আপনি অধৈর্য, মেজাজি মেয়ে—
তারপরও চান পুরুষ আপনাকে পছন্দ করুক? ভালোবাসুক?
কমনসেন্স কি পানিতে গুলে খেয়ে ফেলেছেন নাকি? 🙂
কখনও ভেবে দেখেছেন,
পুরুষ আসলে কেমন নারী পছন্দ করে?
পুরুষ পছন্দ করে—
শান্তশিষ্ট, ধৈর্যশীল, অতিরিক্ত “মানিয়ে নেওয়া” জানে এমন নারী।
কেন জানেন?
কারণ এমন নারীদের বিয়ে করে ঘরে আনলে
বাবা–মা–ভাই–বোন মিলে
শারীরিক, মানসিক হাজারটা কষ্ট দিলেও
তারা চুপচাপ সহ্য করে যায়।
প্রতিবাদ?
না।
স্বামীর কাছ থেকেও প্রতিবাদ আশা করে না।
চোখের পানি মুছে বলে—
“মেয়েদের জীবনটাই এমন 😭”
কান্না শেষ করে উঠে কী করে জানেন?
কোনো সুখী, প্রতিবাদী নারীর পিছনে আঙুল তোলে,
পরচর্চা করে, চোগলখোরিতে মেতে ওঠে 😊
অন্যের সংসারে অশান্তি লাগানো,
অন্য নারীর দোষ খোঁজা—
এটাই তাদের বিনোদন!
এদের ঘরে রেখে
জামাইরা বাইরে হাজারটা বান্ধবী পালতে পারে।
কারণ এরা “মানিয়ে নিতে জানে”।
আর মজার ব্যাপার কী?
তলে তলে এরাও
“বন্ধু” নামের নাগর পুষে রাখে 🫠
তারপর গর্ব করে বলে—
❝পুরুষ মানুষ একটু আধটু আকাম-কুকাম করবেই!
করুক গিয়া!
আমার জন্য কি পুরুষের অভাব হবে নাকি?
আমিও কয়েকজনের সঙ্গী হবো—
চিক্কুন বুদ্ধি দিয়া সব লুকাই রাখবো!❞ 🫠
এদের ধারণা—
পুরুষকে হাতে, গলায়, পকেটে রাখতে পারলেই
জীবন সফল।
তাই ব্যাডা পুরুষরাও
এদের খুব “ভালোবাসে” 🥰
কিন্তু—
প্রতিবাদী নারী?
যে নিজের অধিকার আর দায়িত্ব বোঝে?
সে এসব মানে না।
করেও না।
এই কারণেই
ওই ধরনের নারী
পুরুষের “পছন্দ” না 😕
তাই যদি পুরুষের পছন্দ হতে চান—
নরম হোন, সরম হোন,
পরচর্চাকারী হোন,
চোগলখোর হোন,
বন্ধু নামের নাগর পালুন,
অন্য নারীর দোষ ধরুন,
পশ্চাতে আঙুল তুলুন,
আর সব অন্যায়কে
“মানিয়ে নেওয়া”র নামে গিলে ফেলুন।
কিন্তু শুনে রাখুন—
অধৈর্য, মেজাজি নারীরা
শুধু অধিকার নয়,
দায়িত্ব সম্পর্কেও সচেতন।
তারা অন্যায় করে না,
তাই অন্যায় মানতেও পারে না।
পুরুষ পছন্দ করলো কি না—
এইসবের ধার তারা ধারে না।
তারা পুরুষ দেখলেই
হেসে গলে পড়ে না,
ডজনখানেক পুরুষ ধরে চলে না।
ওরা নিজের শক্তিতে বিশ্বাসী।
অধিকার আদায় করে নিতে জানে।
আর এই কারণেই—
ওরা ভয়ংকর।
ওরা স্বাধীন।
ওরা অনপছন্দের…
পুরুষতান্ত্রিক সমাজের কাছে। 🔥
#নারী শক্তি


