আপনার ভাষা বদলান
Tap the Share button in Safari's menu bar
Tap the Add to Home Screen icon to install app
ShareChat
আজ ভগবান নৃসিংহ দেবের আবির্ভাব তিথি। ভগবান শ্রীবিষ্ণুর দশ অবতারের মধ্যে চতুর্থ তম অবতার ভগবান নৃসিংহ অবতার। কশ্যপ মুনির সন্তান দানব হিরণ্যকশিপুকে বধ করার জন্যই ভগবান বিষ্ণু ক্রোধী ভয়ানক স্বরূপ ধারণ করে আবির্ভূত হয়েছিলেন । নৃসিংহ অবতারের সাথে জড়িত আছে বালক প্রহ্লাদের ভক্তির উপাখ্যান । ঈশ্বর প্রাপ্তির জন্য যে নিজ পিতার কথাও শোনেন নাই । ভগবান সর্ব স্থানে বিরাজিত। প্রহ্লাদ মহারাজ স্তম্ভেই ভগবান দর্শন করেছিলেন। দুর্মতি হিরণ্যকশিপু তা মানে নি। স্তম্ভ ভেঙ্গে ভগবান আছেন কিনা দেখতেই , সেই স্তম্ভ থেকেই ভগবান নৃসিংহ দেব আবির্ভূত হয়েছিলেন। হিরণ্যকশিপু এত চতুর ছিলো যে সে প্রজাপতি ব্রহ্মার কাছে বর চেয়েছিলো- "না দিনে না রাতে, না আকাশে না ভূমিতে, না ঘরের মধ্যে না ঘরের বাইরে, না দিনে না রাতে, না জলে না স্থলে, না কোন অস্ত্রে না কোন শস্ত্রে , না দেব, না মানুষ, না পশু, না যক্ষ, রক্ষ, গন্ধর্ব, পিশাচ, অসুর, বেতাল, কুস্মাণ্ড কারোর হাতেই মরবে না। উপরন্তু সে ব্রহ্মার কাছে বর চেয়ে নেয়, ব্রহ্মার সৃষ্ট কোন প্রানীই যেনো তাকে না বধ করতে পারে। " চতুর দানব ভেবেছিলো সে অমর হয়ে গেছে। কিন্তু মৃত্যু কাওকে রেহাই দেয় না। নৃসিংহ ভগবান সেই অসুরকে না দিন না রাত গোধূলী তে, ঘরের মধ্যেও না- বাইরেও না ঠিক চৌকাঠে, আকাশেও না- ভূমিতেও না, জলেও না স্তলেও না - ক্রোড়ে নিয়ে, নখ দিয়ে বধ , নখ কোনো অস্ত্র বা শস্ত্র না। নৃসিংহ দেব অর্ধেক পশু, অর্ধেক নরের ন্যায় শরীর ছিলেন। পূর্ণ ভাবে তাঁহাকে দেব দানব মানব কিছুই বলা যায় না। ভগবান বিষ্ণু ব্রহ্মার সৃষ্টির মধ্যে পড়েন না কারণ ভগবানের নাভিপদ্ম থেকে ব্রহ্মার সৃষ্টি হয়েছে। সেই ভগবান নৃসিংহ দেব বধ করলেন অসুরকে । বধ করার পর ভগবান নৃসিংহ দেব প্রচণ্ড ক্রোধে উন্মত্ত হলে দেবতাগণ এমনকি মাতা লক্ষ্মী দেবীর প্রার্থনায় শান্ত হন নি। বালক ভক্ত প্রহ্লাদের স্তবে শান্ত হলেন। ভগবান তখন ভক্তকে ক্রোড়ে নিয়ে জিহ্বা দিয়ে চেটে আদর করে আশীর্বাদ করলেন। প্রহ্লাদ হলেন অসুর জাতির রাজা। তার মাধ্যমে অসুরেরা আসুরিক প্রবৃত্তি ছেড়ে ভক্তি মার্গে চলল। "লিঙ্গ পুরাণ" মতে ভগবান বিষ্ণু নৃসিংহ অবতার ধারণ করলে, ভগবান শিব "শরভ অবতার" ধারন করে ভগবান বিষ্ণুকে মূল রূপ অর্থাৎ চতুর্ভুজ নারায়ণ রূপে ফিরিয়ে আনেন। আর একটি গুপ্ত কথা ভগবান নৃসিংহ দেবের নাম অর্থাৎ "নৃসিংহ" এই নাম জপ করলে ভূত, প্রেত, পিশাচ, যক্ষ, কুস্মাণ্ড, বেতাল আদি ভৌতিক জীব দূরে পলায়ন করে। একটি ভুল ধারণা ভাগবত পাঠের সময় অনেক পাঠকর্তা পাঠ করেন যে প্রহ্লাদ মহারাজ হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ ও বৃন্দাবন বাসের কথা বলেছেন। শ্রীমদ্ভগবতপুরাণ বা বিষ্ণুপুরাণে এমন উল্লেখ নেই। "কৃষ্ণস্তু ভগবান স্বয়ম্‌" অর্থাৎ শ্রীকৃষ্ণ হলেন স্বয়ং পূর্ণব্রহ্ম । তাঁর থেকেই বাকী সকল অবতারের সৃষ্টি। ভগবান শ্রীকৃষ্ণই হলেন নারায়ন বা ভগবান বিষ্ণু। ভগবান বিষ্ণু ও ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মধ্যে ভেদাভেদ দেখা মহা অপরাধ। প্রহ্লাদ মহারাজের আবির্ভাব সত্যযুগে। আর গোলোকধাম থেকে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ধরিত্রীলোকে অবতরণ করেন দ্বাপর যুগে। সত্যযুগে ভগবান নারায়ণের পূজা হতো। দেবর্ষি নারদ মুনি, প্রহ্লাদ মহারাজকে হরিমন্ত্রে দীক্ষা নিয়েছিলেন। প্রহ্লাদ মহারাজ সর্বদা যে মন্ত্র জপ করতেন - "ওঁ নমঃ ভগবতে বাসুদেবায়"। সত্যযুগে বৃন্দাবনে কোনো পুন্যার্থী গমন করতো না, কারণ সেখানে তখনও ভগবানের আবির্ভাব হয় নি। কারণ ভগবানের শ্রীচরণরেনু যেখানে পড়ে- সেটাই তীর্থক্ষেত্রে পরিণত হয়। ভগবান শ্রীকৃষ্ণই হলেন ভগবান নৃসিংহ। কারণ ভগবান শ্রীকৃষ্ণ থেকেই বাকী সকল অবতারের আবির্ভাব । #🙏ভক্তি
#

🙏ভক্তি

🙏ভক্তি - V UDDOOS YOG COG SONG WIGO GOOD Too BONGO AAALOOBOONO 000 OOO DOS QOCONN OVERED SOROS 09096 6123 yoo aka . . CO CICCIO - ShareChat
6.6k জন দেখলো
3 মাস আগে
অন্য কোথাও শেয়ার করুন
Facebook
WhatsApp
লিংক কপি করুন
মুছে ফেলুন
Embed
আমি এই পোস্ট এর বিরুদ্ধে, কারণ...
Embed Post