S M from@Sandy
✨ভক্তি কি মানুষের জীবনকে দুর্বল করে ❔✨
⭐⭐⭐⭐⭐👁️⭐👁️⭐⭐⭐⭐⭐
⁉️❕❔❕❔❕❔❕❔❕❔❕❔❕⁉️
আমরা মানুষরা চাই জীবনে সুখ-স্বাচ্ছন্দ আনন্দ। কিন্তু মানুষ দুঃখের সাগরে বা ভব সাগরে পতিত। সুখের আশায় মানুষ জগতে ঘুরে বেড়ায় ।কিন্তু জগৎ'ও হলো অপূর্ণ। .....তাই মানুষ সেই প্রকৃত সুখ লাভ করতে পারে না। কিন্তু ভগবান হলেন পূর্ণ। তাঁর কোনো অভাব নেই ,তাই তিনি সুখ স্বরূপ, শান্তি স্বরূপ,আনন্দ স্বরূপ। তিনি হলেন সচ্চিদানন্দ।...❕❕❕
মহাভারত ও পুরানে,কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের পর পাণ্ডবরা শ্রীকৃষ্ণের কাছে কলিযুগের প্রকৃতি কেমন হবে তা জানতে চেয়েছিলেন। তখন শ্রীকৃষ্ণ পাণ্ডবদের একটি পরীক্ষার মাধ্যমে কলিযুগের ⭐👁️🥹👁️⭐ভয়াবহতা ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ধারণা দিয়েছিলেন।
কলিযুগের মানুষ হবে অত্যন্ত স্বার্থপর, লোভী ও মিথ্যেবাদী। তাদের কথা ও কাজের মধ্যে কোনো মিল থাকবে না। অর্থের লোভে মানুষ এতটাই নির্মম হবে যে সম্পর্কের কোনো মূল্য থাকবে না। পিতা-পুত্র বা আপনজনের মধ্যে হানাহানি ও হত্যার মতো ঘটনা ঘটবে। সমাজে যারা সাধু বা ধার্মিক বলে নিজেদের পরিচয় দেবেন, তাদের মিষ্টি কথায় সাধারণ মানুষ প্রতারিত হবে। অন্তরে তারা মানুষকে কষ্ট দেবে, .....যেমনটি কোকিল মিষ্টি গান গেয়ে শিকার ধরে। 👉🏻👉🏻রাজারা বা ★শাসকরা ও রাজনীতিবিদরা রক্ষক না হয়ে সাধারণ মানুষের ওপর অত্যাচার করবে এবং চোরের মতো সম্পদ লুট করবে।.....ধর্মীয় নীতি বা সৎ কাজ কেবল লোক দেখানো বা খ্যাতির জন্য পালিত হবে। যার যত বেশি অর্থ থাকবে, সমাজে সে তত বেশি প্রভাবশালী ও সম্মানিত বলে বিবেচিত হবে। বাকপটু ও প্রতারক ব্যক্তিরাই পন্ডিত হিসেবে গণ্য হবে।গরিব দিয়ে শুরু হবে ইহলোক যাত্রা।
❗❗❗❗❗এই কলি যুগেই.........কলিযুগের অন্ধকারের মধ্যে শ্রীকৃষ্ণ জন্মাষ্টমীর বার্তা মানব জাতিকে আজও আলো, আশা ও মুক্তির পথ দেখায়।
দ্বাপর যুগে কংসের অত্যাচার ও অন্ধকারের মধ্যে শ্রীকৃষ্ণের জন্ম হয়েছিল। একইভাবে, আজকের কলিযুগের অস্থিরতা, কোলাহল ও নৈতিক সংকটেও ভগবানের আবির্ভাবের বার্তা মানুষকে নতুন করে বাঁচার প্রেরণা যোগায়। ⭐⭐⭐⭐👉🏻👉🏻⭐⭐⭐⭐❕❕⁉️⁉️⁉️আজ সারা পৃথিবীর যুদ্ধের অস্থিরতা... ঘটোমান নেপাল ⁉️⁉️⁉️ ভয়াবহ হারপা বান .......চীনের কুটনৈতিক চাল যা ভবিষ্যত ভারত অসুরক্ষিত ........সব কিছুই....মানুষ ভোগ করছে,এটাই ঘোর কলি।...❗❕❗••••••
শ্রীকৃষ্ণের ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী কলিযুগে মানুষের মধ্যে স্বার্থপরতা, সত্যের অভাব এবং কথার সঙ্গে কাজের অমিল বৃদ্ধি পাবে। আজকের সমাজেও তার সত্যতা স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান। কলিযুগের এই প্রভাব ও দোষ থেকে মুক্তির অন্যতম প্রধান উপায় হলো হরিনাম সংকীর্তন এবং অন্তরে ভক্তি ওতপ্রোতভাবে ধরে রাখা। উৎসবের বাহ্যিক উদযাপনের পাশাপাশি নিজের মনকে অহংকার ও লোভ মুক্ত করাতেই জন্মাষ্টমীর আসল সার্থকতা।
শ্রীভগবান- গীতাতে চার প্রকার ভক্তের কথা উল্লেখ করেছেন। কিন্তু ভগবান এটাও বলেছেন যে এই চার প্রকার ভক্তের মধ্যে কোন প্রকার ভক্ত তার প্রিয়। শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে বলেন "হে অর্জুন" চার প্রকার ভক্ত ভালোবেসে আমার শরণাগত হয়ে থাকে।
