@asif5702
@asif5702

asif Ansari

sopner pakhi hoye ami sobar mone bosbo. notum notun post diye sobar mon joy korbo....aro valo valo post pete hole amake onusoron korun..............

✍️Diptarup Samyadarshi #Covid-19 . কোরোনাভিডি একটি ফ্যামিলি। সিজনাল সর্দিকাশি ইত্যাদির জন্য দায়ী ছিল এতকাল। এখন যেটি প্যানডেমিক সেটিকে দয়া করে এটার সাথে গুলিয়ে ফেলবেন না। হ্যাঁ, অবশ্যই এটিও ঐ ফ্যামিলিরই একটি ভাইরাস। যা সম্পূর্ণ নতুন। যা ডিটেক্ট করা গেছে 2019এ। নতুন, তাই নভেল। 2019 তাই এটার নাম রাখা হয়েছে Covid-19। স্ট্রেইনটির নাম SARS-CoV-2... এবার এরও দুটি ভাগ পাওয়া গেছে। এল টাইপ, আর এস টাইপ। যে নভেল কোরোনার ফার্স্ট আউটব্রেক চীনের উহানে হয়েছিল, সেটা আর ইয়োরোপে যেটার আউটব্রেক হয়েছে দুটোর টাইপ আলাদা। ভাইরাসটি পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দ্রুত মিউটেট করতে সক্ষম বলে ধারণা করা হচ্ছে। এত দ্রুত গোটা বিশ্বে ছড়িয়েছে এবং দুই লক্ষের উপর মানুষকে আক্রান্ত করেছে প্রায় দশ হাজারের কাছাকাছি অলরেডি মৃত যে একে বিশ্ব মহামারী বলা হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা পরিষ্কার জানিয়েছে যে *তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে বা আর্দ্রতায় এই ভাইরাসটির কর্মক্ষমতা নষ্ট হবে এমন কোন প্রমাণ এখনো পাওয়া যায় নি।* মন দিয়ে লাইনটি আবার পড়ে নিন। কেউ যদি অন্য কিছু বলে প্রতিবাদ করুন। ★ কেন এটি বিশ্বজুড়ে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে? ● ভাইরাসটি প্রবলরকম ছোঁয়াচে। আক্রান্তের ড্রপলেট থেকে হাঁচি কাশির সাথে অন্য অনেককে সহজেই আক্রমণ করতে পারে। ● ভাইরাসটির প্রাথমিক আক্রামন খুবই সাইলেন্ট। ইনকিউবেশন পিরিয়ড অর্থাৎ যে সময়ে এর প্রাথমিক লক্ষণ দেখা যায় তা মোটামুটি পাঁচ থেকে চোদ্দদিন পর্যন্ত বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই সময়ে আক্রান্ত আরো অনেকের আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা তৈরী করতে সক্ষম। এবং লক্ষণগুলি প্রথম দিকে এতই মৃদু যে তা সাধারণ ঠান্ডা লাগা বা ফ্লুএর সাথে মিলে যাচ্ছে, যা ক্রান্তীয় জলবায়ু অঞ্চলে খুবই কমন। ফলে রোগী সতর্ক হবার আগেই অনেকের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা। ● ভাইরাসটির দ্রুত মিউটেশনের দক্ষতার সম্ভাবনা, যেহেতু সে অলরেডি দুটো টাইপ তৈরী করেছে দুই মহাদেশে। ★ পরিসংখ্যান কি বলছে? পরিসংখ্যান অনুযায়ী এই লেখার সময় পর্যন্ত দেখেছি বিশ্বজুড়ে দুই লক্ষের বেশী মানুষ আক্রান্ত। তারমধ্যে প্রায় নয় হাজার