ShareChat
click to see wallet page
search
#🥰জয় শ্রীকৃষ্ণ🙏 #💓জয় গীতা 🙏❤🕉 #✨জয় গীতা🙏 #জয় গীতা ❤🙏 #গীতা 🌿 . 🕉️⚛️💗 #সনাতন_ধর্ম 💗⚛️🕉️⛳🚩 #জয়_শ্রী_কৃষ্ণ_challenge #জয়_গীতা_challenge *─⊱✼ #গীতা_জয়ন্তী ✼⊰─* আজ ০৫ পৌষ রবিবার 21/12/2025 *•••••••••┈┉━❀❈🙏🏼⚛️🙏🏼❈❀━┉┈•••••••••* #শ্রীমদ্ভগবদগীতা #ধ্যান_যোগ ( ২৫১,২৫২ ) #ষষ্ঠ_অধ্যায় : - ৬ #শ্লোক : - ২১,২২ #গীতার_ষষ্ঠ_অধ্যায় #শ্লোক_নম্বর : - ২১ ,২২ 🌿🌿🌿 ওঁ তৎ সৎ🙏🏻🙏 #ষষ্ঠ_অধ্যায় #শ্লোক_২১ सुखमात्यन्तिकं यत्तद्बुद्धिग्राह्यमतीन्द्रियम् । वेत्ति यत्र न चैवायं स्थितश्चलति तत्त्वतः ।।६.२१।। সুখমাত্যন্তিকং যত্তদ্ বুদ্ধি গ্রাহ্যমতীন্দ্রিয়ম্ ৷ বেত্তি যত্র ন চৈবায়ং স্থিতশ্চলতি তত্ত্বতঃ ॥৬.২১॥ #অনুবাদ : - এই অবস্থায় শুদ্ধ অন্তঃকরণ দ্বারা আত্মাকে উপলব্ধি করে যোগী আত্মাতেই পরম আনন্দ আস্বাদন করেন । সেই আনন্দময় অবস্থায় অপ্রাকৃত ইন্দ্রিয়ের দ্বারা অপ্রাকৃত সুখ অনুভূত হয় । #সারাংশ : - চিত্তের এই শুদ্ধিই হচ্ছে যথার্থ মুক্তি, অথবা ভবমহাদাবাগ্নিনির্বাপণম্ । প্রারম্ভিক নির্বাণ-মতও এই সিদ্ধান্তের অনুরূপ । শ্রীমদ্ভাগবতে (২/১০/৬) একে বলা হয়েছে স্বরূপেণ ব্যবস্থিতিঃ । ভগবদ্গীতার এই শ্লোকেও সেই একই কথা বলা হয়েছে । নির্বাণের পরে, অর্থাৎ জড় অস্তিত্বের সমাপ্তি হলে কৃষ্ণভাবনামৃত নামক ভগবৎ- সেবার চিন্ময় ক্রিয়াকলাপ শুরু হয় । শ্রীমদ্ভাগবতে বলা হয়েছে, স্বরূপেণ ব্যবস্থিতিঃ -এটিই হচ্ছে 'জীবাত্মার যথার্থ স্বরূপ' । এই স্বরূপ যখন বিষয়াসক্তির দ্বারা আবৃত থাকে, তখন জীবাত্মা মায়াগ্রস্ত হয় । এই বিষয়াসক্তি বা ভবরোগ থেকে মুক্ত হওয়ার অর্থ এই নয় যে, তখন আদি নিত্য স্বরূপের বিনাশ হয় । পতঞ্জলি মুনি এই সত্যের সমর্থন করে বলেছেন- কৈবল্যং স্বরূপপ্রতিষ্ঠা বা চিতিশক্তিরিতি । এই চিতিশক্তি বা অপ্রাকৃত আনন্দ হচ্ছে যথার্থ জীবন । বেদান্ত-সূত্রেও (১/১/১২) সেই কথার স্বীকৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, আনন্দময়োহভ্যাসাৎ । এই স্বাভাবিক অপ্রাকৃত আনন্দই হচ্ছে যোগের চরম লক্ষ্য এবং ভক্তিযোগ সাধন করার মাধ্যমে অনায়াসে এই আনন্দ লাভ করা যায় । সপ্তম অধ্যায়ে ভক্তিযোগ বিশদভাবে বর্ণনা করা হবে । ✧════════•❁❀❁•════════✧ #ষষ্ঠ_অধ্যায় #শ্লোক_২২ यं लब्ध्वा चापरं लाभं मन्यते नाधिकं ततः । यस्मिन्स्थितो न दुःखेन गुरुणापि विचाल्यते ।।