প্রথম হল, কিছু ভক্ত আছে যারা বিপদ-গ্রস্ত হয়ে আমাকে স্মরণ করে। যেমন, কুরু-সভায় দ্রোপদী বিপদে পরে ভগবানকে স্মরণ করেছিল, রক্ষা পাবার জন্য।দ্বিতীয় হল, জিজ্ঞাসূ! অর্থাৎ কিছু ভক্ত আছে যারা জ্ঞান লাভের জন্য আমাকে স্মরণ করে। যেমন, রাজশ্রী জনক। তৃতীয় হল, অর্থ লাভের জন্য। অর্থাৎ কিছু ভক্ত আছে যারা অর্থ লাভের জন্য আমার পূজা করে থাকে। এরকম ভক্ত'রা ইহকাল-পরকালে ভোগ সুখ লাভ করে। যেমন- ধ্রুব ,বিভীষণ ,সুগ্রীব ইত্যাদি।চতুর্থত হল, জ্ঞানী। অর্থাৎ কিছু কিছু ভক্ত আছে যারা নিত্যদিন ভগবানের আরাধনা করে থাকেন। এরকম ভক্তরা হলো ভগবত প্রেমিক। শ্রী ভগবান আরো বলেন, এই চার প্রকার ভক্ত'র মধ্যে-নিত্য যুক্ত আমাতে একনিষ্ঠ অর্থাৎ ভক্তি সম্পন্ন জ্ঞানই হলো "শ্রেষ্ঠ ভক্ত"। কারণ অন্য তিন প্রকার ভক্ত কার্যসিদ্ধির পর আমাকে ভুলে যায়। কিন্তু, যে সকল ভক্তগন অতি শ্রদ্ধা করে, আমাতে মনোনিবেশ করে আমার ভজন ও উপাসনা করে,সেই ভক্তই হল শ্রেষ্ঠ ভক্ত।
কিছু কিছু মানুষ বলে ভক্তি মানুষকে দুর্বল করে দেয়........❕❕❕ শক্তিহীন করে দেয়.....❗❗❗ কিন্তু ভাবুন যদি তাই হত, তবে কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে পান্ডব'দের জয় হতো না। তাই ভক্তি-ধারায় জগতে ধর্মের প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়। এর সাথে সাথে মনে প্রকৃত শান্তি বা সুখ লাভের উপায় টিও গীতায় তিনি বলেন....👉🏻আমাতে মন সমাহিত করো। আমাতেই বুদ্ধি নিবেশ করো, এইরূপ করতে পারলে তুমি নিশ্চয়ই সৎ স্বরূপে স্থিতি লাভ করবে,এতে কোন সন্দেহ নেই। যে ভক্ত সমস্ত কর্মই প্রভু উচ্চারণে সমর্পণ করে, এইরূপ ভক্ত কে ভগবান মৃত্যুর সাগর থেকে উদ্ধার করার জন্যও একবারও ভাবেন না। এটিই ছিল ভগবানের বাণী। ⭐⭐⭐👉🏻👉🏻👉🏻👉🏻❕❕❕❕❕তাই আজও মহা প্রলয় এই যে নেপালে ?? এখানেও অনেকে বেঁচে গেছে অবিশ্বাস্য ভাবে... যাদের বাঁচার কথা ছিলই না,হয়তো তাদের কোনো ঐশ্বরিক শক্তি প্রভাব ঘটিয়েছে।...
🥹🥹🥹🥹❕❕❕❕জীবনের রণে যখনই মানুষ পথ হারিয়ে ফেলে,
তুমি এসে দাঁড়াও দয়াময়, আশার প্রদীপ জ্বেলে...❗
তুমিও তো সেই পরম সারথি,অর্জুনের রথ চাকা—
যার ইঙ্গিতে মুছে যায় যত ভয়-সংশয় মাখা..❗
যখন চারিপাশে অধর্মের কালো ছায়া বাড়ে,
মানুষ যখন নিজেরে হারায় মায়ার কারাগারে—...❗
তখনই বাজাও পাঞ্চ-জন্য, তোলো সেই শঙ্খনাদ,
ভেঙে চুরমার করে দাও যত কলিযুগের অবসাদ...❗
তোমার চোখের একটি পলকে সৃষ্টি ও লয় হয়,
তবুও ভক্তের হৃদয়ে তুমি শুধু ভালোবাসা-ময়....❗
শত প্রলয়েও ডোবে না সে তরী, যার হাল ধরো নিজে,
তোমার চরণের ধুলো মেখে আজ এই নয়ন দুটি ভিজে...❗
হে কৃষ্ণ,হে পুরুষোত্তম,যুগ যুগ ধরে থেকো,
সংসারের এই ভাঙা হাটে মোদের আগলে রেখো...❗
🙏🏻🙏🙏🏻🙏 জয় শ্রী কৃষ্ণ, রাধে রাধে 🙏🙏🏻🙏🙏🏻
সকলেই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন ....!!আজ এখানেই শেষ করলাম ।🙏নমস্কার ,ধন্যবাদ; ঈশ্বর আপনাদের/সকলের মঙ্গল করুন।
#🌸কৃষ্ণ কথা🦚 #🥰জয় শ্রীকৃষ্ণ🙏 #শুভকামনা #ভক্তি #জয় শ্রী কৃষ্ণ