#😀পজেটিভ স্টোরি😀 📌 জীবনে বহু ম্যাচ জিতেছেন, কিন্তু মা হওয়ার পর তিনি যে লড়াইটা লড়লেন, তার কোনও মেডেল নেই—আছে শুধু অসংখ্য নবজাতকের নিঃশ্বাস। ২০২৫ সালের এপ্রিলে কন্যা মীরার জন্মের পর তিনি বুঝতে পারেন, তাঁর শরীরে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি মাতৃদুগ্ধ উৎপন্ন হচ্ছে। অনেকেই হয়তো সেই অতিরিক্ত অংশ নষ্ট হতে দিতেন, কিন্তু জোয়ালা ভাবলেন অন্য কথা। প্রতিদিন নিজের শারীরিক ক্লান্তি, নিদ্রাহীন রাত আর মাতৃত্বের চাপ সামলেও তিনি নিয়ম করে দুধ সংগ্রহ করেছেন, প্যাকেটবন্দি করেছেন, তারিখ লিখে সংরক্ষণ করেছেন—শুধু এই আশায় যে কোনও অপরিনত শিশু হয়তো এই দুধে নতুন জীবন পাবে। এক বছরে প্রায় ৬০ লিটার মাতৃদুগ্ধ দান করে তিনি প্রমাণ করেছেন, একজন মায়ের হৃদয় কতটা বিশাল হতে পারে।
- হায়দ্রাবাদ ও চেন্নাইয়ের সরকারি হাসপাতালের NICU-তে ভর্তি অসংখ্য প্রিম্যাচিউর শিশুর কাছে এই দুধ ছিল যেন জীবনের আলো। মাত্র ১ কেজি ওজনের একটি নবজাতকের জন্য সামান্য কিছু ডোনার মিল্কও কয়েক দিনের আশ্রয় হয়ে উঠতে পারে। সেই হিসেবে জোয়ালার এই “তরল সোনা” শত শত শিশুর শরীরে নতুন শক্তি জুগিয়েছে। বিশেষ করে যেসব মা শারীরিক জটিলতার কারণে সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়াতে পারেন না, তাদের শিশুদের কাছে এই দান যেন এক অদৃশ্য আশীর্বাদ। কৃত্রিম দুধের ঝুঁকি কমিয়ে, ভয়াবহ রোগ থেকে বাঁচিয়ে, একেকটি ছোট্ট প্রাণকে একটু একটু করে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে এনেছে তাঁর এই নীরব মানবতা।
৪১ বছর বয়সে আইভিএফ পদ্ধতিতে মা হওয়ার পরও জোয়ালা নিজের কষ্টকে আড়াল করেননি। বরং তিনি দেখিয়েছেন, মাতৃত্ব শুধু সন্তানের জন্ম দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়—মাতৃত্ব মানে অন্যের সন্তানকেও নিজের সন্তানের মতো বাঁচানোর চেষ্টা করা। তাঁর এই উদ্যোগ শুধু দুধ দান নয়, এটি এক গভীর মানবিক বার্তা। রক্তদানের মতোই মাতৃদুগ্ধ দানও যে সমাজের দায়িত্ব হতে পারে, সেই সচেতনতার আলো তিনি ছড়িয়ে দিয়েছেন গোটা দেশে। ব্যাডমিন্টন কোর্টে তাঁর জয়গান মানুষ বহুবার শুনেছে, কিন্তু একজন মা হিসেবে তিনি যে অগণিত নবজাতকের জীবনে নীরব আশার আলো হয়ে উঠেছেন, সেটাই হয়তো তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় বিজয়। তাই মহান কাজ সকলের মধ্যে ছড়িয়ে দিন যাতে সবাই অনুপ্রাণিত হয়ে এগিয়ে আসে 🙏
#😍আমার পছন্দের স্টেটাস😍 #মায়ের ভালোবাসা


