শুভ জন্মদিন & happy birthday

somenath Dasgupta
511 views
10 hours ago
#শুভ জন্মদিন & happy birthday কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, চলচ্চিত্র অভিনেতা ও রাজনীতিবিদ শ্রদ্ধেয় "হরিন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়" -এর ১২৮ তম শুভ জন্মবার্ষিকী তে সশ্রদ্ধ প্রণাম। 🌹🙏💐🙏🌼🙏🌻🙏🎂🙏🍁🙏🥀🙏🌷 হরিন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় (2 এপ্রিল 1898 - 23 জুন 1990) ছিলেন একজন ভারতীয় ইংরেজ কবি , নাট্যকার , অভিনেতা, সঙ্গীতজ্ঞ এবং বিজয়ওয়াড়া নির্বাচনী এলাকা থেকে 1ম লোকসভার সদস্য । তিনি ছিলেন সরোজিনী নাইডুর ছোট ভাই , ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের দ্বিতীয় মহিলা সভাপতি এবং এই পদে অধিষ্ঠিত প্রথম ভারতীয় মহিলা এবং বীরেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় , একজন আন্তর্জাতিক কমিউনিস্ট বিপ্লবী। ভারত সরকার তাকে 1973 সালে পদ্মভূষণের বেসামরিক সম্মানে ভূষিত করে। বোম্বাইতে থাকাকালীন চিত্রপরিচালক হৃষিকেশ মুখোপাধ্যায়ের সাথে ঘনিষ্ঠতা জন্মে। তার বহু ছবিতে অভিনয় করেছেন হরীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর অভিনীত হিন্দি ছবিগুলি হলো আশীর্বাদ, সাহেব বিবি অউর গুলাম, রাত অউর দিন, তেরে ঘর কে সামনে, চল মুরারী হিরো বননে, বাবুর্চি, গৃহপ্রবেশ ইত্যাদি। আজাদ নামে একটি ছবির প্রযোজনাও করেন তিনি। সত্যজিৎ রায়ের পরিচালনায় গুপী গাইন বাঘা বাইন, সীমাবদ্ধ, সোনার কেল্লায় অভিনয় করেছেন। শেষোক্ত ছবিতে সিধু জ্যাঠার চরিত্রে বাঙালির কাছে তিনি বহুল পরিচিত।
somenath Dasgupta
528 views
17 hours ago
#শুভ জন্মদিন & happy birthday 🥀🌹শুভ জন্মদিন বলিউডের 'সিংঘম', জনপ্রিয় অভিনেতা "অজয় দেবগণ"🎂🌻 🌷🥀🌻🥀💐🥀🎂🥀🌹🥀🌼🥀🍁🥀🏵️ বিশাল বীরু দেবগন (জন্ম: ২রা এপ্রিল ১৯৬৯), যিনি অজয় দেবগন নামে সমাধিক পরিচিত, একজন ভারতীয় অভিনেতা, চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালক ৷ তিনি হিন্দি চলচ্চিত্রের অন্যতম প্রভাবশালী ও সফল অভিনয়শিল্পী, যিনি একশরও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন৷ চলচ্চিত্রে কাজের জন্য তিনি অসংখ্য পুরস্কার অর্জন করেছেন, তার মধ্যে রয়েছে দুটি শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং চারটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করেছেন। ২০১৬ সালে ভারত সরকার তাকে দেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান পদ্মশ্রী পদকে ভূষিত করে৷ তিনি ১৯৯১ সালে ফুল অউর কাঁটে চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তার চলচ্চিত্র জীবন শুরু করেন৷ এই চলচ্চিত্রের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ নবাগত অভিনেতা বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করেন৷ প্রথম চলচ্চিত্রের ব্যবসায়িক সফলতার পর তিনি জিগর (১৯৯২), বিজয়পথ (১৯৯৪), দিলওয়ালে (১৯৯৪), সুহাগ (১৯৯৪), নাজায়েয (১৯৯৫), এবং ইশ্‌ক (১৯৯৭)-এর মত বহু ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন৷ ১৯৯৮ সালে