আপনার ভাষা বদলান
Tap the Share button in Safari's menu bar
Tap the Add to Home Screen icon to install app
ShareChat
দক্ষিণেশ্বরে (Dakshineswar) ভবতারিণীর মন্দির প্রতিষ্ঠা হবার পর অগ্রজ রামকুমারের স্বাস্থ্যের অবনতি হওয়ায় মাঝে মাঝে কালীপুজোর ভার পড়তে থাকলো শ্রীরামকৃষ্ণদেবের ওপর। ক্রমে স্থায়ী ভাবে কালীপুজোর কাজ গ্রহণ করেছিলেন। মায়ের পুজোর সঙ্গে সঙ্গে তাঁর দর্শন লাভের জন্য ব্যাকুল হয়ে তাঁকে ডাকতে শুরু করলেন। পুজোর সময় ছাড়াও অন্য সময় সর্বদা মায়ের চিন্তা করতেন। গভীর রাতে পঞ্চবটীর গহন জঙ্গলে মাতৃধ্যানে নিমগ্ন হয়ে থাকতেন। ভালোভাবে খাওয়া নেই, ঘুম নেই, দিনরাত শুধু মায়ের কথা ভাবা আর কেঁদে কেঁদে বলা ‘মা দেখা দে’। সন্ধ্যা হলে গঙ্গার ধারে মাটিতেই মুখ ঘষে কাঁদেন আর বলেন ‘মা আর একটা দিন চলে গেল তোর দেখা পেলাম না’। তাঁর ভাবস্থ অবস্থা দেখে অসুস্থ সন্দেহে কবিরাজ গঙ্গাপ্রসাদকে চিকি‌ৎসার জন্য ডাকা হয়েছিল। কিন্তু তাঁর প্রয়াস নিষ্ফল হয়েছিল। মাতৃসাধক তন্ময় হয়ে থাকেন মাতৃ বন্দনায়। সংসারের ভোগ সুখ নাম যশ টাকা কড়ি কিছুই তিনি চান না। চান শুধু মায়ের দর্শন। অবশেষে একদিন এ জীবনে মায়ের দেখা আর পাবেন না ভেবে জীবন ত্যাগের জন্য কালী ঘরের বলিদানের খাঁড়ায় নিজের জীবন বলি দিতে উদ্যত হলে, নিজেকে জ্যোতির সমুদ্রে হারিয়ে ফেলেন। ঘর, দ্বার, মন্দির সব যেন কোথায় লুপ্ত হয়েছিল। কোথাও যেন আর কিছু নেই। এক অসীম, অনন্ত চেতন জ্যোতিঃ সমুদ্র। চারদিক থেকে তার উজ্জ্বল ঊর্মিমালা তর্জন গর্জন করে যখন তাঁর উপর এসে পড়েছিল, তিনি সংজ্ঞা হারিয়ে পড়ে গিয়েছিলেন। মায়ের অপরূপ দর্শনে শ্রীরামকৃষ্ণ ধন্য হলেন। #কালী ঠাকুর #🙏ভক্তি
#

কালী ঠাকুর

কালী ঠাকুর - ShareChat
15.3k জন দেখলো
6 দিন আগে
অন্য কোথাও শেয়ার করুন
Facebook
WhatsApp
লিংক কপি করুন
মুছে ফেলুন
Embed
আমি এই পোস্ট এর বিরুদ্ধে, কারণ...
Embed Post