মানুষের চরিত্র,স্বভাব-প্রকৃতি,মানসিকতা যেমন থাকে সেইভাবেই সে বা তারা তাদের সেই দার্শনিক শক্তি দিয়ে সামনের মানুষগুলোকে দেখতে পায়।তাদের চোখের দৃষ্টিশক্তি দিয়ে মোটেও দেখে না কেও কারন সেই দৃষ্টিশক্তির চাইতে ভেতরের দার্শনিক শক্তি ঢের গুন বেশী বৈধ যেটার কাছে চোখের দৃষ্টিশক্তি বালুচরের একটা ছোটো কনা মাত্র যেটা দিয়ে বাহ্যিকভাবে তার রূপটা ফুটে ওঠে কেবল যেটার পরিবর্তন শুধু বৃদ্ধ অবস্থাতেই কুৎসিত হয়ে যায় এমনটা একেবারেই না।সদ্যজাত শিশুর থেকে শুরু করে শৈশবকাল,বাল্যকাল,কৈশোর এবং বৃদ্ধাবস্থা এই চারটি ধাপের প্রত্যেকটি ধাপেই ধীরে ধীরে মানুষের রূপের বিবর্তন বা পরিবর্তন কিংবা রূপান্তর ঘটে থাকে কিন্তু ভেতরের দার্শনিক শক্তি একদম স্থির অবস্থায় থেকে যায় যেটা কম্পিত হয়ে আসেনি মূলত গ্যালিলিওর মতো দার্শনিক ও অন্যান্য বিজ্ঞানী প্রমুখ এদের ভৌগলিক ইতিহাসের নীবিড় যুগ থেকে আর ভবিষ্যতেও এর কম্পন ও এর অন্যথা বা এদিক ওদিক হওয়াটা JUST একটা অবাস্তব ও অ-কাল্পনিক উদ্ভট চিন্তাভাবনার এক চূড়ান্ত লক্ষন।
#🙏Have a Good Day
#স্বপ্নের জন্মদিন 🎂
#💕Express Emotion🎁
#📢শেয়ারচ্যাট স্পেশাল

