ShareChat
click to see wallet page
search
২০১৯ এ তৃণমূল পায় ৪৪% ভোট এবং আমরা ৪১% l কিন্তু ২০২১ এ বামপন্থীরা তাঁদের পুরো ভোট তৃণমূলের দিকে ঘুরিয়ে দেয় NO VOTE TO BJP স্লোগান দেয় l তৃণমূল ভোট বেড়ে হয় ৪৯% l কিন্তু এই ফর্মুলা তো বারবার চলবে না? তাই এরপরে পার্থ, বালু, কেষ্ট, মানিকসহ বহু নেতা ধরার পরেও এঁরা সর্বাধিক প্রচারিত মিডিয়াকে হাতিয়ার করে 'সেটিং তত্ব' নিয়ে আসে l কিন্তু আর জি করে টাকা তোলা, নিজেদের ক্যাডার হরগোবিন্দ দাস, চন্দন দাসের মৃত্যুর পরে চুপ থাকা, দিল্লীতে রাহুল এবং অভিষেকের সঙ্গে একসাথে খানাপিনা, বাংলাদেশে বাঙালীর উপর অত্যাচার, কাশ্মীরি উগ্রপন্থীদের প্রতি মনোভাব, DA মামলাকে অনির্দিষ্ট কালের জন্যে পিছিয়ে দেয়া, সব রকমের শ্রমিকের ন্যায্য দাবী নিয়ে নির্বাক থাকা এবং ২০২৪ লোকসভায় স্ট্রাটেজিক ভোট কাটুয়ার কাজ করার(যেমন যাদবপুরের মানুষের কাছে ১০০% গ্রহনযোগ্যতা হারিয়ে দমদমে গিয়ে আড়াই লক্ষ ভোট কেটে তৃণমূলকে ৭০০০০ ভোটে জেতানো) পরে, যখন বামপন্থীদের গ্রহণযোগ্যতা তাঁদের আসনের মতই শূণ্য, তখন মমতা ব্যানার্জী এবং অভিষেক ব্যানার্জী বামেদের ছেড়ে অবার আইপ্যাক এবং হুমায়ুনদের হাত ধরেন l কিন্তু আইপ্যাক বিপদে পড়তেই আবার ফর্মে বামপন্থীরা l আবার সেই NO VOTE TO BJP স্লোগানে তৃণমূলের জয় নিশ্চিত করতে প্রতীক জৈনের ভূমিকায় দীপঙ্কর ভট্টাচাৰ্য l আমি যদি কোন ভুল না করি, ২০২৬ বিধানসভায় কংগ্রেস আবার বিধানসভায় খাতা খুলছে, জোটে যাক আর না যাক l ৫ থেকে ১৫ টি আসন পাবে এবার তারা l সেখানে বামেরা শূণ্য থেকে মহাশূণ্যর পথে l তবু প্রতিটি টিভি চ্যানেল কংগ্রেসের কোন প্রতিনিধিকে না ডেকে সিপিএমকে ডাকে কেন? কেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক মানেই হয় বুদ্ধদেব ভট্টাচাৰ্যর ঘনিষ্ঠ পুলিশ বা চিরকুটে চাকরি পাওয়া আলিমুদ্দিন মাস্টারমশাই কেন? উদ্দেশ্য একটাই l মানুষকে বিভ্রান্ত করে তৃণমূলকে আবার ক্ষমতায় এনে রাজ্যের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, দপ্তরের জয়েন্ট সেক্রেটারি, বই ছাপার প্রেস, সিনেমা, OTT, নাটক, থিয়েটার, প্রতিটি সংবাদমাধ্যম শহুরে মাকুদের দখলে রাখা l আর গ্রামের কৃষক শ্রমিক পারিযায়ী বামপন্থী সমর্থক? তারা আবার মানুষ নাকি? মারুক শালারা হরগোবিন্দ চন্দন দাসের মত l না বোঝে মার্ক্স না হেগেলস, তারা আবার বাম? Collected #📢রাজনৈতিক আপডেট🙏 #📰রাজ্যের আপডেট📰 #👩তৃণমূল-TMC🧑 #👩সি পি আই এম -CPIM🧑 #👩বিজেপি - BJP🧑