অযোধ্যার রাম মন্দির হলো হিন্দু দেবতা রামের জন্মস্থান হিসেবে পরিচিত একটি পবিত্র স্থানে নির্মিত মন্দির, যা পূর্বে ১৬ শতকের বাবরি মসজিদের স্থানে তৈরি হয়েছে। ১৫২৮ সালে মোগল সেনাপতি মীর বাকি এই স্থানে মসজিদটি নির্মাণ করেন, কিন্তু হিন্দুরা এই স্থানটিকে রামের জন্মভূমি মনে করত এবং এখানে উপাসনা করত। দীর্ঘ আইনি লড়াই ও বিতর্ক শেষে, ২০১৯ সালে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট মন্দির নির্মাণের পক্ষে রায় দেয় এবং ২০২৪ সালের ২২শে জানুয়ারি এর প্রাণ প্রতিষ্ঠা (উদ্বোধন) হয়।
ঐতিহাসিক পটভূমি:
প্রাচীন বিশ্বাস: হিন্দু বিশ্বাস অনুযায়ী, এই স্থানটিই রামের জন্মভূমি, যেখানে একটি প্রাচীন মন্দির ছিল।
বাবরি মসজিদ নির্মাণ (১৫২৮): সম্রাট বাবরের সেনাপতি মীর বাকি একটি মন্দির ভেঙে তার উপর বাবরি মসজিদ নির্মাণ করেন বলে বিশ্বাস করা হয়।
বিরোধের সূচনা: ১৯৪৯ সালে মসজিদের ভেতরে রাম ও সীতার মূর্তি স্থাপন করা হয়, যা বিতর্ক আরও বাড়ায়।
আন্দোলন ও সংঘাত: ১৯৬০ ও ১৯৮০-এর দশকে মন্দির নির্মাণের জন্য আন্দোলন তীব্র হয় এবং ১৯৯২ সালে মসজিদটি ভেঙে ফেলা হয়, যা দেশজুড়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টি করে।
আইনি ও নির্মাণ প্রক্রিয়া:
সুপ্রিম কোর্টের রায় (২০১৯): দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর, সুপ্রিম কোর্ট disputed land হিন্দুদের মন্দির নির্মাণের জন্য বরাদ্দ করে এবং মসজিদ নির্মাণের জন্য বিকল্প স্থান দেওয়ার নির্দেশ দেয়।
ট্রাস্ট গঠন: ভারত সরকার শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র নামে একটি ট্রাস্ট গঠন করে।
মন্দির নির্মাণ (২০২০-২০২৪): আদালতের রায় অনুযায়ী মন্দির নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ২০২৪ সালের ২২শে জানুয়ারি এর প্রাণ প্রতিষ্ঠা (consecration) অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
মন্দিরের তাৎপর্য:
এটি শুধু একটি ধর্মীয় স্থাপনা নয়, বরং কয়েক দশকের রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় আন্দোলনের ফল।
বর্তমান মন্দিরটি বাবরি মসজিদের ধ্বংসস্তূপের ওপর নির্মিত এবং এটি রামের জন্মভূমিকে উৎসর্গীকৃত।
#🌸রাম মন্দির স্পেশাল স্ট্যাটাস🌸 #🛕রাম মন্দিরের ইতিহাস✍ #🛕রাম মন্দিরের ইতিহাস✍ #😎আমার প্রিয় ভিডিও স্ট্যাটাস ❤ #😇আজকের Whatsappস্টেটাস 🙌
00:14
