মৃত্যুবার্ষিকী

somenath Dasgupta
463 জন দেখলো
3 দিন আগে
#মৃত্যুবার্ষিকীর শ্রদ্ধার্ঘ পদ্মশ্রী, পদ্মবিভূষন ও ভারতরত্ন সম্মানে সেই বিখ্যাত বাঙালি, চিত্রকর "নন্দলাল বসুর" প্রয়াণ দিবসে আন্তরিক শ্রদ্ধা জানাই। 🙏🌹🙏🍁🙏🌻🙏🥀🙏🏵️🙏🌼🙏🌷🙏 নন্দলাল বসু (৩ ফেব্রুয়ারি; ১৮৮৩-১৬ এপ্রিল; ১৯৬৬) ছিলেন একজন বাঙালি চিত্রশিল্পী। ছিলেন ভারতীয় শিল্পের অগ্রদূতদের একজন এবং প্রাসঙ্গিক আধুনিকতাবাদের একজন প্রধান ব্যক্তিত্ব। তিনি কর্মজীবনের শুরুতে পাটনা, রাজগির, বুদ্ধগয়া, বারাণসী, দিল্লী, আগ্রা, মথুরা, বৃন্দাবন, এলাহাবাদ ভ্রমণ করে উত্তর ভারতের শিল্প ঐতিহ্যের সাথে পরিচিত হন। প্রায় একই সময়ে পুরী থেকে কন্যাকুমারিকা পর্যন্ত প্রায় সমগ্র দক্ষিণ ভারত ভ্রমণ করেন এবং কোণারকের সূর্য মন্দির তাঁকে প্রভাবিত করে। ১৯২১ সালে তিনি বাঘ গুহার নষ্ট হয়ে যাওয়া চিত্রগুলি পুনরুদ্ধারের দায়িত্ব লাভ করেন। তিনি ভগিনী নিবেদিতার হিন্দু-বৌদ্ধ পুরাকাহিনী বইটির অঙ্গসজ্জা করেন এবং ঠাকুর বাড়ির চিত্রকলার তালিকা তৈরিতেও সাহায্য করেন। ১৯১৬ সালে রবীন্দ্রনাথ প্রতিষ্ঠিত বিচিত্রা সংঘে তিনি শিল্পকলার শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৩৫-৩৭ সালে পর পর তিন বছর তিনি কংগ্রসের বার্ষিক সম্মেলনে শিল্প প্রদর্শনী ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব লাভ করেন। ১৯৩৭ সালে অনুষ্ঠিত হরিপুরা সম্মেলনে তিনি লোকচিত্রের ধারাবাহী ৮৩টি পট প্রদর্শন করেন যা হরিপুরা পট নামে খ্যাত। ১৯৪৩ সালে তিনি বরোদার মহারাজের কীর্তিমন্দির অলঙ্কৃত করার দায়িত্ব লাভ করেন। এই কীর্তিমন্দিরের চারিদিকের এবং শ্রীনিকেতন ও শান্তিনিকেতনের দেয়ালচিত্র নন্দলাল বসুকে খ্যাতিমান করে তুলে। ভারতীয় সংবিধানের সচিত্র সংস্করণও নন্দলাল বসু অলংকৃত করেন। তার আঁকা ছোট ছোট ছবিগুলোতেও তার প্রতিভার এবং স্বাতন্ত্রের পরিচয় মেলে। শেষ জীবনে নন্দলাল বসু তুলি-কালি এবং ছাপচিত্রের প্রতি বিশেষ মনোযোগী হন এবং এক্ষেত্রে সাফল্যের পরিচয় দেন। রবীন্দ্রনাথের সহজপাঠের ছবিগুলিও তার আঁকা। তার বিখ্যাত চিত্রগুলির মধ্যে অন্নপূর্ণা, সতী, দার্জিলিং প্রভৃতি উল্লেখ্য। পুরস্কার ও সম্মাননা:- ১৯৫২ সালে বিশ্বভারতী তাঁকে দেশিকোত্তম উপাধিতে ভূষিত হন। ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাঁকে পদ্মবিভূষণ উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯৫৬ সালে ললিত কলা একাডেমির দ্বিতীয় ফেলো নির্বাচিত হনI
somenath Dasgupta
256 জন দেখলো
3 দিন আগে
