#🙏ভগবান বিষ্ণু🙏 #ভগবান বিষ্ণু #মৎস্য অবতার #🙏বিষ্ণু দেব🙏 🌿 . 🕉️⚛️💗 #সনাতন_ধর্ম 💗⚛️🕉️⛳🚩
⚜️🔔 #জয়_শ্রী_বিষ্ণু_challenge 🔔⚜️
*─⊱✼ #ভগবান_বিষ্ণ ✼⊰─*
#মৎস্য_পুরাণ #মৎস্য_অবতার
#ভগবান_বিষ্ণুর_প্রথম_অবতার
✧════════•❁❀❁•════════✧
🧡⚜️🕉️ আজ বুধবার 07/01/2026 🕉️⚜️🧡
আজ বুধবার পৌষ মাসের ২২ তারিখ ১৪৩২
✧════════•❁❀❁•════════✧
পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, মৎস্য অবতার হলো হিন্দুধর্মের পালনকর্তা ভগবান বিষ্ণুর দশ অবতারের (দশাবতার) #প্রথম_অবতার ।
সত্য যুগের শেষ দিকে যখন মহাপ্রলয় আসন্ন ছিল, তখন পৃথিবী রক্ষা এবং বেদ উদ্ধারের জন্য বিষ্ণু এই রূপ ধারণ করেন ।
নিচে এই কাহিনীর বিস্তারিত পর্যায়গুলো আলোচনা করা হলো : -
১. বেদ চুরি ও হয়গ্রীব অসুর
***************************
সত্য যুগের শেষে যখন সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মা ক্লান্ত হয়ে নিদ্রা যাচ্ছিলেন, তখন তাঁর মুখ থেকে পবিত্র চার বেদ নির্গত হয় । এই সুযোগে হয়গ্রীব (ঘোড়ার মতো মাথা বিশিষ্ট এক শক্তিশালী অসুর) বেদগুলো চুরি করে সমুদ্রের অতল গভীরে লুকিয়ে ফেলে । বেদ হারিয়ে যাওয়ার অর্থ হলো সৃষ্টির জ্ঞান হারিয়ে যাওয়া, যার ফলে পৃথিবী অন্ধকারে নিমজ্জিত হওয়ার উপক্রম হয় ।
২. রাজা সত্যব্রত (মনু) ও ক্ষুদ্র মাছ
**********************************
দ্রাবিড় দেশের রাজা সত্যব্রত (যিনি পরবর্তীতে বৈবস্বত মনু নামে পরিচিত হন) ছিলেন অত্যন্ত ধার্মিক । একদিন তিনি যখন কৃতমালা নদীতে তর্পণ করছিলেন, তখন তাঁর অঞ্জলিতে একটি অত্যন্ত ছোট মাছ উঠে আসে ।
* মাছটি রাজাকে অনুরোধ করে তাকে নদীতে না ফেলে রক্ষা করতে, কারণ বড় মাছেরা তাকে খেয়ে ফেলবে ।
* রাজা দয়াপরবশ হয়ে মাছটিকে তাঁর কমণ্ডলুতে রাখেন। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, মাছটি দ্রুত বড় হতে থাকে ।
৩. মৎস্যের বিশাল রূপ ধারণ
****************************
মাছটি এত দ্রুত বড় হতে শুরু করে যে রাজা তাকে একে একে মটকা, কুয়ো, সরোবর এবং শেষে নদীতে স্থানান্তর করেন । কিন্তু কোনো জায়গাতেই মাছটির সংকুলান হচ্ছিল না । অবশেষে রাজা তাকে সমুদ্রে ছেড়ে দেন । তখন মাছটি পুরো সমুদ্র জুড়ে বিশাল এক রূপ ধারণ করে । রাজা সত্যব্রত বুঝতে পারেন এটি সাধারণ কোনো মাছ নয়, বরং স্বয়ং #ভগবান_বিষ্ণু ।
৪. আসন্ন প্রলয়ের সর্তকতা
*************************
ভগবান বিষ্ণু তাঁর আসল পরিচয় প্রকাশ করেন এবং সত্যব্রতকে জানান যে, আজ থেকে ঠিক সাত দিন পর মহাপ্রলয় আসবে এবং পৃথিবী জলমগ্ন হয়ে যাবে ।
* তিনি রাজাকে একটি বিশাল নৌকা তৈরি করতে বলেন ।
* নির্দেশ দেন সেই নৌকায় সমস্ত ওষধি গাছ, বীজ এবং সপ্তঋষিকে তুলে নিতে ।
৫. হয়গ্রীব বধ ও বেদ উদ্ধার
***************************
প্রলয়ের প্রাক্কালে ভগবান বিষ্ণু মৎস্য রূপেই সমুদ্রের অতল গভীরে প্রবেশ করেন । সেখানে তিনি অসুর হয়গ্রীবের মুখোমুখি হন ।
* যুদ্ধ : - সমুদ্রের গভীরে দুজনের মধ্যে প্রচণ্ড যুদ্ধ হয় ।
* ফলাফল : - বিষ্ণু হয়গ্রীবকে পরাজিত ও বধ করেন এবং তাঁর পেট থেকে অপহৃত বেদগুলো উদ্ধার করে ব্রহ্মাকে ফিরিয়ে দেন ।
৬. প্রলয় থেকে রক্ষা
*********************
যখন মহাপ্লাবন শুরু হয়, তখন বিষ্ণুর নির্দেশে রাজা সত্যব্রত ও সপ্তঋষি নৌকায় আরোহণ করেন । ভগবান মৎস্য একটি বিশাল শৃঙ্গ (শিং) ধারণ করেন । রাজা সত্যব্রত বাসুকি নাগকে দড়ি হিসেবে ব্যবহার করে নৌকাটিকে মৎস্যের শৃঙ্গে বেঁধে দেন ।
* মৎস্য অবতার সেই নৌকাটিকে প্রলয়ের উত্তাল সমুদ্রের ওপর দিয়ে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান ।
* এই সময় ভগবান মৎস্য রাজাকে যে আধ্যাত্মিক জ্ঞান দান করেন, তা-ই ইতিহাসে ' #মৎস্য_পুরাণ ' নামে পরিচিত ।
কাহিনীর তাৎপর্য : -
****************
* জ্ঞানের সুরক্ষা : - হয়গ্রীব বধের মাধ্যমে এটি বোঝানো হয়েছে যে, অন্ধকার বা অশুভ শক্তি কখনোই চিরস্থায়ীভাবে জ্ঞান (বেদ) আটকে রাখতে পারে না ।
* সৃষ্টির ধারাবাহিকতা : - মৎস্য অবতারের মাধ্যমেই পরবর্তী নতুন যুগের ( #ত্রেতা_যুগ ) জন্য প্রাণের বীজ রক্ষা করা সম্ভব হয়েছিল ।
***** এই রকম সনাতন শাস্ত্রীয় গল্প পড়তে চাইলে, লাইক, কমেন্ট করে
""সনাতন ধর্ম হিন্দু জাতি """ পেজের সাথে থাকুন ।
আর শেয়ার করে সকল সনাতনীদের পড়ার সুযোগ করে দিন ।
আর উপরের লিঙ্কে ক্লিক করে স্টার পাঠিয়ে সাপোর্ট করবেন ।
এই অনুরোধ রইলো ।*****
***" জয় সনাতন ধর্মের জয় "***
***" জয় হিন্দু জাতির জয় "***
___________________*******_________________


