বুধবার ৩০ জানুয়ারি। ১৯৪৮ সালের এই দিনটিতেই মহাত্মা গান্ধীকে হত্যা করেছিল হিন্দুত্ববাদীরা। ৩০ জানুয়ারি গান্ধীজীকে হত্যার দিনটিকে রাজ্যে ধর্মনিরপেক্ষতা রক্ষা দিবস হিসেবে পালন করার আহ্বান জানিয়েছে বামফ্রন্ট। একই সঙ্গে গান্ধী হত্যাকারী আরএসএস’র মুখোশ উন্মোচন করে দিতে ব্যাপক প্রচার করার আহ্বানও জানানো হয়েছে। গান্ধীজী নিহত হওয়ার পর সারা দেশের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভাতেও শোকপ্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। বিধানসভার তরুণ সদস্য জ্যোতি বসু ১৯৪৮সালের ১০ ফেব্রুয়ারি শোকপ্রস্তাবের ওপর আলোচনা করতে গিয়ে বলেছিলেন: ‘‘এই শতাব্দীর এক-চতুর্থাংশ জুড়ে ভারতীয় রাজনীতিতে তাঁর প্রবল প্রভাব সর্বজনবিদিত। গত কয়েকমাসে গান্ধীজী তাঁর অসাধারণ দৃষ্টিভঙ্গির জন্য এক অনন্য ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠেছিলেন।...গভীর দূরদৃষ্টিতে তিনি দেখতে পেয়েছিলেন যে, সাম্প্রদায়িক হানাহানি আবার একবার পরাধীনতার নয়া-সাম্রাজ্যবাদী শৃঙ্খল আমাদের পায়ে পরিয়ে দেওয়ার পথ প্রশস্ত করবে।’’
সেদিন জ্যোতি বসু যা বলেছিলেন, তার গুরুত্ব আজও আমরা উপলব্ধি করছি।
#🙂ভক্তি😊


