🕉️ ওঁ স্থাপকায় স্বধর্মস্য শাক্তধর্ম স্বরূপিনে, বশিষ্ঠ স্বরূপ শিব অবতার শ্রেষ্ঠায় সর্বসিদ্ধ সাধকায় শ্রীগুরু বাম দেবায় নমস্তুতে
🍂 "ওরে বেটি পা ছেড়ে দে, আমি কি ধর্ম্মরাজ যম যে তোর পতির জীবন ফিরিয়ে দেব?" মৃদুহাস্যে বললেন বামাক্ষ্যাপা বাবা। নাছোড়বান্দা তরুণীর কাতরোক্তিতে অনাথের নাথ "বামাক্ষ্যাপাবাবার" হৃদয়ে উদ্রেক হল। তারামায়ের প্রিয় পুত্র বামাক্ষ্যাপা ঠাকুর পা ছিনিয়ে নিয়ে বললেন, "শীগগির তারামায়ের চরণামৃত নিয়ে ও শালাকে খাইয়ে দে।" বলেই বাবা আপন মনে গুরুগম্ভীর নাদ দিলেন, "জয় তারা" "জয় জয় তারা" গুপীর স্ত্রী ক্ষ্যাপাবাবার আদেশ মত তারামায়ের চরণামৃত নিয়ে গিয়ে ভক্তিসহকারে রোগীকে সেবন করাল। নিয়ত এইভাবে মায়ের চরণামৃত সেবনে গুপী অচিরেই আরোগ্য লাভ করল।
প্রায় ১৭/১৮ বছর হল বেঁটে গড়নের কৃষ্ণকায়, সরল ও সত্যবাদী গুপী ইহলোক ত্যাগ করেন। পূর্বে তারাপীঠে শিব-চতুর্দ্দশীর গভীর রাত্রে বামাক্ষ্যাপা ঠাকুরের সমাধি মন্দিরের সামনে ভক্তিভরে করপুটে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যেত গুপীকে, শুনা যেত তার কাতরুক্তি, "হায় আমার ক্ষ্যাপাবাবাকে জগৎ চিনলো না, আমার বামাক্ষ্যাপা ঠাকুরকে কেউ চিনলো না, ওরে সেকি মানুষ ছিল সে ছিল স্বয়ং শংঙ্কর।" ভক্তের হতাশাভরা প্রেমের বারি, সদা হাস্যময় মুখে বিষাদের চিহ্ন, সর্ব্বাবয়বে ভক্তির নিদর্শন, ভয় ভাবনা কিছুই নেই, শুধুই খেদের বানী -- জগতবাসী আমার বামাক্ষ্যাপা ঠাকুরকে চিনলো না, এই আমার মনে দুঃখ রইল।
ওঁ জয় শ্রীশ্রী বামাক্ষ্যাপা বাবা।
🌺 ওঁ প্রণাম মা তারা। ওঁ প্রণাম বামদেব।।কৃপা করো। প্রসন্ন হও। শরণাগত করো। সকলের মঙ্গল করো। বিপদমুক্ত করো। সংকট মোচন করো। সকলকে ভালো রেখো, সুস্থ রেখো। #🙂ভক্তি😊 #🙂ভক্তির সকাল😇 #🙏জয় বাবা লোকনাথ😊 #🙏নমস্কার

