#🥰জয় শ্রীকৃষ্ণ🙏 #💓জয় গীতা 🙏❤🕉 #হিন্দুদের আস্থা, হিন্দুদের গর্ব ❤️🌿 জয় গীতা 🙏❤️ #শুভঃ গীতা জয়ন্তী 🙏❤️🙏❤️ #গীতা জয়ন্তী 2025 🌿 . 🕉️⚛️💗 #সনাতন_ধর্ম 💗⚛️🕉️⛳🚩
#জয়_শ্রী_কৃষ্ণ_challenge
#জয়_গীতা_challenge
*─⊱✼ #গীতা_জয়ন্তী ✼⊰─*
আজ ১৪ অগ্রহায়ণ সোমবার 01/12/2025
*•••••••••┈┉━❀❈🙏🏼⚛️🙏🏼❈❀━┉┈•••••••••*
#শ্রীমদ্ভগবদগীতা
#কর্মসন্ন্যাস_যোগ ( ২১৩,২১৪ )
#পঞ্চম_অধ্যায় : - ৫ #শ্লোক : - ১১,১২
#গীতার_পঞ্চম_অধ্যায় #শ্লোক_নম্বর : - ১১ ,১২
🌿🌿🌿 ওঁ তৎ সৎ🙏🏻🙏
#পঞ্চম_অধ্যায় #শ্লোক_১১
कायेन मनसा बुद्ध्या केवलैरिन्द्रियैरपि ।
योगिनः कर्म कुर्वन्ति सङ्गं त्यक्त्वाऽऽत्मशुद्धये ।।५.११।।
কায়েন মনসা বুদ্ধ্যা কেবলৈরিন্দ্রিয়ৈরপি ।
যোগিনঃ কর্ম কুর্বন্তি সঙ্গং ত্যক্ত্বাত্মশুদ্ধয়ে ।।৫.১১।।
#অনুবাদ : -
আত্মশুদ্ধির জন্য যোগীরা কর্মফলের আসক্তি ত্যাগ করে দেহ, মন, বুদ্ধি, এমন কি ইন্দ্রিয়ের দ্বারাও কর্ম করেন ।
#সারাংশ : -
কৃষ্ণভাবনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ইন্দ্রিয়তৃপ্তি সাধন করার জন্য শরীর, মন, বুদ্ধি অথবা এমনকি ইন্দ্রিয়ের দ্বারাও অনুষ্ঠিত যে কোনও কর্ম জড়-জাগতিক কলুষ থেকে মুক্ত হয় । কৃষ্ণভাবনাময় কর্মের কোন জড় প্রতিক্রিয়া হয় না । তাই কৃষ্ণভাবনাময় কর্ম করার ফলে অনায়াসে সদাচার সাধিত হয় । ভক্তিরসামৃতসিন্ধু গ্রন্থে শ্রীল রূপ গোস্বামী তার বর্ণনা করে বলেছেন— “যিনি শরীর, মন, বুদ্ধি ও বাণী দিয়ে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের সেবা করেন, এই জড় জগতে অবস্থান করলেও এবং এমনকি তথাকথিত জড়-জাগতিক কর্মে ব্যাপৃত থাকলেও তিনি মুক্ত পুরুষ ।” তাঁর কোন রকম মিথ্যা অহঙ্কার নেই এবং তিনি কখনই মনে করেন না তাঁর দেহটিই হচ্ছে তাঁর স্বরূপ অথবা তিনি তাঁর দেহটির মালিক । তিনি জানেন যে, তাঁর দেহটি তাঁর স্বরূপ নয় এবং তাঁর দেহটি তাঁর সম্পত্তি নয় । তিনি শ্রীকৃষ্ণের এবং তাঁর দেহটিও শ্রীকৃষ্ণের । যখন তিনি তাঁর দেহ, মন, বুদ্ধি, বাণী, জীবন, ধন আদি সবই #ভগবান শ্রীকৃষ্ণের সেবায় নিবেদন করেন, তৎক্ষণাৎ তিনি সর্বতোভাবে কৃষ্ণগতপ্রাণ হয়ে যান । কৃষ্ণভাবনায় তন্ময় থাকার ফলে তিনি জড় দেহটিকে নিজের স্বরূপ বলে মনে করার মিথ্যা অহঙ্কার থেকে সম্পূর্ণরূপে মুক্ত হন । এটিই কৃষ্ণভাবনামৃতের পূর্ণ বিকশিত অবস্থা ।
