ShareChat
click to see wallet page
search
রাতের আকাশটা ছিল অদ্ভুত নীরব। চারদিকে শুধু মরুভূমির হাওয়া আর কান্নার চাপা শব্দ। Karbala–র সেই প্রান্তরে ছোট ছোট শিশুরা তৃষ্ণায় কাঁদছিল। “পানি… একটু পানি…” শিশুদের সেই কান্না শুনে মায়েদের বুক ফেটে যাচ্ছিল। Hazrat Imam Hussain নিজের তাঁবুর বাইরে দাঁড়িয়ে আকাশের দিকে তাকালেন। তাঁর চোখে ছিল দুঃখ, কিন্তু মুখে ছিল ধৈর্য। তিনি জানতেন, সত্যের পথ কখনও সহজ হয় না। তাঁর ছোট্ট শিশু সন্তান আলী আসগর তৃষ্ণায় কাঁপছিল। শিশুটির শুকিয়ে যাওয়া ঠোঁট দেখে বাবার হৃদয় ভেঙে যাচ্ছিল। ইমাম হোসেন শিশুটিকে কোলে নিয়ে শত্রুদের সামনে গিয়ে বললেন— “তোমরা যদি আমার সাথে শত্রুতা করো, করো। কিন্তু এই নিষ্পাপ শিশুটিকে একটু পানি দাও…” কিন্তু নিষ্ঠুরতা সেদিন সব মানবতাকে হার মানিয়েছিল। একটি তীর এসে সেই নিষ্পাপ শিশুর বুক ভেদ করল। মুহূর্তে মরুভূমির বাতাস ভারী হয়ে উঠল। একজন বাবার বুকের আর্তনাদ যেন আকাশ কাঁপিয়ে দিল। তবুও ইমাম হোসেন মাথা নত করলেন না। কারণ তিনি জানতেন— সত্যের জন্য ত্যাগ কখনও বৃথা যায় না। ১০ মহরমের সেই দিন, আশুরার প্রখর রোদে একে একে তাঁর সঙ্গীরা শহীদ হলেন। শেষ পর্যন্ত তিনিও আল্লাহর পথে নিজের জীবন উৎসর্গ করলেন। আজও মানুষ মহরমে কাঁদে, কারণ এটি শুধু একটি যুদ্ধের গল্প নয়— এটি ত্যাগ, ভালোবাসা, ধৈর্য আর সত্যের জন্য শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়াই করার গল্প। কারবালার সেই বালুকণায় আজও যেন একটি আওয়াজ ভেসে আসে— “অন্যায়ের কাছে মাথা নত করো না, সত্যের পথে অটল থাকো।” #🌙ইসলামিক নববর্ষ মুবারক ২০২৬ 🕋 #🤲আল্লাহ 👆 #🤲ইসলামিক ভক্তি স্ট্যাটাস ☪ #📖কোরানের বাণী🤲🏻 #😇আজকের Whatsappস্টেটাস 🙌
🌙ইসলামিক নববর্ষ মুবারক ২০২৬ 🕋 - ShareChat