ShareChat
click to see wallet page
search
উলঙ্গ মনুষ্যত্ব!! তন্ময় সিংহ রায় মানুষ না খেয়ে মরুক। মেয়েরা রাস্তায় নিরাপত্তাহীনতায় কাঁপুক। শিক্ষিতরা রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে মরুক। অশিক্ষার অন্ধকারে প্রজন্ম ডুবে শেষ হয়ে যাক। হাসপাতালের সামনে মা সন্তান হারিয়ে আর্তনাদ করুক— তবু এদের মুখে প্রাণখোলা হাসি ছিল। কারণ ক্ষমতার টেবিল থেকে হাড় ছুঁড়ে দেওয়া হচ্ছিল। কিছু অভিনেতা, অভিনেত্রী, গায়ক, গায়িকা কবি-সাহিত্যিক, কিছু তথাকথিত বুদ্ধিজীবী— নিজেদের আত্মা বিক্রি করে দিয়েছে আরামের বিছানা, টাকার গন্ধ আর ক্ষমতার দালালি করার জন্য। এরা কি জানতো না বাংলার মানুষ কী কী সহ্য করে চলেছে দিনের পর দিন— সব জানত। জানতো দুর্নীতি হচ্ছে। জানত অন্যায় হচ্ছে, অত্যাচার হচ্ছে। জানতো সাধারণ মানুষ রক্ত ঝরাচ্ছে। তবু এরা চুপ ছিল না— উল্টে অত্যাচারীদের পাশেই দাঁড়িয়ে তালি মেরেছে। কারণ এরা শিল্পী নয়, বিবেক নয়— এরা চেইন দিয়ে বাঁধা ক্ষমতার পোষা মুখ। যতদিন সুবিধা, ততদিন গান, কবিতা অভিনয়, মেরুদণ্ড— সব বিক্রি। এরা পোশাকে ঢাকে দেহ, কিন্তু উলঙ্গ মনুষ্যত্ব। মনে রাখা উচিত সমাজের সবচেয়ে নোংরা মানুষ কিন্তু কোনো চোর, ডাকাত, ধর্ষক বা খুনি নয়। সবচেয়ে নোংরা তাঁরা, যারা মানুষের কান্নার ওপর দাঁড়িয়ে নিজেদের বিলাসিতা বানায়, আর তারপর মানবতার লম্বা-চওড়া ভাষণ দেয়। এই বহুরূপীদের থেকে সাবধান। এরা সমাজের সবচেয়ে বেশি ভয়ঙ্কর ক্ষতিকারক জীব। এরা একটু সুখে, আরামে থাকবে বলে পতাকা বদলাতে পারে, দল বদলাতে পারে, মুখোশ বদলাতে পারে— কিন্তু স্বার্থপরতা আর মেরুদণ্ডহীনতা কোনোদিন বদলায় না। যেখানেই বেশি হাড় পাবে, জিভ বের করে সেখানেই ছুটে যাবে আগে। কারণ এদের একমাত্র উপলক্ষ্য— অর্থের সাম্রাজ্য বানানো। তা সে পোষ্য হয়েই হোক, বা আত্মসম্মান বেচে। আর সাধারণ মানুষের অত্যন্ত দুর্ভাগ্য হলো, তাঁদের রক্ত-ঘামে গড়া সেই টাকাতেই এরা নির্লজ্জের মতন ফুর্তি করে, আমোদ-প্রমোদে আমৃত্যু দিন কাটাবে এই পৃথিবীতে মুক্তভাবে— যেন কোনো অপরাধ কখনও ঘটেইনি। এরাও সমাজে মুখ দেখাবে ঠিকই, কিন্তু ভেতরে জানবে এরা সমাজের সবচেয়ে নিকৃষ্ট জীব, তবে যদি বিবেক ঠিকমত কোনোদিন ভুলেও জাগে। আর এদের পরম সৌভাগ্য— এরপরেও এরাও “মানুষ” পরিচয়ে বাঁচার অধিকার পাবে। #📜বঙ্গ সাহিত্য📜 #🙏Have a Good Day #🙏নমস্কার #📢শেয়ারচ্যাট স্পেশাল
📜বঙ্গ সাহিত্য📜 - ShareChat