অনুসরণ করুন
SANATANINEWS
@sanatani009
753
পোস্ট
530
ফলোয়ার্স
SANATANINEWS
443 জন দেখলো
কম্বোডিয়ার অঙ্কর ভাটে সূর্যোদয়! 🌅 এই দৃশ্যটি কেবল একটি ছবি নয়, এটি একটি অভিজ্ঞতা। মন্দিরের চূড়াগুলোর পেছন থেকে যখন সূর্য তার আলো ছড়িয়ে দেয়, তখন মনে হয় যেন স্বয়ং ঈশ্বর এই পৃথিবীকে আশীর্বাদ করছেন। জলের বুকে তার প্রতিচ্ছবি এক অসাধারণ মুগ্ধতা তৈরি করে। আপনি যদি প্রাচীন ইতিহাস, স্থাপত্য আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ভক্ত হন, তাহলে অঙ্কর ভাট আপনার বালতি তালিকার শীর্ষে থাকা উচিত। এই মহিমান্বিত মন্দিরের প্রতিটি পাথর যেন হাজার বছরের পুরোনো গল্প বলছে। এই ছবিতে দেখুন কিভাবে সূর্যরশ্মি মন্দিরের পাঁচটি চূড়াকে আলোকিত করছে, যা সত্যিই এক অবিশ্বাস্য দৃশ্য! 📌 পৃথিবীর বৃহত্তম ধর্মীয় বিস্ময়: রহস্যময় ও মহিমান্বিত 'অঙ্কর ভাট' 🇰🇭🏛️ মানুষের তৈরি স্থাপত্য কি কখনো স্বর্গীয় হতে পারে? কম্বোডিয়ার গভীর জঙ্গলে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা 'অঙ্কর ভাট' (Angkor Wat) দেখলে আপনার মনে এই প্রশ্নটিই জাগবে। আজ আমরা জানবো পৃথিবীর এই বৃহত্তম এবং সর্বশ্রেষ্ঠ ধর্মীয় স্থাপত্যের নেপথ্য কাহিনী। ⏳ ইতিহাসের পাতায় অঙ্কর ভাট দ্বাদশ শতাব্দীর শুরুর দিকে (১১২২-১১৫০ খ্রিষ্টাব্দ) খেমার রাজা দ্বিতীয় সূর্যবর্মণ তাঁর রাজধানী ও প্রধান মন্দির হিসেবে এটি নির্মাণ করেন। মন্দিরটির নির্মাণ কাজ শেষ হতে সময় লেগেছিল প্রায় ৩০ বছর। হিন্দু দেবতা বিষ্ণু-র প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এটি তৈরি করা হলেও, চতুর্দশ শতাব্দীর শেষ দিকে এটি একটি বৌদ্ধ তীর্থকেন্দ্রে পরিণত হয়। 📐 স্থাপত্যের এক গাণিতিক বিস্ময় অঙ্কর ভাট কেবল একটি মন্দির নয়, এটি যেন পাথরের তৈরি এক মহাবিশ্ব। এর প্রতিটি ইঞ্চিতে লুকিয়ে আছে বিস্ময়: * মাউন্ট মেরুর প্রতীক: মন্দিরের পাঁচটি সুউচ্চ চূড়া হিন্দু ও বৌদ্ধ পুরাণে বর্ণিত দেবতাদের আবাসস্থল 'মাউন্ট মেরু'-র প্রতীক। * বিশাল পরিখা: মন্দিরটিকে ঘিরে থাকা প্রায় ২০০ মিটার চওড়া জলভরা পরিখাটি সৃষ্টির আদি সমুদ্রকে নির্দেশ করে। * পশ্চিমমুখী রহস্য: অধিকাংশ হিন্দু মন্দির পূর্বমুখী হলেও অঙ্কর ভাট পশ্চিমমুখী। গবেষকদের মতে, বিষ্ণুর সাথে পশ্চিম দিকের সম্পর্ক এবং এটি রাজার সমাধি মন্দির (Mausoleum) হিসেবে পরিকল্পিত হওয়ার কারণেই এই ব্যতিক্রম। 🎨 পাথরের গায়ে খোদাই করা পুরাণ অঙ্কর ভাটের দেওয়ালে দেওয়ালে যে কারুকার্য রয়েছে, তা পৃথিবীর আর কোথাও দেখা যায় না। * এখানে প্রায় ৩,০০০ অপ্সরার মূর্তিও খোদাই করা আছে, যাদের প্রত্যেকের হেয়ারস্টাইল ও পোশাক আলাদা! * মন্দিরের দেওয়ালে রামায়ণ, মহাভারত এবং 'সমুদ্র মন্থন'-এর দৃশ্যগুলো এত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যে মনে হয় পাথরগুলো যেন কথা বলছে। 