তিনি মহেশ ভাটের নাট্যধর্মী জখম চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন বেশ সমাদৃত হন এবং শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে তার প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। ২০০০ সালে তিনি রাম গোপাল ভর্মা প্রযোজিত মুম্বাই আন্ডারওয়ার্ল্ডের কাল্পনিক চিত্রায়িত কোম্পানি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। তিনি এতে গ্যাংস্টার চরিত্রে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে ফিল্মফেয়ার সমালোচক পুরস্কার অর্জন করেন। একই বছর তার অভিনীত দিওয়াঙ্গি চলচ্চিত্রটিও সমাদৃত হয় এবং তিনি এই কাজের জন্য শ্রেষ্ঠ খল অভিনয়শিল্পী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করেন। ২০০৩ সালে তিনি রাজকুমার সন্তোষীর দ্য লেজেন্ড অব ভগৎ সিং চলচ্চিত্রে ভগৎ সিং চরিত্রে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে তার দ্বিতীয় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার করেন। পরবর্তী কালে তার অভিনীত ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রসমূহ হল রোহিত শেঠী পরিচালিত হাস্যরসাত্মক ধারাবাহিক গোলমাল ও অ্যাকশন ধারাবাহিক সিঙ্ঘম (২০১১), বোল বচ্চন (২০১২), দৃশ্যম (২০১৫), দে দে প্যেয়ার দে (২০১৯) ও দৃশ্যম ২ (২০২২)
somenath Dasgupta
620 views
2 days ago
#শুভ জন্মদিন & happy birthday ভারতের প্রথম মহিলা চিকিৎসক "আনন্দীবাই জ্যোশীর" শুভ জন্মবার্ষিকী স্মরণে বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি। 🌹🙏🌻🙏🥀🙏🎂🙏🍁🙏💐🙏🌷🙏🌻 আনন্দীবাঈ জোশী (৩১শে মার্চ, ১৮৬৫ – ২৬শে ফেব্রুয়ারী, ১৮৮৭) ভারতের প্রথম মহিলা চিকিৎসক। তিনি প্রথম হিন্দু নারী ছিলেন, যিনি প্রথম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যাত্রা করেন। আনন্দীবাঈ ব্রিটিশ ভারতের থানে জেলার অন্তর্গত কল্যাণ গ্রামের এক রক্ষণশীল সমৃদ্ধ ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম গণপতরাও অম্রুতেশ্বর জোশী। শৈশবে তাঁর নাম ছিল যমুনা। ১৮৭৪ খ্রীস্টাব্দে মাত্র নয় বছর বয়সে ঊনত্রিশ বছর বয়স্ক বিপত্নীক ডাকবিভাগে কর্মরত গোপালরাও বিনায়ক জোশীর সাথে তাঁর বিবাহ দেওয়া হয়। বিয়ের পর তাঁর নাম রাখা হয় আনন্দী। কোলাপুরে থাকাকালীন তিনি একটি সন্তানের জন্ম দিলেও উপযুক্ত চিকিৎসার অভাবে তার মৃত্যু হয়। গোপালরাও একজন নারী শিক্ষার সমর্থক প্রগতিশীল ব্যক্তি ছিলেন, যা তৎকালীন যুগে ভারতীয় রক্ষণশীল সমাজে খুব একটা সুলভ ব্যাপার ছিল না। গোপাল হরি দেশমুখের শত পত্রে নামক রচনা দ্বারা প্রভাবিত গোপালরাও সংস্কৃত অপেক্ষা ইংরেজী শিক্ষার দিকে বেশি মনোযোগী হন। স্বামীর তত্ত্বাবধানে আনন্দীর শিক্ষালাভ শুরু হয়। কোলাপুরে আনন্দী কিছুদিনের জন্য মিশনারি স্কুলে ভর্তি হলেও সামাজিক বাধায় স্কুল ছাড়তে বাধ্য হন। চৌদ্দ বছর বয়সে আনন্দী এক পুত্রসন্তানের জন্ম দেন, কিন্তু মাত্র দশ দিনের মধ্যে তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনার ফলে আনন্দীর মধ্যে চিকিৎসাশাস্ত্র পাঠের ব্যাপারে আগ্রহের সৃষ্টি হয়। তাঁদের সন্তানের