-পাগল সহায় প্রদ্যুৎ চাকলাদার
ShareChat
click to see wallet page
@1539023654
1539023654
-পাগল সহায় প্রদ্যুৎ চাকলাদার
@1539023654
আই লাভ শেয়ারচ্যাট
যুগান্তকারী নারায়ণ অংশাবতার দয়াময় শ্রীশ্রী গনেশ পাগলের অস্বাভাবিক লীলা অতি সংক্ষেপে বর্ণনা।....... বাংলাদেশের বড়ই ভিটা নামক গ্রামের জন্ম অন্ধ নিতাইয়ের পাগল কৃপায় অন্ধত্ব মোক্ষণ পাগলের অন্ধত্ব মোক্ষন মধুর লীলা লহরী শুদ্ধমন শ্রবণে হ্রাসেনা কভু চোখের দৃষ্টিশক্তি বড়ই ভিটা নামক গাঁয়ের বিধাতা বিমুখ জন্ম অন্ধ নাম তার নিতাই। চির অন্ধের কারণে সে ছটফট করতে থাকে এবং জন্ম অন্ধ মনে করে নিতাই অতি দুঃখ কষ্ট নিয়ে জনম কাটায়। পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করে জগতের মুখ দেখতে পায়না এবং কে পিতা কে মাতা কে ভগ্নি কে ভাই সবই তার অদৃশ্য। তার এই পৃথিবীতে জন্ম নেয়া ব্যর্থ, সে নিজেকেই অপদার্থ মনে করে। তার এই পৃথিবীতে বেঁচে থেকে কি লাভ, বাঁচার থেকে তার শতগুনে মৃত্যুই ভালো এই তার সদা চিন্তা। না দেখিনু চন্দ্র সূর্য পশু পাখি কীটপতঙ্গ পৃথিবীতে জন্ম নেওয়া সবই মোর ব্যর্থ এই বিশাল ধরণী মাঝে কু পদার্থ হয়ে জন্ম নিয়ে গৃহ মাঝে দিনের পর দিন অন্ধকারে পড়ে থাকতে হয়। এই চিন্তায় তার অসহ্য যন্ত্রণার সীমা অতিক্রম করতে করতে তার পূর্ব জন্মাকৃত অভাগা ভাগ্যের হঠাৎ সু- উদয় ঘটে।.. পাড়কোনা জঙ্গল মাঝে সুবিশাল বট বৃক্ষের অন্তরালে বসে থাকা সর্বভূতেষুর্যামী শ্রীশ্রী গনেশ পাগলের দিব্য চক্ষুতে চলচ্চিত্রের পর্দার ন্যায় ভেসে ওঠে বিধাতা বিমুখ জন্ম অন্ধ নিতাইয়ের ব্যথিত করুন চিত্র।.. সেই ব্যথিত নেতাইয়ের মনকে নাঁড়িয়ে তোলে ব্রহ্মশক্তিধারী সে পাগল পাড়কোনা বটবৃক্ষের নিচে বসে। নেতাইয়ের মনকে অদ্ভুতভাবে জাগিয়ে তোলে পাগল স্মরণে। ধরাধামে কি ক্ষমতা নিয়ে অবতীর্ণ হয়েছে মহাত্মা শ্রী শ্রী গনেশ পাগল ভাবলে বিস্ময় বোধ হয়। পাগল লাগিয়া নেতাইয়ের মন হইল চঞ্চল তারই কৃপায় হতে পারে জন্মান্ধত্ব মোক্ষণ পাগলের কাছে যাওয়ার জন্য নিতাই প্রচন্ড অস্থির হয়ে পড়লেন। এবং সে বহু মানুষের মুখে শুনেছে পাগলের কাছে যে যাহা বাসনা করে পাগল তা পূরণ করে দেয়। কিন্তু নেতাইয়ের মনে সংশয় জাগে সবার বাসনা পূরণ করলেও আমার বাসনা কি পূরণ করবে পাগল ? আমাকে কি পাগল করিবে কৃপা, আমি তো বিধাতা বিমুখ জন্ম কানা। কিন্তু দিনকে দিন পাগলের তরে নেতাইয়ের মন অতি চঞ্চল হতে থাকে। শেষমেষ একদিন বাড়ির অন্য সদস্যদের নিয়ে নেতাই পৌঁছে যায় পাড়কোনা স্থিত শানিত দাও নিয়ে বসে থাকা সেই মুক্তিদাতা পাগলের নিকট। হামাগুড়ি দিয়ে সে অন্ধ নেতাই হাত চালিয়ে পাগলের চরণ ধরার চেষ্টা করেন। কিন্তু তার চেষ্টার ফল বিফল না হয়ে হাত দুটো পৌঁছে যায় পাগল চরণে। পাগল চরণে নেতাইয়ের হাত স্পর্শ হতেই.. শ্রী শ্রী পাগল অবিরাম ধারায় হাতে থাকা শানিত দাঁয়ের কোপ বর্ষণ করতে থাকে একের পর এক নেতাইয়ের সারা অঙ্গে। ফোয়ারার ন্যায় রক্ত ছুটতে থাকে। এদিকে পাগলের অবিরাম কোপে সে নিতাই ধুলায় গড়াগড়ি খেয়ে লুটিয়ে পড়ে, কিন্তু কোনমতেই পাগল চরণ হাতছাড়া করেনা, চরন সে ধরেই থাকে। অবিরাম কোপে নিতাই পদ না ছাড়িল নিতাইয়ের ভক্তিতে সবাই বিস্ময় মানিল পাগল নেতাইয়ের ভক্তিতে সন্তুষ্ট হয়ে বললেন.. দুষ্টু অসুরটা আজ বলি হয়ে গেল, আজ থেকে যত অমঙ্গল তোর দূর হয়ে গেল, এখনই হইলো তোর অন্ধত্ব মোক্ষণ। বলতেই জন্ম অন্ধ সে নিতাই তৎক্ষণাৎ পূর্ণদৃষ্টি লাভ করে জগৎ ভূমিকে দেখতে পেল। ধরাধামে পাগলের প্রতিটা লীলাই অস্বাভাবিক। তারপর থেকে সে নিতাই নিত্যানন্দ হয়ে অতি আনন্দে চলে ফিরে কাজ কর্ম করে পরিবারের তরে, একমাত্র পাগলের কৃপায়। জন্ম অন্ধ সে নিতাই পূর্ণদৃষ্টি পায় ধরায় একমাত্র গণেশ পাগল কৃপায় ধরাধামে অবতীর্ণ শ্রী শ্রী গনেশ পাগল কতই না ক্ষমতার অধিকারী, ভাবতে বিস্ময় হয়। হাজার হাজার বিপদগ্রস্ত রোগাতুরকে তিনি মুক্তি দিয়েছেন। তানার হাজার হাজার এইরকম অবিস্মরণীয় লীলা মাটির নিচে চাপা পড়ে গেছে, তা কোথাও প্রকাশ হয়নি। রোগাতুরদের মুক্তি দিয়েছেন শরীরে শানিত দায়ের কোপ বসিয়ে। ওই শানিত দায়ের কোপে শরীরের সমস্ত অসুর বলি হয়ে গিয়েছে। হাত লাগাতেই রক্ত বন্ধ এবং কোপানো স্থানের চিহ্নটুকু তৎক্ষণাৎ বিলুপ্ত। জগৎ মাঝে এরকম দূরদর্শ ক্ষমতা আগে পরে কখনো দেখা বা শোনা যায় না। পাগলের লীলা কথা ভক্তিতে শোনে যেই জনে অভাগা এই অধম প্রণাম জানায় তার শ্রীচরণে __________________________ 🌺🌺🌺 পাগল সহায় অধম 🌺🌺🌺 #🙂ভক্তি😊
🙂ভক্তি😊 - সেবা শান্তি শান্তি 49 (G 535 আশ্রম পাঁচপোতী সুটিয়া ভারতবর্ষ যুগান্তকারী নারায়ন অংশাবতার শ্রী শ্রী গনেশ পাগল সেবা শান্তি শান্তি 49 (G 535 আশ্রম পাঁচপোতী সুটিয়া ভারতবর্ষ যুগান্তকারী নারায়ন অংশাবতার শ্রী শ্রী গনেশ পাগল - ShareChat
...........................হে পাগল দয়াময়.................... তুমি মোর ঘোর বিপাকে সেজে মাঝি করো আমায় ভবপার আমি সাধন ভজন বুঝিনা গো আমি যে অতি দুরাচার যদিও তোমার পারের মাশুল বোঝার ক্ষমতা নেই আমার আমি অধম বলে ফিরাইও না মোরে নিও তুলে নায়ে তোমার প্রভাত বেলায় শত শত প্রণাম রাখি রাঙা ঐ চরণে তোমার ........🌹🌷 যুগান্তকারী নারায়ণ অংশাবতার🌷🌹...... ........... দয়াময় শ্রী শ্রী গনেশ পাগল.............. 🙏 সুন্দর সুপ্রভাতে বাবা তোমার শ্রীচরণে প্রণাম🙏 🌹🌹 জয় বাবা শ্রী শ্রী গনেশ পাগল ভরসা 🌹🌹 #🙂ভক্তি😊
🙂ভক্তি😊 - Cal শান্তি  শান্তি সুপ্রভত আশ্রম পাঁচপোতী সুটিয়া ভারতবর্ষ যুগান্তকারী নারায়ন অংশাবতার শ্রী গনেশ পাগল Cal শান্তি  শান্তি সুপ্রভত আশ্রম পাঁচপোতী সুটিয়া ভারতবর্ষ যুগান্তকারী নারায়ন অংশাবতার শ্রী গনেশ পাগল - ShareChat
