মৃত্যুবার্ষিকীর শ্রদ্ধার্ঘ

somenath Dasgupta
317 জন দেখলো
15 ঘন্টা আগে
#মৃত্যুবার্ষিকীর শ্রদ্ধার্ঘ বাংলা সাহিত্যের সম্রাট "বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের" প্রয়াণ দিবসে আন্তরিক শ্রদ্ধা ও প্রণাম জানাই। 🙏🌹🙏🥀🙏🌼🙏🪻🙏🌷🙏🍁🙏🌻🙏 বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২৬ জুন ১৮৩৮ – ৮ এপ্রিল ১৮৯৪) ছিলেন উনিশ শতকের বিশিষ্ট বাঙালি ঔপন্যাসিক। বাংলা গদ্য ও উপন্যাসের বিকাশে তাঁর অসীম অবদানের জন্যে তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অমরত্ব লাভ করেছেন। তাঁকে সাধারণত প্রথম আধুনিক বাংলা ঔপন্যাসিক হিসেবে গণ্য করা হয়। তবে গীতার ব্যাখ্যাদাতা হিসেবে, সাহিত্য সমালোচক হিসেবেও তিনি বিশেষ খ্যাতিমান। তিনি জীবিকাসূত্রে ব্রিটিশ সরকারের কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি বাংলা ভাষার আদি সাহিত্যপত্র বঙ্গদর্শনের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। তিনি ছদ্মনাম হিসেবে কমলাকান্ত নামটি বেছে নিয়েছিলেন। তাঁকে বাংলা উপন‍্যাসের জনক বলা হয়। এছাড়াও তিনি বাংলা সাহিত্যের সাহিত্য সম্রাট হিসেবে পরিচিত। সাহিত্যে অবদান:- বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক ছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। দুর্গেশনন্দিনী ছিলো প্রথম সার্থক বাংলা উপন্যাস যেটা বাংলা সাহিত্যের দ্বার উন্মোচন করেছিলো। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মোট ১৫টি উপন্যাস লিখেছিলেন এবং এর মধ্যে একটি ইংরেজি ভাষার উপন্যাস ছিলো। বঙ্কিমচন্দ্রই বাংলা ভাষাকে প্রথম সত্যিকারের মর্যাদা দিয়েছিলেন। বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাস রচনার প্রেক্ষাপট আসলে উনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে। তৎকালীন সময়ের প্রথা ও সংস্কার আন্দোলন, হিন্দু ধর্মের পুনরুত্থান, হিন্দু ধর্মের রক্ষণশীলতা, প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য ভাবধারার সংঘাত, প্রগতিশীল ভাবধারার অভাব, সমাজতান্ত্রিক ভাবধারার প্রাধান্য প্রভৃতি হল ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে আর্থসামাজিক পটভূমিকা এবং এই পটভূমিকাই বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাস রচনার প্রেক্ষাপট।তার রচনা 'বঙ্কিমী শৈলী' বা 'বঙ্কিমী রীতি' নামে পরিচিত। গ্রন্থ তালিকা:- দুর্গেশনন্দিনী কপালকুণ্ডলা মৃণালিনী বিষবৃক্ষ ইন্দিরা যুগলাঙ্গুরীয় চন্দ্রশেখর রাধারানী রজনী কৃষ্ণকান্তের উইল রাজসিংহ আনন্দমঠ দেবী চৌধুরানী সীতারাম (ইন্দিরা, যুগলাঙ্গুরীয় ও রাধারানী ত্রয়ী সংগ্রহ) (দেবী চৌধুরানী, আনন্দমঠ, সীতারাম ত্রয়ী উপন্যাস) Rajmohan's Wife (ইংরেজি ভাষার উপন্যাস) প্রবন্ধ গ্রন্থ কমলাকান্তের দপ্তর লোকরহস্য কৃষ্ণ চরিত্র বিজ্ঞানরহস্য বিবিধ সমালোচনা প্রবন্ধ-পুস্তক সাম্য কৃষ্ণ চরিত্র বিবিধ প্রবন্ধ মুচিরাম গুড়ের জীবনচরিত (ব্যঙ্গ) বিবিধ ললিতা (পুরাকালিক গল্প) ধর্ম্মতত্ত্ব সহজ রচনা শিক্ষা শ্রীমদ্ভগবদগীতা কবিতাপুস্তক (কিছু কবিতা, এবং ললিতা ও মানস)।
somenath Dasgupta
464 জন দেখলো
3 দিন আগে
#মৃত্যুবার্ষিকীর শ্রদ্ধার্ঘ তাঁর অনবদ্য কল্পনা, সহজ-সরল ভাষা আর মায়াময় গল্প আজও প্রজন্মের পর প্রজন্মের ছোটদের মনে রঙিন জাদু ছড়িয়ে চলেছে। তিনি শুধু লেখক নন—শৈশবের হাসি, স্বপ্ন আর কল্পনার এক চিরন্তন সঙ্গী। শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও অফুরন্ত কৃতজ্ঞতা। 🌼
somenath Dasgupta
475 জন দেখলো
3 দিন আগে
#মৃত্যুবার্ষিকীর শ্রদ্ধার্ঘ অন্যতম জনপ্রিয় ও সুন্দরী অভিনেত্রী "দিব্যা ভারতীর" মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণ করি। 🥀🌹🥀🌻🥀🍁🥀🪻🥀🏵️🥀🌼🥀🌷🥀 দিব্যা ভারতী (25 ফেব্রুয়ারি 1974 - 5 এপ্রিল 1993) ছিলেন একজন ভারতীয় অভিনেত্রী যিনি প্রধানত তেলেগু এবং হিন্দি চলচ্চিত্রে কাজ করেছিলেন। তার সময়ের ভারতের সর্বোচ্চ আয়ের অভিনেত্রীদের একজন, তিনি তার অভিনয় বহুমুখিতা এবং সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত ছিলেন এবং তিনি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার এবং নন্দী পুরস্কারের প্রাপক । ভারতী তার ফিল্ম ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন কিশোর বয়সে, যখন তিনি পিন-আপ মডেলিং অ্যাসাইনমেন্ট করছিলেন । তিনি তেলেগু -ভাষা রোমান্টিক অ্যাকশন ববিলি রাজা (1990) -এ ভেঙ্কটেশের বিপরীতে একটি প্রধান ভূমিকার মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করেন এবং পরবর্তীকালে আর্থিকভাবে ব্যর্থ তামিল -ভাষা চলচ্চিত্র নীলা পেন্না (1990) না ইলে না স্বর্গাম (1991) এর মতো চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। অ্যাসেম্বলি রাউডি (1991) ছবিতে তার ছোটখাটো ভূমিকা ছিল। রোমান্টিক কমেডি রাউডি আলুডু (1991) এর মাধ্যমে ভারতী তার প্রথম বাণিজ্যিক সাফল্য লাভ করে। 1992 সালে, তিনি তেলেগু চলচ্চিত্র থেকে হিন্দি সিনেমায় রূপান্তরিত হন এবং হিন্দি অ্যাকশন থ্রিলার বিশ্বাতমা (1992) এর মাধ্যমে তার আত্মপ্রকাশ ঘটে। 1992 সালের অ্যাকশন-কমেডি শোলা অর শবনমের সাফল্যের সাথে তার কর্মজীবন একটি উল্লেখযোগ্য মোড় নেয় , যা বক্স অফিসে হিট হয়েছিল। রোম্যান্স ফিল্ম দিওয়ানা (1992) সহ তিনি প্রধান ভূমিকায় সাফল্য অর্জন করতে থাকেন , যার জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ মহিলা আত্মপ্রকাশের জন্য ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পান। ভারতীর মাত্র ১৯ বছর বয়সে এপ্রিল ৫, ১৯৯৩ সালে, ভারসোভা, মুম্বই তার ৫ তলা অ্যাপার্টমেন্ট থেকে নিচে পড়ে মৃত্যুবরণ করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান তিনি মূলত ভারসাম্য হারানোর ফলে ব্যালকনি থেকে নিচে পড়ে যান। তবে তার এই আকস্মিক মৃত্যু, দুর্ঘটনাজনিত না হত্যাকাণ্ড তা অস্পষ্ট রয়ে গেছে।
somenath Dasgupta
557 জন দেখলো
8 দিন আগে
