pingla Barta
ShareChat
click to see wallet page
@1449220574
1449220574
pingla Barta
@1449220574
pingla Barta Journalists Coucil of India
https://shuru.co.in/dl/6ZQnPg #বিজ্ঞান
https://shuru.co.in/dl/berjBV #বিজ্ঞান
https://shuru.co.in/dl/nUwNCC #বিজ্ঞান
বিজ্ঞান - ShareChat
নবরত্ন মন্দির(হাটিকুমরুল) মুর্শিদাবাদের নবাব মুর্শিদকুলী খাঁর আমলে (সময়টা ১৭০৪ থেকে ১৭২৮ খ্রিষ্টাব্দ) মন্দিরটি নির্মান করা হয়। হিন্দু স্থাপত্যের উজ্জ্বল নিদর্শন কারুকার্যমন্ডিত নবরত্ন মন্দিরটি ৩ তলা বিশিষ্ট। এ মন্দিরে আছে পোড়ামাটির ফলক সমৃদ্ধ ৯টি চূড়া। এজন্য এটিকে নবরত্ন মন্দির বলা হয়। দিনাজপুর জেলার কান্তজীর মন্দিরের অনুকরনে গঠিত তিনতলা এই মন্দিরের আয়তন ৬৫.২৪ বাই ৬৫.২৪। বর্গাকার মন্দিরটি প্রায় ২ ফুট প্লাটফরমের উপর তৈরি। মন্দিরের মূল কক্ষটি বেশ বড়। চারদিকের দেওয়ালের বাইরের চারপাশে পোড়ামাটির ফলক দিয়ে সাজানো ছিল। কালের বিবর্তনে প্রাকৃতিক আর মানুষের অবহেলায় সংস্কারের অভাবে নষ্ট হওয়া শুরু হলে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ মন্দিরটি অধিগ্রহন এবং নতুন করে এর সংস্কার করে। এটা দোলমঞ্চ নামেও পরিচিত । মন্দিরের উপরের রত্ন বা চূড়াগুলো অধিকাংশ নষ্ট হয়ে গেছে। নীচতলায় ২টি বারান্দা বেষ্টিত একটি গর্ভগৃহ। এর বারান্দার বাইরের দিকে ৭টি এবং ভিতরের দিকে ৫টি খিলান বা প্রবেশ পথ। গর্ভগৃহের পূর্ব ও দক্ষিন দিকে ২টি প্রবেশ পথ আর মন্দিরের ২য় তলায় কোন বারান্দা নেই। হাটিকুমরুল নবরত্ন মন্দির বাংলাদেশের সবচেয়ে সবচেয়ে বড় নবরত্ন মন্দির। মূল অবস্থায় মন্দিরটি পোড়ামাটির চিত্রফলক দ্বারা সাজানো যে ছিল সেটা মন্দিরটি খেলেই বোঝা যায় ছিল। এখনও মাটির গায়ে সামান্য কিছু চিত্রফলকের চিহ্ন খুঁজে পাওয়া যায়। এই মন্দিরটির কোন শিলালিপি বা নির্ধারিত পরিচয় পাওয়া যায়নি। স্থানীয়ভাবে এই মন্দির ভাদুরী জমিদারের বাড়ি আর সেই জমিদারীর মন্দির নামেই পরিচিত। অনেকে মনে করেন এই মন্দির খাজনা আদায়ের জন্য তৈরী করা হয়েছিল। এখানকার স্থানীয় লোকজনের পূর্বপুরুষের স্মৃতি হাতড়ে কেউ কখনো পূজা আর্চনা হতে দেখে নি। নবরত্ন মন্দিরের বাইরে পূজার আয়োজন হলেও ভেতরে পূজা হতে দেখেনি কেউ। এমনিভাবেই নবরত্ন মন্দিরকে দেখে এসেছে এলাকার মানুষজন। প্রথমদিকে সরকারের পক্ষ থেকে নবরত্ন মন্দিরে পূজার জন্য আয়োজনের কথা বলা হলেও দুটো কারণে স্থানীয় হিন্দু