কে যাবিরে ভবপারে তোরা চিনলি নারে গণেশ পাগল কে আমি তরী নিয়ে বসে আছি নারায়ণের অংশ অবতারে দিন-দুখী যত আছিস আয় রে তোরা আয় ছুটে আমি পাগল রূপে বসে আছি নদীর কিনারে ........🌹🌷 যুগান্তকারী নারায়ণ অংশাবতার🌷🌹...... ........... দয়াময় শ্রী শ্রী গনেশ পাগল.............. 🙏 সুন্দর সুপ্রভাতে বাবা তোমার শ্রীচরণে প্রণাম🙏 🌹🌹 জয় বাবা শ্রী শ্রী গনেশ পাগল ভরসা 🌹🌹 #🙂ভক্তি😊
🙂ভক্তি😊 - GTl শান্তি শীন্ন্ত সুপ্রভত আশ্রম পাঁচপোতী সুটিয়ী ভারতবর্ষ যুগান্তকারী_নারায়ন অংশাবতার শ্রী গনেশ পাগল GTl শান্তি শীন্ন্ত সুপ্রভত আশ্রম পাঁচপোতী সুটিয়ী ভারতবর্ষ যুগান্তকারী_নারায়ন অংশাবতার শ্রী গনেশ পাগল - ShareChat
..............বাবা তুমি সর্ব জীবের মঙ্গল কারী........... যুগের শ্রেষ্ঠ যুগান্তকারী একমাত্র বাবা তুমি তুমি পিতা ত্রিনয়নী নারায়ণ দেবের অংশধারী অভাগা অধম হয়ে তব চরিত্র কথা সর্ব মাঝে প্রকাশ করি ........🌹🌷 যুগান্তকারী নারায়ণ অংশাবতার🌷🌹...... ........... দয়াময় শ্রী শ্রী গনেশ পাগল.............. 🙏 সুন্দর সুপ্রভাতে বাবা তোমার শ্রীচরণে প্রণাম🙏 🌹🌹 জয় বাবা শ্রী শ্রী গনেশ পাগল ভরসা 🌹🌹 #🙂ভক্তি😊
🙂ভক্তি😊 - শান্তি . সুপ্রভাত] আশ্রম পাঁচপোতা সুটিয়া ভারতবর্ষ যুগান্তকারী_নারায়ন অংশাবতার শ্রী শ্রী গনেশ পাগল শান্তি . সুপ্রভাত] আশ্রম পাঁচপোতা সুটিয়া ভারতবর্ষ যুগান্তকারী_নারায়ন অংশাবতার শ্রী শ্রী গনেশ পাগল - ShareChat
.............................হে করুণাময় পিতা...................... ডাকো তোমার পথে, এই সাধনহীন জনে অকুল সাগরে দিওনা ভাসিয়ে, পাপে তাপে জীর্ণ এ দেহে মরণ মাঝারে স্মরণ দাও হে বাবা রাখো এ দুর্বল ক্ষীনজনে জগৎ মাঝে শুধু তোমায় ভরসা করে এই অভাগা অধম জনে শতকোটি প্রণাম সুন্দর প্রভাতে বাবা তোমার শ্রীকমল চরণে #🙂ভক্তি😊
🙂ভক্তি😊 - শান্তি 4l শান্তি < সরুপ্রভীত যুগান্তকারী নারায়ন অংশাবতার শ্রী শ্রী গনেশ পাগল শান্তি 4l শান্তি < সরুপ্রভীত যুগান্তকারী নারায়ন অংশাবতার শ্রী শ্রী গনেশ পাগল - ShareChat
যুগান্তকারী নারায়ন অংশাবতার দয়াময় শ্রীশ্রী গনেশ পাগলের অতি বিস্ময়কর চিত্রের কলেরা আরোগ্য চরিত্র কথা সংক্ষেপে বর্ণনা।....... পাগলের বিস্ময়কর চিত্রের কলেরা আরোগ্য কথা ভক্তিভর শ্রবণে কেটে যায় জীর্ণ জীবের মরণ দশা পূর্ব বাংলার তারাইল নামক গ্রামে একবার মারন মহামারী কলেরার ছায়া নেমে আসায় সম্পূর্ণ তারাইল গ্রাম ভীষণভাবে সংক্রমণিত এবং সমস্ত গ্রামবাসী মৃত্যু ভয়ে আতঙ্কিত। এমন সময় শ্রীশ্রী গনেশ পাগল দুর্গাপুরে কবিয়াল মনোহর সরকার গৃহে অবস্থানরত। এই মহামারীর থেকে বাঁচার তাগিতে গ্রামের দুই সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি অতিসত্বর দুর্গাপুর এসে শ্রী শ্রী পাগল চরণ ধরে কান্নাকাটি শুরু করে। শ্রী শ্রী পাগল কোমল সুরে কান্নার কারণ জিজ্ঞাসা করতেই মহামারীর কথা তারা রোদন স্বরে ব্যক্ত করেন। ধরায় তুমি বিনে এই মহামারী আর কে করিবে দূর প্রভু তুমিই পারো দূর করতে জীবের বেদনা-বিধুর তাই এসেছি তোমায় নিতে মোরা দুই ভাই মিলে চলো শীঘ্র মোদের তারাইল গ্রামে। কিন্তু সে পাগল কোনমতে তাদের সঙ্গে যেতে চায় না। কিন্তু তাদের করুন আর্তনাদ পাগল হৃদয়ে আঘাত হানায় করুণাময় সে পাগল দুইজনকে বিধির বিধান বেঁধে দেয় নতুন হাড়ি আর সরা আনার জন্য। পাগলের বিধান শুনতেই তারা বিলম্ব না করে অতি শীঘ্র হাড়ি ও সরা এনে পাগল হস্তে অর্পণ করেন এবং পাগল তা হাত পেতে গ্রহণ করেন। অবশেষে উপস্থিত সর্বলোকের সামনে বিধান অনুযায়ী সেই নতুন হাড়ি ভরে পাগল পায়খানা করে সরা দিয়ে ঢেকে দুজনার হাতে দিয়ে বলেন সুস্থ মনে গিয়ে ইহা রোগীদের খাওয়াও অবশ্যই সারিবে কলেরা কহিনু নিশ্চয় যা দিয়েছি তা খাইলে সমস্ত রোগী বাঁচিবে থাকবে না কোন ভয়। ঐশ্বরিক পাগলের পাগলামি সহজে কেউ মেনে নিতে পারেনা। কিন্তু জীবন রক্ষার্থে মানতে তো হবেই। শেষে হাড়ি ভরা পায়খানা অতি ঘেন্নায় দুজনে দুই আঁখি বন্ধ করে হাত পেতে নিয়ে পথ বেয়ে হাঁটা শুরু করে। কিন্তু কিছুদূর যেতেই তাদের মন মধ্য অভিলাষ জেগে ওঠে ওই পায়খানা ভরা হাড়ি খুলে দেখার জন্য। হাড়ি খুলতেই তারা দেখতে পায় মিছরি বোঝাই হাড়ি। মিছরি চোখে পড়তেই তারা আনন্দে আত্মহারা। এবং তারা ভাবতে থাকে জগৎ হরির অংশ নিয়ে ধরায় অবতীর্ণ পাগল রুপী সেই ঈশ্বরের কথা। ভাবতে ভাবতে ক্ষনিকের মধ্য তারা পৌছে যায় আক্রান্ত তারাইল বাসীদের নিকটে। পৌছেই সবার কাছে ব্যক্ত করে পাগলরূপী ঈশ্বরের অবাস্তব অলৌকিক লীলার কর্মকাণ্ড। সেই মিছরি অতি ভক্তি ভরে সর্ব রোগী খায় নিমেষেই পাগল কৃপায় সবাই সুস্থ হয়ে যায় গ্রামে যত আক্রান্ত রোগী ছিল নিমেষে সেই হাড়ি ভরা মিছরি খেয়ে সবাই আরোগ্য লাভ করেন। এই ঘটনার কিছুদিন পরে পাগল দেহত্যাগ করেন এবং পাগলের দেহ ত্যাগে সমস্ত তারাইল বাসি বিরহ বেদনায় ভেঙে পড়েন। বেশ কয়েকদিন ধরে গ্রামবাসীদের মনে পাগল স্মরণে জ্বলতে থাকে বিরহ বেদনার আগুন। অবশেষে সেই বেদনার আগুন নেভানোর জন্য কৃপাময় সে পাগল সূক্ষ্ম দেহ ধারণ করে তারাইল বাজারের পূর্ব পাশে এক পতিত ভিটায় গোধূলি লগ্নে চণ্ডীচরণের পুত্র বলরাম বৈরাগীর সম্মুখে নিজ গুণে দর্শন দেয়। ধরায় অতি ভাগ্যবান সে বলরাম পাগলের সূক্ষ্ম দেহের বাস্তব চিত্র সর্বলোকের নিকট ব্যক্ত করেন। পাগলের সূক্ষ্ম দেহের অবস্থিতির কথা শুনে সমস্ত গ্রামবাসী মিলে পাগল নামের ধ্বনি তুলে সেই স্থানে পূজা ভোগ সম্পন্ন করেন। এই মধুর পাগল লীলা ধরাধামে এখনো বহু মানুষের অজানা। তাই পাগলের সিকি ভাগ লীলা ভাগ্যবান