६.२२।। যং লব্ধ্বা চাপরং লাভং মন্যতে নাধিকং ততঃ ৷ যস্মিন্ স্থিতো ন দুঃখেন গুরুণাপি বিচাল্যতে ॥৬.২২॥ #অনুবাদ : - এই পারমার্থিক চেতনায় অবস্থিত হলে যোগী আর আত্ম-তত্ত্বজ্ঞান থেকে বিচলিত হন না এবং তখন আর অন্য কোন কিছু লাভই এর থেকে অধিক বলে মনে হয় না । #সারাংশ : - এই অধ্যায়ে বর্ণিত যোগপদ্ধতিতে সমাধি দুই রকমের-'সম্প্রজ্ঞাত-সমাধি' ও 'অসম্প্রজ্ঞাত-সমাধি' । নানা রকম দার্শনিক অন্বেষণের দ্বারা অপ্রাকৃত স্থিতিকে বলা হয় 'সম্প্রজ্ঞাত-সমাধি' । 'অসম্প্রজ্ঞাত-সমাধিতে' কোন রকম জড় বিষয়ানন্দ ভোগের সম্বন্ধ থাকে না, কারণ এই স্থিতিতে তিনি সব রকম ইন্দ্রিয়জাত সুখের অতীত । এই চিন্ময় স্বরূপে অধিষ্ঠিত যোগী কখনও কোন কিছুর দ্বারা বিচলিত হন না । যোগী যদি এই স্তরে উন্নীত না হতে পারেন, তা হলে বুঝতে হবে যে, তাঁর যোগসাধনা সফল হয়নি । আধুনিক যুগের তথাকথিত যোগ, যা বিভিন্ন ইন্দ্রিয়সুখ ভোগের সঙ্গে যুক্ত তা পরস্পর-বিরোধী । মৈথুন ও মদ্যপানে আসক্ত হয়ে যে নিজেকে যোগী বলে, সে উপহাসের পাত্র । এমন কি, যে যোগী যৌগিক সিদ্ধির প্রতি আকৃষ্ট, সেও যথার্থ যোগী নয় । যোগী যদি যোগের আনুষঙ্গিক উপলব্ধির প্রতি আকৃষ্ট থাকে, তবে সে যোগের যথার্থ সিদ্ধি লাভ করতে পারে না, সেই কথা এই শ্লোকে বলা হয়েছে । তাই, যারা যোগ-ব্যায়ামের কসরৎ দেখায় অথবা তাদের সিদ্ধি প্রদর্শন করে ম্যাজিক দেখায়, তারা যোগের অপব্যবহার করছে । তাদের বোঝা উচিত যে, তাদের যোগ-সাধনার সমস্ত প্রচেষ্টাই ব্যর্থ হয়েছে । এই যুগে যোগ-সাধনার শ্রেষ্ঠ পন্থা হচ্ছে কৃষ্ণভাবনা এবং এই যোগসাধনা ব্যর্থ হয় না । ভগবদ্ভক্তি সাধন করবার মাধ্যমে ভক্ত যে অপ্রাকৃত আনন্দ আস্বাদন করে, তার ফলে তিনি আর কোন রকম জড় সুখভোগ করার আকাঙ্ক্ষা করেন না । শঠতাপূর্ণ এই কলিযুগে হঠযোগ, ধ্যানযোগ ও জ্ঞানযোগ অনুশীলনের পথে অনেক বাধাবিপত্তি আছে, কিন্তু কর্মযোগ অথবা ভক্তিযোগ অনুশীলনে তেমন কোন অসুবিধা নেই । ( প্রতিদিন শ্রীমদ্ভগবদগীতার ১ টি করে শ্লোক পড়তে এই পেজটির সাথে থাকুন ।) *─⊱✼ #হরে_কৃষ্ণ ✼⊰─* *•••••••••┈┉━❀❈🙏🏼🌼🙏🏼❈❀━┉┈•••••••••* #হরে_কৃষ্ণ_হরে_কৃষ্ণ_কৃষ্ণ_কৃষ্ণ_হরে_হরে ! #হরে_রাম_হরে_রাম_রাম_রাম_হরে_হরে । । 🙏🙏 #জয়_শ্রী_কৃষ্ণ 🙏🙏 🙏 #রাধে_রাধে 🙏 ∙──༅༎ Hare Krishna 🙏༎༅──
🥰জয় শ্রীকৃষ্ণ🙏 - S&B S&B - ShareChat