#💓জয় গীতা 🙏❤🕉 #হিন্দুদের আস্থা, হিন্দুদের গর্ব ❤️🌿 জয় গীতা 🙏❤️ #গীতা #🥰জয় শ্রীকৃষ্ণ🙏 🌿 . 🕉️⚛️💗 #সনাতন_ধর্ম 💗⚛️🕉️⛳🚩
#জয়_শ্রী_কৃষ্ণ_challenge
#জয়_গীতা_challenge
*─⊱✼ #গীতা_জয়ন্তী ✼⊰─*
আজ ১৯ অগ্রহায়ণ শনিবার 06/12/2025
*•••••••••┈┉━❀❈🙏🏼⚛️🙏🏼❈❀━┉┈•••••••••*
#শ্রীমদ্ভগবদগীতা
#কর্মসন্ন্যাস_যোগ ( ২২১,২২২ )
#পঞ্চম_অধ্যায় : - ৫ #শ্লোক : - ১৯,২০
#গীতার_পঞ্চম_অধ্যায় #শ্লোক_নম্বর : - ১৯ ,২০
🌿🌿🌿 ওঁ তৎ সৎ🙏🏻🙏
#পঞ্চম_অধ্যায় #শ্লোক_১৯
इहैव तैर्जितः सर्गो येषां साम्ये स्थितं मनः ।
निर्दोषं हि समं ब्रह्म तस्माद्ब्रह्मणि ते स्थिताः ।।५.१९।।
ইহৈব তৈর্জিতঃ সর্গো যেষাং সাম্যে স্তিতং মনঃ ।
নির্দোষং হি সমং ব্রজ তস্মাদ্ ব্রহ্মণি তে স্থিতাঃ ।।৫.১৯।।
#অনুবাদ : -
যাঁদের মন সাম্যে অবস্থিত হয়েছে, তাঁরা ইহলোকেই জন্ম ও মৃত্যুর সংসার জয় করেছেন । তাঁরা ব্রহ্মের মতো নির্দোষ, তাই তাঁরা ব্রহ্মেই অবস্থিত হয়ে আছেন ।
#সারাংশ : -
এই শ্লোকে মনের যে সাম্যস্থিতির কথা বলা হয়েছে, তা আত্মোপলব্ধির লক্ষণ । যাঁরা এই স্থিতিপ্রাপ্ত হয়েছেন, তাঁরা জড় বন্ধন, বিশেষ করে জন্ম-মৃত্যুর বন্ধন থেকে মুক্ত হয়েছেন বলে বুঝতে হবে । যতক্ষণ জীব তার দেহটিকে তার স্বরূপ বলে মনে করে, ততক্ষণ তাকে জড় জগতের বন্ধনে আবদ্ধ বলে বিবেচনা করা হয়ে থাকে । কিন্তু আত্মোপলব্ধির ফলে যখন সে সাম্যের স্তরে উন্নীত হয়, তখন সে জড় বন্ধন থেকে মুক্ত হয় । পক্ষান্তরে, তখন আর তাকে এই জড় জগতে জন্মগ্রহণ করতে হয় না, দেহত্যাগ করার পর সে ভগবদ্ধামে প্রবিষ্ট হয় । রাগ ও দ্বেষ থেকে মুক্ত হবার ফলে ভগবান সম্পূর্ণ নির্দোষ । তেমনই, জীবও যখন রাগ ও দ্বেষ থেকে মুক্ত হয়, তখন সেও নির্দোষ হয় এবং ভগবদ্ধামে প্রবেশ করার যোগ্যতালাভ করে । এই ধরনের মানুষদের জীবন্মুক্ত বলে বিবেচনা করা হয়ে থাকে এবং তাঁদের লক্ষণ পরবর্তী শ্লোকে বর্ণনা করা হয়েছে ।
✧════════•❁❀❁•════════✧
#পঞ্চম_অধ্যায় #শ্লোক_২০
न प्रहृष्येत्प्रियं प्राप्य नोद्विजेत्प्राप्य चाप्रियम् ।
स्थिरबुद्धिरसम्मूढो ब्रह्मविद्ब्रह्मणि स्थितः ।।५.२०।।
ন প্রহৃষ্যেৎ প্রিয়ং প্রাপ্য নোদ্বিজেৎ প্রাপ্য চাপ্রিয়ম্ ।
স্থিরবুদ্ধিরসংমূঢ়ো ব্রহ্মবিদ্ ব্রহ্মণি স্থিতঃ ।।৫.২০।।
#অনুবাদ : -
যে ব্যক্তি প্রিয় বস্তুর প্রাপ্তিতে উৎফুল্ল হন না এবং অপ্রিয় বস্তুর প্রাপ্তিতে বিচলিত হন না, যিনি স্থিরবুদ্ধি, মোহশূন্য ও ভগবৎ-তত্ত্ববেত্ত, তিনি ব্রহ্মেই অবস্থিত ।
#সারাংশ : -
এখানে আত্মজ্ঞানী মহাপুরুষের বর্ণনা করা হয়েছে। তাঁর প্রথম লক্ষণ হচ্ছে যে, তিনি মোহাচ্ছন্ন হয়ে তাঁর দেহটিকে তাঁর স্বরূপ বলে ভুল করেন না । তিনি সুনিশ্চিতভাবেই জানেন যে, তিনি তাঁর দেহ নন । তাঁর প্রকৃত স্বরূপ হচ্ছে পরমেশ্বর #ভগবান শ্রীকৃষ্ণের এক অণুসদৃশ অংশ । তাই দেহাত্মবুদ্ধির দ্বারা বিভ্রান্ত হয়ে তিনি জড়-জাগতিক লাভ অথবা ক্ষতিতে আনন্দিত বা দুঃখিত হন না । মনের এই দৃঢ়তাকে বলা হয় স্থিরবুদ্ধি । তাই কখনই তিনি তাঁর জড় দেহটিকে আত্মা বলে ভুল করেন না অথবা দেহটিকে নিত্য বলে মনে করে আত্মার অবহেলা করেন না । এই জ্ঞানের প্রভাবে তিনি পরম তত্ত্ব উপলব্ধির পর্যায়ে উন্নীত হতে পারেন; অর্থাৎ তিনি ব্রহ্ম, পরমাত্মা ও ভগবানকে জানতে পারেন । তিনি তাঁর স্বরূপ সম্বন্ধে সম্পূর্ণরূপে অবগত হন, তাই তিনি ভগবানের সঙ্গে সর্বতোভাবে এক হয়ে যাবার ভ্রান্ত প্রচেষ্টা করেন না । এটিকেই বলা হয় ব্রহ্ম- উপলব্ধি অথবা আত্মোপলব্ধি । এই ধরনের স্থিরমতিসম্পন্ন ভাবনার স্তরকেই বলা হয় কৃষ্ণভাবনা ।
( প্রতিদিন শ্রীমদ্ভগবদগীতার ১ টি করে শ্লোক পড়তে এই পেজটির সাথে থাকুন ।)
*─⊱✼ #হরে_কৃষ্ণ ✼⊰─*
*•••••••••┈┉━❀❈🙏🏼🌼🙏🏼❈❀━┉┈•••••••••*
#হরে_কৃষ্ণ_হরে_কৃষ্ণ_কৃষ্ণ_কৃষ্ণ_হরে_হরে !
#হরে_রাম_হরে_রাম_রাম_রাম_হরে_হরে । ।
🙏🙏 #জয়_শ্রী_কৃষ্ণ 🙏🙏
🙏 #রাধে_রাধে 🙏
∙──༅༎ Hare Krishna 🙏༎༅──


