অনুসরণ করুন
Manoranjan
@monoranjan_
6,735
পোস্ট
12,230
ফলোয়ার্স
Manoranjan
325 জন দেখলো
রানিগঞ্জে এসআইআর আবহে আবর্জনার স্তূপে বহু ভোটার কার্ড! নিজেদের নাম দেখে অবাক স্থানীয়রাসা মনেই বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Assembly Election)। এর মধ্যেই বাংলায় চলছে এসআইআর (Bengal SIR)। এর মধ্যেই আবর্জনার স্তূপে মিলল বহু ভোটার কার্ড। রানিগঞ্জ শহরের চিনকুটি মোড় সংলগ্ন একটি আবর্জনার স্তূপ থেকে বিপুল পরিমাণ ভোটার কার্ড উদ্ধার হয়। যা নিয়ে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।তবে আবর্জনার স্তূপে কীভাবে এবং কোথা থেকে গুচ্ছ গুচ্ছ এত ভোটার কার্ড এল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর মধ্যেই এক যুবকের দাবি, বাড়িতে ভোটার কার্ড থাকা সত্ত্বেও তাঁর কার্ড উদ্ধার হয়েছে ওই স্তূপে। প্রশ্ন উঠছে, উদ্ধার হওয়া ভোটারকার্ডগুলি ভুয়ো? স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যায় আবর্জনার স্তূপে একাধিক ভোটার কার্ড পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় মানুষজন। এসআইআর আবহে গুচ্ছ গুচ্ছ ভোটার কার্ড কোথা থেকে এল তা নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনায় খবর দেওয়া হয় স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনে। এর মধ্যেই এক যুবক জানান, বাড়ি ফিরছিলাম, সেই সময় ভাই ফোন করে জানায় আমার ভোটার কার্ড নাকি আবর্জনায় পড়ে রয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়ে তিনি দেখেন সত্যিই তাঁর নামে ভোটার কার্ড পড়ে রয়েছে। যদিও ওই যুবকের দাবি, বাড়িতে তাঁর ভোটার কার্ড সুরক্ষিত অবস্থাতেই রয়েছে। এমনকী কাউকেই তিনি ভোটার কার্ড ব্যবহার করতেও দেননি বলে দাবি ওই যুবকের। তাহলে কীভাবে ওই ভোটার কার্ড সেখানে এল? উদ্ধার হওয়া ভোটার কার্ডগুলি ভুয়ো? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এলাকার প্রাক্তন কাউন্সিলর আরিশ জালাল বলেন, ”এসআইআরের কাজ চলছে। এর মধ্যে ডাস্টবিনের মধ্যে এত ভোটার কার্ড কীভাবে এল তা প্রশাসনের খতিয়ে দেখা উচিত।” পুরো ঘটনায় প্রশাসনের গাফিলতি রয়েছে বলেও দাবি ওই নেতার। বলে রাখা প্রয়োজন, এসআইআর চলাকালীন কখনও সল্টলেকের রাস্তায় আবার কখনও কল্যাণী হাইওয়ের ধারে জঙ্গলের স্তূপ থেকে ভোটার কার্ড উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে। #📰দেশের আপডেট📰 #📈লেটেস্ট আপডেট📰 #📰রাজ্যের আপডেট📰
Manoranjan
381 জন দেখলো
#📈লেটেস্ট আপডেট📰 রানিগঞ্জে এসআইআর আবহে আবর্জনার স্তূপে বহু ভোটার কার্ড! নিজেদের নাম দেখে অবাক স্থানীয়রাসা মনেই বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Assembly Election)। এর মধ্যেই বাংলায় চলছে এসআইআর (Bengal SIR)। এর মধ্যেই আবর্জনার স্তূপে মিলল বহু ভোটার কার্ড। রানিগঞ্জ শহরের চিনকুটি মোড় সংলগ্ন একটি আবর্জনার স্তূপ থেকে বিপুল পরিমাণ ভোটার কার্ড উদ্ধার হয়। যা নিয়ে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।