........যখন আমি এই মনুষ্য দেহ ধরায় রাখিবো না রে.....
তখনই হইবে মোর নাম প্রসার সারা বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে
তাই ভাসিতেছে জগত গণেশ পাগল প্রেম জোয়ারে
দিকে দিকে জাগিতেছে জনতা বিপুল হরষে
বহিতেছে বাবার মঙ্গল ধ্বনি পৃথিবীর অলিতে গলিতে
নারায়ণের অংশ অবতারে বাবা অবতীর্ণ এই মর্ত্যভূমিতে
...........🌹🌷 যুগান্তকারী নারায়ণ অংশাবতার🌷🌹............
........... দয়াময় শ্রী শ্রী গনেশ পাগল..............
🌺🙏 সুন্দর সুপ্রভাতে বাবা তোমার শ্রীচরণে প্রণাম🙏🌺
🌹🌹🌹 জয় বাবা শ্রী শ্রী গনেশ পাগল ভরসা 🌹🌹🌹 #🙂ভক্তি😊
দয়াময় শ্রী শ্রী গনেশ পাগল মহামানব নয়...... তিনি মহামানবদের
থেকে অনন্ত অনন্ত কোটি উর্ধ্বে
___________________________________________
................. অবতারবরিষ্ঠ ভগবান শ্রী শ্রী গনেশ বাবার আবির্ভাব সত্যই একটি যুগান্তকারী ঘটনা। বাইরে থেকে দেখলে এই আবির্ভাবকে সাধারণ ঘটনা বলে মনে হলেও এর তাৎপর্য সুদূরপ্রসারী। বিজ্ঞানপ্রধান এই আধুনিক যুগেও শ্রী শ্রী গনেশ বাবা তিনি দেহ ছেড়ে দেওয়ার পরেও ধরাধামে যা দেখিয়ে চলেছেন সেখানে বিজ্ঞান একেবারে নিস্তব্ধ ও নিষ্ক্রিয়। শ্রী শ্রী গনেশ বাবা তাহার জাগ্রতাপূর্ণ সাকার রূপ তিনি সকল ভক্তের কাছে শুধু যে প্রকাশিত করছেন তা-ই নয়। তানার ভক্ত বিনা সৎ আদর্শ নিয়ে চলা ধর্মপরায়ণ মানবের ভিতরেও নিজ গুনে সদয় হয়ে কৃপা বর্ষণ করে চলেছেন। যা এক অবিরল ঘটনার নির্দশন এই বিজ্ঞানের যুগে।
পাথরের মূর্তির মধ্যে যিনি প্রকাশিত তিনিই জীবন্ত মানুষের মধ্যে সচল। এটা শুধু বাবার ভক্তরাই অনুভব করছে সেটা ও নয়। তিনি মৃন্ময়ী মূর্তির ভেতর বিরাজিত হয়ে তানার একনিষ্ঠ ভক্তের সহিত আলাপন করছেন। এবং শুধু তাই নয় তিনি জলে স্থলে অন্তরীক্ষে, রাস্তাঘাটে সদা সর্বদা জাগ্রত হয়ে চিন্ময় রূপে ভক্তের সম্মুখে উপস্থিত হয়ে প্রিয় ভক্তের সুবিধা ও অসুবিধার খোঁজ নিচ্ছেন যা কিনা এই কলি যুগের এক অবিশ্বাস্য ঘটনার নির্দশন। যে যুগান্তকারী অংশাবতার তার নিজের ৩৬৫ বিঘা আশ্রমের ভূমি অধিগ্রহণ করার জন্য, দেহ রাখার একশত বৎসর বিগত হওয়ার পর নিজ স্বয়ং আবির্ভূত হয়ে আদালত মধ্যস্থ জর্জ সম্মুখে উপস্থিত হতে সক্ষম, সেই মহান অংশাবতারের উপর এই ধরাধামে আর কোন অংশ ধারনকারী অবতার আছে কি সন্দেহের বিষয়। তিনি ধরাধামে থাকাকালীন বহু মৃত ব্যক্তির দেহে জীবন ফিরিয়ে দিয়েছেন, বহু লেখকের গ্রন্থের মধ্যে তা লিপিবদ্ধ।
মহামানব ও অবতারের মধ্য বিভেদের পার্থক্য অনেকটাই দূরত্ব.... মহামানব মূলত একজন পথসন্ধানী ও পথপ্রদর্শক। তিনি নতুন পথ গড়ে তুলে জীবকে সেই পথে চলতে উপদেশ দেন।
........ আর অবতার বা অবতীর্ণ অংশাবতারের প্রধান ভূমিকা হলো....... তিনি বন্ধনমোচক এবং মুক্তিদাতা ও উদ্ধারকর্তা। অনিত্য অস্তিত্বের বন্ধন তিনি খন্ডন করেন।... তাই বীর সন্ন্যাসী স্বামী বিবেকানন্দ তাঁর বিখ্যাত সান্ধ্য আরাত্রিক স্তোত্র শুরু করেছিলেন "খন্ডন-ভব-বন্ধন" এই কথাগুলির মধ্য দিয়ে।
