দৃশ্য ১ — নিস্তব্ধতার শব্দ (Slow Build)
ভিজ্যুয়াল:
ডার্ক ব্লু টোন।
ঘরের ওয়াইড শট।
জানালার পর্দা খুব ধীরে নড়ছে।
সাউন্ড:
শুধু বাতাস।
খুব হালকা ঘড়ির টিকটিক।
নীরার ভয়েস (ফিসফিস, ভেতরের মনোলগ):
“আজ রাতটা অদ্ভুত…
ঘুম আসছে না…
মনে হচ্ছে কেউ আমার ঘরে আছে…”
ক্যামেরা ধীরে ধীরে জুম ইন।
🎞 দৃশ্য ২ — প্রথম উপস্থিতি
হঠাৎ জানালার বাইরে লম্বা ছায়া।
নীরা স্থির হয়ে যায়।
বাতাস হঠাৎ থেমে যায়।
নীরার ঠোঁট কাঁপে—
“কে…?”
কোনো উত্তর নেই।
৩ সেকেন্ড সম্পূর্ণ নীরবতা।
তারপর—
দরজা কড়মড় শব্দ।
ধীরে ধীরে দরজা নিজে থেকে বন্ধ হয়।
🎞 দৃশ্য ৩ — পেছনে কেউ দাঁড়িয়ে
ক্যামেরা নীরার মুখে ক্লোজআপ।
তার চোখ বড় হয়ে যাচ্ছে।
তার পেছনে ফোকাস ব্লার থেকে ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়—
ছায়াপুরুষ।
চোখ দুটো মৃদু সাদা আলো।
ছায়াপুরুষ (গভীর ফিসফিস, দুই কানে প্যান):
“তুমি কি আমাকে খুঁজছো… নীরা…”
নীরা কাঁপতে কাঁপতে ঘুরে দাঁড়ায়।
কেউ নেই।
কিন্তু দেয়ালে এখন দুইটা ছায়া।
🎞 দৃশ্য ৪ — আয়নার বিকৃত সত্য
নীরা ধীরে আয়নার দিকে যায়।
আয়নায় সে একা।
হঠাৎ আয়নার ভেতরে—
তার পেছনে ছায়াপুরুষ দাঁড়িয়ে।
এইবার খুব কাছে।
তার মুখের কাছে।
নীরা ঘুরে দাঁড়ায়।
বাস্তবে কেউ নেই।
আবার আয়নায় তাকায়—
ছায়াপুরুষ এবার তার কাঁধে হাত রেখেছে।
নীরার চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ে।
🎞 দৃশ্য ৫ — মানসিক ভাঙন
বাতাস জোরে বইতে শুরু করে।
দরজা বারবার কড়মড় করে।
লাইট ফ্লিকার।
নীরা কাঁদতে কাঁদতে বলে—
“তুমি কে?! আমাকে ছেড়ে দাও!”
ছায়াপুরুষ (গভীর, ধীর):
“আমি তোমার ভেতরেই ছিলাম… সবসময়…”
হঠাৎ সব শব্দ বন্ধ।
সম্পূর্ণ নীরবতা।
🎞 চূড়ান্ত দৃশ্য — মিশে যাওয়া
ক্যামেরা স্লো মোশন।
ছায়াপুরুষ ধীরে ধীরে নীরার পেছন থেকে সামনে আসে।
তার শরীর ধোঁয়ার মতো ভেঙে নীরার শরীরে মিশতে থাকে।
নীরার চোখ ফাঁকা হয়ে যায়।
লাইট নিভে যায়।
🌅 শেষ দৃশ্য — ভয়ংকর শান্তি
সকাল।
ঘর ফাঁকা।
জানালা বন্ধ।
দেয়ালে শুধু একটা ছায়া।
কিন্তু ছায়াটা নড়ছে।
শেষ ফিসফিস—
“এখন আমরা এক…”
স্ক্রিন ব্ল্যাক।
৫ সেকেন্ড নীরবতা।
তারপর খুব হালকা নিঃশ্বাসের শব্দ। #ভূত গল্প