মৃত্যু হলে গোপাল বিদেশের সংবাদপত্রে তাঁর স্ত্রীর চিকিৎসা বিজ্ঞান শিক্ষার জন্য আবেদন শুরু করেন। প্রায় দুই বছর পরে ১৮৭৮ খ্রীস্টাব্দের ১৪ই জুন রেভারেন্ড ওয়াইল্ডারকে লেখা তাঁর চিঠি ক্রিশ্চিয়ান রিভিউ পত্রিকায় ছাপা হলে থিওডোরা কার্পেন্টার নামে এক মার্কিন মহিলার নজরে আসে। শিক্ষালাভের ব্যাপারে আনন্দীর আগ্রহ এবং স্ত্রীকে গোপালরাওয়ের উৎসাহ তাঁকে মুগ্ধ করে। থিওডোরা পত্রে আনন্দীবাঈকে আমেরিকায় শিক্ষালাভের ব্যাপারে সব রকম সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন। থিওডোরা ও আনন্দীর মধ্যে পত্রালাপে হিন্দু সংস্কৃতি ও ধর্মের ব্যাপারেও আলোচনা হতো। কলকাতা শহরে থাকার সময় আনন্দীবাঈয়ের স্বাস্থ্য ভেঙে পড়ে। থিওডোরা তাঁকে আমেরিকা থেকে ঔষধ প্রেরণের ব্যবস্থা করলেও তা খুব একটা ফলপ্রদ হয়নি। ১৮৮৩ খ্রীস্টাব্দে গোপালরাও কার্যসূত্রে শ্রীরামপুর শহরে বদলি হলে তিনি ভগ্নস্বাস্থ্য আনন্দীবাঈকে একা আমেরিকা পাঠিয়ে চিকিৎসাশাস্ত্র অধ্যয়নের ব্যাপারে রাজি করান। থরবর্ন নামক এক চিকিৎসক দম্পতি তাঁকে উইমেন'স মেডিক্যাল কলেজ অব পেনসিলভ্যানিয়াতে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেন। তৎকালীন রক্ষণশীল হিন্দু সমাজ আনন্দীর বিদেশযাত্রার বিরোধিতা করে। খ্রীস্টধর্মাবলম্বীরা তাঁর সিদ্ধান্তের পক্ষে থাকলেও আনন্দীকে তাঁরা ধর্মান্তরিত করতে উৎসাহী ছিলেন। আনন্দীবাঈ শ্রীরামপুর কলেজে একটি সভায় তাঁর আমেরিকা যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে ভারতে একজন হিন্দু মহিলা চিকিৎসকের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তিনি এই সভায় খ্রীস্ট ধর্মে ধর্মান্তরিত না হওয়ার শপথও নেন। তিনি ১৮৮৩ খ্রীস্টাব্দের ৭ই এপ্রিল চিকিৎসা বিজ্ঞান শিক্ষার জন্য কলকাতা থেকে নিউ ইয়র্ক শহরের উদ্দেশ্যে রওনা হন। ১৮৮৩ খ্রীস্টাব্দের জুন মাসে আনন্দী নিউ ইয়র্ক পৌঁছান। সেখানে থিওডোরার সাহায্যে তিনি উইমেন'স মেডিক্যাল কলেজ অব পেনসিলভ্যানিয়াতে ভর্তি হন এবং ঐ কলেজের অধ্যক্ষা র‍্যাচেল বডলের সাহায্যে একটি বৃত্তি পেয়ে যান। আমেরিকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থেকে, শীতের প্রকোপে ও অপুষ্টিতে কঠিন পরিশ্রম করে আনন্দী যক্ষ্মা রোগের কবলে পড়েন। কিন্তু এতদসত্ত্বেও ১৮৮৬ খ্রীস্টাব্দের ১১ই মার্চ আনন্দীবাঈ এমডি ডিগ্রী লাভ করেন। ডিগ্রী লাভের পর কোলাপুর রাজ্যের কিং অ্যালবার্ট এডওয়ার্ড হাসপাতালে যোগ দেবার জন্য আমন্ত্রণ পেলে তিনি দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রার পরে অসুস্থ অবস্থায় ১৮৮৬ খ্রীস্টাব্দের ১৬ই নভেম্বর বোম্বাই ফিরে এসে হাসপাতালে কাজে যোগদান করেন। কাজে যোগদান করার কিছু দিনের মধ্যেই আনন্দী পুনরায় অসুস্থ হয়ে কিং অ্যালবার্ট এডওয়ার্ড হাসপাতালে ভর্তি হলেন। কিন্তু কালাপানি পেরিয়ে আসা জাতিচ্যুত আনন্দীকে তাঁর সহকর্মী এবং অন্যন্য চিকিৎসকেরা চিকিৎসা করতে অস্বীকার করেন। বিনা চিকিৎসায় ১৮৮৭ খ্রীস্টাব্দের ২৬শে ফেব্রুয়ারী রাত দশটায় আনন্দীবাঈয়ের মৃত্যু হয়। তাঁর ভস্মাবশেষ থিওদোরার নিকট পাঠিয়ে দেওয়া হয়, যা তিনি তাঁর পারিবারিক সমাধিতে স্থাপন করেন।
