখে দেয় ⁉️বর্তমান প্রজন্ম কেমন যেন ফ্যাকাশে মার্কা স্বভাবে ভুগছে।সরস্বতী পুজোর মানে বোঝেনা,দেশের সরকার রাজনীতিতে পুজো-অর্চনা ঢুকিয়ে দিয়ে ছেলে/বুড়োদের রাতজেগে জলযোগের গেট খুলে দিয়েছে,আর স্কুলগুলো নম্বর দিয়ে দিয়ে টিন-এজার গুলো যাতে শ্রী পঞ্চমীর ইস্যু করে আলেয়ার পেছনে ছোটে তার ব্যবস্থা করছে,ফলে এদের ভক্তি শ্রদ্ধা জলাঞ্জলি প্রায়,আর কলেজ গুলোর ক্ষেত্রে "প্রায়" কথাটা আর থাকছে না ‼️‼️কোথায় সেই,"নারকলি" কুল??? বাজারে নেই ৭/৮০০ টাকা কিলো তাই বাজারে রাখেনি।কালের অমোঘ নিয়মে সব হারিয়ে গেলো..👈]]⁉️#⁉️))]] সরস্বতী পূজার ইতিহাস ব্রহ্ম-বৈবর্ত পুরাণের সাথে জড়িত।★🙏👉ভগবান শ্রীকৃষ্ণ দেবী সরস্বতীকে বর দিয়েছিলেন,যে বসন্ত পঞ্চমীতে অন্যান্য দেবতাদের সাথে তাঁরও পূজা করা হবে।🙏🙏🙏 জয় শ্রী কৃষ্ণের জয় 🙏🙏🙏 🖋️🖋️আশাকরি,আমি বেশ কিছুটা জানার মধ্যে অজানা বিষয় উপস্থাপন করতে পারব.... ....সরস্বতী হলেন জ্ঞান,বিদ্যা,শিল্পকলা,সঙ্গীত,ভাষা ও সংস্কৃতির দেবী,যিনি সাধারণত শুভ্রবসনা,শ্বেতপদ্মাসীনা এবং হংস বা ময়ূর বাহন-যুক্তা হিসেবে চিত্রিত হন;তাঁর চার হাতে থাকে বই (বেদ),জপমালা,জলপাত্র এবং বীণা,যা জ্ঞান ও সৃজন-শীলতার প্রতীক।তিনি ব্রহ্মার সহধর্মিণী এবং 'বেদের মা' হিসেবে পরিচিত,যিনি নৈসর্গিক প্রবাহ ও জ্ঞানের প্রতীক। বর্ণ: 👉শুভ্র (সাদা), যা শুদ্ধতা ও জ্ঞানের প্রতীক। বাহন:👉 হংস (পদ্ম বা ময়ূরও দেখা যায়),যা (ভালো-মন্দ বিচার) এবং নির্যাসকে তুলে ধরে। আসন:👉 শ্বেত পদ্ম (বিশুদ্ধতার প্রতীক)। মুখমণ্ডল: 👉ত্রিনয়না, ললাটে শশীকলা (চাঁদের কণা)। পুষ্তক (বই):👉বেদ ও সমস্ত জ্ঞানের প্রতীক। জপমালা (মালা):👉ধ্যান, আধ্যাত্মিকতা ও মনঃসংযোগের প্রতীক। জলপাত্র (কমণ্ডলু): 👉পবিত্রতা ও শুদ্ধিকরণের প্রতীক। ⭐বীণা:👉 শিল্পকলা, সঙ্গীত এবং সৃষ্টির (harmonious) প্রকাশ। জ্ঞানের দেবী:👉 তিনি সকল জ্ঞান,শিক্ষা, ভাষা (বিশেষত সংস্কৃতের উদ্ভাবক),শিল্পকলা ও সাহিত্যের অধিষ্ঠাত্রী দেবী। সৃষ্টির অংশ:👉তিনি ব্রহ্মার মুখ থেকে সৃষ্ট এবং তাঁর জ্ঞান সৃষ্টির জন্য অপরিহার্য ছিল। ⭐★★★⭐আধুনিক রূপ:👉বর্তমানে দ্বিভুজা বীণাপাণি রূপটি বেশি প্রচলিত,যা গত ১৫০ বছরের মধ্যে জনপ্রিয় হয়েছে। নদী রূপ:👉প্রাচীনকালে তিনি নদী-দেবী ছিলেন এবং সরস্বতী নদীর সঙ্গে তাঁর যোগ ছিল। ‼️‼️➡️➡️লক্ষ্মী ও পার্বতীর সঙ্গে তিনি ত্রয়ী গঠন করেন।সরস্বতী সর্ব-ভারতীয় দেবী।তিনি শুধু হিন্দু ধর্মেই নয়,জৈন ও বৌদ্ধ ধর্মেও পূজিত হন,প্রায় সারা বিশ্বে।