#📢রাজনৈতিক আপডেট🙏
চলছিলো বেশ বুজরুকি
মাঝখান থেকে মমতা ব্যানার্জি শীর্ষ আদালতের
দ্বারস্থ হয়ে পুরো জিনিসটা
জনগনের ও আদালতের নজরে এনে পুরো পরিকল্পনা টা ভেস্তে দিলো
কিছু এলাকায় বিশিষ্ট সম্প্রদায়ের মানুষ কোথাও আবার সর্বধর্ম নির্বিশেষে' বাদ দিয়েছে বা এডজুডিকেশন বলে তকমা এটে দিয়েছে
মুখ্য ইলেকশন কমিশনার মিস্টার আগরয়াল বললেন বেশ এতবড়ো কাজ ভুল হতেই পারে তাই বলে লাখে লাখে ভুল হবে জনগণ এটা মেনে নেবে।
জীবিত ভোটার মৃত হয়ে যাবে
মহিলা ক্রিকেট বিজয়ী দলের খেলোয়াড়, মুখ্যআধিকারিক, কাউন্সিলর, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য, বিধায়ক, BLO দের হয়
এডজুডিকেশন এবং কিছু ক্ষেত্রে ডিলিশন হয়ে গেছে।
কোথাও অমিত OMIT হয়ে গেছে।
আসলে টার্গেট আগেই ঠিক হয়েছিলো ১কোটি ২০ লক্ষ ভোট বাদ দিতে হবে যেটা শুভেন্দু, শমিক, সুকান্ত বারে বারে বলেছে। তাই সেটা করতে লজিকাল ডিসক্রিপন্সি নামক এক পদ্ধতির অপব্যবহার করেছে।
দাবি একটাই আওয়াজ একটা বৈধ ভোটারদের
ভোট দেওয়া সুনিশ্চিত করে ভোট করতে হবে
আপনাদের জ্ঞাতার্থে কয়েকটি ছবি দিলাম।
বিজেপি এই কৌশলে সব জায়গায় ভোট জেতে এটা হোলো শান্তিপূর্ণ রিগিং।
বিজেপি বিশেষ করে অমিত শা বলেছিলেন
গুষপেটিয়া সব চিহ্নিত করতে হবে। সেই লক্ষ্যে
এই SIR মনে করুন আগে ২০০২ সালে শুধু রিভিশন হয়েছিলো।।
যখন মিস্টার আগরয়াল কে প্রশ্ন করা কজন রোহিঙ্গা চিহ্নিত হোলো তিনি বললেন ওটা আমার বিষয় নয়।
বুঝতে পারছেন বিজেপির চক্রান্ত।
আসুন সবাই দল মত নির্বিশেষে এক জোট হয়ে বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনারের এই জঘন্য চক্রান্ত ব্যর্থ করি।
বাংলা ভাষী, ও বাঙালী, মতুয়াদের নাম বাদ গেছে রাজবংশিদের নাম বাদ গেছে এক বিশেষ সম্প্রদায়ের লোকদের নাম বাদ গেছে। এছাড়াও একটি বিধান সভার ভোট কেন্দ্রে একজন অন্য সম্প্রদায়ের আর বাদ বাকি সব অন্য
সম্প্রদায়ের তালিকা বেরোতেই দেখা গেলো ওই একজন অন্য সম্প্রদায়ের তার নাম শুধু আছে বাদ বাকি অন্য সম্প্রদায়ের নাম সব ডিলিট হয়ে গেছে ওই ভোট কেন্দ্র থেকে।
২০০২ সালের তালিকায় নাম থাকা ভোটার দের প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা নেওয়ার পর ও বিচারাধীন রেখে দিয়ে নির্বাচন কমিশন ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে।অথচ বিচারাধীন দের ছেলে মেয়েরা চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত।
অনেক বিএলও বিবেচনাধীন। এমনকি জুডিশিয়াল যারা এডজারিকশন কেস গুলি দেখবেন তাদের অনেকের নাম ও বিবেচনাধীন এর তালিকায় আছে
এমনকি সুপ্রিম কোর্টের মহামান্য বিচারক ও বিবেচনাধীন তালিকায় আছেন কি অবাক হচ্ছেন তো?? এটাই বাস্তব বিজেপি পরিচালিত ইলেকশন কমিশনের কাজ।
অনেকেরই পাসপোর্ট, মাধ্যমিক পরীক্ষার সার্টিফিকেট,প্যান কার্ড কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট আছে।পিপিও আছে।কেউ কেউ চাকরি করেন, কেউ কেউ পেনশন পান। জমি বাড়ির রেজিস্ট্রেশন থেকে জীবন বীমার সার্টিফিকেট আছে।১৯৫২ সালের ভোটার তালিকায় পিতা মাতার নাম আছে। এদেশে জন্ম।
তা সত্বেও হয় বিবেচনাধীন নয়ত বাদ।
তাই ভারতীয় বৈধ নাগরিকদের ভোটাধিকার সুরক্ষিত রাখতে গর্জে উঠুন এক সাথে
বিজেপি দুর হটো।
সবার জ্ঞাতার্থে দু একটি ছবি দিলাম বক্তব্য গুলির সমর্থনে