#🥰জয় শ্রীকৃষ্ণ🙏 #শুভঃ গীতা জয়ন্তী 🙏❤️🙏❤️ #গীতা জয়ন্তী 2025 🌿 . 🕉️⚛️💗 #সনাতন_ধর্ম 💗⚛️🕉️⛳🚩
#জয়_শ্রী_কৃষ্ণ_challenge ⛳❤️🚩
#জয়_গীতা_challenge ⛳🌿🚩
আজ ১১ অগ্রহায়ণ শুক্রবার 28/11/2025
*•••••••••┈┉━❀❈🙏🏼⚛️🙏🏼❈❀━┉┈•••••••••*
#শ্রীমদ্ভগবদগীতা
#কর্মসন্ন্যাস_যোগ ( ২০৭,২০৮ )
#পঞ্চম_অধ্যায় : - ৫ #শ্লোক : - ০৫,০৬
#গীতার_পঞ্চম_অধ্যায় #শ্লোক_নম্বর : - ০৫ ,০৬
🌿🌿🌿 ওঁ তৎ সৎ🙏🏻🙏
#পঞ্চম_অধ্যায় #শ্লোক_০৫
यत्सांख्यैः प्राप्यते स्थानं तद्योगैरपि गम्यते ।
एकं सांख्यं च योगं च यः पश्यति स पश्यति ।।५.५।।
যৎ সাংখ্যৈঃ প্রাপ্যতে স্থানং তদ্ যোগৈরপি গম্যতে ।
একং সাংখ্যংক চ যোগং চ যঃ পশ্যতি স পশ্যতি ।।৫.৫।।
#অনুবাদ : -
যিনি জানেন, সাংখ্য-যোগের দ্বারা যে গতি লাভ হয়, কর্মযোগের দ্বারাও সেই গতি প্রাপ্ত হওয়া যায় এবং যিনি সাংখ্যযোগ ও কর্ম-যোগকে এক বলে জানেন, তিনিই যথার্থ তত্ত্বদ্রষ্টা ।
#সারাংশ : -
দার্শনিক গবেষণার যথার্থ উদ্দেশ্য হচ্ছে জীবনের পরম লক্ষ্য সম্বন্ধে অবগত হওয়া । যেহেতু জীবনের পরম লক্ষ্য আত্মোপলব্ধি, তাই এই দুটি পদ্ধতির মাধ্যমে সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়ার মধ্যে কোন পার্থক্য নেই । সাংখ্য দর্শনের মাধ্যমে আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হই যে, জীব এই জড় জগতের অংশ নয়, কিন্তু সে পূর্ণ পরমাত্মার অবিচ্ছেদ্য অংশ । তাই চিন্ময় আত্মার এই জড় জগতে কোন প্রয়োজনই নেই; তার কর্মসমূহ অবশ্যই ভগবানের সঙ্গে সম্বন্ধযুক্ত হওয়া উচিত । যখন সে কৃষ্ণভাবনায় ভাবিত হয়ে কর্ম করে, তখন সে যথার্থই তার স্বরূপে অধিষ্ঠিত থাকে । প্রথম পদ্ধতি সাংখ্যযোগের মাধ্যমে মানুষকে জড় বিষয়ের প্রতি নিরাসক্ত হতে হয় এবং কর্মযোগ পদ্ধতির মাধ্যমে মানুষকে কৃষ্ণভাবনাময় কর্মে আসক্ত হতে হয় । প্রকৃতপক্ষে দুটি পন্থাই এক, যদিও আপাতদৃষ্টিতে তাদের একটিকে নিরাসক্তিপ্রধান ও অন্যটিকে আসক্তি প্রধান বলে মনে হয় । জড় বস্তুর প্রতি অনাসক্তি এবং শ্রীকৃষ্ণের প্রতি আসক্তি এক ও অভিন্ন । যিনি এটি দর্শন করতে পারেন, তাঁর দর্শনই যথার্থ ।
✧════════•❁❀❁•════════✧
#পঞ্চম_অধ্যায় #শ্লোক_০৬
संन्यासस्तु महाबाहो दुःखमाप्तुमयोगतः ।
योगयुक्तो मुनिर्ब्रह्म नचिरेणाधिगच्छति ।।५.६।।
সন্ন্যাসস্ত মহাবাহো দুঃখমাপ্তুমযোগতঃ ।
যোগযুক্তো মুনির্ব্রহ্ম ন চিরেণাধিগচ্ছতি ।।৫.৬।।
#অনুবাদ : -
হে মহাবাহো ! কর্মযোগ ব্যতীত কেবল কর্মত্যাগরূপ সন্ন্যাস দুঃখজনক । কিন্তু যোগযুক্ত মুনি অচিরেই ব্রহ্মকে লাভ করেন ।