.... এক প্রশ্নোত্তর পর্বে স্বামী বিবেকানন্দ অবতারের সংজ্ঞা দিয়েছিলেন "কপালমোচন" বলে। অর্থাৎ যিনি জীবের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারেন। জীবের পূর্ব-পূর্ব জন্মের সঞ্চিত কর্মফল নাশ বা পরিবর্তিত করতে পারেন।.... জীবের সঞ্চিত কর্মফল বিনাশ বা পরিবর্তন করার ক্ষমতা কোন মানব বা কোন মহামানবের থাকে না। কেবল তা ঈশ্বর বা অবতারের পক্ষেই একমাত্র সম্ভব। এই প্রধান গুণ গুলো যার ভেতর বিদ্যমান কেবল সেই দশের অধিক অবতার বা অংশাবতার।... তাই যুগান্তকারী নারায়ন অংশাবতার মহাত্মা শ্রী শ্রী গনেশ পাগলের ভিতরেও এই আপেক্ষিক গুণ বা ক্ষমতা স্বচক্ষে বিদ্যমান। এটা বহু সংখ্যক লোক উপলব্ধি করতে পেরেছেন। যারা শ্রী শ্রী গনেশ পাগলের একদম নিকটস্থ।...... শ্রী শ্রী গনেশ পাগল ভব-বন্ধন খন্ডন করে অসংখ্য জীবের মুক্তি দিয়ে চলেছেন এই বিজ্ঞান বিশ্বাসী বিখ্যাত ধরায়।... সেই সত্য যুগের আদি নারায়ণ ও আদ্যাশক্তি মহামায়ার সম্পূর্ণ অভেদ রূপে তিনি বিরাজ করছেন।.….."যে নারায়ন যেই কালি সেই পাগল" এই মহাত্মা গনেশ পাগলের নামের পূর্বে উপাধি মহামানব রূপে দেখিতে পাই। মানবের স্বরূপ মহামানব। আমরা তাহাকে ভুলবশত মানব রূপের উপাধি মহামানব দিয়ে আসছি যাহা কি পৃথিবীর ইতিহাসে এক অবিরল উপাধি, যাহার কোন অস্তিত্বই নেই, সত্যিই লজ্জার বিষয়। যুগান্তকারী নারায়ণ অংশাবতার শ্রী শ্রী গনেশ পাগল মহামানবদের থেকে অনন্ত অনন্ত কোটি ঊর্ধ্বে। পৃথিবীর কোন ধর্ম সম্বন্ধীয় ইতিহাসের পাতায় পাওয়া যাবে না, কোন মহাযোগী, মহাসাধক, বীর সন্ন্যাসী এবং মহা মনীষীর নামের পূর্বে উপাধি মানব রূপের মহামানব। একমাত্র জগতের আদি হরি সেই নারায়ণ দেবের অংশ ধারণকারী অবতার বরিষ্ঠ শ্রী শ্রী গণেশ পাগলের নামের পূর্বে মানব রুপি মহামানব উপাধি। এই উপাধি দিয়ে মহাত্মা শ্রীশ্রী গনেশ পাগল কে কতইনা ছোট করে চলেছি। এটা শুধু ভুল নয়, ভুলের উপর ভুল। মহাত্মা শ্রী শ্রী গনেশ পাগলের অমৃতময় অপূর্ব জন্ম বৃত্তান্তের ভিতরেও তার আসল অবতারীত্বের পরিচয় প্রস্ফুটিত হয়ে আছে।
......... ভক্তের নিকট প্রকাশিলে সেই ভক্তই জ্ঞ্যাতীত হইবে........
............. এসেছি আমি শঙ্খ চক্র গদাধারীর অংশ হয়ে............
_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
🌺🌺🌺 পাগল সহায় অধম 🌺🌺🌺 #🙂ভক্তি😊
.......কিছু সংখ্যক জীব তোমায় না জেনে মহামানব বলে
অজ্ঞান জ্ঞানে তোমায় তারা মানব উপাধি দিয়েছে ভুলে
সনাতনী শাস্ত্র গ্রন্থে নেই কভু মহামানব উপাধি রূপে
কেবল তব নামের অগ্রভাগে মানব উপাধি দেখছি ভবে
এসেছ তুমি অবতীর্ণ রূপে নারায়ণ দেবের অংশ হয়ে
ব্রহ্মশক্তির অধিকারী কে যায় না বলা মানব বলে
অবতার বরিষ্ঠ অভেদব্রহ্ম তুমি, তা শুধু এই অধম জানে
...........🌹🌷 যুগান্তকারী নারায়ণ অংশাবতার🌷🌹............
........... দয়াময় শ্রী শ্রী গনেশ পাগল..............
