(পার্ট-১)
রাত তখন ২টো বেজে ১৫ মিনিট। বাইরে ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি পড়ছে, সাথে মাঝে মাঝে বিদ্যুতের চমক। শুভ নিজের ল্যাপটপে অফিসের কাজ শেষ করে মাত্র শুতে যাবে, এমন সময় তার ফোনে একটা আননোন নম্বর থেকে কল এল। নম্বরটা বেশ অদ্ভুত, কোনো কান্ট্রি কোড নেই।
শুভ ফোনটা রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে একটা বাচ্চার কান্নার আওয়াজ ভেসে এল। মেয়েটি ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে বলছে—
"কাকু, বাঁচান! মা ঘরের মেঝেতে পড়ে আছে, অনেক রক্ত বেরোচ্ছে... ওরা আসছে... ওরা কুঠার দিয়ে দরজা ভাঙছে! আমি খাটের নিচে লুকিয়ে আছি, ওরা আমাকেও মেরে ফেলবে!"
শুভর গায়ের লোম খাড়া হয়ে গেল। সে ঘামতে শুরু করল। দ্রুত জিজ্ঞেস করল, "খুকু, শান্ত হও। তোমার নাম কী? তোমাদের বাড়ি কোথায়? আমি পুলিশ নিয়ে আসছি।"
মেয়েটি ফিসফিস করে বলল, "আমার নাম মিতু। আমাদের বাড়ির গেটটা নীল রঙের, সামনে একটা বড় বকুল গাছ আছে। এলাকাটা বনগ্রামের শেষ মাথায় বাগান বাড়ি। তাড়াতাড়ি আসুন কাকু... ওরা ঘরে ঢুকে পড়েছে!"
লাইনটা খট করে কেটে গেল। শুভ আর এক মুহূর্ত দেরি না করে এলাকার থানায় ফোন করল। ওর বন্ধু আকাশ ওই থানার এসআই। আকাশকে সব জানাতেই সে বলল, "তুই একদম একা যাবি না শুভ, আমি ফোর্স নিয়ে ৫ মিনিটের মধ্যে ওই লোকেশনে পৌঁছাচ্ছি।"
শুভ নিজের গাড়ি নিয়ে ঝড়ের গতিতে রওনা দিল। আধঘণ্টার মধ্যে সে সেই বাগান বাড়ির সামনে পৌঁছাল। আসলেও বাড়িটা একটা পুরনো আমলের নীল গেটওয়ালা বাড়ি। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, পুরো বাড়িটা লতাগুল্মে ঢাকা, জরাজীর্ণ। মনে হচ্ছে কেউ বহু বছর এখানে থাকে না।
আকাশ আর পুলিশ বাহিনী ততক্ষণে পৌঁছে গেছে। তারা টর্চ জ্বেলে গেটের তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকল। ড্রয়িংরুমের দরজাটা ঠেলতেই ক্যাঁচক্যাঁচ শব্দ করে খুলে গেল। ধুলোবালিতে ভরা ঘর। কিন্তু ঘরের মাঝখানে যেতেই সবাই থমকে দাঁড়াল।
মেঝেতে একটা মহিলার দেহ পড়ে আছে। কিন্তু সেটা কোনো টাটকা লাশ নয়! দেহটা একদম শুকিয়ে কঙ্কাল হয়ে গেছে। মনে হচ্ছে ১০-১২ বছর আগের মমি। শুভর মাথা ঝিমঝিম করে উঠল। সে ভাবল, "তাহলে ফোনে যে মেয়েটা কথা বলল, সে কে?"
হঠাৎ পেছনের একটা ঘর থেকে সেই বাচ্চার কান্নার আওয়াজ আবার পাওয়া গেল— "কাকু, বাঁচান! ওরা আমাকে পেয়ে গেছে!"
শুভ আর আকাশ দৌড়ে সেই ঘরের দিকে গেল। কিন্তু ঘরে ঢুকেই তাদের রক্ত হিম হয়ে গেল...