পরিবাররা রাজি হয়নি। এক, এটি জমিদারী সম্পত্তি হওয়ায়। প্রজা হিসেবে জমিদারী সম্পত্তি ব্যবহার যথাযোগ্য মনে করেনি তারা। দুই, এখানকার হিন্দু পরিবারদের আর্থিক অবস্থা ভালো ছিল। নবরত্ন মন্দিরে পূজা চালিয়ে যাওয়ার মতো সাধ্য এখানকার পরিবারগুলোর নেই। একারণে এ মন্দিরের ভেতরে পূজা না দিয়ে বাইরেই পূজা করতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করে এলাকার লোকজন। এই এলাকায় এখনো দুই তিন মাইল জুড়ে স্থানীয় মাপে তিন চার পুরুষ বা ২০/২৫ ফুট মাটি খুড়লে পুরনো লম্বা প্রাচীর এবং সারি সারি ইটের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়। ধারণা করা যায় জমিদারী আমলের এই জমিদার বাড়ি মাটির নীচে হারিয়ে গেছে। স্থানীয় লোকজনও এটা বিশ্বাস করে। তাদের ধারণা মন্দির গুলো জমিদার বাড়ির চেয়ে উঁচুতে ছিল অথবা দৈববলে মন্দিরগুলো মাটির নীচে হারিয়ে যায় নি। দোচালা ছনের ঘরের আদলে মন্দিরটার নাম নাট মন্দির যা স্থানীয় লোকজনের ভাষায় বাংলা মন্দির, আটকোণা মন্দিরটা শিব মন্দির, বড় মন্দিরটা নবরত্ন মন্দির আর নবরত্ন মন্দিরটার পেছন দিকে আরেকটু ভেতরের দিকে অলংকরণ করা আরেকটা প্রায় গোলাকার শিব মঠ। এ নিয়েই হাটিকুমরুল নবরত্ন মন্দির এলাকা।
https://shuru.co.in/dl/SCAd2A #বিজ্ঞান
বিজ্ঞান - ShareChat
মহিষাসুরমর্দিনী মণ্ডপ, মহাবালীপুরম! ছবিটি তুলেছিলাম ২০১৬ এর মার্চে! ড্রোন দিয়ে নয়। পাশে থাকা লাইট হাউজের মাথায় উঠে ছবিটি তোলা।মহাবলীপুরমের এ মণ্ডপটি অবস্থিত তামিলনাড়ুর ৩৮ তম জেলা চেঙ্গালপট্টু জেলার মহাবালীপুরম শহরে, বঙ্গোপসাগরের তীরে করমন্ডল উপকূলে। অবশ্য ২০১৬ তে মহাবলীপুরম শহর কাঞ্চিপুরম জেলার অধীনে ছিল। মহাবলীপুরম এক সময় বন্দর শহরও ছিল। পল্লব রাজবংশের সপ্তম শতাব্দীর শেষের দিকে ভারতবর্ষের রক-কাট স্থাপত্যের উদাহরণ মহিষাসুরমর্দিনী মণ্ডপ। এটি একটি পাথর কাটা গুহা মন্দির যা পাহাড়ের উপরে অবস্থিত । গুহাটি পল্লব বংশের রাজা নরসিংহবর্মণ(পল্লব বংশের একজন রাজা যিনি ৬৩০-৬৮৬ খ্রিস্টাব্দ দক্ষিণ ভারতে রাজত্ব করেছিলেন) এর সময়কালের, যার নাম অনুসারে এই শহরটির নামকরণ করা হয়। গ্রানাইট খোদাই করা গুহা মন্দিরে দেবী দুর্গার এক অবতার হিসাবে বিবেচিত দেবী মহিষাসুরমর্দিনীকে চিত্রিত করা হয়েছে এবং তার নামকরণ করা হয়েছে "মহিষাসুরমর্দিনী গুহ মন্দির" নামে। গুহার অভ্যন্তরীণ রিলিফ এই যুদ্ধকে চিত্রিত করে। দেবীকে সিংহের উপর আরোহিত দেখানো হয়েছে।