মৃত। আশি হাজারের মতো রোগী সুস্থ হয়েছেন। এক লক্ষ কুড়ি হাজার মানুষ চিকিৎসাধীন এবং এ সংখ্যাটা অতি দ্রুত বাড়ছে। ★ পরিসংখ্যান কি উদ্বেগজনক? হ্যাঁ, উদ্বেগজনক। উদ্বেগজনক না হলে পৃথিবীর তাবড় রাস্ট্রগুলি এত প্রিভেন্টিভ মেজার নিত না। সামাজিক মাধ্যমে বহু প্রাণী বলছেন মৃত্যু তো নেহাৎই কম, 2% ... ইত্যাদি। কিন্তু বাস্তব হচ্ছে এই পার্সেন্টেজ বর্তমানে 4.5%। এবং সেটা বাড়বার সম্ভাবনা আছে। কেন আছে? কারণ যে এক লক্ষ কুড়ি হাজার চিকিৎসাধীন তারা সাপোর্টিভ মেডিক্যাল কেয়ারে আছেন। অর্থাৎ শ্বাসকষ্ট, দমবন্ধ অনুভূতিতে উপযুক্ত অক্সিজেন সাপ্লাই, এবং জ্বর ইত্যাদি বাকি সিম্পটমে সাপোর্টিভ মেডিসিন তাদের দিতে হচ্ছে। দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। কিন্তু সুস্থ হয়ে ছাড়া পাবার রেট তার অনেক কম। ফলতঃ যদি এই সংক্রমণ চলতে থাকে, তবে সহজ পাটিগণিতের হিসাবে একটা সময় এই সাপোর্টিভ মেডিক্যাল কেয়ার অপ্রতুল হবে, আর ভারতের মত জনবহুল অথচ গরীব দেশে তো তা আরো সংকট তৈরী করবে। ফলতঃ উইদাউট অক্সিজেন অর সাপোর্টিভ মেডিক্যাল কেয়ার মৃত্যুর শতাংশ লাফিয়ে বেড়ে ওঠার সমূহ সম্ভাবনা থেকে যাচ্ছে। এছাড়াও বেজিং এর চীন-জাপান মৈত্রী হাসপাতালের নিউমোনিয়া প্রতিরোধ ও চিকিৎসা বিভাগের ডিরেক্টর লিন কুইংগিয়ান জানাচ্ছেন, যদিও এই ভাইরাস থেকে যারা সুস্থ হবেন, তাদের মধ্যে ভাইরাস প্রতিরোধী অ্যান্টিবডি তৈরী হবে, কিন্তু তা কতদিন স্থায়ী হবে সে ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। এবং অবশ্যই সম্ভাবনা আছে যারা সুস্থ হচ্ছেন তাদের আবারও ইনফেক্টেড হবার। যারা ইবোলা, নিপা, সার্সের ডেথ রেটের সাথে তুলনা দিচ্ছেন তারা মূর্খের মত এটা এড়িয়ে যাচ্ছেন যে এই ভাইরাসের সংক্রমণ ক্ষমতা অনেক বেশী বাকিগুলোর থেকে। এবার যে ভাইরাস চোদ্দহাজার মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে বারোহাজারকে মারবে শতাংশের বিচারে তার মারণশতাংশ 90%... কিন্তু যে ভাইরাসের মারণ শতাংশ 5% সে যদি এক কোটিতে ছড়ানোর পোটেনশিয়াল রাখে, তবে কত মৃত্যু হবে হিসাব করে দেখুন। বর্তমানে মারণসংখ্যায় সোয়াইন ফ্লু, ইবোলা, হাইতিয়ান কলেরার পরই নোভেল কোরোনা। গতকাল মৃত্যু হয়েছে প্রায় 900 জনের। টোটাল মৃত্যু নহাজার প্রায়। ইবোলার মারণশতাংশ ছিল 90%... টোটাল মারণসংখ্যা ছিল বারোহাজার। ইবোলার মারণসংখ্যাকে অতিক্রম করতে নোভেল কোরোনার আর তিন চারদিন লাগবে যেভাবে এগোচ্ছে। হিসাবটা তাদের মুখে ছুঁড়ে দেবেন যারা শতাংশ দেখিয়ে ফাজলামি করছে সামাজিক মাধ্যমে। তারপর ঐ স্ট‍্যাটিসটিক্সই আরেকটু ঘাঁটলে দেখা