somenath Dasgupta
564 views
2 days ago
#শুভ জন্মদিন & happy birthday মহান সাহিত্যিক শ্রদ্ধেয় "শরদিন্দু বন্দোপাধ্যায়ের" (ব্যোমকেশের স্রষ্টা) শুভ জন্মবার্ষিকীতে বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি।🎂🌹 🌷🙏🌻🙏🌼🙏🎂🙏🏵️🙏🥀🙏🌹🙏🍁 শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (৩০ মার্চ ১৮৯৯ - ২২ সেপ্টেম্বর ১৯৭০) ছিলেন একজন ভারতীয় বাঙালি লেখক। তাঁর জন্ম উত্তরপ্রদেশের জৌনপুর শহরে নিজ মাতুলালয়ে। আদিনিবাস পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যস্থিত উত্তর কোলকাতার বরানগর কুঠিঘাট অঞ্চল ৷ তাঁর রচিত প্রথম সাহিত্য প্রকাশিত হয় তার ২০ বছর বয়সে, যখন তিনি কলকাতায় বিদ্যাসাগর কলেজে আইন নিয়ে পড়াশুনো করছিলেন। পড়াশুনোর সাথেই তিনি সাহিত্য চর্চাও করতে থাকেন। তার সৃষ্ট গোয়েন্দা চরিত্র ব্যোমকেশ বক্সী আত্মপ্রকাশ করে ১৯৩২ সালে। তিনি ১৯৩৮ সালে বম্বের বম্বে টকিজ এ চিত্রনাট্যকাররূপে কাজ শুরু করেন। ১৯৫২এ সিনেমার কাজ ছেড়ে স্থায়ীভাবে পুনেতে বসবাস করতে শুরু করেন। পরবর্তী ১৮ বছর তিনি সাহিত্য চর্চায় অতিবাহিত করেন। ১৯৭০ সালে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়। সাহিত্যজীবন সম্পাদনা শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় সৃষ্ট সবচেয়ে জনপ্রিয় চরিত্র হল ব্যোমকেশ বক্সী। ব্যোমকেশ একজন ডিটেকটিভ। নিজেকে তিনি সত্যান্বেষী বলে পরিচয় দিতে পছন্দ করেন। ১৯৩৩ এ "সত্যান্বেষী" উপন্যাসে ব্যোমকেশের আত্মপ্রকাশ।[৩] প্রথমে শরদিন্দু অজিতের কলমে লিখতেন। কিন্তু পরে তিনি তৃতীয় পুরুষে লিখতে শুরু করেন। এছাড়া উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে আছে বিভিন্ন ঐতিহাসিক উপন্যাস। যেমন 'কালের মন্দিরা', 'গৌর মল্লার', 'তুমি সন্ধ্যার মেঘ', 'তুঙ্গভদ্রার তীরে', ইত্যাদি। সামাজিক উপন্যাস যেমন 'জাতিস্মর', 'বিষের ধোঁয়া' বা অতিপ্রাকৃত নিয়ে তার 'বরদা সিরিজ' ও অন্যান্য গল্প এখনো বেস্টসেলার। শরদিন্দু ছোটগল্প ও শিশুসাহিত্য রচনাতেও পারদর্শী ছিলেন। তার সৃষ্ট চরিত্র সদাশিব মরাঠা বীর শিবাজীর অভিযানের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাঁর সৃষ্ট অন্যতম একটি চরিত্র বরদা, যিনি ভূত্যান্বেষী নামে পরিচিত। শরদিন্দু ও সিনেমা:- তাঁর জীবনে সিনেমার, বিশেষ করে বম্বের সিনেমার, খুব বড় ভূমিকা ছিল। ভাবী, বচন, দুর্গা, কঙ্গন, নবজীবন, আজাদ, পুনর্মিলন— বম্বে টকিজ়ে সাতটি ছবির গল্প লিখেছিলেন শরদিন্দু। ইংরেজিতে লিখতেন, হিন্দিতে রূপান্তরিত করে নেওয়া হত। তিনি যে ছবিগুলিতে চিত্রনাট্যকারের কাজ করেছেন সেগুলি হল দুর্গা (১৯৩৯), কঙ্গন (১৯৩৯), নবজীবন(১৯৩৯) ও আজাদ (১৯৪০)। তার বিভিন্ন রচনা থেকেও সিনেমা তৈরি হয়েছে, যেমন নিম্নলিখিত বাংলা সিনেমাগুলি চিড়িয়াখানা - নির্দেশক সত্যজিৎ রায় ঝিন্দের বন্দী - নির্দেশক তপন সিংহ বিষের ধোঁয়া দাদার কীর্তি - নির্দেশক তরুণ মজুমদার 'তিশগ্নি' নামে একটি পুরস্কারপ্রাপ্ত হিন্দি ছবি লেখকের ঐতিহাসিক ছোটগল্প 'মরু ও সঙ্ঘ'র চিত্ররুপ। তিনি রবীন্দ্র পুরস্কার (উপন্যাস 'তুঙ্গভদ্রার তীরে'র জন্য), শরৎস্মৃতি পুরস্কার, মতিলাল পুরস্কার প্রভৃতি পুরস্কার লাভ করেন। সাহিত্যকর্ম:- ব্যোমকেশ:- সত্যান্বেষী পথের কাঁটা সীমন্ত-হীরা মাকড়সার রস অর্থমনর্থম্ চোরাবালি অগ্নিবাণ উপসংহার রক্তমুখী নীলা ব্যোমকেশ ও বরদা চিত্রচোর দুর্গরহস্য চিড়িয়াখানা আদিম রিপু বহ্নি-পতঙ্গ রক্তের দাগ মণিমণ্ডন অমৃতের মৃত্যু শৈলরহস্য অচিন পাখি কহেন কবি কালিদাস অদৃশ্য ত্রিকোণ খুঁজি খুঁজি নারি অদ্বিতীয় মগ্নমৈনাক দুষ্টচক্র হেঁয়ালির ছন্দ রুম নম্বর দুই ছলনার ছন্দ শজারুর কাঁটা বেণীসংহার লোহার বিস্কুট বিশুপাল বধ বরদা:- প্রেতপুরী রক্ত-খদ্যোত টিকটিকির ডিম মরণ ভোমরা অশরীরী সবুজ চশমা বহুরূপী প্রতিধ্বনি আকাশবাণী দেহান্তর নীলকর মালকোষ ঐতিহাসিক গল্প ও উপন্যাস:- অমিতাভ রক্ত-সন্ধ্যা মৃৎপ্রদীপ বাঘের বাচ্চা রুমাহরণ অষ্টম সর্গ চুয়াচন্দন বিষকন্যা চন্দন-মূর্তি সেতু মরু ও সঙ্ঘ প্রাগজ্যোতিষ ভক্ত মোবারক ইন্দ্রলক আদিম শঙ্খ-কঙ্কণ রেবা রোধসি ঝিন্দের বন্দী উপন্যাস:- কালের মন্দিরা, গৌড়মল্লার, তুমি সন্ধ্যার মেঘ, কুমারসম্ভবের কবি, তুঙ্গভদ্রার তীরে। এছাড়া অনেক লেখা রয়েছে।
somenath Dasgupta
666 views
3 days ago
#শুভ জন্মদিন & happy birthday শুভ জন্মদিন সঙ্গীত জগতের একজন বিখ্যাত গায়িকা "পলক মুছল"🎂🌻 🌷🥀🌻🥀🌼🥀🎂🥀🍁🥀🌹🥀💐🥀🌻 পলক মুছাল (জন্ম 30 মার্চ 1992) একজন ভারতীয় গায়ক এবং গীতিকার ইন্দোর , মধ্যপ্রদেশের । তিনি এবং তার ছোট ভাই পলাশ মুছাল হৃদরোগের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তার প্রয়োজন এমন দরিদ্র শিশুদের জন্য তহবিল সংগ্রহের জন্য ভারত এবং বিদেশে স্টেজ শো করেন । মুছাল বলিউড চলচ্চিত্র এবং অন্যান্য ভারতীয় চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য প্লেব্যাক গায়ক হিসেবেও অভিনয় করেন । তিনি এক থা টাইগার (2012), আশিকি 2 (2013), কিক (2014) এবং অ্যাকশন জ্যাকসন (2014) প্রেম রতন ধন পায়ো (2015) এমএস ধোনি: দ্য আনটোল্ড স্টোরি (2016) কাবিলের মতো হিন্দি ছবিতে তার কণ্ঠ দিয়েছেন (2017), বাঘি 2 (2018) এবং পল পাল দিল কে পাস (2019)। " এমএস ধোনি: দ্য আনটোল্ড স্টোরি " চলচ্চিত্রের কৌন তুঝে গানটির তার উপস্থাপনা তার ভক্তদের পাশাপাশি সঙ্গীত শিল্পের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের কাছ থেকে অনেক প্রশংসা অর্জন করেছে। 6 নভেম্বর 2022-এ, তিনি সঙ্গীত সুরকার মিথুনকে বিয়ে করেন, যার সাথে তিনি আগে আশিকি 2 এর সাউন্ডট্র্যাকে কাজ করেছিলেন ।
somenath Dasgupta
652 views
3 days ago
#শুভ জন্মদিন & happy birthday বলিউডের প্রথম মহানায়িকা "দেবিকা রানী চৌধুরীর" শুভ জন্মবার্ষিকীতে আন্তরিক শ্রদ্ধা জানাই। 