🌺🙏 সুন্দর সুপ্রভাতে বাবা তোমার শ্রীচরণে প্রণাম🙏🌺
🌹🌹🌹 জয় বাবা শ্রী শ্রী গনেশ পাগল ভরসা 🌹🌹🌹 #🙂ভক্তি😊
হৃদয়-গাছে ফুল ফুটেছে ওগো মোর
মাতা পিতা কালী-কেষ্ট ক্ষ্যাপা,
তোমাদের ওই চরণ তলে ঝরিবে বোলে
ফুলের এই সৃষ্টিকর্তা বিশ্ব বিধাতা
দাও গো মোর মাতা পিতা পাতিয়া ওই চরণ যুগল
মোর বক্ষ মাঝারে,
আমি যতন করে দেবো গো
তোমাদের ওই রাঙা চরণ সাজিয়ে
বিধাতার একি লীলা দিচ্ছে এই অশ্রু গঙ্গা
মোর দু নয়ন ঝরিয়ে,
অঝোর ধারার অশ্রু গঙ্গা পড়বে বলে
তোমাদের ওই চরণ যুগলে।
দাও গো মোর মাতা পিতা চরণ বাড়িয়ে
মোর বক্ষ মাঝারে,
আমি যতন করে দেবো গো এই গঙ্গা দিয়ে
ওই রাঙা চরণ ধোয়াইয়ে।
সেই তো মোর মন ময়না গান ধরেছে মাতা পিতার
ধারা অশ্রু দিয়ে,
সবিশেষে করি প্রার্থনা জগতের করুণা সিন্ধু রূপে
মোর কালী-ক্ষ্যাপা কে।।
_ _ _ _ _ _ _ _ _ _
. .....🌺🌺🌺.( পাগল সহায় অধম ).🌺🌺🌺.. #🙂ভক্তি😊
.........মানাপমানয়োস্তল্যস্তল্যো মিত্রারিপক্ষয়োঃ ........
সর্ববারম্ভ পরিত্যাগী গুনাতীতঃ স উচ্যতে
ব্রহ্মঅভেদ অবতার বরিষ্ঠ শ্রী শ্রী গনেশ পাগল সত্ত্ব,রজঃ ও তমোগুণের অতীত। তিনি মর্ত্যধামে স্থূল দেহে বিরাজ কালে এই তিন গুণকে অতিক্রম করে ত্রিগুনাতীত রূপে নারায়ণ দেবের অবশিষ্ট কার্যাদি পরিসম্পন্ন করতেন। স্বয়ং জগৎ হরি নারায়ণ তানার সর্বশক্তি ও সর্বাংশ প্রদান করে শ্রী শ্রী গনেশ কে পাগল রূপে মর্ত্যধামে অবতরণ করিয়েছিলেন। মান-অপমান, শত্রু- মিত্র, স্বর্ণ-পাথর এবং সর্ব কর্মে স্থিতি রেখে ত্রিগুণের অতীত হয়ে শ্রী শ্রী গনেশ পাগল জীবের ভবোবন্ধন খণ্ডন করে অগণন জীবকে মুক্তি দিয়েছেন। তিনি কলির এই সন্ধিক্ষণে নারায়ণ দেবের আলয়ে অবস্থান করা সত্ত্বেও সূক্ষ্ম দেহ ধারণ করে রণে বনে জলে জঙ্গলে অগনন বিপর্যস্ত জীবের সম্মুখে সাকার রূপে আবির্ভূত হয়ে জীবের বিপর্যস্ত দশা হইতে মুক্তি দিয়ে চলেছেন। যাহা কিনা সত্য ত্রেতা দ্বাপর কলির একমাত্র যুগান্তকারী নির্দেশন।
......যুগান্তকারী নারায়ন অংশাবতার শ্রী শ্রী গনেশ পাগল ....
সেবা শান্তি মুক্তি দিতে জীবের তরে মর্ত্যধামে আগমন
শ্রীহরি নারায়ণের বচন একমাত্র গণেশ পাগল তারই সমতন
নিশান তুলে জয় পাগলের ধ্বনি দিয়ে কাটাও জীবের অমঙ্গল #🙂ভক্তি😊
.........মানাপমানয়োস্তল্যস্তল্যো মিত্রারিপক্ষয়োঃ ........
সর্ববারম্ভ পরিত্যাগী গুনাতীতঃ স উচ্যতে
ব্রহ্মঅভেদ অবতার বরিষ্ঠ শ্রী শ্রী গনেশ পাগল সত্ত্ব,রজঃ ও তমোগুণের অতীত। তিনি মর্ত্যধামে স্থূল দেহে বিরাজ কালে এই তিন গুণকে অতিক্রম করে ত্রিগুনাতীত রূপে নারায়ণ দেবের অবশিষ্ট কার্যাদি পরিসম্পন্ন করতেন। স্বয়ং জগৎ হরি নারায়ণ তানার সর্বশক্তি ও সর্বাংশ প্রদান করে শ্রী শ্রী গনেশ কে পাগল রূপে মর্ত্যধামে অবতরণ করিয়েছিলেন। মান-অপমান, শত্রু- মিত্র, স্বর্ণ-পাথর এবং সর্ব কর্মে স্থিতি রেখে ত্রিগুণের অতীত হয়ে শ্রী শ্রী গনেশ পাগল জীবের ভবোবন্ধন খণ্ডন করে অগণন জীবকে মুক্তি দিয়েছেন। তিনি কলির এই সন্ধিক্ষণে নারায়ণ দেবের আলয়ে অবস্থান করা সত্ত্বেও সূক্ষ্ম দেহ ধারণ করে রণে বনে জলে জঙ্গলে অগনন বিপর্যস্ত জীবের সম্মুখে সাকার রূপে আবির্ভূত হয়ে জীবের বিপর্যস্ত দশা হইতে মুক্তি দিয়ে চলেছেন। যাহা কিনা সত্য ত্রেতা দ্বাপর কলির একমাত্র যুগান্তকারী নির্দেশন।
......যুগান্তকারী নারায়ন অংশাবতার শ্রী শ্রী গনেশ পাগল ....