#মৃত্যুবার্ষিকীর শ্রদ্ধার্ঘ শ্রদ্ধায়-স্মরণে কিংবদন্তি অভিনেতা "বিকাশ রায়ের" প্রয়াণ দিবসে বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলী। 🙏🌷🙏🍁🙏🥀🙏🌼🙏🌻🙏🌹🙏💐🙏 বিকাশ রায় (16 মে 1916 - 16 এপ্রিল 1987) একজন ভারতীয় অভিনেতা এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা যিনি বাংলা চলচ্চিত্রে তার কাজের জন্য পরিচিত ।তিনি 1940-এর দশকের শেষ থেকে 1980-এর দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত বাংলা চলচ্চিত্রে তাঁর চরিত্রের ভূমিকা এবং অভিনয়ের নিজস্ব শৈলীর জন্য সুপরিচিত। তিনি রত্নদীপ , '42 , উত্তর ফাল্গুনী , সূর্য তোরণ , নীল আকাশের নেচে , মারুতীর্থ হিংলাজ , জীবন কাহিনী , জীবন তৃষ্ণা , এবং ছদ্মবেশী সহ অসংখ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন । 1950-এর দশকের গোড়ার দিকে, তিনি কমল চরিত্রে অভিনয় করেন, রোমান্টিক কমেডি ছেলে কার-এর নায়ক এবং 1980 সালের কমেডি ওগো বোধু সুন্দরী -তে মজার দাদা চরিত্রে অভিনয় করেন, এবং তার কর্মজীবনের শেষের দিকে একই ধরনের ভূমিকা পালন করেন। তবে তার সবচেয়ে বিখ্যাত ভূমিকা কি হতে পারে তা ছিল নিঃস্বার্থ ব্যারিস্টার মনীশের চরিত্র , যিনি উত্তর ফাল্গুনীতে তার প্রিয় একজন গণিকা ( সুচিত্রা সেন অভিনয় করেছেন ) প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ । তিনি আকাশবাণীর জন্য বেশ কয়েকটি রেডিও নাটকও করেছিলেন এবং ' 42 ' ছবিতে একজন নির্মম, অত্যাচারী সামরিক অফিসারের ভূমিকায় অভিনয় করার পরে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন যাতে অভি ভট্টাচার্য , মঞ্জু দে , এবং সোম্ভু মিত্রের মতো তারকারা ছিলেন অটল চরিত্রে। রত্নদীপের মতো চলচ্চিত্রে তার অভিনয় দক্ষতা এবং বহুমুখিতা অনুমান করা যেতে পারে , যেখানে তিনি একজন প্রতারকের ভূমিকায় অভিনয় করেন যিনি নিজেকে সংস্কার করেন, না- তে উচ্ছৃঙ্খল নায়ক হিসাবে, সুরজামুখী (যেটি তিনি প্রযোজনাও করেছিলেন) তে বিবাদ-বিধ্বস্ত সহ-নায়ক হিসেবে। ধনী ব্যবসায়ী যিনি সূর্য তোরণে ন্যাকড়া থেকে উঠেছিলেন , একজন নায়ক হিসেবে ( উত্তম কুমারের বিপরীতে) যিনি তার প্রতিদ্বন্দ্বীকে পরাজিত করতে চেয়েছিলেন কিন্তু জীবন তৃষ্ণায় নিজের মধ্যেই ছিঁড়ে গেছেন , মাস্টারদা সূর্য সেনের একজন দেশপ্রেমিক হিসেবে , কাঞ্চ কাটা হিরেতে দেশপ্রেমিক হিসেবে। , ধুলিতে একজন যত্নশীল ভাই হিসেবে , স্মৃতি টুকু থাক ( সুচিত্রা সেনের বিপরীতে যিনি দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করেছেন) শান্ত ও নিবিড় স্বামী হিসেবে , জাতুগৃহে ( তপন সিনহা পরিচালিত এবং উত্তম কুমার, অরুন্ধতী দেবী এবং বিনোতা অভিনীত) ছবিতে ঝগড়াটে স্বামী হিসেবে রায়), বাঘিনীতে