পার্ট–১ কেমন লাগলো?
মিতুর সেই মধ্যরাতের ফোন কল কি আপনাকেও কাঁপিয়ে দিল? 😨
কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না আপনার অনুভূতি।
পার্ট–২-এ জানা যাবে—
🔹 ঘরের ভেতরে তারা কী দেখল?
🔹 মিতু কি সত্যিই বাস্তব, নাকি অন্য কিছু?
🔹 এই রহস্যের শেষ কোথায়?
পার্ট–২ পড়তে হলে আমার পেজটি ফলো করুন।লিংক না পেলে সার্চ করুন 👉 স্মৃতির ভেজা দুপুর
📌 একই প্রোফাইল পিকচার দিয়েই পেজটি আছে
পরের অংশটা শুধু সেখানেই দেওয়া হবে।
রহস্য কিন্তু এখানেই শেষ নয়… 🌑
https://www.facebook.com/share/1CMUmqG6QS/
#গল্প #📢শেয়ারচ্যাট স্পেশাল
গল্পটা কোনো কারণ খোঁজার নয়… 📖
পার্ট–১ গল্পটি কেমন লাগলো, অবশ্যই কমেন্টে জানান।
পার্ট–২ পড়ে কেমন লাগলো সেটাও জানাতে ভুলবেন না 🤍
🔍 লিংক না পেলে পেজের নাম সার্চ করুন —
স্মৃতির ভেজা দুপুর
একই প্রোফাইল পিক দিয়েই পেজটি আছে।
https://www.facebook.com/share/p/1DTJcTk6UE/ #📢শেয়ারচ্যাট স্পেশাল
#📲আমার প্রথম পোস্ট✨ মরসুম বদলায়, মায়া থেকে যায় — Part 1
ভালোবাসার মরসুমটা যখন আসে, তখন মনে হয় পৃথিবীটা বোধহয় আমাদের জন্যই সাজানো হয়েছে।
সেই প্রথম দিকের দিনগুলো—
যখন ফোনের ওপাশে কারো নিঃশ্বাসের শব্দ শুনেই রাত পার করে দেওয়া যেত,
যখন স্রেফ একটা টেক্সট দেখার জন্য বুকের ভেতরটা তোলপাড় করত।
তখন আমরা ভাবতাম, এই মানুষটাই সব,
এই হাতটাই শেষ পর্যন্ত থাকবে।
আমরা কতশত আকাশকুসুম পরিকল্পনা করতাম—
কোথায় ঘুরতে যাব,
কীভাবে ঘর সাজাবো,
এমনকি বৃষ্টির দিনে কোন গানটা একসাথে শুনবো।
তখন বাস্তবতা বলতে কিছু ছিল না,
ছিল শুধু এক অদ্ভুত ঘোর।
কিন্তু সময়ের চাকা যখন ঘুরতে শুরু করে,
তখন সেই ভালোবাসার মরসুমেও ঝোড়ো হাওয়া দেয়।
আমরা বুঝতে পারি—
জীবন মানে শুধু দুজনে মিলে রেস্তোরাঁয় বসে থাকা বা হাত ধরে হাঁটা নয়।
জীবন মানে পরিবারের দায়িত্ব,
ক্যারিয়ারের চাপ
আর সমাজের হাজারটা প্রশ্নের উত্তর দেওয়া।
ধীরে ধীরে সেই প্রিয় মানুষটার সাথে কথা বলার টপিক ফুরিয়ে আসে।
যেখানে আগে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা হতো,
সেখানে এখন শুধু
‘হুঁ’, ‘হ্যাঁ’ আর ‘ঠিক আছে’—
এই তিনটে শব্দেই আমাদের কথোপকথন সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে।
এই অনুভূতির পরের অধ্যায়—
Part 2 লিখেছি আমার অন্য পেজে।
পড়তে চাইলে সেখানে ফলো করুন ✍️
https://www.facebook.com/share/p/17QYHrXEDr/






