#🥰জয় শ্রীকৃষ্ণ🙏 #💓জয় গীতা 🙏❤🕉 #জয় গীতা ❤🙏 #😇 জয় গীতা। 🙏 #✨জয় গীতা🙏 🌿 . 🕉️⚛️💗 #সনাতন_ধর্ম 💗⚛️🕉️⛳🚩
#জয়_শ্রী_কৃষ্ণ_challenge
#জয়_গীতা_challenge
*─⊱✼ #গীতা_জয়ন্তী ✼⊰─*
আজ ১২ পৌষ রবিবার 28/12/2025
*•••••••••┈┉━❀❈🙏🏼⚛️🙏🏼❈❀━┉┈•••••••••*
#শ্রীমদ্ভগবদগীতা
#ধ্যান_যোগ ( ২৬৫,২৬৬ )
#ষষ্ঠ_অধ্যায় : - ৬ #শ্লোক : - ৩৫,৩৬
#গীতার_ষষ্ঠ_অধ্যায় #শ্লোক_নম্বর : - ৩৫ ,৩৬
🌿🌿🌿 ওঁ তৎ সৎ🙏🏻🙏
#ষষ্ঠ_অধ্যায় #শ্লোক_৩৫
श्री भगवानुवाच
असंशयं महाबाहो मनो दुर्निग्रहं चलं ।
अभ्यासेन तु कौन्तेय वैराग्येण च गृह्यते ।।६.३५।।
শ্রীভগবানুবাচ
অসংশয়ং মহাবাহো মনো দুর্নিগ্রহং চলম্ ৷
অভ্যাসেন তু কৌন্তেয় বৈরাগ্যেণ চ গৃহ্যতে ॥৬.৩৫॥
#অনুবাদ : -
পরমেশ্বর ভগবান বললেন- হে মহাবাহো ! মন যে দুর্দমনীয় ও চঞ্চল তাতে কোন সন্দেহ নেই । কিন্তু হে কৌন্তেয় ! ক্রমশ অভ্যাস ও বৈরাগ্যের দ্বারা মনকে বশীভূত করা যায় ।
#সারাংশ : -
অবাধ্য মনকে সংযত করা যে কত কঠিন তা অর্জুন বুঝতে পেরেছিলেন । ভগবান ও সেই কথা স্বীকার করলেন । কিন্তু সেই সঙ্গে ভগবান জানিয়ে দিলেন যে, অভ্যাস ও বৈরাগ্যের দ্বারা তা সম্ভব । সেই অভ্যাসটি কি ? বর্তমান কলিযুগে তীর্থবাস, পরমাত্মার ধ্যান, মন ও ইন্দ্রিয়গুলির নিগ্রহ, ব্রহ্মাচর্য, নির্জন বাস আদি কঠোর বিধি-বিধান পালন করা সম্ভব নয় । কিন্তু কৃষ্ণভাবনামৃত অনুশীলন করার ফলে নববিধা ভগবদ্ভক্তি সাধন করা যায় । ভক্তির প্রথম ও প্রধান অঙ্গ হচ্ছে কৃষ্ণকথা শ্রবণ । মনকে সমস্ত ভ্রান্তি ও অনর্থ থেকে শুদ্ধ করার জন্য এটি অতি শক্তিশালী পন্থা । কৃষ্ণকথা যত বেশি শ্রবণ করা যায়, মন ততই প্রবুদ্ধ হয়ে কৃষ্ণবিমুখ বিষয়ের প্রতি অনাসক্ত হয় । কৃষ্ণভক্তির প্রতিকূল কার্যকলাপ থেকে মনকে অনাসক্ত করার ফলে সহজেই বৈরাগ্য শিক্ষা লাভ করা যায় । বৈরাগ্য মানে হচ্ছে বিষয়ের প্রতি অনাসক্তি এবং ভগবানের প্রতি আসক্তি । কৃষ্ণলীলায় মনকে আসক্ত করার থেকে -নির্বিশেষ বৈরাগ্য অনেক বেশি কঠিন । কৃষ্ণলীলার প্রতি আসক্তি বস্তুত খুবই সহজসাধ্য, কারণ কৃষ্ণকথা শ্রবণ করা মাত্রই শ্রোতা তাঁর প্রতি অনুরক্ত হয় । এই আসক্তিকে বলা হয় পরেশানুভব, অর্থাৎ পারমার্থিক সন্তোষ । এই অনুভূতি অনেকটা ক্ষুধার্ত ব্যক্তির প্রতি গ্রাসে গ্রাসে ক্ষুধা-নিবৃত্তিরূপ তৃপ্তির মতো । ক্ষুধার সময় যতই ভোজন করা হয়, ততই তৃপ্তি ও শক্তি অনুভব হয় । সেই রকম, ভক্তির প্রভাবে মন বিষয়াসক্তি থেকে মুক্ত হয় এবং অপ্রাকৃত তৃপ্তি অনুভূত হয় । এই পদ্ধতি অনেকটা সুদক্ষ চিকিৎসা এবং উপযুক্ত আহারের দ্বারা রোগ নিরাময় করার মতো । #ভগবান শ্রীকৃষ্ণের চিন্ময় লীলা শ্রবণ করা হচ্ছে উন্মত্ত মনের সুদক্ষ চিকিৎসা এবং কৃষ্ণপ্রসাদ হচ্ছে ভবরোগ নিরাময়ের উপযুক্ত পথ্য । এই সর্বাঙ্গীণ চিকিৎসা হচ্ছে কৃষ্ণভাবনামৃত ।
