ShareChat
click to see wallet page
search
#💓জয় গীতা 🙏❤🕉 #হিন্দুদের আস্থা, হিন্দুদের গর্ব ❤️🌿 জয় গীতা 🙏❤️ #গীতা 🌿 . 🕉️⚛️💗 #সনাতন_ধর্ম 💗⚛️🕉️⛳🚩 #জয়_শ্রী_কৃষ্ণ_challenge ⛳❤️🚩 #জয়_গীতা_challenge ⛳🌿🚩 আজ ০৫ অগ্রহায়ণ শনিবার 22/11/2025 *•••••••••┈┉━❀❈🙏🏼⚛️🙏🏼❈❀━┉┈•••••••••* #শ্রীমদ্ভগবদগীতা #জ্ঞান_যোগ ( ১৯৫,১৯৬ ) #চতুর্থ_অধ্যায় : - ৪ #শ্লোক : - ৩৫,৩৬ #গীতার_চতুর্থ_অধ্যায় #শ্লোক_নম্বর : - ৩৫ ,৩৬ 🌿🌿🌿 ওঁ তৎ সৎ🙏🏻🙏 #চতুর্থ_অধ্যায় #শ্লোক_৩৫ यज्ज्ञात्वा न पुनर्मोहमेवं यास्यसि पाण्डव । येन भूतान्यशेषेण द्रक्ष्यस्यात्मन्यथो मयि ।।४.३५।। যজজ্ঞাত্বা ন পুনর্মোহমেবং যাস্যসি পান্ডব । যেন ভূতান্যশেষাণি দ্রক্ষ্যস্যাত্মন্যথো ময়ি ।।৪.৩৫।। #অনুবাদ : - হে পান্ডব ! এভাবে তত্ত্বজ্ঞান লাভ করে তুমি আর মোহগ্রস্ত হবে না, কেন না এই জ্ঞানের দ্বারা তুমি দর্শন করবে যে, সমস্ত জীবই আমার বিভিন্ন অংশ অর্থাৎ তারা সকলেই আমার এবং তারা আমাতে অবস্থিত । #সারাংশ : - পর্যাপ্ত পারমার্থিক জ্ঞান না থাকার ফলে আমরা বর্তমানে মায়ার দ্বারা আচ্ছাদিত হয়ে পড়েছি এবং তাই আমরা মনে করি যে, আমরা শ্রীকৃষ্ণের থেকে বিচ্ছিন্ন । আমরা যদিও শ্রীকৃষ্ণের বিভিন্নাংশ, কিন্তু তবুও আমরা শ্রীকৃষ্ণ থেকে অভিন্ন । জীবের দেহগত পার্থক্য হচ্ছে মায়া, অর্থাৎ দেহের প্রকৃত কোন অস্তিত্ব নেই । আমাদের সকলেরই উদ্দেশ্য শ্রীকৃষ্ণের সন্তোষবিধান করা । মায়ার প্রভাবে অর্জুন মনে করেছিলেন যে, শ্রীকৃষ্ণের সঙ্গে তাঁর নিত্য চিন্ময় সম্পর্ক অপেক্ষা দেহগত সম্বন্ধের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর আত্মীয়রা অধিক গুরুত্বপূর্ণ । ভগবদ্গীতার সমগ্র শিক্ষা আমাদের এই বিষয়েই উপদেশ প্রদান করে, আর তা হলো — জীব ভগবানের নিত্যকালের সেবক এবং সে শ্রীকৃষ্ণ থেকে বিচ্ছিন্ন থাকতে পারে না । সে যদি মনে করে যে, সে শ্রীকৃষ্ণ থেকে আলাদা, তাহলে সেটিই মায়া । ভগবানের অবিচ্ছেদ্য অংশরূপে জীবেদের একটি বিশেষ উদ্দেশ্য রয়েছে । অনন্তকাল ধরে সেই উদ্দেশ্যটি ভুলে যাওয়ার ফলেই তারা কখনও মানুষ, কখনও পশু, কখনও দেবতা আদি বিভিন্ন দেহধারণ করছে । ভগবানের অপ্রাকৃত সেবার কথা ভুলে যাওয়ার ফলেই এই দেহগত পার্থক্যের উদয় হয় । কিন্তু কেউ যখন কৃষ্ণভাবনামৃত লাভ করে ভগবানের সেবায় নিয়োজিত