তবে আবর্জনার স্তূপে কীভাবে এবং কোথা থেকে গুচ্ছ গুচ্ছ এত ভোটার কার্ড এল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর মধ্যেই এক যুবকের দাবি, বাড়িতে ভোটার কার্ড থাকা সত্ত্বেও তাঁর কার্ড উদ্ধার হয়েছে ওই স্তূপে। প্রশ্ন উঠছে, উদ্ধার হওয়া ভোটারকার্ডগুলি ভুয়ো? স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যায় আবর্জনার স্তূপে একাধিক ভোটার কার্ড পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় মানুষজন। এসআইআর আবহে গুচ্ছ গুচ্ছ ভোটার কার্ড কোথা থেকে এল তা নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনায় খবর দেওয়া হয় স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনে। এর মধ্যেই এক যুবক জানান, বাড়ি ফিরছিলাম, সেই সময় ভাই ফোন করে জানায় আমার ভোটার কার্ড নাকি আবর্জনায় পড়ে রয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়ে তিনি দেখেন সত্যিই তাঁর নামে ভোটার কার্ড পড়ে রয়েছে। যদিও ওই যুবকের দাবি, বাড়িতে তাঁর ভোটার কার্ড সুরক্ষিত অবস্থাতেই রয়েছে। এমনকী কাউকেই তিনি ভোটার কার্ড ব্যবহার করতেও দেননি বলে দাবি ওই যুবকের। তাহলে কীভাবে ওই ভোটার কার্ড সেখানে এল? উদ্ধার হওয়া ভোটার কার্ডগুলি ভুয়ো? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এলাকার প্রাক্তন কাউন্সিলর আরিশ জালাল বলেন, ”এসআইআরের কাজ চলছে। এর মধ্যে ডাস্টবিনের মধ্যে এত ভোটার কার্ড কীভাবে এল তা প্রশাসনের খতিয়ে দেখা উচিত।” পুরো ঘটনায় প্রশাসনের গাফিলতি রয়েছে বলেও দাবি ওই নেতার। বলে রাখা প্রয়োজন, এসআইআর চলাকালীন কখনও সল্টলেকের রাস্তায় আবার কখনও কল্যাণী হাইওয়ের ধারে জঙ্গলের স্তূপ থেকে ভোটার কার্ড উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে। #📰রাজ্যের আপডেট📰 #📰দেশের আপডেট📰
Manoranjan
806 জন দেখলো
রানিগঞ্জে এসআইআর আবহে আবর্জনার স্তূপে বহু ভোটার কার্ড! নিজেদের নাম দেখে অবাক স্থানীয়রাসা মনেই বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Assembly Election)। এর মধ্যেই বাংলায় চলছে এসআইআর (Bengal SIR)। এর মধ্যেই আবর্জনার স্তূপে মিলল বহু ভোটার কার্ড। রানিগঞ্জ শহরের চিনকুটি মোড় সংলগ্ন একটি আবর্জনার স্তূপ থেকে বিপুল পরিমাণ ভোটার কার্ড উদ্ধার হয়। যা নিয়ে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।তবে আবর্জনার স্তূপে কীভাবে এবং কোথা থেকে গুচ্ছ গুচ্ছ এত ভোটার কার্ড এল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর মধ্যেই এক যুবকের দাবি, বাড়িতে ভোটার কার্ড থাকা সত্ত্বেও তাঁর কার্ড উদ্ধার হয়েছে ওই স্তূপে। প্রশ্ন উঠছে, উদ্ধার হওয়া ভোটারকার্ডগুলি ভুয়ো? স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যায় আবর্জনার স্তূপে একাধিক ভোটার কার্ড পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় মানুষজন। এসআইআর আবহে গুচ্ছ গুচ্ছ ভোটার কার্ড কোথা থেকে এল তা নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনায় খবর দেওয়া হয় স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনে। এর মধ্যেই এক যুবক জানান, বাড়ি ফিরছিলাম, সেই সময় ভাই ফোন করে জানায় আমার ভোটার কার্ড নাকি আবর্জনায় পড়ে রয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়ে তিনি দেখেন সত্যিই তাঁর নামে ভোটার কার্ড পড়ে রয়েছে। যদিও ওই যুবকের দাবি, বাড়িতে তাঁর ভোটার কার্ড সুরক্ষিত অবস্থাতেই রয়েছে। এমনকী কাউকেই তিনি ভোটার কার্ড ব্যবহার করতেও দেননি বলে দাবি ওই যুবকের। তাহলে কীভাবে ওই ভোটার কার্ড সেখানে এল? উদ্ধার হওয়া ভোটার কার্ডগুলি ভুয়ো? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এলাকার প্রাক্তন কাউন্সিলর আরিশ জালাল বলেন, ”এসআইআরের কাজ চলছে। এর মধ্যে ডাস্টবিনের মধ্যে এত ভোটার কার্ড কীভাবে এল তা প্রশাসনের খতিয়ে দেখা উচিত।” পুরো ঘটনায় প্রশাসনের গাফিলতি রয়েছে বলেও দাবি ওই নেতার। বলে রাখা প্রয়োজন, এসআইআর চলাকালীন কখনও সল্টলেকের রাস্তায় আবার কখনও কল্যাণী হাইওয়ের ধারে জঙ্গলের স্তূপ থেকে ভোটার কার্ড উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে। #📰রাজ্যের আপডেট📰 #📰দেশের আপডেট📰 #📈লেটেস্ট আপডেট📰
Manoranjan
577 জন দেখলো
তৃণমূল কংগ্রেস মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, "যতজনকে মৃত দেখানো হয়েছে, তাঁদের মধ্যে অনেকে জীবিত। লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির নাম করে এই যে মানুষকে অসভ্যের মতো লাইনে দাঁড় করতে বাধ্য করা, বিজেপি ওদের মদত দিচ্ছে। যারা হয়রানির লাইনে দাঁড় করিয়েছে, ভোটের লাইনেই বাংলার মানুষ বিজেপি আর নির্বাচন কমিশনকে ওই জবাবটা দেবে।" এই চাপানউতোরের মাঝেই গতকাল SIR ও NRC-র বিরুদ্ধে রাস্তায় নামে SIR বিরোধী একাধিক সংগঠন। রামলীলা ময়দান থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিল হয়।এসবের মধ্যে মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ নিয়েও নির্বাচন কমিশন আর তৃণমূল সরকারের সংঘাত জারি রয়েছে। এই ইস্যুতে কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। অন্যদিকে, নির্দেশ অমান্য করায় মুখ্যসচিবকে দিল্লিতে তলব করে, চার অফিসারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছে কমিশন। আবার মাইক্রো অবজার্ভার নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায় অবমাননার অভিযোগে ফের সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছে তৃণমূল। এই প্রেক্ষাপটে শুনানির শেষ দিনেও জারি রয়েছে তৃণমূল-বিজেপির কথার লড়াই। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, "শুনানি শেষের পথে। আগামী ২৮ তারিখে যে ভোটার লিস্ট বেরোবে, সেই ভোটার লিস্টে যদি ভুল থাকে আপনি আবেদন করতে পারবেন DEO-র কাছে। DEO অর্থাৎ DM। DM যদি আপনার আবেদন খারিজ করেন, আপনি যদি স্যাটিসফায়েড না হন, ফাইনালি আসতে হবে CEO-র কাছে। আর ভোটার লিস্ট তখনই বেরোবে যখন CEO সই করবেন।"SIR-এর এনুমারেশন পর্ব শেষ হওয়ার পর, খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে কমিশন। তাতে ইতিমধ্যেই ৫৮ লক্ষ নাম বাদ গেছে। এর সঙ্গে জুড়তে পারে শুনানিতে অংশ না নেওয়া আরও ৪ লক্ষ ৯৮ হাজার ভোটারের নাম। পাশাপাশি এখনও পর্যন্ত বাতিলের খাতায় থাকা আরও ১ লক্ষ ৬৩ হাজার নামও যদি এর সঙ্গে যোগ হয়, তাহলে শনিবার পর্যন্ত ভোটার বাতিলের সংখ্যাটা মোটামুটি দাঁড়িয়েছে ৬৪ লক্ষ ৬০ হাজারের বেশি। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল বলেন, "প্রায় দেড় কোটি শুনানি ছিল। আনম্যাপড আর LD-র (লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি) হিয়ারিং হয়েছে। আজকে হিয়ারিং শেষ হয়েছে। এখন গোটাটাই রয়েছে ERO, AERO-দের হাতে। যার নাম খসড়া তালিকার মধ্যে ছিল আর ফাইনাল লিস্টের মধ্যে নেই, প্রত্যেক নাম বাদ হলে একটা অর্ডার পাবেন। তারপরে ওঁদের ফের আবেদন করার সুযোগ আছে। আগে DEO-র কাছে, পরে CEO-র কাছে। যাদের নাম খসড়া তালিকায় ছিল না, তাঁরা FORM 6 আবেদন করতে হবে।" এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীনে থাকা, ফরেনার রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস বা FRRO-র তরফেও নতুন করে আরও ৩৮ জনের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিতে বলা হয়েছে। এরা সকলে বাংলাদেশের ভোটার হলেও, প্রত্যেকের কাছেই রয়েছে এ রাজ্যের ভোটার কার্ড। এ পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজারের কাছাকাছি এরকম জাল ভোটার কার্ডের তথ্য মিলেছে।এখন ভোটার তালিকা থেকে মোট কত নাম বাদ যায়, তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ২৮ ফেব্রুয়ারি। সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া বর্ধিত সময়সীমা শেষ। সেই মতো শনিবার শেষ হল SIR-এর শুনানির পর্ব। এখন চলছে নথি আপলোড ও তথ্য যাচাইয়ের প্রক্রিয়া। ২৮ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। আর এসবের মাঝখানেই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হচ্ছে, SIR প্রক্রিয়ায় শেষ পর্যন্ত এ রাজ্যে কত ভোটারের নাম বাদ যাবে ? নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, আনম্যাপড ৩২ লক্ষ এবং লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকায় থাকা ১ কোটি ৫১ লক্ষ ৯২ হাজার ৭৩৫ জনকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছিল। এর মধ্যে শনিবার দুপুর পর্যন্ত শুনানিতে আসেননি ৪ লক্ষ ৯৮ হাজারের মতো ভোটার। সূত্রের দাবি, তাঁদের নাম বাদ দেওয়া হবে। যাঁরা শুনানিতে অংশ নিয়ে নথি জমা করেছেন, কমিশন সূত্রে খবর, শনিবার সকাল পর্যন্ত, নথি যাচাই করে অযোগ্য এবং বাতিলের খাতায় রাখা হয়েছে আরও ১ লক্ষ ৬৩ হাজার মতো ভোটারকে। এখনও ১৫ লক্ষ ভোটারের নথি যাচাইয়ের কাজ বাকি রয়েছে। শেষ হল SIR-এর শুনানি পর্ব। এনুমারেশন পর্বেই বাদ যায় ৫৮ লক্ষ ভোটারের নাম। নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর, শনিবার দুপুর পর্যন্ত SIR-এর শুনানিতে অনুপস্থিত রইলেন প্রায় ৫ লক্ষ ভোটার। নথি যাচাইয়ের পর এখনও বাতিলের খাতায় দেড় লক্ষের বেশি ভোটার। #📰দেশের আপডেট📰 #📈লেটেস্ট আপডেট📰 #📰রাজ্যের আপডেট📰
Manoranjan
534 জন দেখলো