মাতৃকা দেবী;➡️➡️জ্ঞান, সংগীত, শিল্পকলা, বাক্য, প্রজ্ঞা, জ্ঞানার্জন ও নদী-দেবী,ত্রিদেবী গোষ্ঠীর সদস্য...‼️‼️‼️👉★ বাংলার একটি বাজার থেকে সরস্বতীর চিত্র (১৯শ শতাব্দী, ১৮৯৫ এর পূর্ববর্তী)পাওয়া গিয়েছিল।এ বিষয়ে...ব্রিটিশ লাইব্রেরির কিউরেটরে'র সার-সংক্ষেপে বলা হয়েছে,"বিদ্যা ও জ্ঞানের দেবী সরস্বতী,একটি নদীর তীরে উপবিষ্টা।তাঁর পা একটি পদ্ম ফুলের উপর স্থির,বেদের প্রতিনিধিত্ব-কারী একটি তাল পাতার পাণ্ডুলিপি তাঁর পাশে রয়েছে এবং তিনি বীণা ধারণ করেছেন,একটি রাজহাঁস তাঁর বাহন হিসেবে কাছাকাছি অবস্থান করছে।➡️‼️‼️➡️‼️‼️‼️➡️‼️‼️‼️‼️➡️ শাস্ত্রীয় ও মধ্যযুগীয় হিন্দু ধর্মে,সরস্বতী প্রধানত শিক্ষার,শিল্পের এবং কাব্যিক অনুপ্রেরণার দেবী হিসেবে স্বীকৃত, এবং সংস্কৃত ভাষার উদ্ভাবক হিসেবে গণ্য হন।তিনি সৃষ্টির দেবতা ব্রহ্মার কন‍্যা হিসেবে অথবা তাঁর সৃষ্টি-রূপে যুক্ত।এই ভূমিকায়,তিনি তাঁর শক্তি উপস্থাপন করেন এবং বাস্তবতা'কে একটি স্বতন্ত্র মানবিক বৈশিষ্ট্য প্রদান করেন। তিনি সেই বাস্তবতা'র মাত্রার সাথে যুক্ত হয়ে স্বচ্ছতা ও বৌদ্ধিক শৃঙ্খলা'কে চিহ্নিত করেন। শাক্ত ধর্ম প্রথায়➡️সরস্বতীকে সর্বোচ্চ দেবীর সৃজনশীল রূপ হিসেবে পূজা করা হয়।বৈষ্ণব মতে➡️ তিনি বিষ্ণুর অন্যতম পত্নী হিসেবে গণ্য হন এবং তাঁর ঐশ্বরিক কর্মকাণ্ডে সহায়তা করেন।★#★তবে,এই পুরুষ দেবতাদের সাথে সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও,👉সরস্বতী একটি স্বতন্ত্র দেবী হিসেবে সঙ্গী ছাড়াই পূজিত হন। ....🙏📙🙏ওঁ নমঃ সরস্বত্যই নমঃ🙏📙🙏..... তিনি শান্ত ও দীপ্তি-ময় শুভ্র বর্ণের নারী হিসেবে চিত্রিত হন।তিনি সাদা পোশাক পরিহিত এবং সাদা পোশাক সত্ত্ব (পবিত্রতা ও কল্যাণ) গুণের প্রতীক।তাঁর চারটি বাহু রয়েছে,এবং প্রতিটি হাতে একটি প্রতীকী বস্তু ধারণ করেন:একটি গ্রন্থ,একটি জপমালা, একটি পদ্ম..!!! 👉⭐➡️👉⭐➡️➡️➡️➡️ হিন্দু মহাকাব্য মহাভারতে, ""সরস্বতী সর্বোপরি একটি পবিত্র নদী হিসাবে আবির্ভূত হন,যার উদ্দেশ্যে তীর্থযাত্রা করা হয়,তাঁকে বাক এবং জ্ঞানের দেবী হিসাবেও উপস্থাপন করা হয়।"" শক্তিশালী প্রবহমান বৈদিক সরস্বতীর বিপরীতে তাঁকে, ""নদীর মধ্যে শ্রেষ্ঠ এবং স্রোতের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ"", এবং তাঁর জলকে অবিচল ও প্রশান্ত বলে অভিহিত করা হয়। ★সরস্বতী নদীর তীর পুরোহিত এবং ঋষিদের দ্বারা পূর্ণ,যাঁরা তাঁর তীরে তপস্যা এবং যজ্ঞ করেন।