🥀🌷🥀🌼🥀🏵️🥀🎂🥀🍁🥀🌻🥀🌹🥀 দেবিকা রানী চৌধুরী (৩০ মার্চ ১৯০৮ - ৯ মার্চ ১৯৯৪), যিনি সাধারণত দেবিকা রানী নামে পরিচিত , একজন ভারতীয় অভিনেত্রী ছিলেন যিনি হিন্দি চলচ্চিত্রে কাজ করেছিলেন। তিনি দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারের প্রথম প্রাপক এবং পদ্মশ্রীতে ভূষিত হন । ভারতীয় চলচ্চিত্রের প্রথম মহিলা হিসেবে ব্যাপকভাবে স্বীকৃত, দেবিকা রানীকে সর্বশ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীদের একজন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ১৯৩০ এবং ১৯৪০ এর দশকের গোড়ার দিকে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া অভিনেত্রীদের একজন, তিনি ১৯৪০ এবং ১৯৪১ সালে বক্স অফিস ইন্ডিয়ার " শীর্ষ অভিনেত্রী" তালিকায় উপস্থিত হয়েছিলেন। চলচ্চিত্র তালিকা:- কর্ম (১৯৩৩) জওয়ানি কি হাওয়া (১৯৩৫) মমতা অর মিয়াঁ বিবি (১৯৩৬) জীবন নাইয়া (১৯৩৬) জন্মভূমি (১৯৩৬) অছুট কন্যা (১৯৩৬)শ ্ য়ো সাবিত্রী (১৯৩৭) জীবন প্রভাত (১৯৩৭) ইজ্জত (১৯৩৭) প্রেম কাহানি (১৯৩৭) নির্মলা (১৯৩৮) বচন (১৯৩৮) দুর্গা (১৯৩৯) অঞ্জন (১৯৪১) হামারি বাত (১৯৪৩)
somenath Dasgupta
664 views
4 days ago
#শুভ জন্মদিন & happy birthday শুভ জন্মদিন বিখ্যাত গায়ক, গীতিকার, সুরকার "অনুপম রায়" 🎂🌻 🥀🌹🥀🌻🥀🍁🥀🎂🥀🏵️🥀🌼🥀🌷🥀 অনুপম রায় (জন্ম 29 মার্চ 1982) কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারতের বাংলা ভাষার সমসাময়িক গায়ক, গীতিকার এবং সুরকার। ২০১০ সালে সৃজিত মুখার্জির অটোগ্রাফ চলচ্চিত্রে "আমাকে আমার মতো থাকতে দাও" ও "বেঁচে থাকার গান" এর মাধ্যমে কলকাতার গানের জগতে আলোড়ন ফেলে দিয়েছিলেন তিনি। এর পরে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি এই সৃজনশীল শিল্পীকে। অনুপম রায় গানের সবকাজ নিজেই করেন। তার অধিকাংশ গানের ক্ষেত্রেই তিনি নিজেই গান লেখেন, সুর করেন এবং গান গান। অটোগ্রাফ চলচ্চিত্রে তার গান "আমাকে আমার মতো থাকতে দাও" কে বাংলা ভাষার সেরা গানগুলোর একটি হিসেবে ধরা হয়। এরপরে চলো পাল্টাই সিনেমায় তার বাড়িয়ে দাও সহ বেশ কয়েকটি গান বেশ জনপ্রিয়তা পায়। তবে তার জনপ্রিয়তার বৃহঃস্পতি শুরু হয় বাইশে শ্রাবণ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। এই চলচ্চিত্রের প্রত্যেকটি গান সুপারহিট হয়। বিশেষ করে রূপঙ্কর বাগচি ও শ্রেয়া ঘোষালের গাওয়া "গভীরে যাও" বছরের সেরা গান নির্বাচিত হয়। তবে জুড়িদের ভোটে সেরা গান নির্বাচিত হয় অনুপমের গাওয়া একবার বল । তাছাড়া রূপম ইসলামের এই শ্রাবণ ও সপ্তর্ষী মুখোপাধ্যায়ের "যে কটা দিন" দারুণ জনপ্রিয়তা লাভ করে। এছাড়াও অনুপম জানি দেখা হবে, বেডরুম, ল্যাপটপ, চোরাবালি (বাংলাদেশ), শুন্য অঙ্ক, জাতিস্মর, চতুষ্কোণ, প্রাক্তন, বেলাশেষে সহ বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন। তিনি ২০১৫ সালে সুজিত সরকার পরিচালিতপিকু চলচ্চিত্রের সঙ্গীত পরিচালনার মাধ্যমে বলিউডে পদার্পণ করেন। এরপর পিঙ্ক, রানিং শাদি ডট কম, ডিয়ার মায়া, পরি, অক্টোবরসহ বেশ কয়েকটি বলিউড চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন। এখন পর্যন্ত তার চারটি একক অ্যালবাম বেরিয়েছে- প্রথমটি "দূরবীনে চোখ রাখবো না", দ্বিতীয়টি "দ্বিতীয় পুরুষ", তৃতীয়টি বাক্যবাগীশ এবং চতুর্থটি এবার মরলে গাছ হবো। তার প্রতিটি অ্যালবামই দারুণ জনপ্রিয়তা লাভ করে। তবে অনেকের মতে সব কিছুকে ছাপিয়ে যায় দ্য অনুপম রায় ব্যান্ড-এর স্টেজ পারফরমেন্স। ২০১৫ সালে "পিকু" সিনেমার সংগীত পরিচালনার