🌅 সূর্যোদয়ের স্বর্গীয় দৃশ্য অঙ্কর ভাটের আসল সৌন্দর্য ধরা পড়ে ভোরে। সূর্যোদয়ের সময় মন্দিরের চূড়াগুলোর পেছনে আকাশের রঙ বদলানো আর নিচের জলে তার প্রতিফলন দেখা এক অপার্থিব অভিজ্ঞতা। এই দৃশ্য দেখতেই প্রতি বছর বিশ্বের কোনা কোনা থেকে পর্যটকরা ছুটে আসেন। 💡 কিছু অজানা তথ্য: ✅ এটি পৃথিবীর একমাত্র মন্দির যা একটি দেশের জাতীয় পতাকায় (কম্বোডিয়া) স্থান পেয়েছে। ✅ এটি তৈরিতে প্রায় ৫০ লক্ষ থেকে ১ কোটি টন বেলেপাথর ব্যবহার করা হয়েছিল। ✅ ১৯৯২ সালে ইউনেস্কো একে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে ঘোষণা করে। প্রাচীন খেমার সাম্রাজ্যের এই স্থাপত্য আজও আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে মানুষের ইচ্ছা ও শৈল্পিক ক্ষমতা কত গভীরে যেতে পারে। আপনি কি কখনো এই রহস্যময় মন্দির পরিদর্শনে যেতে চান? আপনার মতামত কমেন্টে জানান! 👇 #📢শেয়ারচ্যাট স্পেশাল #🙏হর হর মহাদেব🕉 #🙏ওম নম:শিবায়🔱 #🙂ভক্তি😊
SANATANINEWS
437 জন দেখলো
#🙏হর হর মহাদেব🕉 #📢শেয়ারচ্যাট স্পেশাল #🙏ওম নম:শিবায়🔱 #😇আজকের Whatsappস্টেটাস 🙌 🔱 **পরশুরামেশ্বর মন্দির: যেখানে পাথরের ভেতর লুকিয়ে আছে দেবতার নিঃশ্বাস** 🔱 ভারতের প্রাচীন ইতিহাসে কিছু স্থাপনা আছে, যেগুলো কেবল মন্দির নয়— সেগুলো **সময়ের সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকা রহস্য**। ওডিশার ভুবনেশ্বরের হৃদয়ে দাঁড়িয়ে থাকা **পরশুরামেশ্বর মন্দির** ঠিক তেমনই এক বিস্ময়। 🕉️ **সময়ের আগে জন্ম নেওয়া এক মন্দির** খ্রিস্টীয় ৭ম শতকে নির্মিত এই মন্দিরকে ধরা হয় ওডিশার প্রাচীনতম হিন্দু মন্দিরগুলির একটি। যখন উত্তর ভারতে মন্দির স্থাপত্য এখনও নিজেকে খুঁজছে, তখন এখানে গড়ে উঠেছিল এক পরিপূর্ণ শৈল্পিক রূপ— যাকে আজ আমরা চিনি **কালিঙ্গ স্থাপত্য** নামে। ⚒️ **এক যোদ্ধা ঋষির নামে উৎসর্গ** মন্দিরটি উৎসর্গ করা হয়েছে ভগবান শিবের এক রূপ— **পরশুরামেশ্বর**। পরশুরাম ছিলেন বিষ্ণুর ষষ্ঠ অবতার—এক হাতে কুঠার, অন্য হাতে তপস্যার শক্তি। বিশ্বাস করা হয়, এই মন্দির সেই শক্তিরই এক স্থায়ী চিহ্ন। 🗿 **পাথরে লেখা রহস্য** মন্দিরের দেয়ালে খোদাই করা আছে— নৃত্যরত গণ, দেব-দেবী, অদ্ভুত প্রাণী ও মানবাকৃতি রহস্যময় মূর্তি। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, এই খোদাইগুলোর অনেকগুলোর **সঠিক ব্যাখ্যা আজও ইতিহাসবিদদের কাছে অজানা**। কিছু মূর্তিতে এমন জ্যামিতিক নিখুঁততা রয়েছে, যা আধুনিক যন্ত্র ছাড়া করা অসম্ভব বলে মনে হয়। 🌒 **শক্তি ও সাধনার কেন্দ্র** স্থানীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই মন্দিরে গভীর রাতে এখনও এক অদ্ভুত শান্তি নেমে আসে— যেন পাথরের ভেতর থেকে ধ্যানের শব্দ ভেসে আসে। অনেকে বলেন, এটি ছিল প্রাচীন সাধকদের এক গুপ্ত তন্ত্র সাধনার স্থান। 