ShareChat
click to see wallet page
search
শুভ জন্মদিন হে মানুষের জাগ্রত কণ্ঠ! তন্ময় সিংহ রায় স্বামী বিবেকানন্দ ঈশ্বরকে খোঁজেননি আকাশে, তিনি ঈশ্বরকে দাঁড় করিয়েছেন মানুষের মেরুদণ্ডে। যে জাতি নিজেকে তুচ্ছ ভাবে, তার কাছে মুক্তি অপমান—এই কঠিন সত্যটা বলার সাহসই ছিল বিবেকানন্দের। অথচ তিনি পুড়েছেন নিজের মানুষেরই ঈর্ষার আগুনে—কারণ যুগ সবসময় তার অগ্রদূতকে আগে দগ্ধ করে, পরে পূজা করে। তিনি জানতেন, দাসত্ব শুধু শাসকের চাপ নয়; দাসত্ব সবচেয়ে আগে জন্ম নেয় মাথার ভেতরে। তাই তিনি ভিক্ষা চাননি দেবতার কাছে, তিনি মানুষকে শিখিয়েছেন নিজের ভেতরের দেবতাকে জাগাতে। যে ধর্ম মানুষকে দুর্বল করে, সে ধর্ম তাঁর কাছে অপরাধ ছিল। যে আধ্যাত্মিকতা প্রশ্ন করতে শেখায় না, সে ছিল কেবল আরামদায়ক ঘুম। তিনি চেয়েছিলেন এমন মানুষ, যারা মাথা নোয়াবে না—প্রয়োজনে ইতিহাসের বুক চিরে দাঁড়াবে। তাই বিবেকানন্দ একা ছিলেন, কারণ সত্য সবসময়ই সংখ্যালঘু। আর আজ আমরা তাঁর মূর্তি বানাই—কারণ তাঁর কথাগুলো মানার সাহস এখনও আমাদের হয়নি। কারণ আমরা এখনও নিরাপদ দূরত্বে দাঁড়িয়ে বিপ্লবকে শ্রদ্ধা জানাতেই স্বস্তি পাই, বুকের ভেতর ঢুকতে দিই না। কারণ আমরা বিবেকানন্দকে পাঠ্যবইয়ে রাখি, কিন্তু আয়নায় দাঁড় করাই না। কারণ তাঁর কথা মানলে ক্ষমা চাইতে হয় নিজের কাপুরুষতার কাছে—আর সেটাই সবচেয়ে কঠিন। তাই এখনও “আমরা” লিখে থেমে যাই, কারণ সত্যটা শেষ করলে দোষটা আর ইতিহাসের থাকে না, সরাসরি আমাদের ঘাড়েই এসে পড়ে। #📜বঙ্গ সাহিত্য📜 #📢শেয়ারচ্যাট স্পেশাল #🙏নমস্কার #🙏Have a Good Day
📜বঙ্গ সাহিত্য📜 - ShareChat