ডাইরির পাতাটা আজ অনেকদিন পর খুলেছিল সে। ধুলো জমে আছে, তবু পাতার ভাঁজে ভাঁজে লুকিয়ে আছে কিছু নাম না বলা অনুভূতি। প্রথম পাতায় বড় করে লেখা—
“অভিমান?”
নীচে ছোট করে উত্তর— আজ আর নেই।
এক সময় কত অভিমান ছিল! দেরিতে রিপ্লাই, অকারণে চুপ করে থাকা, না বলা কথা জমে জমে পাহাড় হয়ে উঠত। সে ভাবত, অভিমান মানেই বুঝি ভালোবাসার আরেকটা নাম। কিন্তু সময় শিখিয়েছে—সব অভিমান টিকে থাকে না, কিছু অভিমান ক্লান্ত হয়ে নিজেই হারিয়ে যায়।
পরের পাতায় লেখা—
“অভিযোগ?”
উত্তর— ছিল একসময়।
হ্যাঁ, অভিযোগ ছিল। “তুমি বদলে গেছ”, “আগের মতো নেই”—এই বাক্যগুলো একদিন খুব পরিচিত ছিল। তখন মনে হতো, অভিযোগ না করলে সম্পর্কটা বাঁচবে না। আজ বুঝতে পারে, অভিযোগ আসলে শেষের আগের ধাপ; যখন আর বোঝাতে ইচ্ছে করে না, তখনই অভিযোগ জন্ম নেয়।
আরও কয়েক পাতা উল্টে সে থেমে গেল।
“প্রেম?”
উত্তর— ডাইরিতে লেখা পুরোনো স্মৃতি।
এই লাইনের পাশে হালকা একটা দাগ—হয়তো চোখের জল। প্রেমটা একসময় বেঁচে ছিল কথোপকথনে, রাত জাগায়, ছোট্ট যত্নে। এখন তা কেবল শব্দ হয়ে আছে, কাগজে বন্দি। নতুন কোনো অনুভূতি নয়, শুধু স্মৃতির পুনরাবৃত্তি।
হঠাৎ একটা পাতায় লেখা—
“বন্ধুত্ব?”
উত্তর— থাকা উচিত ছিল!
এই জায়গাটাতেই সে বেশি ক্ষণ থামে। প্রেম ভেঙে গেলে মানুষ বাঁচতে পারে, কিন্তু বন্ধুত্ব থাকলে শূন্যতা কম হতো। যদি শেষটুকুতে দু’জন মানুষ হিসেবে থাকা যেত, তাহলে হয়তো আজ এতটা অচেনা লাগত না।
ডাইরির শেষ পাতায় এসে লেখা—
“আর এখন?”
উত্তর— অপরিচিত মানুষ আজ, হয়তো চেনা ছিল কোনও একদিন।
ডাইরিটা বন্ধ করে সে দীর্ঘশ্বাস ফেলে। কষ্ট নেই, অভিমান নেই, অভিযোগও নেই—শুধু এক ধরনের নিরবতা। কিছু মানুষ জীবনে আসে ভালোবাসা শেখাতে, কিছু মানুষ থেকে যায় শুধু স্মৃতি হয়ে। আর কেউ কেউ… ডাইরির পাতায় আটকে পড়ে যায় চিরকালের জন্য। #😇আজকের Whatsappস্টেটাস 🙌 #❤তোমার অপেক্ষায়💑 #❤জীবনের কোটস 🖋 #💌প্রেমের কোটস💓 #💕Express Emotion🎁