যাবে ইবোলা বা সার্স সিওভি ওয়ান নির্দিষ্ট এলাকায় ছড়িয়েছিল। নোভেল কোরোনা ছড়িয়েছে বিশ্বজুড়ে। লকডাউন ক‍রতে হচ্ছে অনেক দেশেই। এরপর অর্থনৈতিক যে আঘাত আসবে তা কিন্তু আসবে সবার উপর, কেউ ছাড় পাবে না। সেটার এফেক্ট কতটা ভয়াবহ তাও ভাবনায় রাখলেই বোঝা যাবে এই বিশ্ব-মহামারীর বিষয়ে উদ্বেগ শুধু একমাত্রিক নয়, বরং বহুমাত্রিক। ★ ভারতের পরিস্থিতি কেমন? ভারতে প্রথম CoVID-19 পজিটিভ রিপোর্ট হয় 30 জানুয়ারি। ইটালিতে 31 জানুয়ারি। ইটালি প্রথম অবস্থায় খুব একটা গুরুত্ব দেয়নি ভাইরাল সংক্রমণটিকে। ফলাফল, টোটাল পয়ত্রিশ হাজার আক্রান্ত। প্রায় তিনহাজার মৃত। চারহাজার রিকভার করতে পেরেছেন। অর্থাৎ মৃত্যু শতাংশ প্রায় 9%... সুস্থ 11%... খুবই কাছাকাছি লাগছে না? এখনো চিকিৎসাধীন 28000। গুরুত্ব না দেওয়ার ফলাফল তারা বুঝেছে। একইসময়ে ভারত, এই সংক্রমণকে প্রবল গুরুত্ব দিয়ে প্রচার ও সচেতনতা বাড়ানোর ফলে আজ এখনো ভারতে সংক্রামিত ব্যক্তি 167 জন। মৃত 4 জন। প্রত্যেকেই ষাটোর্ধ্ব। এবং বিদেশ ভ্রমণের হিস্ট্রি আছে। একই সময়ে ইটালী যেখানে সংক্রমণের চতুর্থ দশায় পৌঁছেছে, ভারত এখনো তা ঠেকিয়ে দ্বিতীয় দশায় থাকতে পেরেছে যেখানে ভাইরাস সরাসরি সংক্রামিত ব্যক্তি ও তার চেনা পরিসরের কনটাক্টেই ছড়িয়েছে। কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হতে থাকলে তা তৃতীয় দশায় পৌঁছাবে, এবং ভারতের শিক্ষিত সমাজই যে পরিমাণ অসচেতন মুর্খামির পরিচয় গর্বভরে বিভিন্ন ঘটনায় এবং সামাজিক মাধ্যমে দিচ্ছেন তাতে বোঝাই যায় বৃহত্তর সমাজ কি করবে এবং চতুর্থ দশায় পৌঁছতে কতটা সময় লাগবে। সে ধরণের মূর্খতার বিভিন্ন নমুনা আমি আমার প্রোফাইল ও পেজে আগেও দেখিয়েছি, আগামীতেও দেখাব। কিন্তু এ লেখায় সেগুলো জুড়ছি না কারণ তাতে লেখাটি অতিরিক্ত বড় হবে, এবং আমার এই লেখার উদ্দেশ্য বিঘ্নিত হবে। হ্যাঁ তো যদি ভারত ইতালীর মত চতুর্থ দশায় উপনীত হয়, তবে ইতালি ও ভারতের জনসংখ্যা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থার তুলনা করলেই বুঝতে পারবেন ভারতে বহু মানুষ যথেষ্ট সাপোর্টিভ মেডিক্যাল কেয়ার ও অক্সিজেন পাবেন কিনা তা নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন উঠে যাবে। সেক্ষেত্রে পরিস্থিতির ঘোরতর অবনতি হতে পারে যা ভারতের জনসংখ্যার কারণেই ইতালির কয়েকগুণ বেশী ভয়াবহ আকার নিতে পারে। যেহেতু তাপমাত্রা বৃদ্ধি বা আর্দ্রতা বৃদ্ধিতে এই নতুন ভাইরাসটির কর্মক্ষমতা কমার ব্যাপারে কোন নিশ্চয়তা এখনো পাওয়া যায়নি তাই এই সংক্রমণ দীর্ঘমেয়াদি হবার সম্ভাবনাও আছে যা অবশ্যই স্বস্তিকর