তাঁর জলে উৎসর্গ এবং স্নান করার উদ্দেশ্যে লোকেদের নদীতে তীর্থযাত্রা করার অসংখ্য বর্ণনা রয়েছে। ➡️বশিষ্ঠের মতো মহান ঋষিদের কাছে প্রায়শই তিনি তাঁর মানবী রূপে উপস্থিত হন। মহাভারত'ও তাঁকে তাঁর স্ব-অধিকারে জ্ঞানের দেবী হিসাবে উপস্থাপন করে এবং বাক'কে তাঁর একটি বৈশিষ্ট্য হিসাবে দেখে।মহাভারতের ""শান্তি পর্বে""  তাঁকে বেদমাতা বলা হয়েছে।তাঁর সৌন্দর্যও ব্যাপকভাবে অসংখ্য অনুচ্ছেদ দ্বারা বর্ণনা করা হয়েছে এবং #📕একটি অনুচ্ছেদে,দেবী নিজেই বলেছেন,তাঁর জ্ঞান এবং সৌন্দর্য ⭐যজ্ঞে প্রদত্ত বস্তু থেকে উদ্ভূত হয়।মহাভারতে 👉👉👉 তাঁকে সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মার কন্যা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।পরে তাঁকে স্বর্গীয় সৃজনশীল সামঞ্জস্য হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে যিনি ব্রহ্মার মহাবিশ্ব সৃষ্টিকালে আবির্ভূত হয়েছিলেন। মহাকাব্য রামায়ণে......👉👉👉👉রামায়ণ রচয়িতা বাল্মীকি যখন ক্রৌঞ্চ হননের শোকে বিহ্বল হয়ে পরেছিলেন,সে সময় জ্যোতির্ময়ী ব্রহ্মাত্মজা "সরস্বতী" তাঁর ললাটে বিদ্যুৎ রেখার মত প্রকাশিত হয়েছিলেন।(( 🌟⏩তমসা নদী,যা গঙ্গার এক শাখা,সেই নদীতে স্নান করতে যাচ্ছিলেন কবি বাল্মীকি,এক শিষ্যসহ,সেই সময় একজোড়া ক্রৌঞ্চপাখি উড়ে যাচ্ছিল। "ক্রৌঞ্চ" অর্থ কোঁচবক। জলার ধরে ঘুরে বেরায় অপূর্ব সে দৃশ্য...!))⏩⏩⏩একবার রাক্ষস  ভ্রাতৃ-ত্রয় রাবণ,বিভীষণ এবং কুম্ভকর্ণ,ব্রহ্মার তপস্যা করেছিলেন,সৃষ্টিকর্তা তখন প্রত্যেককে বর দিয়ে ছিলেন।দেবতারা কুম্ভকর্ণ'কে বর না দেওয়ার জন্য ব্রহ্মার কাছে অনুরোধ করেন।ব্রহ্মা তাঁর কন‍্যা সরস্বতীকে আহ্বান করলেন এবং দেবতা'দের যা ইচ্ছা তা উচ্চারণের নির্দেশ দিলেন।তিনি সম্মতি জানালেন,এবং যখন রাক্ষস তাঁর বর প্রার্থনা করার জন্য কথা বললেন,তখন সরস্বতী তাঁর মুখে প্রবেশ করলেন,যার ফলে রাক্ষস বললেন, "বহু বছর ধরে ঘুমাতে চাই,হে দেবতাদের প্রভু,এটাই আমার ইচ্ছা....!!!!"...‼️ তারপরে সরস্বতী তার জিহ্বা ত্যাগ করেছিলেন।এর ফলে কুম্ভকর্ণ তার দুর্ভাগ্যের কথা চিন্তা করেছিলেন।.........🌟❕🌟❕🌟❕↕️↕️🔽সরস্বতী প্রথম ঋগ্বেদে আবির্ভূত হন,যা বৈদিক ধর্মের সবচেয়ে প্রাচীন উৎস।ঋগ্বেদে প্রাচুর্য ও শক্তির বৈশিষ্ট্যের মূর্ত প্রতীক হিসেবে সরস্বতীর উল্লেখযোগ্য ধর্মীয় ও প্রতীকী গুরুত্ব রয়েছে। প্রাথমিক ভাবে জলের (অপ্) স্বর্গীয় স্থান এবং ভয়ঙ্কর ঝড়দেবতা ( মরুৎ ) এর সাথে যুক্ত, এই দেবী ইলা এবং ভারতীর সাথে সর্ব-দেব-মন্দিরের মধ্যে একটি অবিচ্ছেদ্য ত্রিদেশীয় সমিতি গঠন করেন।