এর পরেই নাবালিকা কন্যার বাবা এবং বাড়ির মালিককে গ্রেফতার করে পুলিশ (Police)। ডেপুটি পুলিশ সুপার জে এম লাল এই ঘটনা নিয়ে বলেছেন, নাবালিকার বাবা ও বাড়ির মালিক দু’জনেই এই ষড়যন্ত্র করেছিল। এই ঘটনায় তৃতীয় ব্যক্তির খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। #🥵বাড়িওলার সঙ্গে স্ত্রী-কন্যাকে ধর্ষণ করার চুক্তি🥵
তা না দিতে পেরেই জঘন্য ও অমানবিক নেন ওই ব্যক্তি। গোপনে বাড়ির মালিকের সঙ্গে চুক্তি করে সে। বাড়ি ভাড়ার বদলে স্ত্রী ও কন্যার উপর যৌন নির্যাতন চালাতে পারবেন বাড়ির মালিক। তবে বাড়ির মালিক বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশের (Police) দারস্থ হন। তারপরেই পুলিশ পকসো (POCSO) ধারায় মামলা দায়ের করে। #🥵বাড়িওলার সঙ্গে স্ত্রী-কন্যাকে ধর্ষণ করার চুক্তি🥵
বাড়ি ভাড়া দিতে পারেননি। তাই বাড়ির মালিককে দিয়ে নিজের স্ত্রী ও নাবালিকা কন্যাকে ধর্ষণ করাল এক ব্যক্তি! এমনই একটি চাঞ্চল্যকর ভিযোগ উঠেছে। জানা যাচ্ছে, এই ঘটনাটি ঘটেছে গুজরাতের (Gujrat) মোরবিতে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার (Arrest) করেছে পুলিশ (Police)। সঙ্গে গ্রেফতার করা হয়েছে ঘরের মালিককে।
জানা গিয়েছে, ওই পরিবার গুজরাতের সুরেন্দ্রনগরের বাসিন্দা। তবে জীবিকার জন্য প্রায় ছয় মাস আগে তারা মোরবিতে এসে বসবাস শুরু করেন। যে বাড়িতে থাকতেন, সেই বাড়ির ভাড়া হল দু’হাজার টাকা। তবে গত কয়েকমাস ধরে ওই ব্যক্তি বাড়িভাড়া দিতে পারেননি বলে খবর। #🥵বাড়িওলার সঙ্গে স্ত্রী-কন্যাকে ধর্ষণ করার চুক্তি🥵
মোট ৯৭টি অভিযোগের ভিত্তিতে সুমিতকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারমধ্যে ৫৫টি অভিযোগ ছিল অশ্লীল ছবি তোলার। বাকিগুলো যৌন হেনস্তার অভিযোগ। গ্রেপ্তারির পর প্রায় চার বছর ধরে সুমিতের বিচারপ্রক্রিয়া চলে। অবশেষে সাজা ঘোষণা করতে গিয়ে সাউথ অস্ট্রেলিয়া ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের বিচারক কারমেন মাতেও জানান, ম্যাসাজ করাতে আসা মহিলাদের আস্থা অর্জন করতেন সুমিত। তাঁরা কিছুটা সহজ হয়ে গেলে অন্তর্বাস খোলা এবং অশ্লীল ছবি তোলা শুরু করতেন তিনি। এই তিক্ত অভিজ্ঞতার বোঝা দীর্ঘদিন বয়ে বেড়িয়েছেন, মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন-এমনটাই জানিয়েছেন নির্যাতিতারা। #😱ম্যাসাজের ছলে ৯ মাসে ৬১ মহিলার যৌন নির্যাতন😱
জানা গিয়েছে, ৩৯ বছর বয়সি ওই ব্যক্তির নাম সুমিত সতীশ রাস্তোগি। আদতে দিল্লির বাসিন্দা সুমিত ২০১১ সালে পাড়ি দেন অ্যাডিলেডে। সেখানে তিনি ম্যাসাজ থেরাপিস্ট হিসাবে কাজ শুরু করেন। কিন্তু তদন্ত চলাকালীন প্রমাণিত হয়, ম্যাসাজের কাজ করার কোনও প্রশিক্ষণ ছিল না সুমিতের। তা সত্ত্বেও প্রায় ১০ বছর কাজ করেছেন। সুমিতের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে ২০২১ সালের অক্টোবর মাসে। পরের বছর জুলাই মাসে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। শুধু এইটুকু সময়ের মধ্যেই ৬১ জন মহিলাকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ ওঠে সুমিতের বিরুদ্ধে। #😱ম্যাসাজের ছলে ৯ মাসে ৬১ মহিলার যৌন নির্যাতন😱
কোনও ডিগ্রি ছাড়াই ম্যাসাজ থেরাপিস্টের কাজ করতেন। তার আড়ালেই চলত লাগাতার যৌন নির্যাতন! শুধু তাই নয়, ম্যাসাজ পার্লারের আড়ালে চলত অশ্লীল ছবি তোলাও। বিস্ফোরক অভিযোগ অস্ট্রেলিয়ার এক ভারতীয়র বিরুদ্ধে। মাত্র ৯ মাসে তিনি অন্তত ৬১ জন মহিলাকে যৌন হেনস্তা করেছেন, এমনটাই জানা গিয়েছে। সবমিলিয়ে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে ৯৭টি অভিযোগ। #😱ম্যাসাজের ছলে ৯ মাসে ৬১ মহিলার যৌন নির্যাতন😱