নয়। এছাড়াও আমার রাজ্য পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে আরো একটি বড় সংকটের সম্ভাবনা আছে। কিরকম? নোভেল কোরোনা ভাইরাসটি বহন করছে মানুষই। অন্য ভেক্টর নেই। কিন্তু গ্রীষ্মের শেষ বা বর্ষায় যখন মশার উৎপাত বাড়বে, তখন মশাবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব কিন্তু এরাজ্যে হয়েছে। গতবছরের ডেঙ্গু পরিস্থিতির কথা নিশ্চয়ই আপনারা ভুলে যাননি। ডেঙ্গু ভাইরাসের ভেক্টর মশা। এবং অন্যান্য ভাইরাসের মতো এটিরও কোন সরাসরি ওষুধ হয় না। সাপোর্টিভ মেডিসিন ব্যবহার করে শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে ব্যবহার করেই এই রোগমুক্তি ঘটে। কোরোনার প্রকোপ যদি থামানো না যায়, তখনো চলতে থাকে, তবে সমস্যা আরো কতটা গভীর হতে পারে তা আপনার ভাবনার জন্য ছাড়লাম। ★ অতঃপর কি করণীয়: কি করণীয় তা আপনারা আপনাদের প্রিয়জনকে ফোন করতে গেলে শুনছেন, স্টেশনে, মেট্রোতে, গণমাধ্যমে শুনছেন। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার সাইটে, ভারত সরকার ও রাজ্য সরকারের সমস্ত প্রচারে শুনছেন। লিখে দিচ্ছি সেগুলোই, ● হাত ধুয়ে ফেলুন বারবার। সাবানজল দিয়ে হলেও। ● নাকে মুখে চোখে হাত দেবার অভ্যাস ত্যাগ করুন। ● আপনার হাঁচি কাশি হলে কনুই ভাঁজ করে আড়াল করুন নিজের নাকমুখ। মাস্ক ব্যবহার করুন। ● সিম্পটম না থাকলে মাস্ক ব্যবহার অবান্তর। দরকার নেই। ওতে উল্টে সমস্যা হতে পারে। ● সিম্পটম থাকা ব্যক্তির থেকে ন্যূনতম এক মিটার দুরত্ব বজায় রাখুন। ● বিদেশ থেকে ফিরে থাকলে সিম্পটম থাকলে ডাক্তারের কাছে যান ইমিডিয়েটলি। সিম্পটম না থাকলে নিজেকে সেল্ফ আইসোলেটেড রাখুন সরকারি নির্দেশনা মেনে। ● ভীড় এড়িয়ে চলুন। জমায়েত করবেন না। জমায়েতে যাবেন না। ● ইমিউন কম্প্রোমাইজড পেশেন্টদের, অর্থাৎ ডায়াবেটিক, এইচআইভি পজিটিভ, ক্যান্সার, স্টেরয়েড নির্ভর পেশেন্ট বা ঐ ধ‍রণের অন্য সমস্যায় আক্রান্ত ঘনিষ্ঠজনকে আপাতত ঘরের বাইরে যেতে না করুন। ● সরকারি হেল্পলাইনের নম্বর ফোনে সেভ করে রাখুন। ● করোনা সংক্রান্ত যে কোন গুজব প্রতিহত করুন। চোখে পড়লে পুলিশকে জানান। ★ কিন্তু এই গাইডলাইন হুবহু কি সবক্ষেত্রে হুবহু মানা সম্ভব? যতটা সম্ভব ততটা করবেন। আর বেশ কিছু নির্দেশ যেমন এক মিটার দুরত্ব বা ভীড় এড়িয়ে চলা অনেকের পক্ষেই সম্ভব হচ্ছে না পেশাগত কারণে বাধ্য হয়েই তাদের যেতে হচ্ছে অফিসে। লোকাল ট্রেনে বা বাসে। তাদের জন্য কয়েকটি পয়েন্ট, ● তিনটে সিম্পটম। ড্রাই কফ, হাই ফিভার, দমবন্ধ হওয়া, এইকটা একসাথে হলে মাস্ট মাস্ট মাস্ট মেডিক্যাল অ্যাটেনশন। ● পেশাগত কারণে বাড়ির থেকে