হন, তখন তিনি অচিরেই এই মায়ার বন্ধন থেকে মুক্ত হন । এই শুদ্ধ পারমার্থিক জ্ঞান কেবল সদগুরুর কাছ থেকেই লাভ করা যায় এবং এই জ্ঞানের প্রভাবেই কেবল এই মোহ থেকে মুক্ত হওয়া যায় যে, জীব শ্রীকৃষ্ণের সমকক্ষ । পরম তত্ত্বজ্ঞান হচ্ছে এই যে, পরম আত্মা শ্রীকৃষ্ণই সমস্ত জীবের পরম আশ্রয় এবং এই পরম আশ্রয় পরিত্যাগ করার ফলেই জীবসমূহ নিজেদের পৃথক পরিচয়ের কল্পনা করে মায়ার দ্বারা আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে । এভাবে তারা বিভিন্ন স্তরে বিভিন্ন জড় দেহধারণ করে শ্রীকৃষ্ণকে ভুলে যায় । কিন্তু যখন এই ধরনের মোহগ্রস্ত জীবেরা কৃষ্ণভাবনায় স্থিত হয়, তখন তারা মুক্তির পথে এগিয়ে চলেছে বলেই বুঝতে হবে । মুক্তির অর্থ হচ্ছে শ্রীকৃষ্ণের নিত্যদাসরূপে নিজের স্বরূপে অধিষ্ঠিত হওয়া । ✧════════•❁❀❁•════════✧ #চতুর্থ_অধ্যায় #শ্লোক_৩৬ अपि चेदसि पापेभ्यः सर्वेभ्यः पापकृत्तमः । सर्वं ज्ञानप्लवेनैव वृजिनं सन्तरिष्यसि ।।४.३६।। অপি চেদসি পাপেভ্যঃ সর্বেভ্যঃ পাপকৃত্তমঃ । সর্বং জ্ঞানপ্লবেনৈব বৃজিনং সন্তরিষ্যসি ।।৪.৩৬।। #অনুবাদ : - তুমি যদি সমস্ত পাপীদের থেকেও পাপিষ্ঠ বলে গণ্য হয়ে থাক, তা হলেও এই জ্ঞানরূপ তরণীতে আরোহণ করে তুমি দুঃখ-সমুদ্র পার হতে পারবে । #সারাংশ : - ভগবান শ্রীকৃষ্ণের সঙ্গে সম্পর্কিত আমাদের নিত্য স্বরূপের উপলব্ধি এতই সুন্দর যে, তা অজ্ঞানতার সমুদ্রে জীবন - সংগ্রামের ক্লেশ থেকে আমাদের অচিরেই উদ্ধার করে । এই জড় জগৎকে কখনও অবিদ্যার সমুদ্র অথবা কখনও দাবানলের সঙ্গে তুলনা করা হয় । অতি সুদক্ষ সাঁতারুর জন্যও সমুদ্র অত্যন্ত ক্লেশময় । সমুদ্রের মাঝখানে সংগ্রামরত মানুষকে যদি কেউ এসে তুলে নেয়, তাহলে সে হচ্ছে পরম রক্ষাকর্তা । ভগবানের কাছ থেকে লব্ধ পরম জ্ঞানই একমাত্র মুক্তির পথ । এই ভগবত্তত্ত্বজ্ঞান বা কৃষ্ণভাবনামৃতরূপ নৌকা অত্যন্ত সরল এবং যুগপৎভাবে তা অত্যন্ত মহিমান্বিতও । ( প্রতিদিন শ্রীমদ্ভগবদগীতার ১ টি করে শ্লোক পড়তে এই পেজটির সাথে থাকুন ।) *─⊱✼ #হরে_কৃষ্ণ ✼⊰─* *•••••••••┈┉━❀❈🙏🏼🌼🙏🏼❈❀━┉┈•••••••••* #হরে_কৃষ্ণ_হরে_কৃষ্ণ_কৃষ্ণ_কৃষ্ণ_হরে_হরে ! #হরে_রাম_হরে_রাম_রাম_রাম_হরে_হরে । । 🙏🙏 #জয়_শ্রী_কৃষ্ণ 🙏🙏 🙏 #রাধে_রাধে 🙏 ∙──༅༎ Hare Krishna 🙏༎༅──
💓জয় গীতা 🙏❤🕉 - ShareChat
00:45