#মৃত্যুবার্ষিকীর শ্রদ্ধার্ঘ্য স্যার আইজ্যাক নিউটন (১৬৪৩–১৭২৭) মাধ্যাকর্ষণ ও গতির সূত্রের প্রণেতা, আধুনিক বলবিজ্ঞানের ভিত্তি নির্মাতা। আপেলের পতন থেকে মহাকাশের গ্রহের গতি—সবকিছুকে তিনি এক সূত্রে বেঁধেছিলেন মাধ্যাকর্ষণের মাধ্যমে। তার গতির তিনটি সূত্র আজও পদার্থবিজ্ঞানের মূল ভিত্তি। প্রিজমের মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেন, সাদা আলো বিভিন্ন বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত। গণিতের জগতে ক্যালকুলাসের বিকাশে তার অবদান যুগান্তকারী। পাশাপাশি তিনি প্রতিফলন দূরবীক্ষণ যন্ত্র তৈরি করেন এবং বিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেন। তিনি রয়্যাল মিন্টের প্রধান (১৬৯৯–১৭২৭) এবং কেমব্রিজের লুকাসিয়ান গণিতের অধ্যাপক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। “তিরোধান দিবসে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি— যার চিন্তা আজও আমাদের পৃথিবীকে চালিত করে।”
somenath Dasgupta
456 জন দেখলো
8 দিন আগে
#মৃত্যুবার্ষিকীর শ্রদ্ধার্ঘ্য শ্রদ্ধায়-স্মরণে প্রখ্যাত বলিউড অভিনেত্রী "মীনা কুমারী" প্রয়াণ দিবসে বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি। 🌹🥀🌻🥀💐🥀🍁🥀🌼🥀🌷🥀🏵️🥀🌹 মীনা কুমারী (জন্ম নাম মেহজাবিন বানু ; 1 আগস্ট 1933 - 31 মার্চ 1972) ছিলেন একজন ভারতীয় অভিনেত্রী এবং কবি, যিনি হিন্দি চলচ্চিত্রে কাজ করেছিলেন। দ্য ট্র্যাজেডি কুইন নামে জনপ্রিয় , কুমারীকে ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সেরা এবং শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীদের মধ্যে গণ্য করা হয় । 33 বছরের ক্যারিয়ারে, শিশু অভিনেত্রী থেকে প্রাপ্তবয়স্ক, কুমারী 90 টিরও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন । তিনি সেরা অভিনেত্রী বিভাগে চারটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জিতেছেন । তিনি 1954 সালে বৈজু বাওরার জন্য প্রথম ফিল্মফেয়ার সেরা অভিনেত্রী পুরস্কারের প্রাপক ছিলেন এবং পরিণীতার জন্য দ্বিতীয় ফিল্মফেয়ার পুরস্কারে (1955) টানা জয়লাভ করেছিলেন । কুমারী 10 তম ফিল্মফেয়ার পুরষ্কারে (1963) সেরা অভিনেত্রীর তিনটি মনোনয়ন পেয়ে ইতিহাস তৈরি করেছিলেন এবং সাহেব বিবি অর গুলাম- এ তার অভিনয়ের জন্য জিতেছিলেন । ১৩তম ফিল্মফেয়ার পুরস্কারে (১৯৬৬), তিনি কাজলের জন্য তার শেষ সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতেছিলেন । সমালোচকরা উল্লেখ করেছেন যে সাহেব বিবি অর গুলাম- এ তার চরিত্র তার জীবনের সাথে মিলে যায়। এছাড়াও তিনি অন্যান্য সফল চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন যেমন - দো বিঘা জমি (1953), দিল আপনা অর প্রীত পারাই (1960), আরতি (1962), ম্যা চুপ রাহুঙ্গি (1962), দিল এক মন্দির (1963), ফুল অর পাথর। (1966) এবং মেরে আপনে (1971)।১৯৩৯ সালে সাত বছর বয়সে ‘ফারজানদ-এ-ওয়াতন’ চলচ্চিত্রে বেবি মিনা নাম নিয়ে তিনি চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশ করেন। কামাল আমরোহী পরিচালিত পাকিজা তার জীবনের শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র। ছবিটি তার মৃত্যুর তিন সপ্তাহ আগে মুক্তি পায়।