✧════════•❁❀❁•════════✧
#ষষ্ঠ_অধ্যায় #শ্লোক_৩৬
असंयतात्मना योगो दुष्प्राप इति मे मतिः ।
वश्यात्मना तु यतता शक्योऽवाप्तुमुपायतः ।।६.३६।।
অসংযতাত্মনা যোগো দুষ্প্রাপ ইতি মে মতিঃ ৷
বশ্যাত্মনা তু যততা শক্যোহবাপ্তুমুপায়তঃ ॥৬.৩৬॥
#অনুবাদ : -
অসংযত চিত্ত ব্যাক্তির পক্ষে আত্ম-উপলব্ধি দুষ্প্রাপ্য৷ কিন্তু যার মন সংযত এবং যিনি যথার্থ উপায় অবলম্বন করে মনকে বশ করতে চেষ্টা করেন, তিনি অবশ্যই সিদ্ধি লাভ করেন। সেটিই আমার অভিমত ৷
#সারাংশ : -
#ভগবান আমাদের এখানে জানিয়ে দিচ্ছেন যে, জড় বিষয় থেকে মনকে অনাসক্ত করার যথার্থ চিকিৎসা গ্রহণ না করলে কখনই যোগ-সাধনায় সিদ্ধি লাভ করা যায় না । মনকে সুখভোগে নিয়োজিত রেখে যোগের অনুশীলন করাটা জল ঢেলে আগুন জ্বালাবার চেষ্টার সামিল । মনকে সংযত না করে যোগ অনুশীলন করা কেবল সময়েরই অপচয় । এই ধরনের লোকদেখানো যোগসাধনা অর্থ উপার্জন করার একটি ভাল উপায় হতে পারে, কিন্তু পরমার্থ সাধনের ব্যাপারে তা সম্পূর্ণ নিরর্থক । তাই, নিরন্তর ভগবানের অপ্রাকৃত প্রেমময় সেবায় নিয়োজিত করে মনকে সংযত করতে হয় । কৃষ্ণভাবনামৃত বা ভগবৎ-সেবা ছাড়া মনকে কখনও সংযত করা যায় না । কৃষ্ণভাবনাময় ভগবদ্ভক্ত আলাদা প্রচেষ্টা ছাড়াই অনায়াসে যোগ- সাধনার সমস্ত ফল লাভ করেন । কিন্তু কৃষ্ণভাবনাময় না হয়ে যোগ অনুশীলনকারী কখনই তাঁর যোগ-সাধনায় সিদ্ধি লাভ করতে পারেন না ।
( প্রতিদিন শ্রীমদ্ভগবদগীতার ১ টি করে শ্লোক পড়তে এই পেজটির সাথে থাকুন ।)
*─⊱✼ #হরে_কৃষ্ণ ✼⊰─*
*•••••••••┈┉━❀❈🙏🏼🌼🙏🏼❈❀━┉┈•••••••••*
#হরে_কৃষ্ণ_হরে_কৃষ্ণ_কৃষ্ণ_কৃষ্ণ_হরে_হরে !
#হরে_রাম_হরে_রাম_রাম_রাম_হরে_হরে । ।
🙏🙏 #জয়_শ্রী_কৃষ্ণ 🙏🙏
🙏 #রাধে_রাধে 🙏
∙──༅༎ Hare Krishna 🙏༎༅──
![🥰জয় শ্রীকৃষ্ণ🙏 - S&8 S&B LOVE {I(Il] S&8 S&B LOVE {I(Il] - ShareChat 🥰জয় শ্রীকৃষ্ণ🙏 - S&8 S&B LOVE {I(Il] S&8 S&B LOVE {I(Il] - ShareChat](https://cdn4.sharechat.com/bd5223f_s1w/compressed_gm_40_img_904906_1d8572ed_1766921903303_sc.jpg?tenant=sc&referrer=pwa-sharechat-service&f=303_sc.jpg)

