হাতেখড়ি পর্ব বাদ দিলে ছোটদের কাছে সরস্বতী পুজো মানে ‘বড়’ সাজার দিন। আর বড়দের কাছে? ‘খুল্লমখুল্লা’ প্রেমে পড়ার। মায়ের নতুন শাড়ির কুঁচি ধরে স্কুল থেকে বাড়ির পথে ছোটার স্মৃতি আজও অমলিন অনেকের কাছে। কারও কাছে আবার সরস্বতী পুজো মানে পাড়ার মণ্ডপে অঞ্জলি দিতে গিয়ে কোনও এক ‘বাসন্তিকা’র দিকে অপলক তাকিয়ে থাকার সুখ।
সময় বদলেছে। বদল এসেছে উদ্যাপনেও। লুকিয়ে নারকেল কুল খাওয়া কিংবা স্কুলে যাওয়ার নাম করে বেপাড়ার মণ্ডপে ভিড় জমানোর জমানা এখন নেই। পাঞ্জাবির তলা থেকে উঁকি দেওয়া পাজামার দড়ির শেষ প্রান্ত আর কাঁধ থেকে খুলে পড়া মায়ের ঢিলে ব্লাউজ় এখন সে ভাবে চোখে পড়ে না। উল্টো দিকে থাকা পছন্দের মানুষটার কাছে ‘প্রেস্টিজ’ ঝুলে যাওয়ার আগেই ‘ক্যাচ’ লুফে নেওয়ায় বিশ্বাসী তরুণ প্রজন্ম। সরস্বতী পুজোর প্রসঙ্গে এসে পড়া প্রেমও বদলে নিয়েছে তার সংজ্ঞা। তবে এত বদলের মাঝেও একই ভাবে রয়ে গিয়েছেন বীণাপাণি। রয়েছে গিয়েছে হলুদ-ছোঁয়া শাড়ি, পাঞ্জাবির ভিড়।
আশি-নব্বই-বিংশ দশকের যে তরুণ-তরুণীরা সরস্বতী পুজোর দিন ভিড় করতেন প্রিন্সেপ ঘাট কিংবা বাগবাজারে, তাঁদের মধ্যে অনেকেই এখন ‘জেনজ়ি’র অভিভাবক, আবার টেলিভিশন জগতের জনপ্রিয় মুখও। কারও কাজ আবার কণ্ঠ নিয়ে। সরস্বতী পুজোর সকালে ‘টাইম মেশিনে’ চড়ে সকলেই ফিরে গেলেন তাঁদের ছোটবেলায়।
#সরস্বতী পূজা


