#🌞সুপ্রভাত☀️ শুভ নববর্ষ ১৪৩৩বাংলা
জয় রাম শুভ সকাল 🌸🌼🏵️
জয় রামজয় গোবিন্দ🙏🙏🙏
গুরু কৃপাহি কেবলম্🙏🙏🙏
বাংলা নতুন বছর সকলের জন্য মঙ্গলময় হোক দয়াল ঠাকুরের শ্রী রাতুল চরণে প্রার্থনা করি,সকলের উপর দয়াল ঠাকুরের কৃপা বর্ষিত হোক। সকল বন্ধু ও গুরু ভাই বোনদের জানাই....... শুভ নববর্ষের রামময় প্রীতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন 🙏🙏🙏
পহেলা বৈশাখের এই নতুন আলোয় পুরনো বছরের সব গ্লানি মুছে গিয়ে, নতুন বছর বয়ে আনুক সবার জন্য অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। নতুন আশা, স্বপ্ন আর সাফল্যের অঙ্গীকার নিয়ে শুরু হোক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ। বৈশাখের এই আনন্দঘন দিনে সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
#🙏ওম নম:শিবায়🔱
মহা শিবরাত্রি কী?
মহা শিবরাত্রি হলো ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে পালিত একটি বিশেষ উৎসব। হিন্দু পুরাণ অনুযায়ী, এই রাতটি শিব ও শক্তির মিলনের রাত। ভক্তরা বিশ্বাস করেন, এই দিনে ব্রত পালন করলে এবং শিবের মাথায় জল ঢাললে জীবনের সমস্ত অন্ধকার ও বাধা দূর হয়।
'মহা শিবরাত্রি' শব্দের অর্থ
এই নামটির গভীরে তিনটি শব্দ লুকিয়ে আছে:
মহা: মহান বা শ্রেষ্ঠ।
শিব: মঙ্গলময় বা কল্যাণকারী।
রাত্রি: রাত।
অর্থাৎ, মহা শিবরাত্রি মানে হলো "শিবের সেই মহান রাত যা পরম কল্যাণ বয়ে আনে।" আধ্যাত্মিক দিক থেকে এটি অন্ধকার (অজ্ঞানতা) কাটিয়ে আলোর (জ্ঞান) পথে যাওয়ার রাত।
এই দিনটির তাৎপর্য ও ইতিহাস
মহা শিবরাত্রিকে কেন্দ্র করে বেশ কিছু জনপ্রিয় কাহিনী প্রচলিত রয়েছে:
শিব-পার্বতীর বিবাহ: প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এই বিশেষ তিথিতেই ভগবান শিব এবং দেবী পার্বতী বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। তাই এটি শিব ও শক্তির মিলনের উৎসব।
সৃষ্টির সংহার ও রক্ষা: বলা হয়, এই রাতে শিব তাণ্ডব নৃত্য করেছিলেন। আবার অন্য এক কাহিনী মতে, সমুদ্র মন্থনের সময় উঠে আসা বিষ পান করে মহাদেব যখন নীলকণ্ঠ হয়েছিলেন এবং সৃষ্টিকে রক্ষা করেছিলেন, সেই রাতটিকেও শিবরাত্রি হিসেবে স্মরণ করা হয়।
লিঙ্গোদ্ভব: পুরাণ মতে, এই রাতেই ভগবান শিব নিজেকে লিঙ্গ রূপে প্রকাশ করেছিলেন যার আদি ও অন্ত ব্রহ্মা বা বিষ্ণু কেউই খুঁজে পাননি।
ভক্তরা এই দিনে কী করেন?