somenath Dasgupta
417 জন দেখলো
12 দিন আগে
#🙏 প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি 🙏 বাংলা ভক্তিগীতি, শ্যামাসঙ্গীতের প্রবাদপ্রতিম কণ্ঠশিল্পী "পান্নালাল ভট্টাচার্যের" মৃত্যুবার্ষিকীতে আন্তরিক শ্রদ্ধা ও প্রণাম জানাই। 🙏🌹🙏🌻🙏🍁🙏🥀🙏🌼🙏🏵️🙏🌷🙏 পান্নালাল ভট্টাচার্য (৫ই মার্চ ১৯৩০ – ২৭ মার্চ ১৯৬৬) বাংলা ভক্তিগীতির জগতে বিশেষকরে শ্যামাসঙ্গীতের এক প্রবাদপ্রতিম কণ্ঠশিল্পী ছিলেন। তাঁর গাওয়া বেশিরভাগ শ্যামাসঙ্গীতের গীতিকার হলেন বাংলার শাক্ত কবি রামপ্রসাদ সেন, নয় তো কমলাকান্ত ভট্টাচার্য। তিনি বাংলাগানের স্বর্ণযুগের সুরকার প্রফুল্ল ভট্টাচার্য এবং স্বনামধন্য শিল্পী ধনঞ্জয় ভট্টাচার্যের অনুজ। সঙ্গীতজীবন:- তার ইচ্ছা ছিল চলচ্চিত্রের নেপথ্য গায়ক হবেন, আধুনিক গান গাইবেন। সেসময় বাংলা আধুনিক গানে স্বর্ণযুগের খ্যতিমানরা হলেন শচীন দেববর্মণ, ধনঞ্জয় ভট্টাচার্য, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, জগন্ময় মিত্র প্রমুখেরা। পান্নালালের মধ্যে ভক্তিরসের সন্ধান পেয়ে ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে সতের বৎসর বয়সে তাঁর জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা প্রফুল্ল ভট্টাচার্য তাঁকে আর বন্ধু সনৎ সিংহ-কে নিয়ে যান এইচ এম ভি'তে। 'আমার সাধ না মিটিল আশা না ফুরিল, সকলই ফুরায়ে যায় মা' শ্যামাসঙ্গীত দিয়ে তাঁর প্রথম গান গ্রামোফোন কোম্পানিতে রেকর্ড হয়। পান্নালাল ধনঞ্জয় ভট্টাচার্যের কথামতো আধুনিক আর ছবিতে নেপথ্য সঙ্গীত ছেড়ে ভক্তিমূলক গানকে নিজের কণ্ঠে ঠাঁই দিলেন এবং প্রকৃত অর্থে সাধক -গায়ক হয়ে উঠলেন। পান্নালাল জীবদ্দশায় ৩৬ টি আধুনিক গান সমেত ১৮ টি রেকর্ড, ৩ টি বাংলা ছায়াছবির গান এবং চল্লিশটি শ্যামাসঙ্গীতের রেকর্ড করেছেন।"শ্রী অভয়" নাম দিয়ে তার লেখা ও সুর দেওয়া বেশ কিছু শ্যামাসঙ্গীত আছে। তাঁর জনপ্রিয় শ্যামাসঙ্গীত গুলি হল - আমার চেতনা চৈতন্য করে আমি মন্ত্রতন্ত্র কিছু জানিনে মা আমি সকল কাজের পাই হে সময় অপার সংসার নাহি পারাপার ভেবে দেখ মন কেউ কারো নয় চাই না মা গো রাজা হতে আমার কালো মেয়ের পায়ের তলায় আমার মায়ের পায়ে জবা হয়ে তুই নাকি মা দয়াময়ী তুই যে কেমন দয়াময়ী সকলই তোমারি ইচ্ছা আমায় দে মা পাগল করে মুছিয়ে দে মা আমার এ দুটি নয়ন মনেরই বাসনা শ্যামা ইত্যাদি।
somenath Dasgupta
445 জন দেখলো
22 দিন আগে