সেবা শান্তি মুক্তি দিতে জীবের তরে মর্ত্যধামে আগমন
শ্রীহরি নারায়ণের বচন একমাত্র গণেশ পাগল তারই সমতন
নিশান তুলে জয় পাগলের ধ্বনি দিয়ে কাটাও জীবের অমঙ্গল #🙂ভক্তি😊
🌹🌷সর্ব জীব কল্যাণকারী, পাপীর পাপ মোচনকারী, এবং মুক্তিদাতা... মহাত্মা শ্রী শ্রী গনেশ পাগল যার নামের মহাত্ম্য আত্মদর্শন, যে শিক্ষা দিয়ে চলেছে এই পৃথিবীর বিজ্ঞান বিশ্বাসী মানব সমাজকে, যেখানে বিজ্ঞান এক্কেবারেই নিষ্ক্রিয় এবং নিস্তব্ধ। যার নামের গুণে সেরে যাচ্ছে কঠিন ব্যাধি। মানত করলে পূর্ণ হচ্ছে সর্ব জীবের মনস্কামনা... যেখানে শুধু মানব নয়, মানব ব্যতীত পশুপাখি কীটপতঙ্গ ও উদ্ভিদসমূহ প্রত্যেকের। সেই যুগান্তকারী নারায়ণ অংশাবতার আমার প্রাণপ্রিয় গণেশ বাবা তার শ্রীপাদপদ্মে সুন্দর এই সুপ্রভাতে সকল ভক্তের মঙ্গলার্থে রইলো এই অধম সন্তানের শত সহস্র কোটি প্রণাম।
তাই দিন প্রতিদিন হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিস্টান সবাই বাবার পূণ্যচরণ স্পর্শে জাগিতেছে জনতা বিপুল হর্ষে এই বিজ্ঞান বিশ্বাসী আধুনিক যুগে।
বাবা সর্বজীবের একমাত্র ভরসা তুমিই, জয় বাবা #🙂ভক্তি😊
যুগান্তকারী নারায়ণ অংশাবতার মহাত্মা শ্রীশ্রী গণেশ পাগলের অমৃত ময় অপূর্ব জন্ম বৃত্তান্ত অতি সংক্ষেপে বর্ণনা। এই জন্ম বৃত্তান্তের ভিতরেই জন্মসিদ্ধ অবতার বরিষ্ঠের প্রকাশ এবং গনেশ পাগলের অবতারীত্বের পরিচয়।
.............. পাগলের জন্ম কথা অমৃতের সমান................
............. যে শুনিবে যে পড়িবে সেই ভাগ্যবান..............
ব্রহ্ম শক্তির অধিকারী শ্রীশ্রী গনেশ পাগল পুত্ররূপে নারায়ণ দেবের অংশ হয়ে ধরায় অবতীর্ণ অংশাবতার। যাহা কিনা ধরা মাঝে অনন্ত অসীম ব্রহ্মঅভেদ ক্ষমতা পারিনি দর্শাতে পাগল ভিন্ন দ্বিতীয় কোন অবতার। দেহ রেখে বিগত ১০০ বছর পর সূক্ষ্মদেহ ধারণ করে স্বয়ং আবির্ভূতে ৩৬৫ বিঘার নিজস্ব লীলা ভূমি দলিল করে জর্জ সম্মুখে দাঁড়িয়ে। বিচিত্র এরূপ যুগান্তকারী ভব লীলা পাগল ভিন্ন আর কেবা পেরেছে পৃথিবীর এই মর্ত্যধামে দর্শাতে। তাই কলির এই সন্ধিক্ষণে শ্রীশ্রী গনেশ পাগল যুগান্তকারী অংশাবতার রুপে সর্বোপরি এবং অনন্ত কোটি ঊর্ধ্বে।
.......................... বাংলাদেশের বৃহত্তর ফরিদপুরের দক্ষিনে গোপালগঞ্জ জেলার অন্তর্গত কোটালীপাড়া উপজেলার ছোট্ট একটি গ্রাম নাম পোলসাইর। সেই গ্রামের একজন সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি কেনাই বৈরাগী, তার মেঝো পুত্র শিরোমনি বৈরাগী। শিরোমনির স্ত্রী নামে নারায়নী.…তিনি ছিলেন স্বামী পরায়ণা সতী সাধ্বী এবং ঈশ্বরের প্রতি অতি ভক্তিমতী মহিলা। নিঃসন্তান অবস্থায় জীবনের অনেক দিন পার করে যাচ্ছিলেন। স্ত্রী নারায়নী প্রতিনিয়ত সকাল-সন্ধ্যায় নারায়ন দেব কে ভজনা করে চলছিলেন। এই ভাবেই দিন কাটতে থাকে নারায়নীর। একদিন হঠাৎ রাত্রে নিশিযোগে তাদের ঘর অজানা আলোতে আলোকিত হয়ে দিব্য জ্যোতি জ্বলে ওঠে.... স্বামী শিরোমনি তখন নিকটে। নটবর শ্যাম রূপে গলে তার বনমালা, এই নীরোদ মূর্তি দেখে নারায়ণীর মন তখন ভয়ে ভীত ও আকুল অবস্থা। হঠাৎ দিব্যজ্যোতি ভেদ করে শঙ্খ চক্র গদা পদ্মধারী স্বয়ং নারায়ণ মূর্তি ভেসে উঠল তার সম্মুখ পানে। নারায়নী বাকশূন্য ও হতভম্ব হয়ে নারায়ণ দেবের মুখ পানে চেয়ে রইলেন। সূর্যের রশ্মির স্বরূপ অত্যন্ত প্রখর নারায়ণের রুপের ঝলকে তার চোখ দুটো অসাড়ে বুজে আসে, বাকরুদ্ধ অবস্থায় মাতা নারায়ণীর মুখ থেকে কথা বেরোয় না।
