ShareChat
click to see wallet page
search
উচিত কথা বললে যে ব্যক্তি কোনো মেয়ের সাথে একবার তুই-তোকারি করে কথা বলে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় এবং যাকে তার আত্মসম্মান নয় বরং অতিরিক্ত সীমাহীন অহংকারের......... দুঃখিত। অহংকার নয় বড়াইয়ের দরুন বারবার অর্থাৎ প্রত্যেক-বার মেয়েদেরকে তোয়াজ করে করে কথা বলাতে হয় আর সেটা অবশ্য আসল আত্মসম্মান নয়। সবই JUST ONLY FOR SHOW. I mean এগুলো JUST নিজের মূল্য/ওজন বাড়ানোর কৌশল মাত্র। আর কিছুই না। যে নিজেই জ্ঞানপাপী হয়ে ঈশ্বর ও ধর্মের জ্ঞানগুলো অপর লোকের কাছে বিলিয়ে বেড়িয়ে নাম এবং অর্থ কামাতে চায় এবং একদিকে এমন হাবভাব করে যে ওর যেন কতওওওওওও নাকি পবল ও প্রখর অর্থাৎ একটু নয় অতিরিক্ত মাত্রাহীন আত্মসম্মান/আত্মমর্যাদা এবং অন্যদিকে সকলের কাছে এটা প্রমাণ করতে চায় যে ও খুব খোলামেলা এবং আবেগ সম্পন্ন মনের নিরপরাধ দুঃখী মানুষ। তার ধান্দাটা আসলে নিজের দুঃখ পৃথিবীর কাছে প্রচার করে নিজেকে মহৎ প্রমাণ করার চেষ্টা। এমন পরিবার যে কতো বড়ো ফোর-টোয়েন্টিবাজ সেটা আর সে আমাকে প্রমাণ করার সুযোগ নয় বরং সে/তারা নিজেরাই প্রমাণ করে দিল। আর যে ব্যক্তি মেয়েদের সাথে আলাপ হওয়ার দুদিন পরেই তার সাথে দেখা করতে চলে আসতে পারে তার আত্মসম্মান যে কতোটা উঁচু বা কতোটা নীচু সেটা তো জনগণের কাছে স্বচ্ছ ও পরিষ্কার।🤷‍♀️🤷‍♀️🤷‍♀️ নিজের স্বার্থে ঘা লাগলে অর্থাৎ তার অন্যায়গুলো তার কাছে বারবার চোখে আঙুল দিয়ে স্পষ্টভাবে সোজাসুজি ধরিয়ে দিলে তার ঐ লোক দেখানো আত্মসম্মান আরো কোটিগুণ বেড়ে যায়। ঐ যে মনীষীরা লিখে গেছেন না যে 'উপকারীকে বাঘে খায়।' সেটা তো আর না বুঝে অনভিজ্ঞ হয়ে লেখেননি। তারা যথেষ্ট বুদ্ধিমান এবং বিচক্ষণ। তাই এই ধরনের প্রবাদ বাক্যগুলো সচরাচর মানুষের জীবনে কখনো না কখনো ফলেই যায় অক্ষরে অক্ষরে। আর যে ব্রাহ্মণ জাতীর অন্তর্ভুক্ত হয়ে সেই সুযোগ বা সুবিধেকে খারাপ কাজে লাগিয়ে অর্থাৎ তার অপব্যবহার করে যে মানুষকে (বিশেষ করে সেই মানুষটিকে) অভিশাপ দেয় বিনা কারনে যে মেয়েটি কোনো অপরাধ না করা সত্বেও বরং সে তার পরিবারের দুর্দশার দিকে তাকিয়ে তাকে কোনো HONEST SUGGESTION দেয় আর তার প্রতিদান হিসেবে মেয়েটির চরিত্র তুলে নীচু নোংরা অপবাদ দিয়ে কথা বলতে পারে...... সে এই জন্যই মেয়েদের এই কথাগুলো বলতে পারে কারন তার নিজের অন্তরই, তার নিজের চরিত্রই সামান্য নয় বরং প্রবল ভয়ানকভাবে নোংরা আবর্জনার একটা জায়গা। সেই জায়গা থেকেই অর্থাৎ এই নোংরা জায়গার থেকেই এই ধরনের নোংরা কথাগুলো বেড়িয়ে আসে কারন DUST+BIN-থেকে তো নোংরাই বেড়োবে। পরিস্কার বা শুদ্ধ জিনিস তো কখনো বেড়ো-তেই পারে না।🤗🤗🤗🤗🤗🤗 এবং যখন সেই মেয়েটি কিছু না করা সত্বেও শুধুমাত্র সম্পর্ককে বাঁচিয়ে রাখার জন্য বিশেষ করে সেই পুরুষের কাছে বা তার পরিবারের কাছে ক্ষমা চাওয়ার কথা বলে এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে সে মানুষের জাত বিচার কোরে বলে যে অন্য জাতের মানুষ তাকে বা তাদের পরিবারের লোকজনদের পা স্পর্শ করলে নাকি তারা অপবিত্র হয়ে যাবে! যার এরকম নীচু ছোটলোকি চিন্তাভাবনা এবং মানসিকতা তার কখনোই ভগবানের আরাধনা করার কোনো যোগ্যতা বা অধিকার কোনোটাই নেই আর তার তথাকথিত আন্তরিক ভক্তিপূর্ন (যদিও সেটা মাথা থেকে পা পর্যন্ত সবটা নকল,‌ ভন্ডামি এবং অধর্ম) পূজো যদি ভগবান সত্যিই গ্রহন করে থাকেন তাহলে তার বা তার পরিবারকে কখনো উত্তরাধীকারী-হীন হয়ে থাকতে হয় না। তারা নাকি আবার লোকের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পূজো করে যজমানের মঙ্গল কামনার জন্য।😀😀😀😃😃😃😄😄😄😂😂😂😆😆😆🤣🤣🤣🤣🤣🤣🤣🤣🤣 সেখানে যজমানের মঙ্গলের পরিবর্তে বরং তাদের চরম অমঙ্গল হয় এবং যখন তাদের বাড়িঘরে ঐ তথাকথিত ভদ্রতার নাম ভাঙিয়ে খাওয়া একজন অভদ্র, অসভ্য, দুশ্চরিত্র, লম্পট, দুর্বিনীত, অপয়া এবং অলক্ষুণে দস্যু কাপুরুষের পা পরে তখন তাদের বাড়িঘর অশুদ্ধ ও কলুষিত হয়ে ধ্বংস হয়ে যায়। তাদের অকল্যান হয়। আর কিছু কিছু মানুষ মোটা অংকের টাকা/অর্থের লোভের ফাঁদে পা দিয়ে তার/তাদের অন্যায়কে ন্যায় বলে সমর্থন করে। এই যুগে মানুষ টাকা/সুখ/ ঐশ্বর্যের জন্য কি কি ঘৃন্য এবং জঘন্য নীচ কাজই না করতে পারে! #আদর্শ ব্রাহ্মণের গভীর ভক্তি পূর্ন পূজার্চনা।😂😂😂😆🤣🤣