🔍 **প্রশ্ন যা আজও উত্তরহীন** ▪️ কীভাবে এত নিখুঁত খোদাই সম্ভব হলো? ▪️ কেন মন্দিরের কিছু চিহ্ন অন্য কোনো ভারতীয় মন্দিরের সঙ্গে মেলে না? ▪️ এটি কি শুধুই উপাসনালয়, নাকি আরও গভীর কোনো আধ্যাত্মিক কেন্দ্র? 🌺 **পরশুরামেশ্বর মন্দির আমাদের মনে করিয়ে দেয়—** ভারতের ইতিহাস শুধু বইয়ের পাতায় নয়, পাথরের গভীরেও লেখা আছে। আর সেই লেখাগুলো এখনো পুরোপুরি পড়া যায়নি… 🕉️ **SANATANI NEWS** *উন্মোচন করছি ভারতের হারিয়ে যাওয়া রহস্য* #পরশুরামেশ্বরমন্দির #ParashurameswarTemple #Bhubaneswar #OdishaArchitecture #KalingaArchitecture #AncientIndia #HeritageSites #LordShiva #OmNamahShivaya #IncredibleIndia #TemplePhotography #OdishaTourism #প্রাচীনভারত #উড়িষ্যা #মহাদেব #স্থাপত্য #ঐতিহ্য #ভ্রমণ #শিবমন্দির #TempleCity #IndianHeritage #HistoryLovers #AncientTemple #TravelIndia
SANATANINEWS
503 জন দেখলো
মহাশিবরাত্রিতে কি সূর্যগ্রহণ? পূজা কি করা যাবে? জেনে নিন সঠিক শাস্ত্রীয় তথ্য! 🕉️🔍 আগামী ১৫ই ফেব্রুয়ারি সারা দেশজুড়ে পালিত হবে মহাশিবরাত্রি। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি খবর নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন জেগেছে— ওইদিন কি সূর্যগ্রহণ? আমাদের পূজা বা ব্রত পালনে কি কোনো বাধা আসবে? Sanatani News-এর ফ্যাক্ট চেক: জেনে নিন আসল সত্য! ✅ ১. গ্রহণ কি হবে? হ্যাঁ, ১৫ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ সূর্যগ্রহণ হতে চলেছে। এটি একটি 'বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ'। ২. আমাদের দেশে কি দেখা যাবে? 🇮🇳 না! এই গ্রহণটি প্রধানত অ্যান্টার্কটিকা এবং দক্ষিণ ভারত মহাসাগর সংলগ্নে দেখা যাবে। ভারত বা বাংলাদেশে এই গ্রহণ একদমই দেখা যাবে না। ৩. পূজা ও ব্রতের নিয়ম: ধর্মীয় শাস্ত্র অনুযায়ী, যে গ্রহণ আমাদের আকাশে দৃশ্যমান নয়, তার কোনো 'সূতক কাল' (Sutak Kaal) থাকে না। অর্থাৎ: 🔱 শিবরাত্রির উপবাস ও পূজা স্বাভাবিক নিয়মেই হবে। 🔱 মন্দিরের দরজা বন্ধ রাখার বা অশুচিতার কোনো কারণ নেই। 🔱 চার প্রহরের পূজা ও জলাভিষেক পূর্ণ নিষ্ঠার সাথেই করা যাবে। উপসংহার: গুজবে কান দেবেন না। গ্রহণ নিয়ে দুশ্চিন্তা ছেড়ে মহাদেবের আরাধনায় মগ্ন হোন। শিবরাত্রির পুণ্যফল অর্জনে কোনো বাধা নেই। 👉 আপনার বন্ধুদের এই সঠিক তথ্যটি জানিয়ে দিন এবং পোস্টটি শেয়ার করুন। কমেন্টে লিখুন "হর হর মহাদেব"। 🙏🚩 #SanataniNews #Shivratri2026 #SolarEclipse #FactCheck #Mahadev #সনাতন_ধর্ম #🙏হর হর মহাদেব🕉 #🙏🏽 শিবের ভিডিও স্ট্যাটাস 🙏🏽 #🙏ওম নম:শিবায়🔱
See other profiles for amazing content