একজন পুলিশ অফিসারের চরিত্রে, নেতিবাচক চরিত্রে - বিভাস , অগ্নি সংস্কার , জিঘান্স , অদ্বিতিয়া , ভোলা ময়রা , এবং করচের স্বর্গ , আরোহীতে একজন সহানুভূতিশীল এবং হাস্যরসাত্মক ডাক্তার হিসাবে , আন্ধার পেরিয়ে- তে একজন মানসিক রোগীর চরিত্রে (উভয়ই নির্দেশিত ) তপন সিনহা) হিসেবে আরামের সুমতি- তে কুয়াক , বিন্দুর চেলে বড় ভাই এবং পরিবারের প্রধান হিসাবে , 1960-এর দশকের গোড়ার দিকে মায়া মৃগা -তে অসহায় ও অসহায় বাবার ভূমিকায় এবং দেবদাসে গর্বিত এবং উচ্চাভিলাষী বাবা হিসাবে ( সৌমিত্র চ্যাটার্জি , সুমিত্রা মুখার্জি অভিনীত , উত্তম কুমার, এবং সুপ্রিয়া দেবী ) 1970 এর দশকের শেষের দিকে এবং আরও অনেক কিছু। তার দ্বারা পরিচালিত সবচেয়ে বিশিষ্ট এবং সেরা ভূমিকাগুলির মধ্যে একটি ছিল আরোগ্য নিকেতনে , জীবন মশায়ের ভূমিকায় অভিনয় করা, একজন পুরানো গ্রাম্য ডাক্তার যিনি চিকিৎসা অনুশীলনের বৈদিক পদ্ধতিতে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, তবে আধুনিক চিকিৎসার প্রতি একেবারেই অযৌক্তিক এবং বর্ণভেদ নয় এবং এর সাথে সম্পর্কিত চিকিত্সা। ছবিটি বাংলায় সেরা ফিচার ফিল্মের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও জিতেছে। চলচ্চিত্র পরিচালনা:- সিলভার স্ক্রিনের প্রতি তার ভালোবাসা তাকে মারুতীর্থ হিংলাজ , রাজা সাজা (উভয়ই প্রধান অভিনেতা হিসেবে উত্তম কুমারকে সমন্বিত করে), বসন্ত বাহার , কেরি সাহেবের মুন্সি – রামরামের জীবন ও সময়ের উপর ভিত্তি করে নির্মিত চলচ্চিত্রের মতো বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র প্রযোজনা ও পরিচালনা করতে প্ররোচিত করে। বসু (1757-1813), এবং দেবতার গ্রাস , রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি কবিতার উপর ভিত্তি করে।
somenath Dasgupta
372 জন দেখলো
11 দিন আগে
#মৃত্যুবার্ষিকীর শ্রদ্ধার্ঘ বাংলা সাহিত্যের সম্রাট "বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের" প্রয়াণ দিবসে আন্তরিক শ্রদ্ধা ও প্রণাম জানাই। 🙏🌹🙏🥀🙏🌼🙏🪻🙏🌷🙏🍁🙏🌻🙏 বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২৬ জুন ১৮৩৮ – ৮ এপ্রিল ১৮৯৪) ছিলেন উনিশ শতকের বিশিষ্ট বাঙালি ঔপন্যাসিক। বাংলা গদ্য ও উপন্যাসের বিকাশে তাঁর অসীম অবদানের জন্যে তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অমরত্ব লাভ করেছেন। তাঁকে সাধারণত প্রথম আধুনিক বাংলা ঔপন্যাসিক হিসেবে গণ্য করা হয়। তবে গীতার ব্যাখ্যাদাতা হিসেবে, সাহিত্য সমালোচক হিসেবেও তিনি বিশেষ খ্যাতিমান। তিনি জীবিকাসূত্রে ব্রিটিশ সরকারের কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি বাংলা ভাষার আদি সাহিত্যপত্র বঙ্গদর্শনের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। তিনি ছদ্মনাম হিসেবে কমলাকান্ত নামটি বেছে নিয়েছিলেন। তাঁকে বাংলা উপন‍্যাসের জনক বলা হয়। এছাড়াও তিনি বাংলা সাহিত্যের সাহিত্য সম্রাট হিসেবে পরিচিত। সাহিত্যে অবদান:- বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক ছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। দুর্গেশনন্দিনী ছিলো প্রথম সার্থক বাংলা উপন্যাস যেটা বাংলা সাহিত্যের দ্বার উন্মোচন করেছিলো। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মোট ১৫টি উপন্যাস লিখেছিলেন এবং এর মধ্যে একটি ইংরেজি ভাষার উপন্যাস ছিলো। বঙ্কিমচন্দ্রই বাংলা ভাষাকে প্রথম সত্যিকারের মর্যাদা দিয়েছিলেন। বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাস রচনার প্রেক্ষাপট আসলে উনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে। তৎকালীন সময়ের প্রথা ও সংস্কার আন্দোলন, হিন্দু ধর্মের পুনরুত্থান, হিন্দু ধর্মের রক্ষণশীলতা, প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য ভাবধারার সংঘাত, প্রগতিশীল ভাবধারার অভাব, সমাজতান্ত্রিক ভাবধারার প্রাধান্য প্রভৃতি হল ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে আর্থসামাজিক পটভূমিকা এবং এই পটভূমিকাই বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাস রচনার প্রেক্ষাপট।তার রচনা 'বঙ্কিমী শৈলী' বা 'বঙ্কিমী রীতি' নামে পরিচিত। গ্রন্থ তালিকা:- দুর্গেশনন্দিনী কপালকুণ্ডলা মৃণালিনী বিষবৃক্ষ ইন্দিরা যুগলাঙ্গুরীয় চন্দ্রশেখর রাধারানী রজনী কৃষ্ণকান্তের উইল রাজসিংহ আনন্দমঠ দেবী চৌধুরানী সীতারাম (ইন্দিরা, যুগলাঙ্গুরীয় ও রাধারানী ত্রয়ী সংগ্রহ) (দেবী চৌধুরানী, আনন্দমঠ, সীতারাম ত্রয়ী উপন্যাস) Rajmohan's Wife (ইংরেজি ভাষার উপন্যাস) প্রবন্ধ গ্রন্থ কমলাকান্তের দপ্তর লোকরহস্য কৃষ্ণ চরিত্র বিজ্ঞানরহস্য বিবিধ সমালোচনা প্রবন্ধ-পুস্তক সাম্য কৃষ্ণ চরিত্র বিবিধ প্রবন্ধ মুচিরাম গুড়ের জীবনচরিত (ব্যঙ্গ) বিবিধ ললিতা (পুরাকালিক গল্প) ধর্ম্মতত্ত্ব সহজ রচনা শিক্ষা শ্রীমদ্ভগবদগীতা কবিতাপুস্তক (কিছু কবিতা, এবং ললিতা ও মানস)।
somenath Dasgupta
507 জন দেখলো
14 দিন আগে
#মৃত্যুবার্ষিকীর শ্রদ্ধার্ঘ তাঁর অনবদ্য কল্পনা, সহজ-সরল ভাষা আর মায়াময় গল্প আজও প্রজন্মের পর প্রজন্মের ছোটদের মনে রঙিন জাদু ছড়িয়ে চলেছে। তিনি শুধু লেখক নন—শৈশবের হাসি, স্বপ্ন আর কল্পনার এক চিরন্তন সঙ্গী। শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও অফুরন্ত কৃতজ্ঞতা। 🌼