হঠাৎ অমিও কন্ঠ নারায়নীর কান দ্বয়ে প্রতিধ্বনিত
মাগো তোমার সেবায় পদ্মধারী দেব নারায়ন সন্তুষ্ট
........... সহসা এক অজানা মধুর অমিয় কন্ঠের বচন ধীরে ধীরে মাতা নারায়নীর কানে আসতে লাগলো.....ধীরে ধীরে স্বয়ং জগৎ হরি নারায়ন বলছেন" মাগো আমি তোমার সেবায় সন্তুষ্ট" তোমার মনের অভিলাষ পূর্ণ করতে এসেছি, আমার সমকক্ষ আরেকটা গুণ সম্পন্ন অমূল্য রত্ন তোমার গর্ভে জন্মগ্রহণ করতে চলেছে তার জীবন থাকবে অসম্ভব অলৌকিক লীলায় ভরপুর। এই ধরাধামে আমার বাকি অসমাপ্ত অধিকাংশ কার্যগুলি তার দ্বারা সম্পূর্ণ হইবে। সে লীলা শেষ করে আমার বৈকুন্ঠের আলয়ে পুনরায় ফিরে আসবে।
মধুর অমিও কণ্ঠে ধীরে ধীরে নারায়ণ কহিছে
মাগো মম সম গুণসম্পন্ন তব পুত্র হবে মম বরে
বহু অলৌকিক লীলা সে করিবে প্রকাশ ত্রিভুবনে
অন্তে লীলা শেষে চলিয়া আসিবে আমারই বৈকুণ্ঠে
কি আশ্চর্য ত্রিভুবন মাতানো কথা স্বয়ং নারায়ন দেব ব্যক্ত করিলেন পাগল মাতা নারায়নীকে ( "মম সম গুণসম্পন্ন তব পুত্র হবে মম বরে ") নারায়ণ দেবের সমকক্ষ মাতা নারায়ণীর কে সেই পুত্র ? সেই পুত্র যুগান্তকারী অবতীর্ণ নারায়ন অংশাবতার মহাত্মা শ্রীশ্রী গনেশ পাগল, বিশাল এই ধরায় বর্তমান সে পাগল কাহারো অজানা নয়.... স্বয়ং নারায়ণ দেব ব্যাক্ত করলেন "আমার সমান হবে তোমার পুত্র"। আমার থেকে কোন অংশে কম হবে না সে। আমি তাকে পাঠাচ্ছি, "তাই এখানে পরিষ্কার চিত্রে প্রস্ফুটিত স্বয়ং নারায়ণের থেকে কোন অংশে কম নয় জন্মসিদ্ধ অবতার বরিষ্ঠ নারায়ন দেবের বর পুত্র শ্রী শ্রী গনেশ পাগল।... সেই নারায়ণ দেবের অংশ ধারণ করে বর পুত্র রূপে ধরাধামে অবতীর্ণ।
গণেশ পাগল ধরাধামে সামান্য তো নহে
ধরায় অবতীর্ণ সে পাগল, নারায়ণ সমতনে
.................... ধীরে ধীরে অদৃশ্য হলেন শঙ্খ চক্র গদা পদ্মধারী নারায়ন।... সেই মুহূর্তে নারায়নী চেতন শক্তি হারিয়ে ঢলে পড়লেন গৃহ মাঝে। কিছুক্ষণে নারায়ণীর চেতন শক্তি ধীরে ধীরে ফিরে এলো। মহানন্দে সারা নিশি জেগে রইল, চোখের পাতা বুজলো না।
কালক্রমে নারায়ন দেবের বরে নারায়নী গর্ভবতী হলেন। দশ মাস দশ দিন গত হতেই ঘনায়ে এলো প্রসবের দিন। সে দিনটি ছিল গণেশ পূজার দিন ১২৫৫ সাল শুভ শুক্রবার সরস্বতী পূজার পূর্ব দিন বরদা চতুর্থী। উষার আলো ভেদ করে ব্রহ্মের অভেদ রূপে আজানু লম্বিত বাহু চৌরাশ কপাল নিয়ে নারায়ণের অংশ হয়ে জন্ম নিলেন অমূল্য রত্নের স্বরূপ অবতার বরিষ্ঠ এক ফুটফুটে সন্তান। কুল বধুগনে উলুধ্বনি দিয়ে বরণ করে নিল ধাত্রীরা। সামান্য বিদ্বান ছিল পিতামহ কেনাই বৈরাগী, পঞ্জিকা খুলে দেখলেন নাতির আবির্ভাব হয়েছে গণেশ পূজার দিনে। তাই পিতামহ আনন্দের সহিত নাম রাখিলেন গণেশ। দিনে দিনে সে গণেশ নারায়ণের সমশক্তিতে ব্রহ্মের অভেদ রূপে ছয় বছর বয়স উত্তীর্ণ হতেই প্রথম সিদ্ধ বাক্য ধরা মাঝে আঘাত হানে….....