মাধ্যমে বলিউডে পদার্পণ করেন তিনি এবং ছবিটির আবহ সংগীতের জন্য "ফিল্ম ফেয়ার এওয়ার্ড" পান। তিনি তুমি যাকে ভালোবাসো গানটির জন্য শ্রেষ্ঠ গীতিকার হিসেবে ২০১৬ সালে ভারতের ৬৪তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। একক অ্যালবাম:- দূরবীনে চোখ রাখবো না দ্বিতীয় পুরুষ বাক্যবাগীশ এবার মরলে গাছ হবো। একক গান(গীতিকার, গায়ক ও সুরকার):- সাল টাইটেল ভাষা ২০১৩ সেকেন্ড সেক্স (ইংরেজি) ২০১৮ গার্ল ইন্ আ বুকস্টোর (ইংরেজি) ২০১৮ রেগুলার গাই (ইংরেজি) ২০১৮ বাংলাদেশের মেয়ে (বাংলা) ২০১৮ কালবৈশাখী (বাংলা) ২০১৮ মিথ্যে কথা (বাংলা) ২০১৯ ইস দেবাশীষ (বাংলা) ২০১৯ আগমনীর গান (বাংলা) ২০১৯ বৃষ্টি থেমে গেলে (বাংলা) ২০২০ পরিচয় (বাংলা) ২০২০ মিস আন্ডারস্ট্যান্ডিং (ইংরেজি) ২০২০ নির্বাসনের গান (বাংলা) ২০২০ - ভালো থেকো ১৯ (বাংলা) ২০২০ অ্যাইসি রাতো (হিন্দি) দ্য অনুপম রায় ব্যান্ড:- অনুপম রায়- গায়ক/গীতিকার রিশভ রায়- গিটার কৌস্তভ বিশ্বাস- বেজ গিটার নবারুন বোস- কী-বোর্ড সন্ধিপন পাড়ই- ড্রামস। সাবেক সদস্য:- শুভদীপ ব্যানাজী-গিটার রোহিত মুখাজী-বেজ গিটার।
somenath Dasgupta
693 views
4 days ago
#শুভ জন্মদিন & happy birthday বাংলা চলচ্চিত্রের মহান অভিনেতা, পরিচালক লেখক নাট্যকার "উৎপল দত্তের" শুভ জন্মবার্ষিকীতে আন্তরিক শ্রদ্ধা জানাই। 🌼🙏🏵️🙏🥀🙏🌹🙏🎂🙏🍁🙏💐🙏🌷 উৎপল দত্ত (29 মার্চ 1929 - 19 আগস্ট 1993) ছিলেন একজন ভারতীয় অভিনেতা, পরিচালক এবং লেখক-নাট্যকার। তিনি মূলতবাংলা থিয়েটারেরভারতীয় থিয়েটারেএকজন অগ্রগামী ব্যক্তিত্ব হয়ে ওঠেন, যখন তিনি 1949 সালে "লিটল থিয়েটার গ্রুপ" প্রতিষ্ঠা করেন। এই দলটি অনেক ইংরেজি,শেক্সপীয়রীয়এবং ব্রেখটের নাটক রচনা করেছিল, যেটি এখন থিয়েটার নামে পরিচিত। "এপিক থিয়েটার" সময়কাল, এটি অত্যন্ত রাজনৈতিক এবং উগ্র থিয়েটারে নিজেকে সম্পূর্ণরূপে নিমজ্জিত করার আগে।কল্লোল(1965),মানুষের অধিকার,লৌহ মনোব(1964),টিনের তোলোয়ার এবং মহা-বিদ্রোহেরমতো সামাজিক-রাজনৈতিক নাটকগুলিতে দৃশ্যমান।40 বছরের ক্যারিয়ারে100 টিরও বেশিবাংলাএবংহিন্দিমৃণাল সেনেরভুবন শোম (1969),সত্যজিৎ রায়েরআগন্তুক ( 1991),গৌতম ঘোষ'-এরপদ্মা নাদির মাঝি (1992) এবংহৃষিকেশ মুখার্জিরহিন্দি কমেডি যেমন গোল মাল (1979) এবং রং বিরঙ্গি (1983)। মৃত্যুর কিছুদিন আগে ১৯৯৩ সালে দূরদর্শনেবক্সীর(টিভি সিরিজ) সিমান্তহীরারপর্বে তিনি একজন ভাস্কর স্যার দিগিন্দ্র নারায়ণের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। তিনি 1970 সালে শ্রেষ্ঠ অভিনেতার জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং তিনটি ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ কমেডিয়ান পুরস্কার লাভ করেন । 1990 সালে, ভারতের ন্যাশনাল একাডেমি অফ মিউজিক, ডান্স অ্যান্ড থিয়েটার, সঙ্গীত নাটক আকাদেমি তাকে থিয়েটারে আজীবন অবদানের জন্য তার সর্বোচ্চ পুরস্কার, সঙ্গীত নাটক আকাদেমি ফেলোশিপ প্রদান করে। তাঁর রচিত নাটকের তালিকা:- দিল্লী চলো ছায়ানট(১৯৫৮) অঙ্গার(১৯৫৯) ফেরারী ফৌজ(১৯৬১) ঘুম নেই (১৯৬১) মে দিবস (১৯৬১) দ্বীপ (১৯৬১) স্পেশাল ট্রেন (১৯৬১) নীলকন্ঠ(১৯৬১) ভি.