উপবাস: ভক্তরা সারাদিন ও সারারাত নির্জলা বা ফল খেয়ে উপবাস পালন করেন।
অভিষেক: শিবলিঙ্গে দুধ, গঙ্গাজল, মধু এবং দই দিয়ে অভিষেক করা হয়।
বেলপাতা অর্পণ: শিবের অত্যন্ত প্রিয় বেলপাতা মহাদেবের চরণে অর্পণ করা হয়।
জাগরণ: অনেকে সারারাত জেগে শিবের মন্ত্র (ওঁ নমঃ শিবায়) জপ করেন।
🙏🌹জয় রাম জয় গোবিন্দ 🌹🙏
রামময় শুভ সকাল
#picturechallenge #viralpost #pothochallenge
#🌾শুভ মকর সংক্রান্তি ২০২৬🪁 সংক্রান্তিতে শুরু হয় সূর্যের উত্তরায়ণ, রবি-সম দীপ্তিময় হতে এই দিন মেনে চলুন সহজ পাঁচ উপায়
পৌষ মাসের শেষ ও মাঘের শুরু হিন্দু ধর্মে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এরই সঙ্গে জ্যোর্তিবিদ্যাতেও এর গুরুত্ব রয়েছে। কারণ এই সময় সূর্যের উত্তরায়ণ শুরু হয়।
আর কিছু দিন পর থেকেই শুরু হবে মাঘ মাস। মাঘ মাসের শুরুটা বাংলার বাকি মাসগুলির থেকে আলাদা। কারণ তার আগের দিন, অর্থাৎ, পৌষ সংক্রান্তির দিন শুরু হয় সূর্যের উত্তরায়ণ। পৌষ সংক্রান্তির দিন সূর্য ধনুর পরবর্তী রাশি মকরে গমন করে। সেই কারণে পৌষ সংক্রান্তি মকর সংক্রান্তি নামেও পরিচিত।
অন্য দিকে, পৌষ মাস হল মল মাস। এই মাসে কোনও শুভ কাজ করা যায় না। শুভ কাজ সম্পর্কিত আলোচনা, কেনাকাটা প্রভৃতিও এই মাসে করা নিষেধ। তবে পৌষ মাসের শেষ ও মাঘের শুরু হিন্দু ধর্মে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এরই সঙ্গে জ্যোতির্বিদ্যাতেও এর গুরুত্ব রয়েছে। কারণ এই সময় সূর্যের উত্তরায়ণ শুরু হয়। সেই কারণে পৌষ মাসের শেষ দিন বিশেষ কিছু উপায় পালন করতে পারলে খুব ভাল ফল পাবেন। বিশেষ করে সূর্যের বছরে তাঁর কৃপায় ভাগ্যের অমানিশা দূর হবে।
১. পৌষ সংক্রান্তির দিন সূর্যোদয়ের পূর্বে ঘুম থেকে উঠে সূর্যপ্রণাম করুন। এর আগে অবশ্যই স্নান করে শুদ্ধ বসন ধারণ করতে হবে। গায়ত্রী মন্ত্র বা সূর্যপ্রণাম মন্ত্র উচ্চারণ করতে করতে সূর্যের উদ্দেশ্যে জল অর্পণ করলে বিশেষ ভাল ফল পাওয়া যাবে।
২. এই বিশেষ দিনে দানধ্যান করা অত্যন্ত শুভ। লাল বর্ণের পোশাক, কালো ছোলা ও কেশর দান করতে পারেন। সম্ভব না হলে, সাধ্যের মধ্যে লাল রঙের যে কোনও জিনিস দান করা যেতে পারে।
৩. পৌষ সংক্রান্তির দিন সন্ধ্যাবেলা তুলসীগাছে ধূপকাঠি ও প্রদীপ জ্বালান।
৪. এই দিন গুড়ের তৈরি কোনও মিষ্টি বা পিঠে বা পায়েস ঠাকুরকে নৈবেদ্য হিসাবে দিন। তার পর বাড়ির সকলে মিলে সেই প্রসাদ ভাগ করে খান। বাড়ির শিশুদের সবার আগে খেতে দিন। তার পর বড়রা খান।
৫. মকর সংক্রান্তির দিন নিরামিষ আহার গ্রহণ করুন। এই দিন আমিষ কিছু খাওয়া উচিত নয়। যে কোনও প্রকার নেশাদ্রব্য থেকেও দূরে থাকুন।