⭐➡️সরস্বতীকে একটি প্রবল এবং শক্তিশালী বন্যা হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে যিনি ষাঁড়ের মতো গর্জন করেন এবং নিয়ন্ত্রণ করা যায় না।⏩অথর্ববেদ,যজুর্বেদ এবং সংশ্লিষ্ট রচনা গুলির প্রাচীন গ্রন্থে সরস্বতীকে বিভিন্ন উদ্দেশ্যে দেবতা হিসাবে আবাহন করা হয়েছে।★তাঁকে রোগ নিরাময়,সন্তানসন্ততি,সম্পদ এবং অন্যান্য আকাঙ্ক্ষা প্রদানের জন্য অনুসন্ধান করা হয় এবং ★এমনকি যজুর্বেদে একজন চিকিৎসক হিসাবে বিবেচিত হন। কিংবদন্তি গুলি বিকশিত হওয়ার সাথে সাথে সরস্বতীর ভূমিকা প্রসারিত হয়।একটি গল্পে👉👉👉👉👉 তিনি বাকের রূপ ধারণ করেন,একজন নারী যিনি গন্ধর্ব'দের কাছ থেকে চুরি করা ঐশ্বরিক পানীয় সোম উদ্ধার করেন,যা নারীদের প্রতি আকর্ষণের জন্য পরিচিত স্বর্গীয় প্রাণী।★★★মহাভারতে সরস্বতীর এমন উল্লেখও পাওয়া যায়,যেখানে তিনি ইন্দ্রের সভায় উন্নতি করেন,ঋষিদের উপদেশ দেন,ভগবান শিবের🔱 তিনটি শহরের ধ্বংসের সুবিধা দেন এবং যাজ্ঞবল্ক্য ঋষির কাছে একটি দর্শন হিসেবে আবির্ভূত হন। সরস্বতীর বহুমুখী প্রকৃতি,প্রজ্ঞা, সৌন্দর্য এবং বীরত্বপূর্ণ কাজগুলি,তাঁকে প্রাচীন ভারতীয় পৌরাণিক কাহিনীর বিভিন্ন দিক জুড়ে সম্মানিত করে,ব্যক্তিত্বপূর্ণ করে তোলে। ..... ওঁ নমঃ শ্রী শ্রী সরস্বতী দেব্যায়াই নামহ🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏অনেক কিছু লেখার,যা শেষ হবার নয়...❕কিছুটা ভিডিও পোষ্টে অনুরণন হবে ❕....এই দিনে আমার দিদিভাই এর কথা বেশি মনেপড়ে...আমি সারাদিন তাঁর কথা ভবি।সেই ছেঁড়া রামায়ন,মহাভারত,বেদ,পূরণ আরো কত কি...‼️‼️‼️ কী অসাধারণ.....‼️তিনি আমাকে আজও স্বর্গ থেকে আশীর্বাদ করেন ।😳😱😱😳🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🎹🥁🎻🎸📓📕📘📙🖋️🖍️✒️✒️🖌️✒️✒️🖍️🥁🥁🎻🎻🎸🎸📓📕📘📙🖋️ #শুভেচ্ছা #ভক্তি #🦢শুভ সরস্বতী পুজো ২০২৬🪕 #🦢শুভ সরস্বতী পুজো ২০২৬🪕 #🪕জয় মা সরস্বতী 🦢 #🪕জয় মা সরস্বতী 🦢 #🙏🪕সরস্বতী পুজোর স্ট্যাটাস🪕🙏
Sandy
3.3K views
2 months ago