শ্রীমান বলাই মন্ডল দ্বারা পাগল স্বয়ং সদয় হয়ে পাগল চরিতামৃত নামে অপূর্ব লীলাগ্রন্থটি পদ্য রূপে লিপীকরণ করেছেন। পাগলের হাজারো লীলা মাটির নিচে অতল গভীরে চাপা পড়ে গেছে তা কোথাও প্রকাশিত হয়ে উঠতে পারিনি। তাই পাগল সহায় এই মৃতবত অধম শ্রীমান বলাই মন্ডল রচিত পদ্য রূপের অমৃতময় পাগল চরিতামৃতের সহায় গদ্য রূপে সহজ সরল ভাষায় রচিলাম। নেই আমার ভাষা নেই আমার যোগ্যতা ভাষা থেকে লিখনি সব পাগলের। গণেশ পাগল চরিতামৃত ধরায় সুধার সমান অধম কহিছে শোনে যারা তারা মহা পূণ্যবান ____________________ 🌺🌺🌺 পাগল সহায় অধম 🌺🌺🌺 #🙂ভক্তি😊
🙂ভক্তি😊 - al শান্তি শান্তি  = মুক্তি 66 শভ সঞ্্যী আশ্রেম পঁচপোতী সুতি:ন ভাঙবর্ষ যুগান্তকারী নারায়ন অংশাবভার பi பiஎனஅlaஎ al শান্তি শান্তি  = মুক্তি 66 শভ সঞ্্যী আশ্রেম পঁচপোতী সুতি:ন ভাঙবর্ষ যুগান্তকারী নারায়ন অংশাবভার பi பiஎனஅlaஎ - ShareChat
.........মানাপমানয়োস্তল্যস্তল্যো মিত্রারিপক্ষয়োঃ           সর্ববারম্ভ পরিত্যাগী গুনাতীতঃ স উচ্যতে ব্রহ্মঅভেদ অবতার বরিষ্ঠ শ্রী শ্রী গনেশ পাগল সত্ত্ব,রজঃ ও তমোগুণের অতীত। তিনি মর্ত্যধামে স্থূল দেহে বিরাজ কালে এই তিন গুণকে অতিক্রম করে ত্রিগুনাতীত রূপে নারায়ণ দেবের অবশিষ্ট কার্যাদি পরিসম্পন্ন করতেন। স্বয়ং জগৎ হরি নারায়ণ তানার সর্বশক্তি ও সর্বাংশ প্রদান করে শ্রী শ্রী গনেশ কে পাগল রূপে মর্ত্যধামে অবতরণ করিয়েছিলেন। মান-অপমান, শত্রু- মিত্র, স্বর্ণ-পাথর এবং সর্ব কর্মে স্থিতি রেখে ত্রিগুণের অতীত হয়ে শ্রী শ্রী গনেশ পাগল জীবের ভবোবন্ধন খণ্ডন করে অগণন জীবকে মুক্তি দিয়েছেন। তিনি কলির এই সন্ধিক্ষণে নারায়ণ দেবের আলয়ে অবস্থান করা সত্ত্বেও সূক্ষ্ম দেহ ধারণ করে রণে বনে জলে জঙ্গলে অগনন বিপর্যস্ত জীবের সম্মুখে সাকার রূপে আবির্ভূত হয়ে জীবের বিপর্যস্ত দশা হইতে মুক্তি দিয়ে চলেছেন। যাহা কিনা সত্য ত্রেতা দ্বাপর কলির একমাত্র যুগান্তকারী নির্দেশন। ......যুগান্তকারী নারায়ন অংশাবতার শ্রী শ্রী গনেশ পাগল ....       সেবা শান্তি মুক্তি দিতে জীবের তরে মর্ত্যধামে আগমন   শ্রীহরি নারায়ণের বচন একমাত্র গণেশ পাগল তারই সমতন নিশান তুলে জয় পাগলের ধ্বনি দিয়ে কাটাও জীবের অমঙ্গল #🙂ভক্তি😊
🙂ভক্তি😊 - অংশাবতার নীীমণ দ1 গনেশ পাগল जतश्षर्घं जघन्वग्न எி G শান্তি মুক্তি 1 জিয়পাগরল হলুদ সাদী 4 শ্রী গনেশ পাগলের ত্রিগুণাভীত জয় নিশান [ অংশাবতার নীীমণ দ1 গনেশ जतश्षर्घं जघन्वग्न எி G শান্তি মুক্তি 1 জিয়পাগরল হলুদ সাদী 4 শ্রী গনেশ পাগলের ত্রিগুণাভীত জয় নিশান [ - ShareChat