✧════════•❁❀❁•════════✧
#পঞ্চম_অধ্যায় #শ্লোক_১২
युक्तः कर्मफलं त्यक्त्वा शान्तिमाप्नोति नैष्ठिकीम् ।
अयुक्तः कामकारेण फले सक्तो निबध्यते ।।५.१२।।
যুক্তঃ কর্মফলং ত্যক্ত্বা শান্তিমাপ্নোতি নৈষ্ঠিকীম্ ।
অযুক্তঃ কামকারেণ ফলে সক্তো নিবধ্যতে ।।৫.১২।।
#অনুবাদ : -
যোগী কর্মফল ত্যাগ করে নৈষ্ঠিকী শান্তি লাভ করেন; কিন্তু সকাম কর্মী কর্মফলের প্রতি আসক্ত হয়ে কর্ম করার ফলে কর্মের বন্ধনে আবদ্ধ হয় ।
#সারাংশ : -
কৃষ্ণভাবনাময় ভক্ত ও দেহাত্মবুদ্ধিসম্পন্ন বৈষয়িক মানুষের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে এই যে, কৃষ্ণভাবনাময় ভক্ত শ্রীকৃষ্ণের প্রতি আসক্ত এবং দেহাত্মবুদ্ধিসম্পন্ন বিষয়ী তার কর্মফলের প্রতি আসক্ত । যে মানুষ শ্রীকৃষ্ণের প্রতি আসক্ত এবং তাঁর প্রীতি উৎপাদনের জন্য সমস্ত কর্ম করেন, তিনি অবধারিতভাবে মুক্ত পুরুষ; কারণ তিনি কখনই কর্মফলের আশায় উৎকণ্ঠিত হন না । শ্রীমদ্ভাগবতে বলা হয়েছে, দ্বৈত ভাবধারায়, অর্থাৎ পরতত্ত্ব সম্বন্ধে অবগত না হয়ে কর্ম করার ফলে কর্মফলের সম্বন্ধে উৎকণ্ঠার উদয় হয় । শ্রীকৃষ্ণই স্বয়ং পরতত্ত্ব, পরমেশ্বর ভগবান । কৃষ্ণভাবনায় কোন দ্বৈতভাব নেই । বিশ্বচরাচরে যা কিছু আছে, তা সবই ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শক্তিজাত । ভগবান শ্রীকৃষ্ণ পরম মঙ্গলময় । তাই কৃষ্ণভাবনায় ভাবিত হয়ে যে কার্যকলাপ সাধিত হয়, তা পারমার্থিক কর্ম; তা অপ্রাকৃত এবং তা জড় জগতের কলুষের দ্বারা প্রভাবিত হয় না । তাই কৃষ্ণভক্ত শান্ত । কিন্তু যারা সর্বক্ষণ ইন্দ্রিয়তৃপ্তির জন্য লাভক্ষতির হিসাব করছে, তারা কখনই শান্তি পেতে পারে না । এটিই কৃষ্ণভাবনামৃতের রহস্য – শ্রীকৃষ্ণের সম্বন্ধরহিত কোন কিছুরই অস্তিত্ব নেই, এই সত্য উপলব্ধিই পরম শান্তি ও অভয় দান করে ।
( প্রতিদিন শ্রীমদ্ভগবদগীতার ১ টি করে শ্লোক পড়তে এই পেজটির সাথে থাকুন ।)
*─⊱✼ #হরে_কৃষ্ণ ✼⊰─*
*•••••••••┈┉━❀❈🙏🏼🌼🙏🏼❈❀━┉┈•••••••••*
#হরে_কৃষ্ণ_হরে_কৃষ্ণ_কৃষ্ণ_কৃষ্ণ_হরে_হরে !
#হরে_রাম_হরে_রাম_রাম_রাম_হরে_হরে । ।
🙏🙏 #জয়_শ্রী_কৃষ্ণ 🙏🙏
🙏 #রাধে_রাধে 🙏
∙──༅༎ Hare Krishna 🙏༎༅──