#সারাংশ : -
সন্ন্যাসী দুই প্রকারের — মায়াবাদী ও বৈষ্ণব । মায়াবাদী সন্ন্যাসীরা সাংখ্য দর্শন অধ্যয়ন করেন, আর বৈষ্ণব সন্ন্যাসীরা বেদান্তসূত্রের যথার্থ ভাষ্য শ্রীমদ্ভাগবত দর্শন অধ্যয়ন করেন । মায়াবাদী সন্ন্যাসীরাও বেদান্তসূত্র অধ্যয়ন করেন, কিন্তু তাঁরা তা শ্রীপাদ শঙ্করাচার্য প্রণীত শারীরক-ভাষ্য অবলম্বনপূর্বক অধ্যয়ন করেন । শ্রীমদ্ভাগবতের শিক্ষা অনুসরণকারী বৈষ্ণবেরা পাঞ্চরাত্রিকী বিধিমতে ভক্তিমার্গে ভগবানের সেবা করেন, তাই বৈষ্ণব সন্ন্যাসীরা চিন্ময় ভগবদ্ভক্তিতে নানাবিধ কর্তব্যপালনে নিয়োজিত থাকেন । বৈষ্ণব সন্ন্যাসীদের জড় জাগতিক কর্তব্যকর্ম পালনের কোন প্রয়োজনীয়তা নেই, কিন্তু তবুও ভগবানের সেবা করার জন্য তাঁরা নানা রকম কার্যকলাপের অনুষ্ঠান করে থাকেন । কিন্তু সাংখ্য ও বেদান্ত দর্শন অধ্যয়নকারী এবং মনোধর্মপরায়ণ মায়াবাদী সন্ন্যাসীরা ভগবদ্ভক্তি আস্বাদন করতে পারেন না । যেহেতু তাঁদের অধ্যয়ন অত্যন্ত শ্রমসাপেক্ষ, তাই ব্রহ্ম বিষয়ক মনোধর্মপ্রসূত জল্পনাকল্পনায় ক্লান্ত হয়ে তাঁরা কখনও কখনও শ্রীমদ্ভাগবতের শরণাপন্ন হন । কিন্তু শ্রীমদ্ভাগবতের যথার্থ মর্ম উপলব্ধি করতে না পারার ফলে তাও ক্লেশদায়ক হয়ে ওঠে । কৃত্রিম উপায়ে মায়াবাদী সন্ন্যাসীদের শুষ্ক মনোধর্মপ্রসূত জল্পনাকল্পনা এবং নির্বিশেষবাদী ভাষ্য সবই নিরর্থক । ভগবদ্ভক্তিপরায়ণ বৈষ্ণব সন্ন্যাসীরা তাঁদের দিব্য কর্তব্য সম্পাদন করে অপ্রাকৃত আনন্দলাভ করেন এবং অন্তিমে চিন্ময় ভগবদ্ধামে ফিরে যাবার বিষয়ে তাঁরা সুনিশ্চিত থাকেন । মায়াবাদী সন্ন্যাসীরা কখনও কখনও আত্মোপলব্ধির মার্গ থেকে ভ্রষ্ট হয়ে সমাজসেবা, পরোপকার আদি প্রাকৃত কার্যকলাপে পুনরায় প্রবৃত্ত হন, যা জড় জাগতিক কর্মবন্ধন ছাড়া আর কিছুই নয় । এভাবেই আমরা দেখতে পাই, যাঁরা ভক্তি সহকারে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের সেবা করে চলেছেন, তাঁরা ব্রহ্ম সম্বন্ধে মানসিক জল্পনাকারী সন্ন্যাসীদের থেকে অনেক উচ্চমার্গে স্থিত; যদিও এই সমস্ত ব্রহ্মবাদী জ্ঞানীরাও বহু জন্মের পরে কৃষ্ণভাবনামৃত লাভ করেন ।
( প্রতিদিন শ্রীমদ্ভগবদগীতার ১ টি করে শ্লোক পড়তে এই পেজটির সাথে থাকুন ।)
*─⊱✼ #হরে_কৃষ্ণ ✼⊰─*
*•••••••••┈┉━❀❈🙏🏼🌼🙏🏼❈❀━┉┈•••••••••*
#হরে_কৃষ্ণ_হরে_কৃষ্ণ_কৃষ্ণ_কৃষ্ণ_হরে_হরে !
#হরে_রাম_হরে_রাম_রাম_রাম_হরে_হরে । ।
🙏🙏 #জয়_শ্রী_কৃষ্ণ 🙏🙏
🙏 #রাধে_রাধে 🙏
∙──༅༎ Hare Krishna 🙏༎༅──