বিনা দোষে চুবাইলি চরণ বৃহৎ তোর কুয়ায়
হইল নিশ্চিহ্ন মাছ মৎসাদি মোর এই কথায়
সেই ছয় বছর বয়সী গণেশের প্রথম সিদ্ধ বাক্যের অভিশাপে পাগল মাতা নারায়নীর কাকা চরণ বাগচির বিশাল পুকুরের সমস্ত মাছ এবং সমস্ত জলজ প্রাণী চিরতরে মুহূর্তের মধ্য নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল। সেদিন হইতে সেই চরণ বাগচির পুকুরে মাছ তো দূরের কথা একটা জলজ পোকা পর্যন্ত কারো চোখে দৃশ্যমান হয়নি। কালক্রমে একে একে ধরা মাঝে অদ্ভুত বিচিত্র লীলার অধিকারী রূপে প্রকাশিত হতে লাগলেন। এইভাবে ধরাধামে ৮০ বছর ২ মাস ২৮ দিন স্থূল বা নশ্বর দেহ ধারণ করে হাজারো অসাধ্য সাধন করা বিচিত্র লীলার সাক্ষী রেখে নশ্বর দেহ পরিত্যাগ করে সূক্ষ্ম দেহে পিতৃদেব নারায়ন আলয়ে গমন করেন। গমনের সুদিনটি ছিল ১৩৩৫ বঙ্গাব্দ ১১ ই চৈত্র রবিবার গোধূলি লগ্ন ফাল্গুনী দোল পূর্ণিমা তিথি। পিতৃালয় গমনের পূর্বে ভক্ত মাঝে নিম্নলিখিত বার্তাটি ব্যক্ত করেছিলেন।
যবে মনুষ্যরূপী দেহ ত্যাগ করে রহিব বৈকুণ্ঠে
হইবে তবে মোর নাম প্রসার সারা বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে
তাই নারায়ণ দেবের অংশ হয়ে সূক্ষ্ম রূপে বাবা গনেশ ফুটিয়ে চলেছে কলির ফুল বিশাল ধরামাঝে.. তাহারি প্রমাণ বিশ্বখ্যাত কুম্ভ মেলার নির্দশন সারা দেশ-বিদেশে। এই বিজ্ঞান বিশ্বাসী যুগেও জলে জঙ্গলে রাস্তা ঘাটে সর্ব স্থানে সাকার রূপে স্বয়ং আবির্ভূতে শ্রীশ্রী গনেশ পাগল আলাপন করছেন বিপদগ্রস্ত ভক্তের সাথে। যাহা কিনা কলির বিরল থেকে বিরল সর্বোচ্চ এক যুগান্তকারী অভূতপূর্ব নির্দশন। সত্য ত্রেতা দাপর এই তিন যুগেও এরূপ যুগান্তকারী নির্দেশন একেবারেই অস্তিত্ব বিহীন। কলির এই সন্ধিক্ষণে সেই বিরল প্রকৃতির জাগ্রতপূর্ণ সাকার রূপের যুগান্তকারী নির্দশন দেখিয়ে চলেছেন একমাত্র অবতার বরিষ্ঠ মহাত্মা শ্রী শ্রী গনেশ পাগল। তাই পাগলের কৃপায় মরা গাছে ফোটে ফুল এবং বোবায় বলে কথা আর অসংখ্য বন্ধ্যাত্ব নারীর পূরণ হয় সন্তান প্রাপ্তির আশা।
পাগলের অপূর্ব জন্ম কথা বিখ্যাত ধরায়
ভক্তিতে শুনিলে হয় তার ভাগ্যের উদয়
সন্তান জ্ঞানে বাবা কৃপা করো গো আমায়
এই অভাগা অধম কাঁদে তব চরণের তলায়
_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
🌺🌺🌺 পাগল সহায় অধম 🌺🌺🌺 #🙂ভক্তি😊
🌹🌷 সুপ্রভাত 🌷🌹 জয় বাবা শ্রী শ্রী গনেশ পাগল ভরসা 🌹
...................🌺 পাপ আর পারা কখনো চাপা থাকে না, প্রেম ও পবিত্রতা ও সেই রকম চাপা থাকে না। ঠিক তেমনি আগুনকে ও কাপড় দিয়ে ঢাকা দেওয়া যায় না। এখানে দয়াময় শ্রী শ্রী গনেশ বাবাকে ও আগুনের সঙ্গে তুলনা করলো এই পাগল সহায় অধম।
🌺 যার আমি, আমার বলতে কিছুই নেই ভবে, তিনি নিজেকে -
