ShareChat
click to see wallet page
search
নারীদের পরকীয়া পাপ নয়”—এই কথাটা শুনে রেগে যাচ্ছেন? একবার থামুন। রাগ করার আগে একটু ভাবুন— আমরা আসলে কোন পাপটার কথা বলছি? একজন নারী যখন বিয়ে করে, সে শুধু স্বামী পায় না— সে নিজের পরিচয়ের প্রায় পুরোটাই জমা দিয়ে দেয় সংসারের নামে তার হাসি, তার স্বপ্ন, তার ইচ্ছা—সব কিছুর ওপর লেখা পড়ে যায়, “অ্যাডজাস্ট করো।” স্বামী কথা বলে না। সম্মান দেয় না। ছোঁয় না, বোঝে না, শোনে না। বছরের পর বছর একজন নারী থাকে একা— একই ঘরে থেকেও মানসিক ভাবে পরিত্যক্ত। কিন্তু সমাজ তখনও বলে— “স্বামী আছে তো! এত নাটক কিসের?” ঠিক তখনই, জীবনে হঠাৎ কেউ একজন আসে— যে শোনে, যে দেখে, যে বলে— “তুমিও মানুষ, তুমি বোঝা নও।” এটাকে আমরা কী বলি? পরকীয়া? পাপ? চরিত্রহীনতা? অথচ— স্বামী যখন দিনের পর দিন স্ত্রীকে অবহেলা করে, মানসিক ভাবে নিঃস্ব করে, তখন সেটা আমরা বলি— “ছেলেরা এমনই হয়।” স্বামী যখন বাইরে সম্পর্ক রাখে— তখন সেটা “ভুল”, “স্লিপ”, “স্বাভাবিক”। কিন্তু একজন নারী যদি নিজের মরতে বসা আত্মা'টাকে বাঁচাতে কারো সঙ্গে কথা বলে, কেউ যদি তাকে আবার মানুষ মনে করায়— তখনই সে হয়ে যায় অপরাধী। পাপী। তাই না !?। সব পরকীয়া প্রেম নয়। সব পরকীয়া কাম নয়। সমাজ অস্বীকার করলেও কিছু কিছু পরকীয়াকে বন্ধুত্বও বলা যায়। কেন একজন মহিলা একজন পুরুষের বান্ধবী হয়ে উঠতে পারে না!!! তারা দুজনেই বিবাহিত বলে!!!!??? কিছু পরকীয়া হলো— একটু সম্মানের খোঁজ, একটু ভালোবাসার শ্বাস, একটু “আমি আছি” শোনার তীব্র প্রয়োজন। পাপ যদি হয়— তাহলে পাপটা শুরু হয় অবহেলা থেকে, নীরব নির্যাতন থেকে, ভালোবাসাহীন বৈবাহিক জেলখানা থেকে। একজন নারী যখন পরকীয়ায় জড়ায়, ৯০% ক্ষেত্রে সে ভোগের জন্য নয়— সে বাঁচার জন্য লড়াই করে। প্রশ্ন'টা পরকীয়া পাপ কি না, সেটা নয়। প্রশ্নটা হলো— 👉 কোন সমাজ একজন নারীর একাকীত্ব'কে এতটাই তুচ্ছ করে, যে সে ভালোবাসা চাইলেই “মহা'পাপী” হয়ে যায়? কিছু ভালোবাসা প্রেম নয় বন্ধুত্বের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হয়। যেটা সমাজের চোখে পরকিয়া। আপনি রেগে গেলে রাগ করুন। কিন্তু একবার ভেবে দেখুন— !? ভাঙা মানুষ নাকি ভাঙা নিয়ম— কোনটা বেশী ভয়ংকর??? তবে কর্মগত মহিলাদের কথাটা আমি ঠিক বলতে পারব না যে তারা কতোটা স্বাধীন বা পরাধীন। #Morality