নেতাজী সুভাষ চন্দ্র/ব্যক্তিত্ব 🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳 বক্তৃতা দ্বারা লোককে মুগ্ধ করবার অসামান্য শক্তি সুভাষ চন্দ্রের ছিল।সহজ ও সরল ভাষায় তাঁর মনোমুগ্ধকর বক্তৃতা শুনবার সৌভাগ্য যাঁদের হয়েছে,তাঁরাই সাক্ষ্য দান করবেন যে,এমন বক্তৃতা করবার শক্তি খুব কম লোকেরই থাকে। ⏩🌟⏩আজ আমি তাঁর মনুষত্ব ও চারিত্রিক দৃঢ়তা নিয়ে অন্য কিছু বলব...... পরো-দুঃখে  সুভাষ চন্দ্রের কোমল হৃদয় কেঁদে আকুল হতো।বহু বন্যা ও দুর্ভিক্ষ-পীড়িত নর-নারীর সেবায় তাঁর এই চিত্ত-বৃত্তির পরিচয় পাওয়া গেছে।যুদ্ধকালেও তাঁর গভীর ভালবাসা ও স্নেহ-প্রবণ হৃদয় বহুবার আত্ম-বিকাশ করেছে। ⁉️🤓🤓❔❔মনে কেউ কিছু করবেন না, সত্যি বিষয় বেরিয়েই যায় লিখতে গিয়ে.... হতভাগ্য দেশ এই ভারতবর্ষ❕❕নতুবা এত বড় একজন আদর্শ নেতা লাভ করেও আমরা তাঁকে হারিয়ে ফেলেছিলাম...আর বর্তমানে কোনো কোনো চুনোপুটি শাসক দলে থেকে তাঁর সন্মান নিয়ে টানাটানি করে। 👉👉⁉️⁉️ইতিহাস সব সময় অনেক কিছু বলে না গোপন করে।সেই নোংরা রাজনৈতিক কারণে।নাহলে,এদেশের দ্বিতীয় প্রধান মন্ত্রী(লাল বাহাদুর শাস্ত্রী) তাসখন্দে কিভাবে হঠাৎ মৃত্যুর কোলে ঢুলে পরেছিলেন তার হদিস করেনি দেশ সেই আমলে।কেনো❔❔ পরো দেশ তাসখন্দ??? সেখানে ইহলোকে চলে গেলেন শাস্ত্রী মশাই...‼️❔‼️❔‼️ইতর রাজনীতি তেমনই,বেশি ঘাটলে দেখা যাবে নিজ দেশেরই কেউ সেই রক্তবীজের সাক্ষর বহন করেছে।......🤓!!!আবার বলে ফেললাম......🤓!!না আর বলবো না সত্যি কথা❕❕❕😳❕❕❕ আজাদ-হিন্দ ফৌজের অন্তর্গত ঝান্সীর রাণী-বাহিনীর মধ্যে সর্ব্বাপেক্ষা বয়ো-বৃদ্ধা ছিলেন শ্রীযুক্তা চন্দ্রমুখী দেবী।তাঁর বয়স ৫৪ বৎসর।ইনি আজাদ-হিন্দ ফৌজে যোগদান করে নার্সের পদ গ্রহণ করেন এবং শেষ পর্য্যন্ত জড়িয়ে ছিলেন।আজাদ-হিন্দ ফৌজের বিভিন্ন হাসপাতাল,এমন কি,যুদ্ধ ক্ষেত্রের কয়েকটি হাসপাতালেও কাজ করেছেন,ঝান্সীর রাণী-বাহিনীতে সিপাহীর পদে ছিলেন।ওনার তিনটি পৌত্র বালসেনা-দলে যুক্ত ছিল।নেতাজী সুভাষচন্দ্র এবং আজাদ-হিন্দ ফৌজের সকলেই তাঁকে ‘মাতাজী’ বলে সম্বোধন করতেন।  ‘মাতাজী’ আনন্দবাজার পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টোরে'র সঙ্গে আলাপ-আলোচনা-প্রসঙ্গে নেতাজী সুভাষচন্দ্র তাঁর ফৌজের লোকদের কিরূপ গভীরভাবে ভালবাসতো এবং তাঁদের সেবার জন্য দারুণ বোমাবর্ষণের মধ্যেও কয়েক বার কিরূপ ভাবে নিজের জীবন বিপন্ন করে ছিলেন,তা তিনি ভাবাবেগে বর্ণনা করে ছিলেন।এরূপ ধরণের একটি দৃষ্টান্ত—যা তিনি স্বচক্ষে দেখেছেন—বর্ণনা-প্রসঙ্গে মাতাজী বলেন যে,👉👉👉👉 """ব্রহ্ম-রণাঙ্গনে যুদ্ধের শেষ পর্য্যায়ে ব্রিটিশরা একবার রেঙ্গুণে মিয়ান হাসপাতালের উপর বোমা-বর্ষণ করে।ইহা কতকটা কার্পেট-বোম্বিংয়ের ন্যায় হইয়াছিল; দুই বর্গমাইল স্থান জুড়িয়া বোমা বর্ষিত হয়।