যতই চোখচক্ষুর অন্তরালে রাখুক না কেন, তার জ্ঞানের আলোয়
সমস্ত জগৎ উদ্ভাসিত হয়, তার ভগবৎপ্রেমের বন্যায় সমস্ত জগৎ
প্লাবিত হয়। এই কথাটির সঙ্গে দয়াময় যুগান্তকারী অবতার শ্রী শ্রী
গনেশ পাগলের কথা প্রথমেই স্মরণ করা যেতে পারে।
🌺 এখানে অনেক ভক্তের মনে প্রশ্ন আসতে পারে যুগান্তকারী
অবতার বলার ক্ষেত্রে। মহাত্মা শ্রীশ্রী গনেশ পাগলকে কেউ সাধু, কেউ মহাপুরুষ, কেউ মহামানব রূপে চিহ্নিত করে, ঠিক তখন এই পাগল সহায় অধমের মনটা কেঁদে ওঠে। এই অধমের বিবেচনায়
চলে আসে যে এত বড় ব্রহ্মশক্তির অধিকারীকে সাধু, মহাপুরুষ, মহামানব রূপে আখ্যা দিয়ে কতটা নিচ স্থানে অবস্থান করাচ্ছি এই
যুগান্তকারী অবতার কে। উপনিষদ অনুযায়ী যোগী বা মুক্ত পুরুষের আত্মা যোগযুক্ত অবস্থায় ব্রহ্মের অভেদ। এবং এই যোগী বা মুক্ত পুরুষ দেহ রাখার পর তাদের আত্মা আরও শক্তি সঞ্চয়
করে। সেই হিসাবে মহাত্মা বা অবতার শ্রীশ্রী গনেশ পাগলকে
ব্রহ্মের অভেদ স্বীকার করা যায়। অনেকে ভেবে থাকেন শ্রী শ্রী গনেশ পাগল শুধু সাধনায় সিদ্ধি লাভ করে একজন মহাপুরুষে রূপান্তরিত হয়েছে। এই ধারণাটা সম্পূর্ণরূপে ভুল, শ্রী শ্রী গনেশ পাগলের কৈশোর কালে অনেক হুবহু লীলা বা ঘটনা প্রকাশিত আছে আমাদের মাঝে, তার মধ্য ছোট্ট একটি ঘটনার উদাহরণ
স্বরূপ তুলে ধরলাম, শ্রীশ্রী পাগলের কাকা চরণ বৈরাগী তার নিজের পুকুরে শ্রী শ্রী পাগলকে রাগবশত জলে চুবিয়েছিল, তখন চলছিল শ্রী শ্রী পাগলের বাল্যকাল। চুবানোর কারণটা এখানে ব্যাখ্যা করলাম না। সেই বাল্যকালে তার কাকা চরণ বৈরাগীকে অভিশাপ দিয়েছিল তোর পুকুরে কভু মাছ থাকবে না, সেই অভিশাপে এখনো পর্যন্ত সেই পুকুরে মাছ তো অনেক দূরের কথা একটা পোকা পর্যন্ত পড়ে না। এখানে প্রশ্ন উঠে আসে বাল্যকালে তো শ্রী শ্রী পাগল সিদ্ধি লাভ করেনি, তখন কোন শক্তির আঁধার রূপে এত বড় লীলার অধিকারী হয়েছিল তিনি। এখানে পাগলের
জন্ম সম্পর্কে একটু তুলে ধরলাম, শ্রী শ্রী পাগল স্বয়ং নারায়ণ
দেবের আশীর্বাদ পুষ্ট বরে এই ধরাধামে এসেছিল, নিশি যোগে
পাগলের মাতাকে সৌমমূর্তি বেশে স্বয়ং পদ্মধারী নারায়ন বলেছিল
মাতা তোর গর্ভে আসিতেছে এক অমূল্য রতন, সে হবে মোর
সমতন। সে এই কলির জীবের উদ্ধার কার্যে স্বয়ং ভগবানের স্থান
করবে দখল। এই কলিতে সে বহু লীলা প্রকাশিত করবে, প্রকাশিত
করার পর আবার আমার আলয় ফিরে আসবে। এখানেও
পরিষ্কারভাবে ফুটে উঠছে নারায়ণের অংশ হয়ে শ্রীশ্রী পাগল
এই ধরাধামে এসেছে। তাহলে ভাবার বিষয় তিনি কি সাধারণ সাধু,
না সাধারণ মহাপুরুষ, না সাধারণ মহামানব। এখনো পর্যন্ত দেহ রাখার পর শ্রী শ্রী পাগল যে শক্তির আধার রূপে অবাস্তব লীলা প্রকাশিত করছে এই চিত্র থেকে ফুটে উঠছে তিনি একজন নারায়ণের অংশবিশেষ অবতার বা একজন অবতারী মহাপুরুষ।
