.........মানাপমানয়োস্তল্যস্তল্যো মিত্রারিপক্ষয়োঃ ........
সর্ববারম্ভ পরিত্যাগী গুনাতীতঃ স উচ্যতে
ব্রহ্মঅভেদ অবতার বরিষ্ঠ শ্রী শ্রী গনেশ পাগল সত্ত্ব,রজঃ ও তমোগুণের অতীত। তিনি মর্ত্যধামে স্থূল দেহে বিরাজ কালে এই তিন গুণকে অতিক্রম করে ত্রিগুনাতীত রূপে নারায়ণ দেবের অবশিষ্ট কার্যাদি পরিসম্পন্ন করতেন। স্বয়ং জগৎ হরি নারায়ণ তানার সর্বশক্তি ও সর্বাংশ প্রদান করে শ্রী শ্রী গনেশ কে পাগল রূপে মর্ত্যধামে অবতরণ করিয়েছিলেন। মান-অপমান, শত্রু- মিত্র, স্বর্ণ-পাথর এবং সর্ব কর্মে স্থিতি রেখে ত্রিগুণের অতীত হয়ে শ্রী শ্রী গনেশ পাগল জীবের ভবোবন্ধন খণ্ডন করে অগণন জীবকে মুক্তি দিয়েছেন। তিনি কলির এই সন্ধিক্ষণে নারায়ণ দেবের আলয়ে অবস্থান করা সত্ত্বেও সূক্ষ্ম দেহ ধারণ করে রণে বনে জলে জঙ্গলে অগনন বিপর্যস্ত জীবের সম্মুখে সাকার রূপে আবির্ভূত হয়ে জীবের বিপর্যস্ত দশা হইতে মুক্তি দিয়ে চলেছেন। যাহা কিনা সত্য ত্রেতা দ্বাপর কলির একমাত্র যুগান্তকারী নির্দেশন।
......যুগান্তকারী নারায়ন অংশাবতার শ্রী শ্রী গনেশ পাগল ....
সেবা শান্তি মুক্তি দিতে জীবের তরে মর্ত্যধামে আগমন
শ্রীহরি নারায়ণের বচন একমাত্র গণেশ পাগল তারই সমতন
নিশান তুলে জয় পাগলের ধ্বনি দিয়ে কাটাও জীবের অমঙ্গল #🙂ভক্তি😊


