ShareChat
click to see wallet page
search
মেয়েটা আবার একদিন সামনে এসে দাঁড়াল। স্ট্রেট কাট বলল, যদি আমার স্বাধীন চেতনাকে মর্যাদা না দাও তাহলে ভালোবাসো কেন? হকচকিয়ে গিয়েছিলাম। তৎক্ষণাৎ কোনো জবাব দিতে পারিনি। কিন্তু পাহাড়ে তাদের বশ সুভাষ ঘিসিং যখন সরকারের কাছে একটু একটু করে নতজানু হতে শুরু করল, যখন তার অনুগামীরা নিজেরা আলাদা দল গোছাতে ব্যস্ত হলো, আবার পাহাড়ে খুনখারাপি শুরু হলো, তখন মেয়েটা চলে এল আমার কাছে। শুধু একটা কথাই বলেছিল, তুমি কি পালাবে এখান থেকে? না। আমি কিন্তু গোর্খাল্যান্ড চাই। এই পাহাড়, এই দার্জিলিং, এই কালিম্পং ছেড়ে কোথাও যাব না। এমনকি শিলিগুড়িতেও। হাসলেন মানুষটা, নিজের ঠিকানা তখনো ঠিক করা হয়ে ওঠেনি, বাবা একদিন বললেন, নীতা কিন্তু তোকে ভালোবাসে, ওকে ছাড়িস না। তখনই নীতার গর্ভে এসেছিল অনন্যা। ও মেয়েটাকে মারতে চেয়েছিল কিন্তু আমি পারিনি। সামনে একটা উত্তাল সময় আসছে বুঝেও শিলিগুড়ি কিংবা কলকাতা আসার পরিকল্পনা ভুলে তিস্তাগ্রামে থেকে গেলাম। একটা মেয়ে যদি সব ছেড়ে একটা পুরুষের কাছে থাকতে পারে, আমি পারব না কেন? ভালোবেসে কতজন তো মরে! ********************************************** ভাসান রাত ও নাছোড়বান্দা প্রেম (সামাজিক, রাজনৈতিক, প্রেম বিষয়ক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস) উপন্যাসের অন্যতম চরিত্র সাগর। নামের মতো তার জীবনও উথাল-পাতাল। বাবরি মসজিদ ধ্বংসের বছর-দুই পরে ওপার বাংলায় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার শিকার হয়ে মা মারা গেলে খুব ছোট্ট বেলায় বাবা-দাদু-ঠাম্মার হাত ধরে পালিয়ে এসেছিল এপার বাংলায়। চোরাই পথে বসবাসের বন্দোবস্ত হলেও এদেশকে সেভাবে ভালোবাসতে পারেনি। বাঙাল বাঙাল কটুক্তি সারাটা কৈশোরে, যৌবনে। এইভাবে তার শিকড়হীন বেড়ে ওঠা, বেঁচে থাকা। বাবা মারা যাওয়ার পর, দাদু নিখোঁজ হওয়ার পরে সৎ মায়ের সঙ্গে সেও ধরেছিল সংসারের হাল। উপার্জনের জন্য পড়াশোনা আর টিউশানির পাশাপাশি রপ্ত করেছিল গাড়ির ড্রাইভিং ও ম্যাকানিক্যাল কাজ। যন্ত্রণা ভোলার জন্য প্রিয় বাঁশি ছিল সঙ্গী। মননে বামপন্থী ছেলেটি কলেজ জীবনে রাজনীতির চক্করে পড়া থেকে স্কুল জীবনে যাকে মনে মনে ভালোবেসেছিল তার কাছ থেকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ নিয়ে কলেজ ছাড়ে একসময়। অসম্পূর্ণ জীবন নিয়ে নিজেকে সে ভালোবাসতে পারেনি। দেশ, সমাজ, কিংবা ভালোবাসার মানুষদের কাছে নিজেকে উদ্বাস্তু মনে হতো তার। মায়ানমার থেকে ভেসে আসা রোহিঙ্গাদের মতো যেন ভেসে চলত তার জীবন। তবু সেই জীবনে এসেছিল আরও একজন। প্রথমে তার থেকে জুটেছিল অপমান, পরে জবরদস্তি ভালোবাসা। তার একপাক্ষিক ভালোবাসায় ভীত হয়ে তার গাড়ির ড্রাইভিং ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে পালায় সাগর। কিন্তু অনন্যা তাকে ছাড়ে না। চলে আসে তার বাড়িতে। তার ক্যান্সার আক্রান্ত মাকে নিয়ে তার সঙ্গে যায় মুম্বাই। বিব্রত সময়ে নাগরিকত্ব হারানোর ভয়ে যখন সে বিপর্যস্ত, ডিটেনশন ক্যাম্পে বন্দী হওয়ার আশংকায় ভীত, সেই মেয়ে পাশে দাঁড়ায়। এদেশে না হলে অন্য দেশে সে গড়তে রাজি ভালোবাসার বাঁসা। ধনী চা-ব্যাবসায়ী বাবার নিরাপদ আশ্রয় বা প্রিয় কালিম্পংকে তুচ্ছ করে সহজে সে পা ফেলে সুন্দরবনের অজ গাঁয়ে। খুঁজে ফেরে নিজের হৃদয়। যে হৃদয়ে মেঘের মতো ভাসে এক আদ্যোপান্ত সৎ ও অসহায় ছেলের ভালোবাসা। ********************************************* দাঙ্গা, চরিত্রহীন রাজনীতি, জাতি-ধর্মকেন্দ্রিক মধ্যযুগীয় শ্লোগান, ভাষা বিদ্বেষ, দেশ থেকে উচ্ছেদ ষড়যন্ত্র। এই সময়ের দলিল এই উপন্যাসের পরতে পরতে ভয়ংকর খাদ থেকে উত্তরণের লড়াই। বিভেদের এই সময়ে ভালোবাসার উপন্যাস। ভাসান রাত ও নাছোড়বান্দা প্রেম লেখক : উত্তমকুমার পুরকাইত প্রচ্ছদ : ইন্দ্রিয় চক্রবর্তী প্রকাশক : মাথামোটার দপ্তর মুদ্রিত মূল্য ৩৮৯/- কলকাতা বইমেলায় স্টল ৬৭০। ৯ নম্বর গেটের কাছে। #কলকাতা বইমেলায় স্টল ৬৭০
কলকাতা বইমেলায় স্টল ৬৭০ - ఎmITT ৩ম আন্তরক্াতিক +9I oCi ভাসান রাত ও নাচাডবান্দা (প্রম 4 Rರ নাছোড়বান্দা  ভাসান রাত নাছোড়বান্দা প্রেম প্রেম লেখা : উত্তমকুমার পুরকাইত  ইন্দ্রিয় চক্রবর্তী প্রচ্ছদ স্টল নং ৩৮৯০০ (90 ఎmITT ৩ম আন্তরক্াতিক +9I oCi ভাসান রাত ও নাচাডবান্দা (প্রম 4 Rರ নাছোড়বান্দা  ভাসান রাত নাছোড়বান্দা প্রেম প্রেম লেখা : উত্তমকুমার পুরকাইত  ইন্দ্রিয় চক্রবর্তী প্রচ্ছদ স্টল নং ৩৮৯০০ (90 - ShareChat