ঐ হাসপাতালের অতি নিকটেই মাতাজীর বাসগৃহ ছিল।শত-শত নাগরিক এবং আজাদ-হিন্দ ফৌজ এই বোমাবর্ষণের ফলে আহত হয়।নেতাজী আহত'দের দেখিবার জন্য ছুটিয়া যান।➡️(★ইতিহাস এসব বলে না লিখতে গিয়ে গায়ের লোম খাড়া হয়ে যায়)➡️➡️এই সময় মাথার উপর আবার একদল বোমারু বিমান দেখা দেয় এবং ঐগুলি বোমাবর্ষণ করিতে থাকে।🤓😳😳😳😱😱😱🙄🙄🇮🇳🙏🇮🇳★নেতাজীর গাড়ীটি একটি বোমার আঘাতে নষ্ট হইয়া যায়;কিন্তু নেতাজী তাহাতে কিছুমাত্র ভীত না হইয়া হাঁটিয়াই ঐ হাসপাতাল অভিমুখে অগ্রসর হন।তিনি তথায় উপস্থিত হইলে আহত'গণ দারুণ বিপদের মধ্যেও উল্লাসিত হইয়া উঠেন।""" ......★★★🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏👉👉👉⭐⭐⭐⭐⭐ বিদেশে ভারতীয়-দিগের হৃদয় সুভাষচন্দ্রের প্রতি কি পরিমাণে আকৃষ্ট হয়েছিল,তা জব্বলপুর ক্যাম্প-জেল থেকে সদ্য-মুক্ত সাত জন ভারতীয় জাতীয় বাহিনীর সৈনিক, এলাহাবাদের বাদসাহী মণ্ডী কংগ্রেস-কমিটীর সম্বর্দ্ধনা-সভায় বিগত ৫ই নভেম্বর (১৯৪৫) সন্ধ্যা-কালে বিবৃতি-দান-প্রসঙ্গে বলেছিলেন।...❕❕ তাঁরা বলেছিলেন, """সুভাষচন্দ্র'কে স্বর্ণ-পরিমাপে ওজন করা হয়েছিল।এই স্বর্ণ দক্ষিণ-পূর্ব্ব এসিয়ায় প্রতিষ্ঠিত জাতীয় ব্যাঙ্কের সম্পত্তি রূপে গণ্য হয়েছিল।শুধু তাই না,বিদেশে সুভাষ চন্দ্র এত গভীর সম্মান ও মর্য্যাদা লাভ করেছিলেন যে,তাঁর গল-দেশের একটি সামান্য পুষ্পমাল্যও জনৈক ব্যবসায়ী তাঁর যথা-সর্ব্বস্ব ব্যয়ে,বারো লক্ষ টাকা মূল্যে ক্রয় করে ছিলেন...‼️‼️আর কোন এক বক্তৃতা-সভায় নেতাজী সুভাষচন্দ্রের পাদ-মূলে যে ভক্তির অর্ঘ্য পরেছিল,তাহার মূল্য সামান্য দু’ একশত টাকা নহে—তাহামূল্য আট কোটি টাকা..."""‼️‼️‼️★★★🙏🙏🙏👆👆👆🙏🙏🙏🙏👆👆👆🙏🙏🙏🙏👆👆👆🙏🙏🙏🇮🇳🇮🇳🇮🇳😳😳😳🇮🇳🇮🇳🇮🇳🙏🙏🙏🙏🙏 সুভাষ চন্দ্রের প্রতিভা বহুমুখী,যদিও তা কেবল দেশের স্বাধীনতা-লাভের উপায়-উদ্ভাবনেই নিরত ছিল।দেশের শিল্প-বাণিজোর জন্য প্রতিষ্ঠিত ‘"বেঙ্গল স্বদেশী লীগ"’ দ্বারা তিনি দেশের অর্থনীতিক উন্নতির বিষয়েও মনোনিবেশ করেছিলেন।😳😳দর্শনের ছাত্র হিসাবে জগৎকে নূতন কোন মতবাদ প্রদান করাও হয়ত তাঁহার পক্ষে অসম্ভব হতো না; কিন্তু যে দর্শন-শাস্ত্রের চর্চ্চায় তাঁর জীবন আরম্ভ,সেই বিষয়ের মধ্যে ডুবে থাকার অবকাশ তিনি পাননি—🤓😱😱😳😳😱😱নয়তো আজ পৃথিবী হয়ত সক্রেটিস,প্লেটো,অ্যারিস্টটল,কাণ্ট, হেগেল,শঙ্কর,রামানুজ প্রভৃতি দার্শনিক গণের মত সুভাষ চন্দ্রের কাছ থেকেও জীবনের ব্যাখ্যায় কোন নূতন তত্ত্ব লাভ করতে পারত। সাংবাদিক সম্মেলন গুলোতেও তাঁর আচরণ ছিল ধীর-স্থির অথচ অতীব দৃঢ়।