দূরে থাকতে যদি হয়, তবে যেখানে আছেন আগামী একমাস সেখানেই থাকা। বাড়ি না আসা। কারণ আপনার বয়স কম। আপনার রিকভারি রেট খুবই বেশী। মেডিক্যাল কেয়ার পেলে পঞ্চাশের নীচে অন্য কোন কারণে আগে থেকে অসুস্থতা না থাকলে এ ভাইরাসে জীবনের আশঙ্কা নেই। কিন্তু আপনার থেকে আপনার মা বাবা, বয়স্ক আত্মীয়রা সংক্রমিত হতে পারেন। আপনি নিশ্চয় তাদের জীবনের দাম দেন। ● বাড়িতে যাদের বেরোনো না হলেও চলে তাদের না বেরোতে বলা। একজনের হাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কেনার ব্যবস্থা রাখা। তার আনইউজুয়াল কোন সিম্পটম হলে অন্ততঃ সাতদিন দেখা যে জ্বর শ্বাসকষ্ট হচ্ছে কিনা। ● কর্মস্থলে যিনি আছেন তিনি আপাততঃ সপ্তাহান্তের ছুটিতে বাড়ি না এসে সেখানে থাকবেন এবং সেখানেও যেটুকু না বেরোলে নয়, সেটুকুই বেরোবেন। ● নিজের যাতায়াতের রুট একই রাখবেন। যতটা সম্ভব ফাঁকায় চলাচল করবেন। সিম্পটম যদি থাকে আপনার, তবে কর্মস্থলে আপনার দু মিটার ব্যাসের মধ্যে যারা আসছে তাদের নাম পরিচয় নোট রাখার চেষ্টা করবেন। এতে আপনার যদি সংক্রমণ হয়ও আপনি সম্ভাব্য সংক্রমণ সম্পর্কে ধারণা দিতে অথরিটিকে সাহায্য করতে পারবেন। ● কেউ কাশলে তাকে মাস্ক পরতে বলবেন। নাক মুখ আড়াল করতে বলবেন এবং যে কোন সিম্পটমেই মাস্ক নিজে ব্যবহার করবেন এবং সতর্ক থাকবেন। মনে রাখবেন 50 বছর বয়স পর্যন্ত উপযুক্ত মেডিক্যাল কেয়ার পেলে আপনার জীবনের ঝুঁকি নিতান্তই কম। কিন্তু আপনি আরো অনেকজনের মৃত্যুর কারণ হতে পারেন। একজন সুনাগরিক হিসাবে আমি মনে করি আপনি তা চাইবেন না। ★ আর কোন বক্তব্য? আছে। কিছু হিন্দু সংগঠন গোমূত্র ইত্যাদিতে কোরোনা সারে প্রচার করছেন। কিছু ইসলামী নেতৃস্থানীয় নিয়মিত মসজিদে ইজতেমায় গেলে কোরোনা হবে না বলছেন। বলবেন না এগুলো। আমি মনে করছি আপনারা নিজের নিজের কমিউনিটির ভালোই চান। আমি নিশ্চিত নই আমার ধারণা সঠিক কিনা, কিন্তু তবুও ধরে নিচ্ছি যে আপনারা ভালো চান। সেক্ষেত্রে এধরনের উদ্ভট কথা বলবেন না। গোমূত্র কিম্বা মসজিদে দল বেঁধে নমাজ কোনটিই কোরোনা থামাতে পারে না, বরং ঝুঁকি বহুগুণ বাড়াতে পারে। গোমূত্র খেয়ে আপনি অসুস্থ হতে পারেন। কারণ ওটি একটি স্তন্যপায়ী শরীর রেচিত বর্জ্য পদার্থ। যা অপকার করতে পারে। আর দল বেঁধে নমাজে গেলে একজনের থেকে হু হু করে অনেকের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে সংক্রমণ। বিভিন্ন ধর্মীয় ও রাজনৈতিক মেলা বা জমায়েত স্থগিত রাখুন। প্রচুর ধর্মস্থান নিজেদের যথেষ্ট সেন্সিবিলিটির পরিচয় দিয়ে তা করেছে। বাকি সকলেই তা করুন। ঘরে বসে বরং নিজের নিজের উপাস্যের কাছে এই সংক্রমণ রোধের প্রার্থনা করুন। প্রার্থনায় নিশ্চয়ই তাঁরা সাড়া দেবেন, এই বিশ্বাস আপনার মনকে সতেজ রাখবে। এই ধরণের ক্ষেত্রে যেখানে সরাসরি ওষুধ নেই, শরীরের ইমিউনিটিকেই লড়াই করে জিততে হয় সেখানে প্লাসিবো এফেক্টের অবশ্যই ধনাত্মক দিক আছে। সেটা ভালো। হাসপাতাল থেকে পালাবেন না। আপনি একা মরবেন এমনটা তো নয়, আরো অনেককে মারবার সম্ভাবনা তৈরী করে যাচ্ছেন। এটার অধিকার আপনার স্রেফ নেই। মিথ্যা খবর, গুজব ছড়াবেন না। কেউ ছড়াচ্ছে দেখলে পুলিশে জানাবেন। এটাও আপনার নাগরিক কর্তব্য। মহামারীর সময় গৃহবন্দী থাকতে ছুটি দেওয়া মানে ঘুরতে যেতে বলা নয়। দায়িত্বশীল হোন। সম্ভাব্য বিপদ সম্পর্কে সচেতন হোন। মূর্খতা করে সর্বনাশ ডেকে আনলে শুধু আপনি শিকার হবেন না। সমস্ত ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীর সাথে সাহায্য করুন। তারাই এখন ঈশ্বর। তাদের উপর কখনো কোথাও দলবল নিয়ে চোটপাট করে থাকলে কান ধরে দশবার উঠবস করে নিন। ঘরে আছেন, কেউ দেখতে পাবে না। আপাততঃ তেল দিন। নইলে আপনিও কেস খাবেন, আমিও কেস খাব। বর্ডারে সেনারা মরার জন্য টাকা পায়, হাসপাতালে ডাক্তাররা ডিউটির জন্য টাকা পায় এসব "বস্তুনিষ্ঠ, নির্বিকার, নিরপেক্ষ" বাতেলাবাজি বন্ধ রাখুন। ঝামেলা মিটে যাক কোনভাবে, তারপর ফুল ভল্যূমে নচিকেতাকে "ও ডাক্তার" গাইতে বলবেন। এখন বুদ্ধিজীবীদের এক কিলোমিটারের মধ্যে যাবেন না। দেখতেই তো পাচ্ছেন তারা কোন গাইডলাইন মানেন না। মনে রাখবেন এই শক্তিশালী ভাইরাসটিরও কিছু দুর্বলতা আছে। ● এটির মশার মতো কোন ভেক্টর নেই। ● এটি ভাইরাস। লিভিং বডির বাইরে হোস্টাইল সিচুয়েশনে সাসটেইনেবলিটি নিতান্তই কম। ● ড্রপলেট ছাড়া ছড়ানোর চান্স বলতে ক্লোজ কনটাক্ট লাইক চুমু, হ্যান্ডশেক, সিগারেট কাউন্টার জাতীয় জিনিস... এই যুদ্ধটা জিততে গেলে আমাদের শত্রুর দুর্বলতাকে ব্যবহার করতে হবে। যা আমরা পারি যদি যথেষ্ট নাগরিক সচেতনতা আয়ত্ব করতে পারি। ধন্যবাদ। #👉 আমি বাড়িতে সুরক্ষিত 👉 #😥বিশ্বজুড়ে করোনা 😥 #🤧India fights corona😲 #করোনা: প্রতিরোধের নিয়মাবলী😷
#

👉 আমি বাড়িতে সুরক্ষিত 👉

👉 আমি বাড়িতে সুরক্ষিত 👉 - Ranajoy 22 শে মার্চ রবিবার | গােটা দেশে জনতা কারফিউ হবে সকাল ৭ টা থেকে রাত 9 টা অবধি বাড়ির বাইরে যাওয়া যাবে না | নিজে বাঁচলে , সমাজ বাঁচবে । - ShareChat
1.8k জন দেখলো
16 দিন আগে
অন্য কোথাও শেয়ার করুন
Facebook
WhatsApp
লিংক কপি করুন
মুছে ফেলুন
Embed
আমি এই পোস্ট এর বিরুদ্ধে, কারণ...
Embed Post
অন্য কোথাও শেয়ার করুন
Facebook
WhatsApp
আন-ফলো
লিংক কপি করুন
অভিযোগ
ব্লক
আমি অভিযোগ করতে চাইছি কারন...