আই.পি (১৯৬২) মেঘ (১৯৬৩) রাতের অতিথি (১৯৬৩) সমাজতান্ত্রিক চাল (১৯৬৫) কল্লোল(১৯৬৫) হিম্মৎবাই (১৯৬৬) রাইফেল (১৯৬৮) মানুষের অধিকার (১৯৬৮) জালিয়ানওয়ালাবাগ (১৯৬৯) মাও-সে-তুং (১৯৭১) পালা-সন্ন্যাসীর তরবারি (১৯৭২) বৈশাখী মেঘ (১৯৭৩) দুঃস্বপ্নের নগরী(১৯৭৪) সীমান্ত পুরুষোত্তম শৃঙ্খল ঝঙ্কার জনতার আফিম পাণ্ডবের অজ্ঞাতবাস মধুচক্র প্রফেসর মামালক শোনরে মালিক সমাধান অজেয় ভিয়েতনাম তীর ক্রুশবিদ্ধ কুবা নীলরক্ত লৌহমানব যুদ্ধং দেহি লেনিনের ডাক চাঁদির কৌটো রক্তাক্ত ইন্দোনেশিয়া মৃত্যুর অতীত ঠিকানা টিনের তলোয়ার ব্যারিকেড মহাবিদ্রোহ মুক্তিদীক্ষা সূর্যশিকার কাকদ্বীপের এক মা ইতিহাসের কাঠগড়ায় কঙ্গোর কারাগারে সভ্যনামিক নয়াজমানা লেনিন কোথায় এবার রাজার পালা স্তালিন-১৯৩৪ তিতুমির বাংলা ছাড়ো দাঁড়াও পথিকবর কৃপান শৃঙ্খলছাড়া মীরকাসিম মহাচীনের পথে আজকের শাজাহান অগ্নিশয্যা দৈনিক বাজার পত্রিকা নীল সাদা লাল একলা চলো রে লাল দূর্গ বণিকের মাণদন্ড এংকোর (অনুবাদ গল্প)
somenath Dasgupta
646 views
5 days ago
#শুভ জন্মদিন & happy birthday শুভ জন্মদিন জনপ্রিয় বলিউড অভিনেতা "অক্ষয় খান্না" 🥀🌹🥀🌻🥀🍁🥀🎂🥀🏵️🥀🌼🥀🌷🥀 অক্ষয় খান্না (জন্ম 28 মার্চ 1975) একজন ভারতীয় অভিনেতা যিনি প্রাথমিকভাবে হিন্দি ছবিতে কাজ করেন। অভিনেতা বিনোদ খান্নার জন্ম , খান্না দুটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার সহ অসংখ্য প্রশংসার প্রাপক । 1997 সালে হিমালয় পুত্র চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তিনি তার অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ করেন । তার পরবর্তী মুক্তি, জেপি দত্তের যুদ্ধ নাটক বর্ডার (1997) একটি সমালোচনামূলক এবং বাণিজ্যিক সাফল্য হিসাবে আবির্ভূত হয়, যা তাকে শ্রেষ্ঠ পুরুষ আত্মপ্রকাশের জন্য ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করে । তিনি রোমান্টিক নাটক তাল (1999), কমেডি নাটক দিল চাহতা হ্যায় (2001) তে আরও ব্যবসায়িক সাফল্য অর্জন করেছিলেন যা তাকে সেরা পার্শ্ব অভিনেতার জন্য ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জিতেছিল , রোমান্টিক থ্রিলার হামরাজ (2002), কমেডি হাঙ্গামা (2003) এবং হুলচুল। (2004), খুনের রহস্য 36 চায়না টাউন (2006), অ্যাকশন থ্রিলার রেস (2008), এবং হিস্ট কমেডি তিস মার খান (2010)। তিনি মনস্তাত্ত্বিক থ্রিলার দিওয়াঙ্গী (2002), জীবনীমূলক নাটক গান্ধী, মাই ফাদার (2007) এবং অ্যাকশন থ্রিলার আক্রোশ (2010) এ তার অভিনয়ের জন্য সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করেন। 2012 সালে চার বছরের বিরতির পরে, খান্না অ্যাকশন-কমেডি চলচ্চিত্র দিশুম (2016) এবং 2017 সালের দুটি থ্রিলার, মম এবং ইত্তেফাক- এ একজন তদন্তকারী পুলিশ হিসাবে সহায়ক ভূমিকা গ্রহণ করেন । আইনী নাটক সেকশন 375 (2019) এবং ক্রাইম থ্রিলার দ্রিশ্যম 2 (2022) তে একজন পুলিশ আইনজীবীর চরিত্রে অভিনয় করার জন্য খান্না নতুনভাবে প্রশংসা পেয়েছিলেন, যেটি তার সর্বোচ্চ উপার্জনকারী রিলিজ হিসাবে আবির্ভূত হয়েছিল।