......ধন্য মোরা ধন্য ভুবন বাবা তোমারি করুণা পরশে... তোমারি বন্দনা তোমারি গানে হাসছে জগৎ হরষে নারায়ণের অংশ হয়ে উদয় তুমি পোলসার ভূমিতে তোমার নামে পঞ্চতীর্থ হয়েছে আজি পূর্ব বাংলার মাটিতে ........🌹🌷 যুগান্তকারী নারায়ণ অংশাবতার🌷🌹...... ........... দয়াময় শ্রী শ্রী গনেশ পাগল.............. 🙏 সুন্দর সুপ্রভাতে বাবা তোমার শ্রীচরণে প্রণাম🙏 🌹🌹 জয় বাবা শ্রী শ্রী গনেশ পাগল ভরসা 🌹🌹 #🙂ভক্তি😊
🙂ভক্তি😊 - সেবা Gal শান্তি  শান্তি মুক্ত্তি মুক্তি স্রপ্রভত আশ্রম পাঁচপোতী সুটিয়া ভারতবর্ষ যুগান্তকারী নারায়ন অংশাবতার শ্রী গনেশ পাগল সেবা Gal শান্তি  শান্তি মুক্ত্তি মুক্তি স্রপ্রভত আশ্রম পাঁচপোতী সুটিয়া ভারতবর্ষ যুগান্তকারী নারায়ন অংশাবতার শ্রী গনেশ পাগল - ShareChat
.....সর্বভূতে আত্মা রূপে জাগ্রত তুমি বিশ্ব মাঝে বর্তমান কান্ডারী হয়ে সর্বজীবে করে চলেছ অভয় কৃপা দান তুমি রতি তুমি মতি বাবা তুমি বিশ্ব মাঝে সু--মহান তুমি কৃষ্ণ তুমি বিষ্ণু তুমিই শুধু এই অভাগার ভগবান ........🌹🌷 যুগান্তকারী নারায়ণ অংশাবতার🌷🌹...... ........... দয়াময় শ্রী শ্রী গনেশ পাগল.............. 🙏 সুন্দর সুপ্রভাতে বাবা তোমার শ্রীচরণে প্রণাম🙏 🌹🌹 জয় বাবা শ্রী শ্রী গনেশ পাগল ভরসা 🌹🌹 #🙂ভক্তি😊
🙂ভক্তি😊 - শান্তি 4l শান্তি < সরুপ্রভীত যুগান্তকারী নারায়ন অংশাবতার শ্রী শ্রী গনেশ পাগল শান্তি 4l শান্তি < সরুপ্রভীত যুগান্তকারী নারায়ন অংশাবতার শ্রী শ্রী গনেশ পাগল - ShareChat
....🌹কবিয়াল মনোহর সরকারের মৃত শিশু পুত্রের দেহে প্রাণ ফিরিয়ে দিয়ে পুনরায় জীবন দান করলেন.. যুগান্তকারী অবতার ও ব্রহ্মশক্তির অধিকারী দয়াময় শ্রীশ্রী গনেশ পাগল 🌹 ........... পাগলের অসম্ভব লীলা কথা মধুর ভান্ডার............ ........ভক্তি রসে শ্রবণে নিয়ে যায় জীবকে মুক্তির দ্বার....... যুগান্তকারী নারায়ণ অংশাবতার দয়াময় শ্রীশ্রী গনেশ পাগলের আশীর্বাদ প্রাপ্ত কবিয়াল মনোহর সরকারের একমাত্র শিশু পুত্র.. নাম অম্বরিশ। পাগল তখন দুর্গাপুর কবিয়াল মনোহর সরকারের বাড়িতেই থাকতেন। একদা সময় মনোহর সরকার কবিগান গাহিতে খুলনা চলে গেলেন পাগলকে বাড়ি রেখে। পাগল মাঝে মাঝে যথায় তথায় যেতেন, কিছুদিন কাটিয়ে পুনরায় মনোহরের বাড়িতে ফিরে আসতেন। মনোহর খুলনা যাবার কিছুদিন পরেই পাগল কোন দিকে গেলেন কেউ জানে না।........ ............ এর মধ্য মনোহরের শিশু পুত্র অম্বরিশের উপর যমদূতের দৃষ্টি নিক্ষেপ হল। এমন অবস্থায় মনোহরের দুই পত্নী লক্ষ্মী ও গান্ধারী শুধু বাড়িতে, দুই মায়ের একমাত্র সন্তান। যমদুত ভীষণভাবে ধীরে ধীরে গ্রাস করতে থাকে তাকে। প্রবল জ্বর.... ডাক্তার কবিরাজ একের পর এক হেরে যেতে লাগলেন তার জ্বরের কাছে। দুই-তিন দিনের মধ্যে যমদূত সম্পূর্ণরূপে গ্রাস করে নিল শিশু পুত্র অম্বরিশকে। ডাক্তার কবিরাজ শত চেষ্টা করেও তার প্রাণটাকে আটকাতে পারলেন না, শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল। .......... মাতাদ্বয় পুত্র শোকে