তিনি কদাচিৎ হাসতেন,কিন্তু হাসলে মৃদু ও মধুর হাসি হাসতেন।আমার মনে হয় যে,★হৃদয়া-বেগ ও ন্যায়-যুক্তির মধ্যে তিনি অবিচলিত সাম্য রক্ষা করতেন।🇮🇳🙏🇮🇳  সুভাষ চন্দ্রের রহস্য-জনক অন্তর্দ্ধানে তাঁর অপূর্ব্ব উদ্ভাবনী শক্তির পরিচয় পাওয়া যায়। মোগল-যুগে ঔরঙ্গজেবের রাজধানী দিল্লী থেকে মহারাষ্ট্র-সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ছত্রপতি শিবাজীর ফলের ঝুঁড়ি করে পলায়নের মত সুভচন্দ্রের পলানোর অভিনব কৌশলের পরিচায়ক।  সর্ব্বোপরি সুভাষচন্দ্রের স্বদেশ-প্রেম অতুলনীয়।👉তাঁর অতি বড় শত্রুকে' ও স্বীকার করতে হবে যে,তাঁর স্বদেশ-প্রেম জীবনে-মরণে,শয়নে-স্বপনে অবিরাম-গতিতে জল-প্রপাতের বারি-রাশির মত উদ্দাম বেগে ছুটে চলত— কোনরূপ বাধা-বিঘ্ন মানত না।দেশের পরাধীনতায় তাঁর অন্তর-লোকে যে বেদনার সুর ঝঙ্কৃত হত,সেটাই তাঁকে অগ্নি-দগ্ধ খধূপের(হায়ুই বাজি) মত সুদূরের পথে নিয়ে গিয়েছিল❕❕😳😳😳🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏😳😳😳😳🙏🙏🙏😱😱😱😱😱😱😱😱😱😱😱😱😱😱😱 🇮🇳হে ভারতবর্ষ তুমি কাঁদিয় না🇮🇳.....❕আজ তাঁর জন্মদিনে শ্রদ্ধা নিবেদনে যে চারিত্রিক বিশ্লেষণ করব তাতে সাধু ভাষায় বলি আচ্ছা ??গ্যারিবল্ডি কি মরিয়াছেন?শিবাজী কি মৃত?রাণা প্রতাপ সিংহ চিরদিন অমর।জর্জ্জ ওয়াশিংটনের বিনাশ নাই।নেতাজী সুভাষ চন্দ্রও চিরজীবী❕এ কথা তো প্রত্যেকেই স্বীকার করবে❕ 🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏 সর্ব্বত্যাগী—তেজস্বী—বাগ্মী—পরদুঃখকাতর—বন্ধুবৎসল—অতুলন স্বদেশ প্রেম—অসাম্প্রদায়িক—চির-অমর।‼️🙏🙏🙏🙏‼️🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳 সুভাষ চন্দ্রের নৈতিক চরিত্রে কখন কোন কলঙ্কে রেখা পরেনি;তিনি নিষ্কলঙ্ক চরিত্র নিয়ে চির-ব্রহ্মচারীর মত পরলোকে প্রস্থান করেছেন।সুভাষচন্দ্র দেশ-সেবার জন্য যে স্বার্থ-ত্যাগ করে গেছেন,তা প্রাচীন যুগে ভীষ্ম এবং ঐতিহাসিক যুগে রাণা প্রতাপের মধ্যে পরিদৃষ্ট হয়।তিনি ইচ্ছা করলে গভর্ণমেণ্টের উচ্চপদে অধিষ্ঠিত থেকে সাধারণ বাঙালী জীবনের ভোগ-সুখে কালাতিপাত করতে পারতেন।নবীন যৌবন,সুন্দর-সৌম্য আকৃতি, পাণ্ডিত্য,অর্থোপার্জ্জনের সুযোগ-সুবিধা তিনি সমস্তই দেশ-মাতৃকার হোমানলে আহুতি দিলেন।🤓😱😱🙄🙄🙄😱😱🤓🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳  তাঁর এই ত্যাগের কথা পর্য্যালোচনা করলে...মহাকবি কালিদাস এসে পরে.. ...‼️ রঘুবংশে মহারাজ দিলীপের প্রতি সিংহের উক্তি মনে পরে—👉👉⏩⏩ ❕“একাতপত্রং জগতঃ সভুত্বম্  নবং বয়ঃ কান্তমিদং বপুশ্চ।  