দেশের জন্য হাসিমুখে ফাঁসি: এক নির্ভীক বিপ্লবীর গল্প
এই সেই অমর ছবি, যা আজও ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক অবিস্মরণীয় মুহূর্তকে সাক্ষী করে রাখে। ছবির মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা ১৮ বছরের কিশোরটি আর কেউ নন, তিনি আমাদের সকলের গর্ব ক্ষুদিরাম বসু।
বিচারের রায়ে যখন বিচারক তাঁর মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করলেন, তখন উপস্থিত সকলে স্তব্ধ হয়ে গেলেও ক্ষুদিরামের মুখে ফুটে উঠেছিল এক অমলিন হাসি। দেশের মুক্তির জন্য নিজের প্রাণ বিসর্জন দিতে পারার আনন্দ তাঁর চোখে-মুখে স্পষ্ট ছিল। ১৯০৮ সালের ১১ আগস্ট মুজফফরপুর কারাগারে হাতে গীতা নিয়ে হাসিমুখে তিনি ফাঁসির দড়ি গলায় পরেছিলেন।
ক্ষুদিরাম বসু কেবল একটি নাম নয়, তিনি ছিলেন এক অদম্য চেতনা এবং দেশপ্রেমের আগ্নেয়গিরি। তাঁর এই আত্মত্যাগ ব্রিটিশ শাসনের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছিল এবং হাজার হাজার যুবককে স্বাধীনতা আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়তে অনুপ্রাণিত করেছিল। আজ আমরা যে মুক্ত বাতাসে নিঃশ্বাস নিচ্ছি, তার মূলে রয়েছে ক্ষুদিরামের মতো বিপ্লবীদের নিঃস্বার্থ বলিদান। এই বীর শহীদের প্রতি জানাই আমাদের বিনম্র শ্রদ্ধা।🥰🙏💖
#ক্ষুদিরামবসু #স্বাধীনতাসংগ্রাম #ভারত #বীরশহীদ #🙏Have a Good Day #🙏নমস্কার #📢শেয়ারচ্যাট স্পেশাল


