ShareChat
click to see wallet page
search
নন্দীগ্রামের বিজেপি নেতা প্রলয় পালের দাবি, যে সকল মহিলার স্বামী অন্য রাজ্যে কাজ করেন, সেই মহিলাদের সতীত্ব প্রমাণ করার জন্য গাইনোকোলজিক্যাল টেস্ট অর্থাৎ স্ত্রীরোগ সংক্রান্ত পরীক্ষা করাতে হবে। আসলে বিজেপির ভারতে, যে সকল মহিলা 'উন্নয়নের পাঁচালি' পাঠে অংশ নেন বা দিঘার জগন্নাথ ধামে যান, তাঁদের সন্দেহের চোখে দেখা হয়। কারণ, বিজেপির দুনিয়ায় একজন মহিলার চরিত্র সর্বদা প্রশ্নের মুখে থাকে এবং তাঁর শরীর সর্বদা পরীক্ষা, বিচার এবং প্রকাশ্যে অপমানের জন্য উন্মুক্ত! বিজেপি আসলে চায়, মহিলারা তাঁদের সতীত্ব প্রমাণ করতে "অগ্নিপরীক্ষা" দিক। এটা বিজেপির নিচুতলার কর্মীদের মধ্যে বয়ে চলা নারীবিদ্বেষী, পুরুষতান্ত্রিক, অতি-রক্ষণশীল এবং নারী-বিরোধী মানসিকতাকে নগ্ন করে দেয়। একদিকে, 'বেটি বাঁচাও, নারী সুরক্ষা'র কথা বলে, আর পরক্ষণেই মহিলাদের সেই পিতৃতান্ত্রিক সমাজে নামিয়ে আনে, যেখানে নারী শরীরকে সর্বদা পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও বিচারের টেবিলে রাখা যায়! বাংলা এই মধ্যযুগীয় বর্বরতাকে ঘৃণার সাথে প্রত্যাখ্যান করছে। আমাদের মা-বোনেরা কারও সম্পত্তি নন, যে তাঁদের জনসমক্ষে সতীত্বের পরীক্ষা দিতে হবে। মহিলারা আমাদের রাজ্যের মেরুদণ্ড এবং ২০২৬-এ বাংলার মহিল #সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস #📣টাটকা আপডেট📰 #তিন বাটি শুভেন্দু #জয় বাংলা #ছি:ছি: বিজেপি
সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস - ShareChat
00:22