#🕌ইবাদাত🤲 (সংক্ষিপ্ত বার্তা)
সূরা রহমানের মূল সুর হলো কৃতজ্ঞতা। এর সারমর্মকে ৩টি প্রধান ভাগে ভাগ করা যায়:
১. সৃষ্টির নেয়ামত ও করুণার বর্ণনা:
শুরুতেই আল্লাহ নিজেকে 'আর-রহমান' (পরম দয়ালু) হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। তিনি আকাশ, পৃথিবী, ফলমূল, গাছপালা, সমুদ্র এবং দিন-রাত্রির যে ভারসাম্য তৈরি করেছেন, তা যে মানুষের জন্যই—সেটি এখানে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে।
২. বারবার সতর্কতা ও আহ্বান:
পুরো সূরায় একটি আয়াত ৩১ বার বারবার ফিরে এসেছে:
"ফাবি আইয়্যি আ-লা-ই রাব্বিকুমা তুকাজ্জিবান"
(অর্থ: "অতএব, তোমরা উভয়ে (জ্বিন ও মানুষ) তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অনুগ্রহকে অস্বীকার করবে?")
এটি মানুষকে স্মরণ করিয়ে দেয় যে, আমরা চারপাশ যা দেখি বা ভোগ করি, তার সবই স্রষ্টার দান।
৩. পরকাল ও বিচার দিবস:
সূরার শেষ অংশে অপরাধীদের কঠিন শাস্তির কথা এবং যারা আল্লাহকে ভয় করে চলে, তাদের জন্য জান্নাতের অপূর্ব সৌন্দর্যের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। সেখানে জান্নাতের ফল, ঝর্ণাধারা এবং শান্তির বর্ণনা দিয়ে মানুষের মনে পরকালের প্রতি আগ্রহ তৈরি করা হয়েছে।
আপনার জন্য মূল শিক্ষা:
এই সূরার সংক্ষিপ্ত বার্তা হলো—মানুষ যেন কখনো অহংকারী না হয়। আল্লাহ্র নেয়ামত আমাদের চারপাশ ঘিরে আছে, যা আমরা গুনে শেষ করতে পারবো না। তাই আমাদের উচিত প্রতিটি ছোট-বড় নেয়ামতের জন্য স্রষ্টার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা।