অচেতন হয় কাঁদিতে কাঁদিতে........... ........... কান্নার রোল ছড়িয়ে পড়ে আকাশে বাতাসে........... গ্রামবাসীরাও এই শোক মেনে নিতে পারলেন না। তারাও শোকাতুর হয়ে পড়লেন। দুই পত্নীকে সান্তনা কে দেবে? পাগল তো নেই। এদিকে কেহ কেহ গুঞ্জন করছে..... পাগল আশ্রিত মনোহর পুত্র কি করে মরিতে পারে।... আবার কেহ কেহ বলছে পাগল যদি থাকিতো ঘরে, শিশু পুত্র অম্বরিশ কভু মরিত নারে। গ্রামবাসীর মুখে এই পাগলের কথা মাতৃদ্বয় শুনতেই ভাবিতে লাগলেন.. নিশ্চয়ই পাগল আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছে, নইলে এহেন বিপদ আমাদের কখনো হত না। পাগলের কথা ভাবিতেই আরো অশ্রুসিক্ত ও মর্মাহত হইতে লাগিলেন দুই রমণী। মনোহর বাড়িতে নেই, মৃতপুত্র কাছে থাকিলে আরো বেশি শোকাগ্রস্ত হতে থাকবে ভেবে গ্রামবাসীরা মৃত পুত্র অম্বরিশকে সমাধি দেওয়ার জন্য একটি ছাড়া ভিটায় নিয়ে গেলেন এবং মৃত অম্বরিশ কে সমাধি দেওয়ার জন্য মাটি খুঁড়তে আরম্ভ করেন।..... এমন মুহূর্তে সেই পূর্ণ ব্রহ্মশক্তির অধিকারী ঐশ্বরিক পাগল সমুদ্রের সুনামি প্রবাহের ন্যায় লোক মধ্যস্থ আচমকা উপস্থিত হন। সহসা পাগলকে আকাশ থেকে অবতীর্ণ হওয়া দেখে সকলে বিস্মিত হয়ে পড়লেন এবং সবাই বলাবলি করতে লাগলেন এ পাগল সামান্য নয়... কারণ নারায়ণ দেব তার সমান শক্তি দিয়ে বর পুত্ররূপে ধরায় পাঠিয়েছে স্বয়ং নারায়ণ দেবের অনুপস্থিতিতে তার সমস্ত কার্য সম্পূর্ণরূপে পরিচালনা করার জন্য। সত্যিই তাই। এই অবাস্তব লীলা কে ঘটাতে পারে? পারে স্বয়ং ঈশ্বর। কে সেই ঈশ্বর... সেই ঈশ্বর পাগল রূপে নারায়ন বর পুত্র। নারায়ন দেবের অংশ ধারন করে ধরাধামে অবতীর্ণ সেই মহাত্মা শ্রী শ্রী গনেশ পাগল। ....... সমাধিস্ত জায়গায় পাগল উপস্থিত হতেই বললেন তোরা এখানে কাকে ফেলতে এনেছিস? মৃত কি জীবিত দেখি দে আমার হাতে। ফেলতে হয় যদি আমিই ফেলে দেব। এই কথা বলেই পাগল মৃতপুত্র অম্বরিশকে কাঁধে করে নিয়ে পলক মুহূর্তে উধাও হয়ে গেলেন। কোথায় চলে গেলেন কেউ জানতে পারলেন না। গ্রামবাসী কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর যার যার বাড়ি চলে গেলেন। মৃত অম্বরিশকে পাগল কিযে করলেন তা শুধু পাগলই জানেন।.... সে অন্তর্যামী পাগল জানতে পারলেন কবিয়াল মনোহর গান শেষ করে খুলনা থেকে আজ বাড়িতে ফিরবেন। পূর্ণ ব্রহ্ম শক্তির অধিকারী শ্রী শ্রী পাগল এটাও জেনে নিলেন বাড়ি ফিরবে ষ্টীমার যোগে গোবরা স্টেশন দিয়ে। তাই তিনি মৃত অম্বরিশ কে গোবরা স্টেশনে রেখে আবার কোথায় চলে গেলেন। সহসা মনোহর ষ্টীমার হতে গোবরা স্টেশনে নামতেই সম্মুখ পানে দেখলেন অম্বরিশ বসা, ধারে কাছে আর কেউ নেই। একেলা শিশু পুত্র অম্বরিশকে দেখে মনোহর হতবাক। অম্বরিশ কোথা থেকে এলো, কেইবা আনল এখানে? কিছুই বুঝে উঠতে পারছেন না। এখানে আসার কারণ অম্বরিশকে জিজ্ঞাসা করতেই অম্বরিশ জানালো পাগল দাদু তাকে এখানে নিয়ে এসেছেন এবং তাকে অপেক্ষা করতে বলেছেন... পিতা মনোহর অবশ্যই এখানে আসবে, তার সঙ্গে তুমি বাড়ি চলে যেও। তাই অম্বরিশ পিতার জন্য অপেক্ষা করছেন এই কথা জানাল পিতা মনোহরকে। পুত্রের বচন শুনি না বুঝিনু কিছু মনোহর পাগল লাগিয়া কাঁদিলো তার অন্তর পুত্র অম্বরিশকে এইভাবে বসিয়ে রেখে পাগল বেশিদূর যেতে পারে না, অবশ্যই পাগল আসবে.... এই ভেবে মনোহর পুত্রকে নিয়ে অপেক্ষা করতে থাকে। সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলো পাগলের আসার নাম নেই। পরিশেষে ক্ষুন্ন মনে পুত্র কে নিয়ে বাড়ি আসলেন। কিন্তু কিছুই বুঝতে পারেনি মনোহর। কিন্তু এখানে কথা আছে পাগল মৃত পুত্রকে পুনর্জীবিত করে কেন গোবরা স্টেশনে বসিয়ে রেখেছেন ? তা শুধু ঐশ্বরিক পাগলই জানেন। এযে কেমন ক্ষমতা? মৃতদেহে প্রাণ ফিরিয়ে দেওয়া কি সহজ ব্যাপার ? কিন্তু পাগল রূপি নারায়ণ পুত্রের কাছে অতি সহজ। হ্যাঁ সহজ তো হবেই... তিনি নারায়ণ দেবের অংশ ধারক। ভট্টের বাগান মধ্যস্থ পাগলকে আদ্যাশক্তি মহামায়া প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন.............. যাহাই বলিবে মুখে ঠিক হবে তাহা সব ঠিক করে দেব বলিবেক যাহা। মৃত পুত্রকে জীবিত অবস্থায় নিয়ে বাড়িতে উপস্থিত হওয়া মাত্রই পাড়া প্রতিবেশীরা বিস্মিত হয়ে পড়লেন। অনেকে বলতে লাগলেন মৃত পুত্র ভূত হয়ে মনোহরের কাছে গিয়েছিলেন। সেই প্রেতআত্মাকে মনোহর বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে এসেছে। এই অবাক করা কান্ড শুনিয়া মনোহর হতভম্ব হয়ে পড়লেন। এমন মুহূর্তে পাগল উপস্থিত হয়ে হাক ছেড়ে বলে উঠলেন.. পাগল ধরাতে থাকাকালীন মনোহর পুত্র অম্বরিশকে যমদূত কখনো নিতে পারে না। মনোহরকে এই পুত্র আমি এনে দিয়েছি, যমদূত কেন কেউ পারবেনা মনোহরের কোল থেকে শিশু পুত্র অম্বরিশ কে ছিনিয়ে নিতে।....... বুঝিতে হলো না দেরি তখন মনোহরে অঝর ধারায় তার অশ্রু জল ঝরে অশ্রু জল ছাড়িয়া মনোহর বলে পাগল থাকিতে কভু অমঙ্গল না আসে মোর ঘরে এদিকে মৃত পুত্র অম্বরিশ দাদু দাদু বলে কাঁদিতেছে.... কেন আমাকে একেলা ওখানে রেখে আসিলে। মনোহর সহিত দুই রমণী লক্ষ্মী ও গান্ধারী নয়নের জলে কলেবর হয়ে পাগলের চরণ ধরে ভূতলে লুটিয়ে পড়লেন। পাগলের লীলাখেলা অমৃতের সমান ভক্তিতে শুনিলে সে হয় মহা পুণ্যবান। রচিলাম গদ্যকায় আপনি ভাষায় বলাই রচিত পাগল চরিতামৃত সহায় __ __ __ __ __ __ __ __ 🌺🌺🌺 পাগল সহায় অধম 🌺🌺🌺 #🙂ভক্তি😊
🙂ভক্তি😊 - শান্তি মুঞ্তি শুভ সঞ্ব্যী আশ্রম পচিপোত স্ুতিম ভাতর্ম যুগান্তকারী_নারায়ন অংশাবভার चीच्ी शएवन शराशेन শান্তি মুঞ্তি শুভ সঞ্ব্যী আশ্রম পচিপোত স্ুতিম ভাতর্ম যুগান্তকারী_নারায়ন অংশাবভার चीच्ी शएवन शराशेन - ShareChat