অল্পস্য হেতোর্বহু হাতুমিচ্ছন্  বিচারমূঢ়ঃ প্রতিভাসি মে ত্বম্।”❕ 🔽🔽🔽🔽🔽🔽🔽🔽🔽 ↕️↕️↕️↕️↕️↕️↕️↕️↕️  সিংহ যেমন মহারাজ দিলীপকে “বিচারমূঢ়” বলিয়া তিরস্কার করিয়াছিল,সাধারণ লোকও হয়ত সুভাষ চন্দ্রকে ঠিক সেইরূপ মনে করিবে।কিন্তু মহৎ যাঁহার উদ্দেশ্য,ক্ষুদ্রে তাঁহার তৃপ্তি কোথায়? “নাল্পে সুখমস্তি।” 🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏  সেইজন্য মহা-মানবে'রা আত্ম-সুখের প্রয়াসী হতে পারেন না—সুভাষচন্দ্রও পারেননি। আই.সি.এস্.(ICS -Indian Civil Service)পরীক্ষায় চতুর্থ স্থান অধিকার করেও তিনি দাস-মনোবৃত্তির বশীভূত হতে পারলেন না—হেলায় আই.সি.এস.-পদ পরিত্যাগ করে অসহযোগ আন্দোলনে যোগদান করে কারাবাস ও নির্ব্বাসনের দুঃখ-কষ্ট মাথায় তুলে নিলেন।😳😱😳😱😳 সুভাষচন্দ্রের চরিত্রের মহৎ গুণ তেজস্বিতা। জীবনের প্রথম ভাগে প্রেসিডেন্সী কলেজে যে অগ্নিস্ফুলিঙ্গ আত্মপ্রকাশ করেছিল,পরবর্ত্তী জীবনে তাই কংগ্রেসে মহাত্মা গান্ধীর আপোষ-মীমাংসাকে অসার মনে করে মহাত্মার বিরুদ্ধাচরণেও কুণ্ঠিত হননি এবং দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন পণ করে ভারতীয় জাতীয় বাহিনী পরিচালনায় দাবানলের সৃষ্টি করেছিলেন।❕🙏❕ আজও💥💥💥🔥🔥🔥 পৃথিবীতে যুদ্ধ চলছে ...⁉️❕❕😳😳😳🤓🤓🤓 শুধু ভারতের নয়,শুধু এসিয়ার নয়,পৃথিবীর যেখানে যে দেশে,যে কোন পরাধীন জাতি আছে,সেই খানেই,সেই দেশে,সেই মানব-সমাজের প্রত্যেকটি নর-নারী সুভাষ চন্দ্রের নামের পাদমূলে পুষ্পাঞ্জলি দিয়ে ধন্য ও কৃতার্থম্মন্য হবে।🙏🙏🙏🙏🙏 🇮🇳😱🙏😱🙏😱🇮🇳  আমরাও তাঁকে ভক্তিপ্লুত হৃদয়ে শ্রদ্ধানত শিরে আমাদের প্রণতি জানাচ্ছি🙏##বলুন এটাই কি ঠিক করলাম না???⁉️⁉️এবং তাঁরই প্রদত্ত অমর বাণীতে তাঁকে সাদর সম্ভাষণ নিবেদন করছি—🇮🇳🙏“"জয় হিন্দ..! দিল্লী চলো..!”"🙏🇮🇳 ❕❕কারণ,তাঁর সেই দিল্লী-অভিযান আজও তো শেষ হয়নি-ই।❕❕🇮🇳😱😱😱🇮🇳 বিশেষ দ্রষ্টব্য👉👉আমি সর্বদাই ব্যান হয়ে যাই।ব্যান উঠলেও...!!!! মাত্র দু দিন দু/এক জনের বেশি পোষ্টে কমেন্ট দিলেই হঠাৎ করে ব্যান করে দেয়🙄😱🙄 ফলে সকলের পোষ্টে ইচ্ছে হলেও কমেন্ট দেওয়া ভাগ্যে থাকে না।আশাকরি বোঝাতে পারলাম।মনে মনে অসন্তোষ হবেন না।সকলেই আমার কাছে সমান।শুভ কামনা সকলের জন্য রইলো। 🇮🇳🙏🇮🇳🙏🙏🇮🇳🙏🙏🇮🇳🙏🇮🇳 🥀🥀🥀 #শুভেচ্ছা #🙏নেতাজি জন্ম জয়ন্তী💐 #🙏🏻দেশনায়ক নেতাজির অবদান🎖️ #🙏🏻দেশনায়ক নেতাজির অবদান🎖️ #🇮🇳🇮🇳প্রজাতন্ত্র দিবস Coming Soon🇮🇳🇮🇳 #🙂ভক্তি😊