এখানে দৃষ্টান্ত মূলক ভাবে শুধু সিদ্ধি লভী মহাপুরুষ বলে কোনো ভাবেই আখ্যা দেওয়া যায়না শ্রীশ্রী পাগলকে। তিনি ব্রহ্ম শক্তির উৎস নিয়ে এবং নারায়ণের অংশ নিয়েই এই ধরাধামে অবতীর্ণ হয়েছে এই কলির ফুল ফোটানোর জন্য।
🌺 এই কলি যুগে সেই ধন্য যে এইরকম ব্রহ্মজ্ঞ অবতারী মহাপুরুষের আশ্রয় কৃপা লাভ করে, এই রূপ অবতারী মহাপুরুষের ভিতর থেকে এমন তেজ ও শক্তির প্রকাশ হয় যে, তার সংস্পর্শে এসে অসাধু সাধু হয়ে যায়, মহাপাপী ধার্মিক ও সত্যনিষ্ঠ হয়। নাস্তিক ও ভগবদ্ভক্ত হয়ে যায়, সংসার তাপে তাপিত
ব্যক্তি শান্তির অধিকারী হয়।
🌺 দেহ রাখার পর কি অসীম ক্ষমতা তোমার, দিলে তা দেখিয়ে
আশ্রম ওই চারশো বিঘা করিলে দলিল জর্জ সম্মুখে দাঁড়িয়ে
কি মধুর লীলা যাহা পারিনি দেখাতে স্বয়ং ঈশ্বর এই কলি যুগেতে
( ( জয় বাবা শ্রী শ্রী গনেশ পাগল ভরসা )) #🙂ভক্তি😊





![🙂ভক্তি😊 - সেব] (ాగౌ শান্তি শান্ত মুক্তি آآ সুরুপ্রভাত আশ্রম পঁচপোতী স্ুতি:I ভাচপূবর্য যুগাম্তকারী_নারায়ণ অংশাবভার শর ত্ররী গণল পাগল সেব] (ాగౌ শান্তি শান্ত মুক্তি آآ সুরুপ্রভাত আশ্রম পঁচপোতী স্ুতি:I ভাচপূবর্য যুগাম্তকারী_নারায়ণ অংশাবভার শর ত্ররী গণল পাগল - ShareChat 🙂ভক্তি😊 - সেব] (ాగౌ শান্তি শান্ত মুক্তি آآ সুরুপ্রভাত আশ্রম পঁচপোতী স্ুতি:I ভাচপূবর্য যুগাম্তকারী_নারায়ণ অংশাবভার শর ত্ররী গণল পাগল সেব] (ాగౌ শান্তি শান্ত মুক্তি آآ সুরুপ্রভাত আশ্রম পঁচপোতী স্ুতি:I ভাচপূবর্য যুগাম্তকারী_নারায়ণ অংশাবভার শর ত্ররী গণল পাগল - ShareChat](https://cdn4.sharechat.com/bd5223f_s1w/compressed_gm_40_img_41864_d1854cc_1768874038137_sc.jpg?tenant=sc&referrer=user-profile-service%2FrequestType50&f=137_sc.jpg)
![🙂ভক্তি😊 - সেব] 4l शढि শান্তি মুক্তি মুক্তি लजकत আশ্রম পাঁচপোভা স্ুতি:্নী ভামঙবর্ষ যুগান্তকারী_নারায়ন অংশাবতার aiai srt Astt সেব] 4l शढि শান্তি মুক্তি মুক্তি लजकत আশ্রম পাঁচপোভা স্ুতি:্নী ভামঙবর্ষ যুগান্তকারী_নারায়ন অংশাবতার aiai srt Astt - ShareChat 🙂ভক্তি😊 - সেব] 4l शढि শান্তি মুক্তি মুক্তি लजकत আশ্রম পাঁচপোভা স্ুতি:্নী ভামঙবর্ষ যুগান্তকারী_নারায়ন অংশাবতার aiai srt Astt সেব] 4l शढि শান্তি মুক্তি মুক্তি लजकत আশ্রম পাঁচপোভা স্ুতি:্নী ভামঙবর্ষ যুগান্তকারী_নারায়ন অংশাবতার aiai srt Astt - ShareChat](https://cdn4.sharechat.com/bd5223f_s1w/compressed_gm_40_img_931788_38438d25_1768827929567_sc.jpg?tenant=sc&referrer=user-profile-service%2FrequestType50&f=567_sc.jpg)