শেষ হল SIR-এর শুনানি পর্ব। এনুমারেশন পর্বেই বাদ যায় ৫৮ লক্ষ ভোটারের নাম। নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর, শনিবার দুপুর পর্যন্ত SIR-এর শুনানিতে অনুপস্থিত রইলেন প্রায় ৫ লক্ষ ভোটার। নথি যাচাইয়ের পর এখনও বাতিলের খাতায় দেড় লক্ষের বেশি ভোটার।এখন ভোটার তালিকা থেকে মোট কত নাম বাদ যায়, তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ২৮ ফেব্রুয়ারি। সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া বর্ধিত সময়সীমা শেষ। সেই মতো শনিবার শেষ হল SIR-এর শুনানির পর্ব। এখন চলছে নথি আপলোড ও তথ্য যাচাইয়ের প্রক্রিয়া। ২৮ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। আর এসবের মাঝখানেই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হচ্ছে, SIR প্রক্রিয়ায় শেষ পর্যন্ত এ রাজ্যে কত ভোটারের নাম বাদ যাবে ? নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, আনম্যাপড ৩২ লক্ষ এবং লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকায় থাকা ১ কোটি ৫১ লক্ষ ৯২ হাজার ৭৩৫ জনকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছিল। এর মধ্যে শনিবার দুপুর পর্যন্ত শুনানিতে আসেননি ৪ লক্ষ ৯৮ হাজারের মতো ভোটার। সূত্রের দাবি, তাঁদের নাম বাদ দেওয়া হবে। যাঁরা শুনানিতে অংশ নিয়ে নথি জমা করেছেন, কমিশন সূত্রে খবর, শনিবার সকাল পর্যন্ত, নথি যাচাই করে অযোগ্য এবং বাতিলের খাতায় রাখা হয়েছে আরও ১ লক্ষ ৬৩ হাজার মতো ভোটারকে। এখনও ১৫ লক্ষ ভোটারের নথি যাচাইয়ের কাজ বাকি রয়েছে। SIR-এর এনুমারেশন পর্ব শেষ হওয়ার পর, খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে কমিশন। তাতে ইতিমধ্যেই ৫৮ লক্ষ নাম বাদ গেছে। এর সঙ্গে জুড়তে পারে শুনানিতে অংশ না নেওয়া আরও ৪ লক্ষ ৯৮ হাজার ভোটারের নাম। পাশাপাশি এখনও পর্যন্ত বাতিলের খাতায় থাকা আরও ১ লক্ষ ৬৩ হাজার নামও যদি এর সঙ্গে যোগ হয়, তাহলে শনিবার পর্যন্ত ভোটার বাতিলের সংখ্যাটা মোটামুটি দাঁড়িয়েছে ৬৪ লক্ষ ৬০ হাজারের বেশি। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল বলেন, "প্রায় দেড় কোটি শুনানি ছিল। আনম্যাপড আর LD-র (লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি) হিয়ারিং হয়েছে। আজকে হিয়ারিং শেষ হয়েছে। এখন গোটাটাই রয়েছে ERO, AERO-দের হাতে। যার নাম খসড়া তালিকার মধ্যে ছিল আর ফাইনাল লিস্টের মধ্যে নেই, প্রত্যেক নাম বাদ হলে একটা অর্ডার পাবেন। তারপরে ওঁদের ফের আবেদন করার সুযোগ আছে। আগে DEO-র কাছে, পরে CEO-র কাছে। যাদের নাম খসড়া তালিকায় ছিল না, তাঁরা FORM 6 আবেদন করতে হবে।" এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীনে থাকা, ফরেনার রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস বা FRRO-র তরফেও নতুন করে আরও ৩৮ জনের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিতে বলা হয়েছে। এরা সকলে বাংলাদেশের ভোটার হলেও, প্রত্যেকের কাছেই রয়েছে এ রাজ্যের ভোটার কার্ড। এ পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজারের কাছাকাছি এরকম জাল ভোটার কার্ডের তথ্য মিলেছে।এসবের মধ্যে মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ নিয়েও নির্বাচন কমিশন আর তৃণমূল সরকারের সংঘাত জারি রয়েছে। এই ইস্যুতে কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। অন্যদিকে, নির্দেশ অমান্য করায় মুখ্যসচিবকে দিল্লিতে তলব করে, চার অফিসারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছে কমিশন। আবার মাইক্রো অবজার্ভার নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায় অবমাননার অভিযোগে ফের সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছে তৃণমূল। এই প্রেক্ষাপটে শুনানির শেষ দিনেও জারি রয়েছে তৃণমূল-বিজেপির কথার লড়াই। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, "শুনানি শেষের পথে। আগামী ২৮ তারিখে যে ভোটার লিস্ট বেরোবে, সেই ভোটার লিস্টে যদি ভুল থাকে আপনি আবেদন করতে পারবেন DEO-র কাছে। DEO অর্থাৎ DM। DM যদি আপনার আবেদন খারিজ করেন, আপনি যদি স্যাটিসফায়েড না হন, ফাইনালি আসতে হবে CEO-র কাছে। আর ভোটার লিস্ট তখনই বেরোবে যখন CEO সই করবেন।"তৃণমূল কংগ্রেস মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, "যতজনকে মৃত দেখানো হয়েছে, তাঁদের মধ্যে অনেকে জীবিত। লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির নাম করে এই যে মানুষকে অসভ্যের মতো লাইনে দাঁড় করতে বাধ্য করা, বিজেপি ওদের মদত দিচ্ছে। যারা হয়রানির লাইনে দাঁড় করিয়েছে, ভোটের লাইনেই বাংলার মানুষ বিজেপি আর নির্বাচন কমিশনকে ওই জবাবটা দেবে।" এই চাপানউতোরের মাঝেই গতকাল SIR ও NRC-র বিরুদ্ধে রাস্তায় নামে SIR বিরোধী একাধিক সংগঠন। রামলীলা ময়দান থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিল হয়। #📰দেশের আপডেট📰 #📰রাজ্যের আপডেট📰 #📈লেটেস্ট আপডেট📰
Manoranjan
793 জন দেখলো
ভারতের তরুণদের পর সফল তরুণীরাও, বাংলাদেশকে হারিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়ন অনূর্ধ্ব-১৯ মহিলা দলশুক্রবার ক্রিকেট বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ পুরুষ দল। আর শনিবাসরীয় বিকেলে আরও এক ট্রফিজয়। নেপালের পোখরা রঙ্গশালায় ভারতীয় অনূর্ধ্ব-১৯ মহিলা দলের ত্র্যহস্পর্শে পুড়ে ছারখার হয়ে গেল বাংলাদেশ। ৪-০ গোলে পদ্মাপারের দেশকে উড়িয়ে সাফ চ্যাম্পিয়ন হল নীল বাঘিনীরা।চলতি বছরের শুরুতে অনূর্ধ্ব-১৭ ভারতীয় দলকে এএফসি এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন জুলান নংমাইথেন।তিনিই ৪২ মিনিটে ভারতের হয়ে ডেডলক ভাঙেন। প্রীতিকা বর্মনের কাছ থেকে পাস পেয়ে বল জালে জড়াতে ভুল করেননি ইয়ং টাইগ্রেসদের অধিনায়ক। সেই শুরু। তারপর আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। যদিও প্রথমার্ধ শেষে ১-০ গোলে এগিয়ে ছিল ভারত। দ্বিতীয়ার্ধে শুরু থেকেই বাংলাদেশের গোলমুখে মুহুর্মুহু আক্রমণ চালায় ভারত। ৬৩ মিনিটে পেনাল্টি থেকে নিখুঁত স্পট কিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এলিজাবেদ লাকরা। গোলের পর আরও উজ্জীবিত হয়ে ওঠেন ভারতের মেয়ারা। ৬৮ মিনিটে বিপক্ষ গোলরক্ষক ইয়ারজান বেগমের কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে জালে জড়িয়ে দেন পার্ল ফার্নান্দেজ। গোটা টুর্নামেন্টে চারটি গোল করে তিনিই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা। ৩-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশ আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি। শেষের দিকে ভারত আবারও আক্রমণ শানায়। বক্সের