যেমন:- মহিষাসুর। যে নিজ স্বার্থের জন্যই প্রার্থনার দ্বারা ব্রহ্মাকে তুষ্ট করে তাঁর মন জয় করে নিয়ে পরোক্ষভাবে হলেও তাঁকে ব্যবহার করে অসৎ এবং খারাপ কর্মে লিপ্ত হয়েছিলেন স্বর্গরাজ্য লাভ করার জন্য। সেদিক থেকে দেখতে গেলেও ব্রহ্মা আপাতদৃষ্টিতে অপরাধ করেছিলেন। কিন্তু ভগবানের লীলা-খেলা যে বোঝা খুবই দুস্কর। তাঁরা মানুষের শিক্ষা দেওয়ার জন্যই মূলত এই লীলা-খেলাগুলো করেছিলেন। নাহলে যে মহালয়া, দেবী দুর্গার আবির্ভাব, রামায়ণ এবং মহাভারতের মতো মহাকাব্যই রচিত হত না বা ইতিহাস বলেই কোনো বিষয় থাকত না। ইতিহাস অতীতের কাহিনী ঠিকই কিন্তু ইতিহাস মানুষ এই কারনে চর্চা করে কারন এই অতীতকে আদর্শ ও প্রতিমূর্তি বানিয়ে সেই রীতি-নীতি স্মরন কোরে যাতে মানুষ ভবিষ্যতে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যেকটা পদক্ষেপ সঠিকভাবে ফেলতে পারে কিন্তু কিছু মানুষ তাঁদের ভালো দিকগুলো না দেখে কেবল আপাত অবৈধ ও নিষিদ্ধ জিনিসগুলোকে মনে রেখে এগিয়ে চলে কারন এরা যে -কোনো মূল্যেই নিজের চরিত্রকে খুব সহজেই বিসর্জন দিতে পারে। কারন এদের টাকা চাই। টাকা। সেটা অসৎভাবে উপার্জন করে হলেও সেটা এদের কাছে কোনো MATTER করে না। যাদের মধ্যে শাস্ত্রের এই সামান্য প্রাথমিক জ্ঞানটুকুই নেই এই নাকি তারা পুঁথিগত বিদ্যা, GENERAL KNOWLEDGE থাকা এবং এত্তো কোটি কোটি ডিগ্রি অর্জন করা POLITICAL CULTURAL PERSONS. এই তো একজন উচ্চবংশজাত ব্রাহ্মন সমাজের শিক্ষার তথাকথিত পরিচয়। এগুলোই মূর্খামো। ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্ম হলেই বা পূজার্চনা করলেই যে সে প্রকৃত ব্রাহ্মন, সৎ ও ধার্মিক হবে তার কিন্তু একটুও কোনো মানে নেই। আর এখনকার দিনের PUBLIC-রা MAN POWER এবং কালোবাজারি টাকা থাকা মানুষেদের FOR-এই সাধারণত কথা বলে এমনকি সেটা অন্যায় হলেও সেটাকে সমর্থন করে কারন তারা কালো টাকার কাছে বিক্রি করে দেয় নিজের বিবেক নিজের- আত্মাকে। কিন্তু তাদের অন্তর - আত্মাও কিন্তু কোনোভাবেই কিছুতেই এটা অন্যায়। ন্যায় নয়।-এই কথাটা অস্বীকার করতে পারবে না। কারন মানুষের অন্তর - আত্মার মধ্যে স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ বিরাজমান। তবে ন্যায়ের পক্ষে যে কেও কথা বলেন না সেটা আমি এক-বারও বলছি না। কিন্তু সেই ন্যায়ের পক্ষে কথাটা কেও এগিয়ে গিয়ে একবারের জন্যও প্রকাশ্য জনসম্মুখে বলবে না। পেছনে পারস্পরিক আলোচনার খাতিরে তাল দেবে কেবল সেইসব মানুষদের মানসিক সান্তনার জন্য যাদের সাথে অন্যায় হয়েছে। এটাই কলিযুগের কু-বায়ূর একমাত্র ধর্ম।
কিন্তু এই যুগের মানুষেরা এটা জেনে থাকলেও কোনোভাবেই বুঝতে পারে না যে অন্যায় এবং সত্য কক্ষনো চাপা থাকে না।
যারা অন্যায় করে তারা তো নিঃসন্দেহে অন্যায়কারী কিন্তু যারা নিজের ফূর্তির জন্য মিথ্যে এবং নকল আবেগের জালে ফেলে অপরকে দিয়ে অন্যদের সাথে অন্যায় করায় তার নরকের কীট হয়ে নরকে নয় বরং এই মর্ত্যেই জন্ম নিতে হবে এবং ঠিক এই জন্মের মতোই পরের জন্মেও ধুঁকে ধুঁকে মরে ভূত হয়ে জীবন্ত লাশের মতো বাঁচতে হবে। তাদের মরনও হবে না সহজে। কারন ভগবান সবাইকে এতো তাড়াতাড়ি তো মুক্তি দেন না। তাই যে/যারা নিজেকে দাম্ভিক ব্রাহ্মণ জাতির অন্তর্গত বলে মানুষকে অভিশাপ দেয় সেই অভিশাপটা সবসময় তাদের গায়ে প্রকৃতপক্ষে তাদের কপালেই গিয়েই পরে।
#নিম পাতা সবসময় তেতোই হয় অথচ এই নিমপাতা দিয়েই ওষুধ তৈরী হয়।
#ওষুধ কেও শখে খায় না। উপকারে আসে তাই খায়।