#মৃত্যুবার্ষিকীর শ্রদ্ধার্ঘ্য জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেতা "অনিল চট্টোপাধ্যায়" এর মৃত্যুবার্ষিকীতে আন্তরিক শ্রদ্ধা জানাই। 🙏🌹🙏🌻🙏🍁🙏🥀🙏🌼🙏🏵️🙏🌷🙏 অনিল চট্টোপাধ্যায় (২৫ অক্টোবর, ১৯২৯ – ১৭ মার্চ, ১৯৯৬) একজন বিখ্যাত ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্র অভিনেতা। তিনি সত্যজিৎ রায়, তপন সিংহ এবং ঋত্বিক ঘটকের মতো খ্যাতনামা বাঙালি পরিচালকদের সাথে কাজ করেছেন। বাংলা চলচ্চিত্রে পঞ্চাশের দশকের শুরু থেকে নব্বই দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত এবং বেশিরভাগই চরিত্র অভিনেতা হিসাবে স্মরণ করা হয়, তিনি কিছু হিন্দি ছবিতেও কাজ করেছেন। তিনি ভারতের হুগলির বলাগড়ে জন্মগ্রহণ করেন, কলকাতার পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা, কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে স্নাতক হন। তার আগে, তিনি দিল্লি থেকে তার স্কুলের পড়াশোনা শেষ করেন, সিনিয়র কেমব্রিজ পরীক্ষায় সমগ্র উত্তর ভারতে প্রথম স্থান অধিকার করেন। কলেজ জীবনে তিনি উৎপল দত্তের সাথে যুক্ত হন এবং বেশ কিছু নাটকে অভিনয় করেন। তিনি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সদস্যও ছিলেন , বামফ্রন্ট সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে পূর্ববর্তী চৌরঙ্গী বিধানসভা কেন্দ্র থেকে উপনির্বাচনে জয়লাভ করেছিলেন। তিনি বিভিন্ন শেডে অভিনয় করেছেন, যদিও বেশিরভাগই একজন চরিত্র অভিনেতা হিসাবে, সেইসাথে প্রধান ভূমিকায় এবং কখনও কখনও একজন প্রতিপক্ষ হিসাবে, তিনি সীমিত সুযোগ পেয়েও। ভূমিকা নির্বিশেষে, তিনি দর্শক এবং সমালোচকদের উপর একটি অদম্য ছাপ রেখে গেছেন। তিনি দূরদর্শনের জাতীয় নেটওয়ার্কে নাকাব নামে একটি টেলি-সিরিয়ালেও প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন । তিনি সত্যজিৎ রায় , ঋত্বিক ঘটক , তপন সিনহা , তরুণ মজুমদার এবং মৃণাল সেনের সাথে কাজ করেছেন এমন খুব কম নির্বাচিত অভিনেতাদের একজন ; প্রথম তিন পরিচালকের সাথে, তিনি একাধিক অনুষ্ঠানে অভিনয় করেছিলেন। দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন চলচ্চিত্রের নাম ভূমিকায় তার অভিনয় "দেশবন্ধু" এর স্ত্রী বাসন্তী দেবীর প্রশংসা অর্জন করেছিল। তার অভিনীত ছবি:- নাগরিক (চলচ্চিত্র) (১৯৫২) যোগ বিয়োগ (চলচ্চিত্র) (১৯৫৩) সাজঘর (১৯৫৫) অসবর্ণ (১৯৫৬) উল্কা (চলচ্চিত্র) (১৯৫৭) পুর্ণমিলন (১৯৫৭) অযান্ত্রিক (চলচ্চিত্র) (১৯৫৮) রাজলক্ষ্মী ও শ্রীকান্তু (চলচ্চিত্র) (১৯৫৮) মরুতীর্থ হিংলাজ (১৯৫৯) দীপ জ্বেলে যাই (১৯৫৯) মেঘে ঢাকা তারা (১৯৬০) দেবী (চলচ্চিত্র) (১৯৬০) তিন কন্যা (চলচ্চিত্র) (১৯৬১) কোমল গান্ধার (১৯৬১) রক্ত পলাশ, (১৯৬২) কাঞ্চনজঙ্ঘা (চলচ্চিত্র) (১৯৬২) বন্ধন (১৯৬২) নির্জন সৈকতে (১৯৬৩) মহানগর (চলচ্চিত্র) (১৯৬৩) জতুগৃহ (১৯৬৪) অশান্ত ঘূর্ণি (১৯৬৪) সন্ধ্যা দীপের শিখা (১৯৬৪) জায়া (চলচ্চিত্র)(১৯৬৫) ফারার (১৯৬৫) সন্নাটা (১৯৬৬) মহাশ্বেতা (১৯৬৭) পঞ্চশর (১৯৬৮) সমান্তরাল (চলচ্চিত্র) (১৯৭০) সাগিনা মাহাতো (১৯৭০) খুঁজে বেড়াই (১৯৭১) বন পলাশীর পদাবলী (১৯৭৩) কবিতা (১৯৭৩) সাগিনা (১৯৭৪) ছন্দপতন (১৯৭৪) অমানুষ (চলচ্চিত্র) (১৯৭৫) টুসি (১৯৭৮) হীরে মানিক (১৯৭৯) চোখ (চলচ্চিত্র) (১৯৮৩) পরমা (১৯৮৪) পার (১৯৮৪) আনকহি (১৯৮৫) আজ কা রবিনহুড (১৯৮৭) আগুন (১৯৮৮ চলচ্চিত্র) (১৯৮৮) এক দিন অচানক (১৯৮৯) ইন্দ্রজিৎ (১৯৯২)