মধ্যে সেঞ্জামের নিচু ক্রস থেকে অসাধারণ গোল করেন অন্বিতা রঘুরামন। শেষ পর্যন্ত ৪-০ গোলে বাংলাদেশকে পর্যুদস্ত করে মাঠ ছাড়ে নীল বাঘিনীরা। ইয়ং টাইগ্রেসরা রাউন্ড-রবিন পর্বে নেপালকে ১-০ এবং ভুটানকে ৮-০ গোলে হারিয়েছিল। তবে এই বাংলাদেশের কাছেই ২-০ গোলে হারতে হয়েছিল ভারতকে। এবার পদ্মাপারের দেশকে হারিয়ে মধুর প্রতিশোধ নিয়ে দু’বছর পর ফের সাফ শিরোপা ঘরে তুলল ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ মহিলা দল। #📈লেটেস্ট আপডেট📰 #📰রাজ্যের আপডেট📰 #📰দেশের আপডেট📰
Manoranjan
509 জন দেখলো
ভারতের তরুণদের পর সফল তরুণীরাও, বাংলাদেশকে হারিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়ন অনূর্ধ্ব-১৯ মহিলা দলশুক্রবার ক্রিকেট বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ পুরুষ দল। আর শনিবাসরীয় বিকেলে আরও এক ট্রফিজয়। নেপালের পোখরা রঙ্গশালায় ভারতীয় অনূর্ধ্ব-১৯ মহিলা দলের ত্র্যহস্পর্শে পুড়ে ছারখার হয়ে গেল বাংলাদেশ। ৪-০ গোলে পদ্মাপারের দেশকে উড়িয়ে সাফ চ্যাম্পিয়ন হল নীল বাঘিনীরা।চলতি বছরের শুরুতে অনূর্ধ্ব-১৭ ভারতীয় দলকে এএফসি এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন জুলান নংমাইথেন।তিনিই ৪২ মিনিটে ভারতের হয়ে ডেডলক ভাঙেন। প্রীতিকা বর্মনের কাছ থেকে পাস পেয়ে বল জালে জড়াতে ভুল করেননি ইয়ং টাইগ্রেসদের অধিনায়ক। সেই শুরু। তারপর আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। যদিও প্রথমার্ধ শেষে ১-০ গোলে এগিয়ে ছিল ভারত। দ্বিতীয়ার্ধে শুরু থেকেই বাংলাদেশের গোলমুখে মুহুর্মুহু আক্রমণ চালায় ভারত। ৬৩ মিনিটে পেনাল্টি থেকে নিখুঁত স্পট কিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এলিজাবেদ লাকরা। গোলের পর আরও উজ্জীবিত হয়ে ওঠেন ভারতের মেয়ারা। ৬৮ মিনিটে বিপক্ষ গোলরক্ষক ইয়ারজান বেগমের কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে জালে জড়িয়ে দেন পার্ল ফার্নান্দেজ। গোটা টুর্নামেন্টে চারটি গোল করে তিনিই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা। ৩-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশ আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি। শেষের দিকে ভারত আবারও আক্রমণ শানায়। বক্সের মধ্যে সেঞ্জামের নিচু ক্রস থেকে অসাধারণ গোল করেন অন্বিতা রঘুরামন। শেষ পর্যন্ত ৪-০ গোলে বাংলাদেশকে পর্যুদস্ত করে মাঠ ছাড়ে নীল বাঘিনীরা। ইয়ং টাইগ্রেসরা রাউন্ড-রবিন পর্বে নেপালকে ১-০ এবং ভুটানকে ৮-০ গোলে হারিয়েছিল। তবে এই বাংলাদেশের কাছেই ২-০ গোলে হারতে হয়েছিল ভারতকে। এবার পদ্মাপারের দেশকে হারিয়ে মধুর প্রতিশোধ নিয়ে দু’বছর পর ফের সাফ শিরোপা ঘরে তুলল ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ মহিলা দল। #📰রাজ্যের আপডেট📰 #📰দেশের আপডেট📰 #📈লেটেস্ট আপডেট📰
Manoranjan
558 জন দেখলো
#🪙কী সস্তা, কী ব্যয়বহুল হল ২০২৬এর বাজেটে❓ ঐক্য জোট ২০২৬ নিয়ে কঠোর লড়াই, নারী কৃষক ও শিক্ষা বলে কটাক্ষ মতারনিল্লি যাওয়ার আগে মুখ্যমন্ত্রীর নেতাকে আখ্যা দেন। জীবন' হিসাবে।তাঁর অ
See other profiles for amazing content